শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ৩ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২ জুলাই, ২০২১ ২৩:৩১

হিলির ফার্মেসিতে মিলছে না জ্বরের ওষুধ

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

হিলির ফার্মেসিতে মিলছে না জ্বরের ওষুধ
Google News

করোনা মহামারীর মধ্যে জ্বরের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় হিলির ফার্মেসিগুলোতে মিলছে না কোনো কোম্পানির জ্বরের ওষুধ। যদিও দুই একটি দোকানে মিলছে তাও আবার চাহিদা ভেদে দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে এসব জ্বরের ওষুধ। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনের ফার্মেসি, বাজারের ফার্মেসি এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের দোকানগুলোতে মিলছে না জ্বরের ওষুধ।  বেক্সিমকো গ্রুপের নাপা সিরাপ, নাপা ট্যাবলেট, নাপা এক্সটেন্ডেড, নাপা এক্সট্রা, নাপা ওয়ান এবং স্কয়ার গ্রুপের এইচ এইচ প্লাস, এইচ ৫০০ অনন্য কোম্পানির জ্বরের ওষুধ।  জ্বরের ওষুধ নিতে আসা মাসুম নামের একজনের সঙ্গে কথা হয় তিনি বলেন, আমার মেয়ের জ্বর আসছে তাই ওষুধের দোকানে জ্বরের ওষুধ নিতে এলাম। এসে শুনি দোকানে নাকি জ্বরের ওষুধই নেই। এতে আমাদের বিপাকে পড়তে হচ্ছে। কথা হয় নাসির নামের আর একজনের সঙ্গে। তিনিও বলেন, সবার ঘরে ঘরে জ্বর দেখে কি কেউ ওষুধের সংকট তৈরি করল কি-না সেটা প্রশাসনকে ক্ষতিয়ে দেখার অনুরোধ করছি। আমরা হাসপাতালে গেলে ডাক্তাররা আমাদের এসব ওষুধ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন কিনতে গেলে তা আর পাওয়া যাচ্ছে না। এনতাজ নামের আরও একজন অভিযোগ করে বলেন, দুই একটি দোকানে ওষুধ মিলছে কিন্তু চাহিদা থাকায় তারা বেশি দামে বিক্রি করছে।

এতে করে   বৈষম্যের শিকার হচ্ছি আমরা। বেক্সিমকোর হিলির রিপ্রেজেন্টিভ আলেমন হোসেন  জানান, বর্তমানে সবার ঘরে ঘরে জ্বর হওয়ায় উৎপাদনের তুলনায় চাহিদা বাড়ছে যে কারণে বাজারে সরবরাহ কমেছে। তবে এই মাসের মধ্যে বাজারে ওষুধটির সরবরাহ  স্বাভাবিক হবে। হাকিমপুর (হিলি) ওষুধ ফার্মেসির সভাপতি জাহিদুল ইসলাম জানান, আমাদের উপজেলায় নাপা এক্সট্রা, নাপা এক্সটেনসহ এই গ্রুপের ওষুধগুলোর সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তবে এতে আতংকিত হবার কিছুই নেই। খুব দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হবে। হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার  ডাক্তার গাদ্দাফী সিকদার, আমাদের উপজেলায় জ্বরের প্রকোপটা একটু বেশি। বাজারে কোনো ওষুধের সরবরাহ নেই সেটা আমি বলতে পারব না তবে জ্বরের সব ধরনের ওষুধ পর্যাপ্ত আমাদের হাসপাতালে আছে। হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর এ আলম  জানান, করোনা মহামারীর এ সংকট মুহূর্তে যদি কোনো ওষুধ ফার্মেসির মালিকরা সংকট তৈরি করে দাম বেশি নেয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও জানান, ওষুধের সংকট   তৈরি করে দাম বেশি নিচ্ছে এমন অভিযোগ পেলে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

এই বিভাগের আরও খবর