২ ডিসেম্বর, ২০২১ ১৩:৪১

অবশেষে পুরনো বগি দিয়েই চালু হলো বেনাপোল এক্সপ্রেস

বকুল মাহবুব, বেনাপোল:

অবশেষে পুরনো বগি দিয়েই চালু হলো বেনাপোল এক্সপ্রেস

ফাইল ছবি

পুরনো রেল বগি এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কামরা ছাড়াই ২৩৭ দিন পর চালু হলো কাঙ্খিত বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেন। ট্রেনের বগির মান এবং যাত্রী সেবা নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে বেনাপোলবাসী।

২০২০ সালের ১৭ জুলাই ভারতগামী পাসপোর্ট যাত্রীদের কষ্ট লাঘবের কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রী বেনাপোল এক্সপ্রেস নামে একটি ট্রেনের উদ্বোধন করেন। তখন ট্রেনটি ছিল সম্পূর্ণ নতুন এবং ইন্দোনেশিয়ার তৈরী। ট্রেনটিতে ২ টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কামরা, একটি কেবিন ছাড়াও ৬ টি শোভন চেয়ারের বগি ছিল। বর্তমান ট্রেনটি ভারতের তৈরি এবং অনেকদিনের পুরাতন নড়বড়ে। ট্রেনটিতে একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কেবিন থাকলেও সাধারণ যাত্রীদের জন্য কোনো বগি নেই।

করোনাকালিন সময়ে প্রায় ৮ মাস আগে গত ৫ এপ্রিল বন্ধ হয়ে যায় ট্রেনটি। বেনাপোলের সাথে ভারতগামী পাসপোর্ট যাত্রী চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় লোকসানের মধ্যে পড়ে বেনাপোল একপ্রেস। এছাড়া করোনাকালিন পরিস্থিতির কারনে দেশের সব ট্রেন বন্ধ হলে বেনাপোল-ঢাকাগামী আন্তঃনগর এ ট্রেনটি সরকার বন্ধ করে দেয়। বেশ কিছু দিন আগে সরকার সব ধরনের যান চলাচলে  নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেও অজ্ঞাত কারণে চালু করা হয়নি ‘বেনাপোল এক্সপ্রেস’। ফলে কষ্ট এবং দুর্ভোগ পোহাতে হয় মেডিকেল ভিসা নিয়ে প্রতিদিন ভারত যাতায়াতকারী প্রায় ১ হাজার পাসপোর্টধারী যাত্রীর। 

এ ছাড়া সড়ক পথের বেহাল দশা ও দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে ফেরিঘাটে যানজটের কারণে নানা ধরনের হয়রানির শিকার হতে হয় যাত্রীদের। বর্তমানে বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে প্রতিদিন ভারতে যাচ্ছেন এক হাজারেরও অধিক যাত্রী। দেশে ফিরছেন অনুরুপ সংখ্যক। যাত্রীদের ৯৫ শতাংশ অসুস্থ। 

বেনাপোল থেকে ঢাকায় যেতে পরিবহনে সময় লাগে ১২/১৪ ঘণ্টা। সেখানে ট্রেনে নির্বিঘ্নে সাড়ে সাত ঘণ্টায় বেনাপোলে থেকে ঢাকায় পৌঁছানো যায়। সপ্তাহে এক দিন বুধবার বিরতি দিয়ে প্রতিদিন দুপুর পৌনে ১ টায় বেনাপোল এবং রাত সাড়ে ১০টায় কমলাপুর থেকে ছাড়ে বেনাপোল একপ্রেস। ট্রেনটি দীর্ঘদিন পর বেনাপোল এসে পৌঁছালে তা এক নজর দেখার জন্য ষ্টেশনের ভিড় করেন অনেকে। 

বিডি প্রতিদিন/হিমেল

সর্বশেষ খবর