শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৪ নভেম্বর, ২০২০ ২৩:০৫

পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনা

সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করবে

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও সভ্য দেশের কাতারে নিজেদের অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে সারা দেশে পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনার মহাপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ১২ বছর মেয়াদি এ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বৈপ্লবিক সাফল্য অর্জন হবে। মেগাসিটি ঢাকাসহ সব সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও পল্লী অঞ্চলে পৃথক কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে আধুনিক পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনা সেবা চালুসহ সবার জন্য নিরাপদ স্যানিটেশনব্যবস্থা নিশ্চিত করার এ প্রকল্পটি আশা জাগানিয়া। ২১টি মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় এ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশেও বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা চলছে। সব ধরনের বর্জ্য এমনভাবে ব্যবস্থাপনা করা হবে যাতে পরিবেশ দূষণ ও মানুষের স্বাস্থ্যের হানি না ঘটে। এ জন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। যত ধরনের লজিস্টিক সাপোর্ট দরকার সরকার তার ব্যবস্থা করবে। শহরের পাশাপাশি গ্রামেও একই ব্যবস্থা করতে হবে। পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবহনের জন্য কেনা হবে আধুনিক সরঞ্জাম। পরিশোধনের মাধ্যমে পয়ঃবর্জ্য থেকে উৎপাদন হবে জৈব সার, যা বিক্রি করে অর্থ আয় করবে পৌরসভাগুলো। ১৮৪টি পৌরসভায় এফএসটিপি তৈরির জন্য নিজস্ব জমি না থাকায় জমি অধিগ্রহণের ব্যবস্থা ধরা হবে। ২০১৯ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে এসব কাজ বাস্তবায়নে ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ৯ হাজার ৮৭৫ কোটি টাকা। প্রথম তিন বছরে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

একইভাবে পল্লী অঞ্চলের উপজেলা, ইউনিয়ন পরিষদগুলোর জন্য পৃথক কর্মপরিকল্পনায় ১২ বছরে মোট সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৫৭৬ কোটি ২৮ লাখ ৫২ হাজার ৮৬৪ টাকা। পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সরকারের গৃহীত পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন হলে সভ্যতার ক্ষেত্রে দেশের অগ্রগতি অনেকখানি নিশ্চিত হবে। জনস্বাস্থ্য সুসংরক্ষণেও ঘটবে অগ্রগতি। জৈব সারের মাধ্যমে কৃষি ক্ষেত্রেও অর্জন হবে নজরকাড়া সাফল্য।


আপনার মন্তব্য