Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৭ ০০:০০ টা
আপলোড : ৯ অক্টোবর, ২০১৭ ২৩:১৫

তিন কোটি টাকার পুকুর গ্রাসের পাঁয়তারা

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

তিন কোটি টাকার পুকুর গ্রাসের পাঁয়তারা

লৌহজং উপজেলা পরিষদের মালিকানাধীন প্রায় তিন কোটি টাকা মূল্যের একটি পুকুর গ্রাস করে নেওয়ার পাঁয়তারা চলছে। পুকুরটি ভরাট করে ফেলা হচ্ছে। এতে ক্ষুব্ধ হওয়া জনগণ বলছে, যারা ভরাট করছে তাদের মতলব হলো এখানে মার্কেট ভবন তুলে দোকান বরাদ্দের নামে লাখ লাখ টাকার তোলা বাণিজ্য চালানো। পুকুরের আয়তন ১ একর ৪০ শতাংশ। এটি উপজেলা পরিষদের সাবেক কমপ্লেক্সে অবস্থিত। জানা যায়, পদ্মার ভাঙনে ঘোড়দৌড় বাজার সংলগ্ন উপজেলা কমপ্লেক্সের একাংশ নদীতে বিলীন হয়ে যায়। ২০০৬ সালের দিকে এখান থেকে উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স সরিয়ে নিলে পুকুরটি পরিত্যক্ত হয়। বছরের পর বছর পলি পড়ে পুকুরটি প্রায় ভরাট হয়ে গেছে। তাই, পুকুরের ধরন পরিবর্তন করে তাকে ‘জমি’ রূপে চিহ্নিত করার জন্য উপজেলা ভূমি অফিস একটি মানচিত্র তৈরি করে তা অনুমোদনের জন্য জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে পাঠিয়েছে। সূত্র জানায়, বর্তমান বাজার দরে পুকুরটির মূল্য ৩ কোটি টাকারও বেশি হবে। স্থানীয় প্রভাবশালীদের অনেকেরই এর ওপর কুনজর ছিল। তারা ভেবে পাচ্ছিল না কীভাবে এ পুকুর কব্জা করবে। কেন ভরাট করা হচ্ছে এই পুকুর তা জানেন না উপজেলা পরিষদ সদস্যরা। জানেন না বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যান। উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং স্থানীয় জনমনে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হচ্ছে এই কারণে যে, পুকুর ভরাটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন অন্য কেউ নন খোদ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জাকির বেপারি। ইউএনও মো. মনির হোসেন জানান, উপজেলা চেয়ারম্যান তাকে একবার জানিয়েছিলেন পুকুরটি প্রায় ভরাট হয়ে গেছে। এটি নিয়ে কিছু করা যায় কিনা তা দেখা দরকার।  উপজেলা চেয়ারম্যান মো. ওসমান গণি তালুকদার জানান, এখানে অন্য কিছু করার পরিকল্পনা নেই। তবে ভাইস চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বেপারি পুকুরটিতে বালু রাখার জন্য কয়েক মাস ব্যবহারের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছেন।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর