শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:০৮, মঙ্গলবার, ২৭ মে, ২০২৫ আপডেট: ১২:৪৮, মঙ্গলবার, ২৭ মে, ২০২৫

রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক-আইনি অস্থিরতায় স্থবির শিল্পখাত

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক-আইনি অস্থিরতায় স্থবির শিল্পখাত

দেশে বিরাজমান রাজনৈতিক অস্থিরতা, আর্থিক সঙ্কট এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ক্রমবর্ধমান চাপের কারণে ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সারা দেশের শিল্পখাত ব্যাপক বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে চলে যাচ্ছে যে তা ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের উপর ‘অঘোষিত যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করছেন অনেকে।

সাম্প্রতিক সময়ে, দেশের প্রথমসারির বেশ কয়েকজন শিল্পপতি তদন্তের মুখোমুখি হয়েছেন। ব্যবসায়িক নেতারা দাবি করছেন, তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) থেকে সমন, এমনকি আইনি পদক্ষেপের আড়ালে চাঁদাবাজির হুমকির সম্মুখীন হতে হয়েছে। ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে খুনসহ মিথ্যা ফৌজদারি অভিযোগ আনার অভিযোগও রয়েছে। যা আতঙ্ককে আরও বাড়িয়ে তুলছে। এর কারণে বিনিয়োগ পরিকল্পনা বার বার বাধার সম্মুখীন হচ্ছে।

এমনকি বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যও উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে (জুলাই থেকে মার্চ) গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে শিল্পপণ্য আমদানির জন্য ব্যবহৃত ঋণপত্র (এলসি) উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।

তথ্য বলছে, টেক্সটাইল যন্ত্রপাতির জন্য এলসি খোলার পরিমাণ ১৬.০৭% কমেছে। সেটেলমেন্ট কমেছে ২১.৬৬%। চামড়া শিল্পের এলসি খোলার পরিমাণও ১৮.১৮% কমেছে। যদিও সেটেলমেন্ট সামান্য বেড়ে ২.৪৬% হয়েছে। ওষুধ শিল্প আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই শিল্পে এলসি খোলার পরিমাণ ২১.৪৪% কমেছে এবং সেটেলমেন্ট ৪২.৫২% কমেছে। প্যাকেজিং উপকরণের এলসি খোলার পরিমাণ ৩৫.৫২% কমেছে। সেটেলমেন্ট ৩৭.৬৯% কমেছে। কাঁচা তুলা আমদানিতে এলসি খোলার পরিমাণ ৯.২৯% কমেছে এবং সেটেলমেন্ট ২.৫৩% কমেছে।

এছাড়া লোহা ও ইস্পাত স্ক্র্যাপ, ক্লিংকার, চুনাপাথর, ট্রাক্টর এবং পাওয়ার টিলারের মতো কৃষি যন্ত্রপাতি, কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের আমদানিও কমেছে আশংকাজনকভাবে।

তবে কিছু ব্যতিক্রমও আছে। পাট শিল্পে এলসি খোলার পরিমাণ ৫৩.৮৪% বেড়েছে। যদিও সেটেলমেন্ট ১৪.৫৮% কমেছে। পোশাক খাতও কিছুটা স্থিতিশীলতা দেখা গেছে। এলসি খোলা ২০.৭৪% বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সেটেলমেন্ট ৫.৬০% বৃদ্ধি পেয়েছে।
কিন্তু শিল্প বিনিয়োগের অন্যতম গুরত্বপূর্ণ অংশ মূলধন যন্ত্রপাতি আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।

জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত, এই খাতে এলসি খোলা ২৮.৬৮% হ্রাস পেয়েছে। যা ১,৮০৪ মিলিয়ন ডলার থেকে ১,৩৩৫ মিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। সেটেলমেন্টও ২৩.৮৬% হ্রাস পেয়েছে। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২,১৩৩ মিলিয়ন ডলার থেকে ১,৫২১ মিলিয়ন ডলারে নেমেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমদানি হ্রাসের কারণ হল বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা। স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মুদ্রানীতিও এর পেছনে বড় ভূমিকা পালন করেছে। এর পাশাপাশি উচ্চ সুদের হার এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ব্যাংক ঋণকে ব্যয়বহুল করে তুলেছে। যা বিনিয়োগকে আরও নিরুৎসাহিত করেছে।

এমন অবস্থায় দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা, সরকার এবং ব্যবসায়িদের মধ্যে সংলাপের অভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর জটিলতা আরও তীব্র হয়। ভূমি বাণিজ্য হ্রাস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক শুল্ক বৃদ্ধি এবং দুর্বল হওয়া বিশ্ব বাজারের কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে শুরু করে। এমন পরিস্থিতির দ্রুত সমাধান না হলে গুরুতর পরিণতির দিকে ধাবিত হতে পারে দেশ, এমন সতর্কতা জানিয়েছেন শিল্পখাত সংশ্লিষ্টরা।

এর পাশাপাশি ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব, শিল্প উৎপাদন হ্রাস এবং বৃহত্তর সামাজিক অস্থিতিশীলতার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে গত রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একটি আবেগঘন আবেদন জানান। তিনি বলেন, “যদি ব্যবসায়ীদের আর্তনাদ শোনা না যায়, তাহলে ঈদের পরে আমাদের কারখানাগুলো ত্যাগ করতে হতে পারে।” 

তিনি আরও বলেন, “এই দেশে বৈষম্যের বিরুদ্ধে একটি সংস্কার ঘটছে – একটি বিপ্লব চলছে। আমরা সেই বিপ্লবের অন্যতম প্রধান অংশীদার।” 

আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, “লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে আমরা অর্থনীতির চাকা সচল রাখছি। দয়া করে এটি বিবেচনায় নিন। আপনি যদি এই লোকদের বিবেচনা না করেন, তাহলে আমরা দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি যে এই দেশ আর কোনও অর্থে একটি দেশ থাকবে না।” 

শিল্পখাত ও সরকারের মধ্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশীদারিত্বের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়ে ভবিষ্যতের পথ তৈরি করতে হবে বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশ থাই চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি শামস মাহমুদও একই রকম হতাশা প্রকাশ করে বলছেন, “যতক্ষণ না ব্যাংকিং খাত তারল্য ফিরে পায় ততক্ষণ পর্যন্ত কোনও নতুন শিল্প বিনিয়োগ আসবে না,” 

তিনি সতর্ক করে বলেন, “ব্যাংকগুলোকে শিল্প নয় বরং ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ করতে চাপ দেওয়া হচ্ছে। উদ্যোক্তাদের জন্য তারল্য আরও কঠোর করা হচ্ছে।”

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) এর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম আরও কিছু চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে বলেন, “জ্বালানি সংকট, ব্যাংক অর্থায়নের অভাব এবং শিল্পায়নের প্রতি সামগ্রিক নীতিগত অবহেলা রয়েছে।” 
 
তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বর্তমান নীতিগুলো শিল্প প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করছে।” 

ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি রিজওয়ান রহমানও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “যেখানে আইনশৃঙ্খলা অনিশ্চিত সেখানে কেউ বিনিয়োগ করবে না। প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিরাপত্তা এবং আস্থা পুনরুদ্ধার করতে হবে সরকারকে।” 

ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইএনএম) এর নির্বাহী পরিচালক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাক্তন প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মুস্তফা কে মুজেরি সতর্ক করে বলেছেন যে সামগ্রিক ব্যবসায়িক পরিবেশ দ্রুত অবনতি হচ্ছে।

তিনি বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতি ব্যবসার জন্য অত্যন্ত প্রতিকূল। অনাচার, চাঁদাবাজি, অযৌক্তিক মামলা এবং ব্যবসায়ীদের উপর হামলার ক্রমবর্ধমান ঘটনা কেবল অর্থনীতির ক্ষতি করছে না বরং ব্যাপক সামাজিক অস্থিরতাকেও বাড়িয়ে তুলছে।” 

তিনি সতর্ক করে আরও বলেন, তাৎক্ষণিক এবং সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ না নিলে বাংলাদেশ আরও গভীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটে ডুবে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
বিদায়ী সপ্তাহে পুঁজিবাজারে সূচকের সঙ্গে বেড়েছে লেনদেন
বিদায়ী সপ্তাহে পুঁজিবাজারে সূচকের সঙ্গে বেড়েছে লেনদেন
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটিতে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে রেকর্ড
চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটিতে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে রেকর্ড
রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের আহ্বান এনবিআর চেয়ারম্যানের
রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের আহ্বান এনবিআর চেয়ারম্যানের
আগস্টের ২৭ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২০৮ কোটি ডলার
আগস্টের ২৭ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২০৮ কোটি ডলার
তিন স্থলবন্দর বন্ধ ও একটির কার্যক্রম স্থগিত করলো সরকার
তিন স্থলবন্দর বন্ধ ও একটির কার্যক্রম স্থগিত করলো সরকার
৬ মাসে ১.২৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রস্তাব পেয়েছে বাংলাদেশ
৬ মাসে ১.২৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রস্তাব পেয়েছে বাংলাদেশ
দেশে প্রবৃদ্ধি কমেছে ৩.৯৭ শতাংশ
দেশে প্রবৃদ্ধি কমেছে ৩.৯৭ শতাংশ
পুঁজিবাজার: সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় চলছে লেনদেন
পুঁজিবাজার: সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় চলছে লেনদেন
নগদ লেনদেনে বছরে ক্ষতি ২০০৮ কোটি টাকা
নগদ লেনদেনে বছরে ক্ষতি ২০০৮ কোটি টাকা
নগদকে বেসরকারি করা হবে : গভর্নর
নগদকে বেসরকারি করা হবে : গভর্নর
সর্বশেষ খবর
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় একদিনে ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় একদিনে ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নরসিংদীতে কারাগার থেকে পলাতক আসামি গ্রেফতার
নরসিংদীতে কারাগার থেকে পলাতক আসামি গ্রেফতার

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)

২০ মিনিট আগে | জাতীয়

গাজা সিটি থেকে নিরাপদ গণউচ্ছেদ ‘অসম্ভব’: রেড ক্রস প্রধান
গাজা সিটি থেকে নিরাপদ গণউচ্ছেদ ‘অসম্ভব’: রেড ক্রস প্রধান

২৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রিটেনে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ থেকে গ্রেফতার ৩
ব্রিটেনে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ থেকে গ্রেফতার ৩

৪৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্সে ভিড়ের মধ্যে গাড়ি চাপায় নিহত ১, আহত ৫
ফ্রান্সে ভিড়ের মধ্যে গাড়ি চাপায় নিহত ১, আহত ৫

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মহানবী (সা.)-এর জীবনাচারে সরলতার সৌন্দর্য
মহানবী (সা.)-এর জীবনাচারে সরলতার সৌন্দর্য

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গুলার-ভিনিসিউসের গোলে রিয়ালের টানা তিন জয়
গুলার-ভিনিসিউসের গোলে রিয়ালের টানা তিন জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে ব্রাজিল স্কোয়াডে পরিবর্তন

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সাইম ও নওয়াজের ব্যাটে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় জয়
সাইম ও নওয়াজের ব্যাটে পাকিস্তানের টানা দ্বিতীয় জয়

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সরকার-সেনাবাহিনী নিয়ে অতিকথন নির্বাচন ভণ্ডুলের অপচেষ্টা?
সরকার-সেনাবাহিনী নিয়ে অতিকথন নির্বাচন ভণ্ডুলের অপচেষ্টা?

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব
সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না : নবীউল্লাহ নবী
নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না : নবীউল্লাহ নবী

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল
চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

ছাদ থেকে লাফ, ফতুল্লায় নারীর আত্মহত্যা
ছাদ থেকে লাফ, ফতুল্লায় নারীর আত্মহত্যা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বিতর্কে বিজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বিতর্কে বিজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু
নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের পুনরুত্থান হতে দেব না: নওশাদ
বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের পুনরুত্থান হতে দেব না: নওশাদ

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইনের গোলে টেবিলের শীর্ষে চেলসি
ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইনের গোলে টেবিলের শীর্ষে চেলসি

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নামাজ শেষে ঘরে বসা অবস্থায় গৃহবধূ খুন
নামাজ শেষে ঘরে বসা অবস্থায় গৃহবধূ খুন

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমি সব মুহূর্তের চ্যালেঞ্জ নিতে চাই: তাসকিন
আমি সব মুহূর্তের চ্যালেঞ্জ নিতে চাই: তাসকিন

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যোগ করা সময়ে ব্রুনো ফার্নান্দেজের গোলে ইউনাইটেডের নাটকীয় জয়
যোগ করা সময়ে ব্রুনো ফার্নান্দেজের গোলে ইউনাইটেডের নাটকীয় জয়

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মানিকগঞ্জ পৌরসভায় রাস্তা বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
মানিকগঞ্জ পৌরসভায় রাস্তা বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

১৮ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না
মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না

নগর জীবন

নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

নগর জীবন