শিরোনাম
প্রকাশ : ২৫ মে, ২০২০ ১৮:৩৭

বাউফলে যুবলীগ কর্মী তাপস হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি

বাউফলে যুবলীগ কর্মী তাপস হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ

যুবলীগ কর্মী তাপস দাসের খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগসহ এর সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা। আজ সোমবার বেলা ১১টার দিকে বাউফল পৌর শহরে এ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ সমাবেশে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা যোগ দেয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহর জুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। বিক্ষোভের পর পরই মেয়র জুয়েল সমর্থিত ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

জানা গেছে, তোরণ নির্মাণকে কেন্দ্র করে রবিবার দুপুরে সাবেক চিফ হুইপ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ স ম ফিরোজের সমর্থিত নেতা কর্মীদের সাথে বাউফল পৌর মেয়র জিয়াউল হক জুয়েলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় আ স ম ফিরোজ সমর্থিত যুবলীগ কর্মী তাপস দাসকে (২৯) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে মেয়র সমর্থিতরা। এ ঘটনায় আহত হয় উভয় পক্ষের ১০ নেতাকর্মী। ওই দিনই গুরুতর আহত অবস্থায় তাপস ও ইমাম নামের আরেক যুবলীগ কর্মীকে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিনই রাত ৮টায় তাপসের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠন বিক্ষুদ্ধ হয়ে ওঠে। সকালে তাপসের খুনিদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে উপজেলা আওয়ামী লীগ অফিস জনতা ভবন থেকে নেতাকর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে থানা ডাক বাংলোর সামনে ইলিশ চত্বরে সমাবেশ করে। এ সমাবেশে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মোতালেব হাওলাদারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম ফারুক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বাচ্চু, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম ফয়সাল আহম্মেদ মনির হোসেন মোল্লা প্রমুখ। 

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মোতালেব হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় মেয়র জিয়াউল হক জুয়েলকে হুকুমের আসামি করে বাউফল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র জিয়াউল হক জুয়েল সাংবাদিকদের বলেন, এ হত্যার সাথে তিনি বা তার কোন নেতাকর্মী জড়িত না। সে করোনাভাইরাসের উপর সচেতনতামূলক একটি সৌজন্য তোরণ করতে গেলে চেয়ারম্যান ইব্রাহিম ফারুক ও তার লোকজন তাদের উপর হামলা চালায়।

পটুয়াখালী বাউফল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. ফারুক হোসেন বলেন, জড়িত দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। 

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর