শিরোনাম
প্রকাশ : ৭ আগস্ট, ২০২০ ১১:১৯

শরীয়তপুরে বিপৎসীমার ৪২ সেন্টিমিটার ওপর পদ্মার পানি

শরীয়তপুর প্রতিনিধি

শরীয়তপুরে বিপৎসীমার ৪২ সেন্টিমিটার ওপর পদ্মার পানি
ফাইল ছবি

শরীয়তপুরে বিপৎসীমার ৪২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পদ্মার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ  শুক্রবার সকালে জেলার সুরেশ্বর পয়েন্টে জোয়ারের সময় বিপৎসীমার ৪২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল।

শরীয়তপুরের বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে বানভাসি মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। জেলার বেশিরভাগ রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে বন্যার পানিতে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফসলি জমি। দ্বিতীয়বার পানি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে এ জেলার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। দেখা দিয়েছে খাদ্য সংকট। সরকারি এবং বেসরকারিভাবে ত্রাণ-সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত থাকলেও তা চাহিদার তুলনায় একেবারেই অপ্রতুল।

এদিকে, শরীয়তপুরে পদ্মা নদীর প্রবল স্রোতে নদীর তলদেশ থেকে জিওব্যাগ ও সিসি ব্লক সরে যাওয়ায় ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। এতে সুরেশ্বর দরবার শরীফ বাঁধের প্রায় ৫৫ মিটার পদ্মায় বিলীন হয়ে গেছে। ফলে নতুন করে বাড়িঘর হারানোর ভয়ে দিন কাটছে স্থানীয় লোকজনের।

তবে ভাঙনরোধে ওই স্থানে সিসি ব্লক ও জিওব্যাগ ডাম্পিং করছে শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ভাঙন স্থানে শুকনো মৌসুমে বাঁধ নির্মাণে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গত তিনদিন ধরে পদ্মার পানি আবারও বাড়তে শুরু করায় শরীয়তপুরের ৫টি উপজেলার প্রায় সাড়ে ৩ লাখ মানুষ পানিবন্দী রয়েছে। মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। 

শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুরেশ্বর দরবার শরীফ ও আশেপাশে ভাঙন দেখা দিলে পানি উন্নয়ন বোর্ড ২০০৭ ও ২০১২ সালে ৩টি প্যাকেজে ২৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৮৫০ মিটার বাঁধ নির্মাণ করেন।

শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম আহসান হাবিব বলেন, পদ্মা নদীর প্রবল স্রোতে নদীর তলদেশ থেকে জিওব্যাগ ও সিসি ব্লক সরে যাওয়ায় সুরেশ্বর দরবার শরীফ বাঁধের ৫৫ মিটার পদ্মাগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনরোধে ইতোমধ্যে প্রায় ৩৬ হাজার জিওব্যাগ ও সাড়ে ৩ হাজার সিসি ব্লক ডাম্পিং করা হয়েছে। ডাম্পিং কাজ চলমান রয়েছে। শুকনো মৌসুমে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর