শিরোনাম
প্রকাশ : ১১ মে, ২০২১ ২০:৪২
প্রিন্ট করুন printer

হাড়িভাঙ্গা আম পাওয়া যাবে জুনের তৃতীয় সপ্তাহে

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর

হাড়িভাঙ্গা আম পাওয়া যাবে জুনের তৃতীয় সপ্তাহে
Google News

সুস্বাদের কারণে হাড়িভাঙ্গা আম সারাদেশে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। দেশের অন্যান্য স্থানের আম শেষ হয়ে যাওয়ার পরই এই আম বাজারে পাওয়া যায়। 

কৃষি অফিসের মতে, হাড়িভাঙ্গা আম গাছ থেকে পারা শুরু হবে জুনের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে। তবে প্রচণ্ড গরম কিংবা আবহাওয়া প্রতিকূল থাকলে নির্ধারিত সময়ের সপ্তাহখানেক আগেও বাণিজ্যিকভাবে এই আম বিক্রি করতে পারবে আম চাষিরা। ঝড় বাদলে কিছুটা ক্ষতি হলেও ফলন ভালো হয়েছে। 

রংপুর কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এবার রংপুর জেলায় ৩ হাজার ৫ হেক্টরের বেশি জমিতে আমের ফলন হয়েছে। এর মধ্যে হাড়িভাঙ্গার ফলন হয়েছে ১ হাজার ৪৫০ হেক্টরে। গত বছর প্রতি হেক্টরে ফলন হয়েছিল ৯ দশমিক ৪ মেট্রিক টন। এবার আশা করা হচ্ছে গতবছরের চেয়ে ফলন বেশি হবে। সেই হিসেবে শুধু হাড়িভাঙ্গা উৎপাদন হতে পারে পনের হাজার মেট্রিক টনের ওপর। মৌসুমের শুরুতে দাম কিছুটা কম থাকলে প্রতি কেজি হাড়িভাঙ্গা আম ৮০  থেকে ১৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয়। 

হাড়িভাঙ্গা আমের ফলন বেশি হলেও ফজলি, কেরোয়া, এছাহাক তেলি, ছাইবুদ্দিন, আশ্বীনি, সাদা নেংড়া, কালা নেংড়া, কলিকাতা নেংড়া, মিশ্রী ভোগ, গোপাল ভোগ, আম্রপলি, সাদা রচি, চোচা, আঁটিসহ হরেক প্রজাতির আম রয়েছে। তবে হাড়িভাঙ্গা আমের চাহিদাই বেশি। একটি হাড়িভাঙ্গা আমের ওজন ৪০০ গ্রাম পর্যন্ত হয়ে থাকে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি ঢাকার ডিএই অতিরিক্ত উপ-পরিচালক আবু সায়েম জানান, দেশের অন্যান্য স্থানের আম শেষ হয়ে যাওয়ার পর হাড়িভাঙ্গা আম বাণিজ্যিকভাবে বাজারে আসে। জুনের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে এই আম বাজরে আসবে।  

তিনি আরো জানান, গৌরমুখি ও বারি-৪ জাতের আম আরো পরে পাকে। তবে এই আম বাণিজকভাবে তেমনটা শুরু হয়নি।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন

এই বিভাগের আরও খবর