Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ১১ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১১ আগস্ট, ২০১৯ ০১:২৭

পানি-কাদায় একাকার আঞ্চলিক মহাসড়ক

শরীয়তপুর প্রতিনিধি

পানি-কাদায় একাকার আঞ্চলিক মহাসড়ক

শরীয়তপুর-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ১২ কিলোমিটার অংশের সংস্কার কাজ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। সড়কে বড় বড় গর্তে প্রায়ই গাড়ি আটকে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। ফলে দুর্ভোগের শেষ নেই এ সড়কে চলাচলকারী যাত্রী  পরিবহন শ্রমিকদের। শরীয়তপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) জানায়, শরীয়তপুর-চাঁদপুর সড়কের সদর উপজেলার মনোহর বাজার থেকে ভেদরগঞ্জের নরসিংহপুর ফেরিঘাট পর্যন্ত ২৭ কিলোমিটারের অবস্থা নাজুক দীর্ঘদিন ধরে। সড়কজুড়ে থাকা গর্ত পানি-কাদা একাকার হয়ে যাওয়ায় গত বছর এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সড়কটিতে যানবাহন বন্ধ ছিল। সওজ সূত্র জানায়, দুটি গুচ্ছ প্রকল্পের মাধ্যমে মনোহর বাজার থেকে নারায়ণপুর পর্যন্ত ১৫ কিমি সংস্কার গত ৩০ জুন শেষ হয়। একই সময়ে নারায়ণপুর থেকে আলুর বাজার পর্যন্ত ১২ কিলোমিটারের জন্য ঠিকাদার নিযুক্ত করা হলে তিনি কাজটি করতে অনীহা প্রকাশ করেন। তখন পুনরায় দরপত্র দিয়ে ইউনুছ অ্যান্ড ব্রাদার্স নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে গত বছর ২৬ আগস্ট কার্যাদেশ দেওয়া হয়। ইউনুছ অ্যান্ড ব্রাদার্স জানুয়ারি পর্যন্ত ২৫ শতাংশ কাজ করে ফেলে রাখে। তারা সড়কের ওই অংশের ছোট-বড় গর্ত বালু ও ইট দিয়ে ভরাট করে দেয়। এ বাবদ দুই কোটি ৩৯ লাখ টাকা বিল উত্তোলন করে। যান চলার কারণে ও বৃষ্টি হওয়ায় পুনরায় গর্ত সৃষ্টি হয়ে ১২ কিলোমিটার অংশ বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। ঝুঁকি নিয়ে চলছে করছে যান। প্রায়ই ওই সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সওজ জানায়, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি শেষ করার জন্য ছয় মাস সময় পায়। এ সময় শেষ হলে তারা গত ফেব্রুয়ারিতে আরও ৬ মাস সময় বাড়ানোর আবেদন করে। সময় বাড়ানো হলেও সংস্কার কাজই শুরু করেনি। এর পর মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি দল সড়ক পরিদর্শন করে নাজুক অংশ ইট দিয়ে সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেয়।

এ বিষয়ের প্রস্তাবনা সক্রান্ত একটি চিঠি গত ৩ জুন সওজের শরীয়তপুর নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে সওজের বিভাগীয় প্রকৌশলীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। শরীয়তপুর সওজের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার শরিফুল আলম বলেন, ‘সড়কটির ১২ কিলোমিটারের মধ্যে অন্তত পাঁচ কিলোমিটারে বিটুমিনের কাজ করা যাচ্ছে না। এ কারণে কিছু জটিলতা আছে। শিগগিরই জটিলতার অবসান হবে। সড়কটিতে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য গর্তে ইট দেওয়া হচ্ছে। শ্রমিকের সংকট থাকায় সব স্থানে কাজ করা যাচ্ছে না। তাই কিছু জটিলতা দেখা দিয়েছে।’


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর