শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৯ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:৩৭

শীতলক্ষ্যায় লঞ্চডুবি

সেই কার্গো জাহাজের মাস্টার ড্রাইভারসহ পাঁচজন রিমান্ডে

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

Google News

নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীতে লঞ্চডুবির ঘটনায় ৩৪ জন নিহতের মামলায় ‘এমভি-এসকেএল-৩’ নামে কার্গো জাহাজ থেকে আটক করা ১৪ জনকে গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ। তাদের মধ্যে পাঁচজনকে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়েছিল। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। গতকাল বিকালে নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ হুমায়ুন কবির ওই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বাকি নয়জনকে কারাগারে পাঠান। নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, লঞ্চডুবির ঘটনায় গ্রেফতার ১৪ জনের মধ্যে পাঁচজনের পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠায় পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। বাকি নয়জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। তারা হলেন- জাহাজের মাস্টার অহিদুর জামান (৫০), ইঞ্জিন ড্রাইভার মজনু মোল্লা ( ৩৮), সুকানি আনোয়ার মল্লিক (৪০), গ্রিজার হৃদয় হাওলাদার (২০) ও গ্রিজার মো. ফারহান মোল্লা (২৭)। কারাগারে পাঠানো জাহাজ থেকে আটককৃতরা হলেন- লস্কর রাজীবুল ইসলাম (২৭), লস্কর মো. আবদুল্লাহ (২০), লস্কর মো. নূরুল ইসলাম (৩৫), লস্কর মো. সাকিব সরদার (২০), লস্কর মো. আফসার (১৮), লস্কর মো. সাগর হোসেন (১৯), লস্কর আলিফ শেখ (১৯) ও বাবুর্চি আবুল বাশার শেখ (৩৮)। এর আগে গত বৃহস্পতিবার গজারিয়া এলাকায় মেঘনা নদী থেকে ‘এমভি-এসকেএল-৩’ নামের কার্গো জাহাজটি এবং মাস্টার, ড্রাইভার, সুকানি ও লস্করসহ ১৪ জনকে আটক করেন কোস্টগার্ডের সদস্যরা।

পরে দুপুর ২টায় তাদের নারায়ণগঞ্জ নৌপুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মেঘনা নদী থেকে বিকাল ৬টায় সেন্ট্রাল খেয়াঘাট এলাকায় নোঙর করে রাখা হয় জাহাজটিকে। শুক্রবার দুপুরে ১৪ জনকে বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের উপ-পরিচালক বাবু লাল বৈদ্যের দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার দেখায় নৌপুলিশ।

নারায়ণগঞ্জ নৌ-থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘শীতলক্ষ্যায় লঞ্চ ডুবে নিহত ৩৪ জনের ঘটনায় বন্দর থানায় অজ্ঞাত আসামি করে দায়ের করা মামলায় আটক ১৪ জনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। আর জাহাজটিকে মামলার আলামত হিসেবে দেখানো হয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচজনকে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করে বিকালে আদালতে পাঠানো হয়।’

প্রসঙ্গত, গত ৪ এপ্রিল বিকাল সাড়ে ৬টায় সদর উপজেলার সৈয়দপুর কয়লাঘাট এলাকায় একটি কার্গো জাহাজ ধাক্কা দিয়ে অর্ধশতাধিক যাত্রীবাহী ‘এমভি সাবিত আল হাসান’ নামে লঞ্চটিকে ডুবিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ৬ এপ্রিল পর্যন্ত ৩৪ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই দিন গত রাতে লঞ্চ ডুবে ৩৪ জন নিহতের ঘটনায় বন্দর থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

এই বিভাগের আরও খবর