শিরোনাম
প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল, ২০১৯ ১৯:৪৩
আপডেট : ২৪ এপ্রিল, ২০১৯ ১৯:৪২

পাহাড় ধসে প্রাণহানি এড়াতে লিফলেট বিতরণ

ফাতেমা জান্নাত মুমু, রাঙামাটি

পাহাড় ধসে প্রাণহানি এড়াতে লিফলেট বিতরণ

সম্ভাব্য পাহাড় ধস ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য সড়কে দাঁড়িয়ে লিফলেট বিতরণ করলেন রাঙামাটি জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ। এসময় তিনি আসন্ন বর্ষা মৌসুমে পাহাড় ধসে প্রাণহানির ঘটনা এড়াতে সাধারণ মানুষকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। 

মঙ্গলবার দুপুর ১টায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সামনে এ কার্যক্রম পরিচালন করেন তিনি। 

এসময় রাঙামাটি সদর সেনা জোনের জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মো. রফিক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম শফি কামাল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম ও জেলা সদরের ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক মো. দিদারুল আলম এ লিফলেট বিতরণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। 

এর আগে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এক বিশেষ সভায় পাহাড় ধস ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় জেলা প্রশাসন বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। 

সিদ্ধান্ত গুলো হলো, কাল বৈশাখী ঝড়, শিলাবৃষ্টি, বজ্রপাতসহ দুযোর্গ পূর্বাভাস জানার জন্য ১০৯০ নম্বারে ফোন করা, পাহাড়ের পাদদেশে ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাস করার থেকে বিরত, চিহ্নিত ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ থেকে বিরত, ভারী বর্ষণ ও অতি বৃষ্টির কারণে পাহাড় ধসের মোকাবেলায় জেলা ও উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক নির্ধারিত অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান, পাহাড় কাটা থেকে বিরত থাকা মাটি ক্ষয়রোধ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সামাজিক বনায়নে সহযোগিতা, অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে প্রতিটি সরকারি দপ্তর ও বাণ্যিজ্যিক ভবনে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র সংরক্ষণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় শুকনো খাবার সংগ্রহ রাখা, বাড়িতে প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম ও দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলা প্রশাসক, উপজেলা প্রশাসক ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্বেচ্ছাসেবাক দলকে সহায়তা করা। এসব সিদ্ধান্ত লিফলেট আকারে প্রকাশ করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিতরণ শুরু হয়েছে। 

এব্যাপারে জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ আরও বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যে কোনো দুর্যোগ মোকাবেলা করা সম্ভব। তাই গত বছর রাঙামাটিতে তেমন কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। প্রশাসন মানুষকে সচেতন করতে বিভিন্নভাবে কাজ করছে। পাহাড়ে বসবাসরত মানুষগুলো একটু সচেতন হলে পাহাড় ধসে কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগে আর কোনো ভয়াবহ প্রাণহানির ঘটনা ঘটবে না। জেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগে সেনাবাহিনী, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি যথেষ্ট সহযোগিতা করছে। এভাবে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করলে যে কোনো দুর্যোগ মোকাবেলা করা সম্ভব। 


বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য