শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ২১ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২০ জানুয়ারি, ২০১৯ ২২:৩৬

প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার

দেশ হোক দুর্নীতি সন্ত্রাস মাদকমুক্ত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতি-জঙ্গি-মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তার সরকারের অঙ্গীকারের কথা আবারও ঘোষণা করেছেন। শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশে তিনি গ্রামে শহরের সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের নির্বাচনী অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন- আমার শহর হবে আমার গ্রাম। বিজয় সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য নানা কারণেই তাৎপর্যের দাবিদার। একাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোটের বিশাল বিজয়ের পেছনে বিরোধী দলের নেতৃত্বহীন ছত্রভঙ্গ অবস্থার বিপরীতে মহাজোটের সুদৃঢ় নেতৃত্বের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী অঙ্গীকারগুলো ভোটারদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রভাব রেখেছে। ১০ বছরের অভিজ্ঞতায় দেশবাসী দেখেছে বাংলাদেশকে পিছিয়ে পড়া অবস্থান থেকে সামনের কাতারে এগিয়ে নিতে শেখ হাসিনার সরকার আন্তরিক ভূমিকা রেখেছে। নানা ভুল-ত্রুটি সত্ত্বেও দেশের উন্নয়নে সরকারের অঙ্গীকারবদ্ধ ভূমিকার কারণে গত নির্বাচনে প্রতিপক্ষের ভূমিধস ঘটিয়ে নিজেদের জন্য বড় বিজয় অর্জন করতে পেরেছে আওয়ামী লীগ। গত এক দশকে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও মাদক নির্মূলে অনেকখানি এগিয়েছে বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বাধীন সরকার। দুর্নীতি বন্ধে সে তুলনায় সাফল্য কম হলেও স্বীকার করতেই হবে এখন আর বিশ্বের শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে বাংলাদেশের মানুষকে লজ্জিত হতে হয় না। গত নির্বাচনে গ্রামে শহরের সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ এবং দুর্নীতি-জঙ্গি-সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলের অঙ্গীকারের প্রতি আস্থা রেখেই দেশবাসী আওয়ামী লীগ তথা মহাজোটকে ভোট দিয়েছে। নির্বাচনোত্তর বিজয় সমাবেশে সে অঙ্গীকার পূরণের যে প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন তা প্রশংসার দাবিদার। দেশের মানুষের দৃঢ় আস্থা নির্লোভ মনোভাবের অধিকারী বঙ্গবন্ধুকন্যার পক্ষেই দেশকে দুর্র্নীতির অভিশাপ থেকে মুক্ত করা সম্ভব। জঙ্গিবাদ সন্ত্রাসবাদ ও মাদকের হাত থেকে জাতিকে রক্ষার ক্ষেত্রে তিনি কাণ্ডারির ভূমিকা রাখবেন এটি গণমানুষের প্রত্যাশা। এ কঠিন লড়াইয়ে তিনি কতটা সফল হবেন তার ওপর সরকারের সুনামও অনেকাংশে নির্ভর করছে। এটিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে হবে।


আপনার মন্তব্য