শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২৩:২৩

হাসপাতালে আগুন

কারণ উদ্ঘাটনের উদ্যোগ নিন

হাসপাতালে আগুন

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একটি ভবনে অগ্নিকাণ্ডে এক শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। আগুন লাগার পর হাসপাতালের ১ হাজার ২০০ রোগীকে দ্রুত নিরাপদে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়। তাদের মধ্যে একটি শিশুর লাশ ছিল, অগ্নিকাণ্ড না অন্য কারণে তার মৃত্যু হয়েছে সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১৬টি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। হাসপাতালের দেয়াল ভেঙে চিকিৎসাধীন থাকা প্রায় ১ হাজার ২০০ রোগীর সবাইকে নিরাপদে পাশের অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এ সময় রোগীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আতঙ্কিত স্বজনদের কেউ কেউ রোগী নিয়ে বাসায় চলে যান। অগ্নিকাণ্ডের পর ধোঁয়ার মাত্রা ছিল অনেক বেশি। সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের তৃতীয় তলার ১১ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝামাঝি স্থানের স্টোর রুম থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন লাগার সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে দূরদূরান্ত থেকে রোগীদের আত্মীয়স্বজনরা আসতে শুরু করেন। তারা রোগী স্থানান্তরে স্বেচ্ছাশ্রম দিতে থাকেন। রোগীদের কোলে তুলে, কাউকে বেডসহ আবার কাউকে হুইল চেয়ারে করে দ্রুত নামিয়ে আনা হয়। আইসিইউতে থাকা রোগীদেরও সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অগ্নিকাণ্ডের কারণ কী, তা যথাযথ তদন্তে উদ্ঘাটিত হতে পারে। তবে এ অগ্নিকাণ্ডকে কেন্দ্র করে বিপন্ন মানবতার ডাকে যেভাবে এলাকাবাসী রোগীদের দ্রুত সরিয়ে নিতে সহায়তা করেছে তা একটি স্বস্তিদায়ক ঘটনা। মানুষ মানুষের জন্যÑ এই মনোভাবে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল থেকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত রোগীদের দিকে মানবিক হাত বাড়িয়েছেন চিকিৎসক ও সেবিকারা। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা হাসপাতালের আগুন নেভাতে যেভাবে তৎপর হয়েছেন তাও প্রশংসার দাবিদার। আমাদের বিশ্বাস, কীভাবে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হলো তদন্ত করা হবে। বিপদের সময় অন্যের পাশে দাঁড়ানোর এ ধারা আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে।


আপনার মন্তব্য