শিরোনাম
প্রকাশ : ১৯ জুলাই, ২০২১ ০৯:৪৫
আপডেট : ১৯ জুলাই, ২০২১ ০৯:৪৮
প্রিন্ট করুন printer

গবেষণা: দেশে করোনা আক্রান্ত শিশুর শরীরে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট!

সর্বনিম্ন আট মাস বয়সী শিশুর শরীরেও ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত

অনলাইন ডেস্ক

গবেষণা: দেশে করোনা আক্রান্ত শিশুর শরীরে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট!
দেশে করোনা আক্রান্ত শিশুর শরীরেও ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট!
Google News

চট্টগ্রামের দুইটি হাসপাতালে তিনটি প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগে গবেষকরা, নবজাতক থেকে ১৬ বছর বয়সী ১২ শিশুর জিনোম সিকোয়েন্সিং পরীক্ষার মাধ্যমে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি পেয়েছে। চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের ভর্তি শিশুদের মধ্যে এ গবেষণা করা হয়। জুন থেকে চলতি জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত শেষে গতকাল রবিবার গবেষকরা এ তথ্য জানান।

গবেষণায় দেখা যায়, আক্রান্ত শিশুদের ৮০ ভাগেরই বয়স ১০ বছরের নিচে। সর্বনিম্ন আট মাস বয়সের শিশুর শরীরে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে।

এছাড়াও গবেষক দলের অন্য গবেষণা অনুযায়ী, প্রাপ্তবয়স্ক করোনা রোগীদের মাঝে ৮০ ভাগ রোগী পুরুষ হলেও শিশুদের ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম দেখা যাচ্ছে। মেয়ে শিশুরাও সমানভাবে এ ভ্যারিয়েন্টে সংক্রমিত হচ্ছে। ৯৫ ভাগ শিশুর শরীরে জ্বরের লক্ষণ এবং ৭০ ভাগ শিশুর সর্দি ও কাশি ছিল। শুধুমাত্র একজন শিশু পুরোপুরি উপসর্গহীন ছিল।

গবেষণার নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. এইচ এম হামিদুল্লাহ মেহেদী ও ডা. আব্দুর রব মাসুম এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের চিকিৎসক ও অধ্যাপক ডা. সঞ্জয় কান্তি বিশ্বাস ও ডা. নাহিদ সুলতানা।

সার্বিক পরিকল্পনায় ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের শিক্ষক ড. আদনান মান্নান। এছাড়াও গবেষক দলে ছিলেন চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মো. মিনহাজুল হক, রাজদীপ বিশ্বাস, আকরাম হোসেন এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের ডা. ফাহিম হাসান রেজা।

জিনোম সিকুয়েন্সিং-এর তত্ত্বাবধানে ছিল আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) ভাইরোলজি বিভাগের গবেষক দল। যার নেতৃত্বে ছিলেন বিজ্ঞানী ড. মুস্তাফিজুর রহমান এবং ড. মোহাম্মদ এনায়েত হোসেন।

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের প্রধান ও গবেষখ ডা. আব্দুর রব মাসুম বলেন, ‘শিশুদের কোভিড সংক্রমতি হওয়ার মাত্রা বেড়ে যাওয়া অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। এক্ষেত্রে সামনের দিনগুলোতে শিশুদের জন্য বিশেষায়িত নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রের প্রয়োজন বেড়ে যেতে পারে। ফলে শিশুদের স্বার্থে এখন থেকে পরিবারের সবাইকে অনেক বেশি সতর্ক থাকতে হবে।’

 

বিডি প্রতিদিন / অন্তরা কবির 

এই বিভাগের আরও খবর