বর্ষা মৌসুম এলেই উপকূলীয় দক্ষিণাঞ্চলের পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা নৌকার কদর বেড়ে যায়। কারণ এসময় নদ-নদীগুলোতে বেড়ে যায় পানির উচ্চতা। ফলে ভাঙা বেড়িবাধ দিয়ে গ্রামগঞ্জের খাল-বিল থেকে শুরু করে নালাগুলো পানিতে ডুবে থাকে। তখন নিম্নাঞ্চলের মানুষের চলাফেরায় প্রয়োজন হয় ছোট ছোট ডিঙ্গি নৌকার। এছাড়া নদীতে মাছ শিকারেও জেলেরা এ ছোট ছোট নৌকা ব্যবহার করে। কলাপাড়ার হেলিপ্যাড সংলগ্ন নদীতে বসে সবচেয়ে বড় নৌকার হাট।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার হাটের দিন হওয়ায় নৌকা বেচা-বিক্রিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন নৌকা ব্যবসায়ীরা। যদিও প্রতিদিনই এখানে চলে নৌকা বেচা-কেনা। কলাপাড়াতে নৌকা তৈরির তেমন কারিগর না থাকায় দূর-দূরান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা নৌকা কিনে এনে এখানে বিক্রি করছেন। এছাড়া মহিপুরের নিজামপুর, লালুয়া ও ধানখালী ইউনিয়নে ভাঙা বেড়িবাধ দিয়ে পানি প্রবেশ করার ফলে বেশির ভাগ কৃষক ও জেলেরা নৌকা ক্রয় করছেন। তাই প্রতি সপ্তাহের চেয়ে এ সপ্তাহে দামও একটু বেশি। প্রতিটি ডিঙ্গি নৌকা তারা প্রকার ভেদে বিক্রি করছেন ২ হাজার থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত। প্রতি সপ্তাহে এখানে প্রায় লাখ টাকার নৌকা বেচা-কেনা হয়।
নৌকা ব্যবসায়ী রহমান মিয়া জানান, পাশের উপজেলা আমতলী থেকে পাঁচটি নৌকা কিনে এনেছি। এখানে বিক্রি করব। আরেক ব্যবসায়ী খালেক মুন্সী জানান, কাঠের দাম ও মিস্ত্রিদের মজুরী বেশি হওয়ায় নৌকার দাম একটু বেশি। তবে গত সপ্তাহের চেয়ে এ সপ্তাহে বেচা-বিক্রি ভাল।
নৌকা বাজারের ইজারাদার গৌতম বাবু জানান, অনেক বেশি টাকা দিয়ে নৌকা বাজার ইজারা নিতে হয়েছে। আগের মত এখন আর নৌকা বেচা-কেনা হয়না। তাই এখন আর পোশায় না।
বিডি প্রতিদিন/২৪ জুলাই ২০১৮/হিমেল