শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০২৫

গণতন্ত্র : কোথায় তারে পাই

ফাইজুস সালেহীন
প্রিন্ট ভার্সন
গণতন্ত্র : কোথায় তারে পাই

কাগজে আঁকা বাঘ, সে বাঘ নয়। কাগজের গোলাপ গোলাপ নয়। বইয়ে লেখা বা মুখে বলা গণতন্ত্রও কোনো গণতন্ত্র নয়। আমরা, বাংলাদেশের মানুষ সেই কবে থেকে মুখে বলা এবং কাগজে লেখা সেই গণতন্ত্রই কেবল পেয়ে চলেছি। কাগজের আর বক্তৃতার সেই গণতন্ত্রের জাত, উপজাত; তাও সংখ্যায় কম নয়। পাকিস্তান জমানায় ফিল্ড মার্শাল মুহাম্মদ আইয়ুব খান দিয়েছিলেন মৌলিক গণতন্ত্র, বেসিক ডেমোক্র্যাসি। ভোটের মাঠে সেই তন্ত্রের চর্চাও হয়েছিল। সেই গণতন্ত্রের গুণের শেষ নেই। সেই গুণাবলি লেখা আছে অসংখ্য বইয়ে ও প্রবন্ধ-নিবন্ধে। আইয়ুব খান নিজেও একখানা বই লেখেন-ফ্রেন্ডস নট মাস্টার্স। সেখানেও মৌলিক গণতন্ত্রের মাহাত্ম্য বর্ণনা করা হয়েছে। সেই বইয়ের অনূদিত সংস্করণ এখন ঢাকায় পাওয়া যায়। এ ছাড়াও রাইটার্স গিল্ড ও ব্যুরো অব ন্যাশনাল রিকনস্ট্রাকশন-বিএনআরের তালিকাভুক্ত লেখক-অধ্যাপকরা আইয়ুব খানের উন্নয়ন ও মৌলিক গণতন্ত্রের মাহাত্ম্য বর্ণনা করে অনেক লিখেছেন। শেষ পর্যন্ত মৌলিক গণতন্ত্রের কাগুজে মন্ত্র মারণযন্ত্র হলো পূর্ব পাকিস্তানের।

পাকিস্তান জমানা গেল, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে পেলাম স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে অনেক সমস্যা। তার সঙ্গে পেলাম শোষিতের গণতন্ত্র যার ডাকনাম মুজিববাদ। যে কমিউনিস্টরা সর্বহারার গণতন্ত্র চাইছিলেন তারা শোষিতের গণতন্ত্রের সেøাগান শুনে ভাবলেন, আমরা তো এটাই চাইছিলাম। এই শোষিতের গণতন্ত্র ও মুজিববাদ নিয়ে লেখক, সাংবাদিক ও অধ্যাপকরা যে কত কলমের কালি ফুরিয়েছেন, তার কোনো মাপঝোঁক নেই। ঢাউস ঢাউস বই লেখা হয়েছে। পঁচাত্তরে এসে পেলাম একদলীয় গণতন্ত্র। এর আরেকটা নামও দেওয়া হয়েছিল দ্বিতীয় বিপ্লব। পোশাকি নাম বাকশাল। দ্বিতীয় বিপ্লবটা নাকি ছিল শোষিতের গণতন্ত্রের চূড়ান্তরূপ। পঁচাত্তরের পরে পেলাম প্রেসিডেন্টশাসিত গণতন্ত্র। শেখ হাসিনার জমানায় এসে দেখা মিলল কম গণতন্ত্র বেশি উন্নয়ন তথা উন্নয়নের গণতন্ত্র। উন্নয়নের গণতন্ত্রের চোখা দাঁতগুলো যে কতটা ধারালো ছিল, সে কাহিনি তো এখন লোকের মুখে মুখে। এখন আর কেউ উন্নয়নের গণতন্ত্র বলে না, বলে ফ্যাসিবাদ। এখন নয়া বিপ্লবীরা এমন এক গণতন্ত্র চাইছেন, যে গণতন্ত্র এলে ফ্যাসিবাদ আর মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না।

কাগজে আঁকা বাঘ, সে বাঘ নয়। কাগজের গোলাপ গোলাপ নয়কিন্তু সেই গণতন্ত্র কোথায় পাওয়া যাবে, কীভাবে পাওয়া যাবে? কে এনে দেবে সেই গণতন্ত্র। যারা স্কুল ও কলেজের ছেলেমেয়েদের হাতে জুতা তুলে দিয়েছিল স্যার ও মেমদের গলায় পরানোর জন্য, তারাই কি এনে দেবে ফ্যাসিবাদমুক্ত গণতন্ত্র? নাকি তারা, যারা সময়ে সময়ে মব আহ্বান করছেন? চোখ না পাকিয়ে কথা বলতে পারেন না যারা, নাকি তারা? সংস্কার প্রস্তাবের পাণ্ডুলিপি তৈরি করতে যারা মাসের পর মাস পার করেছেন, সংস্কার পাণ্ডুলিপির সারসংক্ষেপ বানিয়ে বৈঠকের পর বৈঠক করে যাচ্ছেন; তারা? ইলেকশন ছাড়া কিংবা বহু বিলম্বিত নির্বাচনের মাধ্যমে আসবে কি সেই গণতন্ত্র? প্রেশার গ্রুপ বলে যারা মবের সুনাম করে, তাদের হাত ধরেই কি এসে যাবে সেই সাধের গণতন্ত্র; যা ফ্যাসিজমের সামনে প্রাচীর হয়ে দাঁড়াবে?

যাদের কথা বললাম, জাতির সবাই যদি তাদের ‘গুণাবলি’ রপ্ত করে নেয়, তাহলে দেশটি সর্বনাশের অতল গহ্বরের দিকেই ধাবিত হবে। বস্তুত তাদের পথে কোনো ভালো কাজই করা সম্ভব নয়, গণতন্ত্র তো অনেক পরের কথা! ওদের মুখের কথা বাতাসে মিলিয়ে যাবে, কাগজে লেখা গণতন্ত্র কাগজেই রয়ে যাবে।

আমরা সাধারণ মানুষ তো শুধুই গণতন্ত্র চাই, সাদামাটা নিরালংকার গণতন্ত্র। আভরণ চাই না, জরির পোশাক পরা বিশেষণযুক্ত গণতন্ত্র চাই না। আব্রাহাম লিংকন গেটিসবার্গের বক্তৃতায় যে সহজ গণতন্ত্রের কথা বলেছেন সেটা চাই। বাই দ্য পিপল, অফ দ্য পিপল ফর দ্য পিপল। একটি বাংলা গানে এই সহজ গণতন্ত্রের সহজ অনুবাদ রয়েছে। ‘আমার এ দেশ সব মানুষের, ছোটদের বড়দের সব মানুষের।’ এই বাণীর তাৎপর্য বহু ব্যাপক। এই দেশে সবাই সমানভাবে নাগরিক অধিকার ভোগ করবে। কেউ কারও ওপর জুলুম করবে না। প্রতিটি নাগরিক সমানভাবে আইনের সুরক্ষা লাভ করবে। প্রত্যেকের নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দেশের জন্য কাজ করবে।

অন্ন বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা এসব অধিকার থাকবে সবার। ভোটের অধিকার। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা। এসব অধিকারের কথা গণতান্ত্রিক সমাজে আলাদা করে বলারই কোনো প্রয়োজন নেই। এটাই আব্রাহাম লিংকনের গণতন্ত্র। এর মানেই হচ্ছে দেশ সবার।

গণতন্ত্র এমন একটি ব্যবস্থা যেটা নিরাভরণ কিন্তু স্বয়ংসিদ্ধ। ভুল ও সীমাবদ্ধতাগুলো নিজে নিজেই সে কারেকশন করে। নেতা নির্বাচনে ভুল হয়ে গেলে কিংবা নির্বাচিত হওয়ার পর নেতা যদি গণতন্ত্রের দাবি ভুলে যান, তাহলে গণতন্ত্র সেই নেতার হাতে হারিকেন ধরিয়ে দিতে ভুল করে না। বিলম্বও করে না। পার্লামেন্ট তথা জনপ্রতিনিধিরা কাউকে ছেড়ে কথা বলে না। ইউরোপ-আমেরিকার গণতান্ত্রিক দেশসমূহের ইতিহাসে তার অজস্র দৃষ্টান্ত রয়েছে। এর নজির আছে সাম্প্রতিক ইতিহাসেও। বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে গৃহীত সংবিধানে ৭০ অনুচ্ছেদ যুক্ত করে গণতান্ত্রিক বিকাশের পথ প্রথমেই রুদ্ধ করা হয়েছিল। পরে সংশোধনের নামে অসংখ্য ফরেইন পার্টিকেলস ঢুকিয়ে গণতান্ত্রিক সংবিধানকে আরও বেশি দূষিত করা হয়েছে। ১৯৭২ সালের সংবিধান পর্যায়ক্রমে কোটারি স্বার্থে দোষযুক্ত করা না হলে সেটাই হতে পারত গণতন্ত্রের শক্তিশালী রক্ষাকবচ।

এখনো আমরা গণতন্ত্র চাই। গণতন্ত্রের জন্যই ২০২৪ সালের কোটাবিরোধী আন্দোলন স্বৈরাচার পতনের সর্বব্যাপী জনসংগ্রামে রূপান্তরিত হয়েছিল। বাঙালির মিলিত সংগ্রামের বিজয় এলো কিন্তু গণতন্ত্র এলো না। সামনে এলো নৈরাজ্য। শুরু হলো ক্ষমতা লাভের কোল্ড ওয়ার। গোলমেলে পরিস্থিতির মধ্যেই বেঁচে রইল গণতন্ত্রের ধূলিধূসরিত আকাক্সক্ষা।

প্রশ্ন হলো আমাদের প্রত্যাশিত সেই গণতন্ত্র কে এনে দেবে? সেই গণতন্ত্র কি আকাশ থেকে পড়বে? নাকি জমিন ফুঁড়ে বেরিয়ে আসবে? সত্যি কথা বলতে কি, কোনো একটি বা অনেকগুলো দল মিলেও গণতন্ত্র এনে দিতে পারবে না, যদি না দেশের মানুষ গণতন্ত্রের জন্য প্রস্তুত হয়। মানুষ সেটাই পায়, যেটা সে পাওয়ার যোগ্য। এই বাণী চিরকালের এক অমোঘ সত্য। আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনে সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন, মানুষের সাধ্যাতীত কোনো কিছু তিনি চাপিয়ে দেন না। মানুষ যা অর্জন করে, তাই সে পায় (সুরা বাকারা-২৮৬)।

আমাদের যদি গণতন্ত্রের ভার বহন করার যোগ্যতা না থাকে, তাহলে গণতন্ত্র কেন পাব? কী করে পাব? ৫ আগস্টের পর থেকে আমরা যা করছি এবং যা বলছি তার কতখানি গণতান্ত্রিক? গণতন্ত্রের কোন কিতাবে লেখা আছে যে জুতা মেরে গণতন্ত্র আসবে? গণতান্ত্রিক দেশের আইনের কোন বইয়ে লেখা আছে, যার তার নামে খুনের মিথ্যা মামলা দিয়ে, নাম না-জানা অসংখ্য আসামি দিয়ে পরে যাকে তাকে সেই মামলায় অ্যারেস্ট করে আইনের শাসন জারি রাখা যায়? এই পিশাচ তত্ত্ব কে দিয়েছে? সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হওয়া, তাদের ভয় দেখানো এটা কোন গণতন্ত্র? নির্বাচন বিলম্বিত করে অনির্বাচিত সরকার গণতন্ত্র দেবে-এই বা কেমন কথা? যে সমাজ বিনা বাক্যব্যয়ে এসব মেনে নেয়, সেই সমাজ গণতন্ত্রের জন্য প্রস্তুত কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।

আসল কথা হলো, গণতন্ত্রের জন্য তৈরি হতে হবে নাগরিক সমাজকেই। সত্যিকার অর্থেই দেশ ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ রাজনৈতিক দল ও দলের মহান নেতাদের উচিত যাবতীয় ফন্দিফিকির বাদ দিয়ে গণতন্ত্রের পথে আসা। চালাকি করে হালুয়ারুটির ভাগ নেওয়ার বদলে গণতান্ত্রিক পন্থায় যতটুকু পাওয়া যায়, তার সদ্ব্যবহার করতে শিখতে হবে। গণতন্ত্রে উত্তরণের প্রথম ধাপ ফ্রি ফেয়ার ইলেকশন। এর কোনো বিকল্প নেই।

ইলেকশনে প্রতিটি দলের মহৎ শক্তির সবটুকু নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়া কর্তব্য। জনগণকে ভয় কিংবা লোভ দেখিয়ে, অন্যের বদনাম করে পক্ষে না টেনে ভালোবেসে কাছে টানতে হবে। সংবাদপত্রের কণ্ঠ রোধ করে, ভয় দেখিয়ে, প্রতিপক্ষকে হেয়প্রতিপন্ন করে জনমত পক্ষে আনা যায় না। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ প্রতিটি দল যদি প্রতিটি আসনে যোগ্য প্রার্থী দেয় এবং প্রার্থীরা যদি ঠিকমতো জনসংযোগ করেন, তাহলে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হতে বাধ্য।

ইলেকশন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হলে একটি ব্যালান্সড পার্লামেন্টও পাওয়া অসম্ভব কিছু নয়। ভোটারদেরও সচেতন হতে হবে। হুজুগে ভোট দেওয়ার রীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আমার পছন্দের দল যদি আমার এলাকায় কোনো অযোগ্য বা খারাপ লোককে মনোনয়ন দেয় তাহলে সেই অযোগ্য লোককে আমি ভোট দেব না। এটাই হওয়া উচিত ভোটারের ব্যক্তিগত নীতিবাক্য। হুজুগে গণতন্ত্র হয় না, গণতন্ত্র চায় সচেতন সিদ্ধান্ত।

                লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক

এই বিভাগের আরও খবর
বিএনপি : রাজনীতির হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা
বিএনপি : রাজনীতির হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ (সা.)
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ (সা.)
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন
বৈচিত্র্যের মাঝে ঐক্য
বৈচিত্র্যের মাঝে ঐক্য
আওয়ামী লীগের তিন কালের নয় কাহিনি
আওয়ামী লীগের তিন কালের নয় কাহিনি
মাদকের ট্রানজিট রুট
মাদকের ট্রানজিট রুট
বিদেশে পাঠ্যবই মুদ্রণ
বিদেশে পাঠ্যবই মুদ্রণ
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
নড়বড়ে সেতু ঘুমন্ত প্রশাসন
নড়বড়ে সেতু ঘুমন্ত প্রশাসন
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
বায়ুদূষণ
বায়ুদূষণ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
নির্বাচনের রোডম্যাপ
সর্বশেষ খবর
টেকনাফে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ কারবারি আটক
টেকনাফে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ কারবারি আটক

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হোটেল ওয়েস্টিনে মিলল মার্কিন নাগরিকের লাশ
হোটেল ওয়েস্টিনে মিলল মার্কিন নাগরিকের লাশ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাকৃবি ও চবিতে হামলার রাতে ঘটনায় শেকৃবিতে বিক্ষোভ মিছিল
বাকৃবি ও চবিতে হামলার রাতে ঘটনায় শেকৃবিতে বিক্ষোভ মিছিল

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

চবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, প্রতিবাদে জবিতে বিক্ষোভ
চবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, প্রতিবাদে জবিতে বিক্ষোভ

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভ্রমণে গিয়ে এড়িয়ে চলুন এই ভুলগুলি
ভ্রমণে গিয়ে এড়িয়ে চলুন এই ভুলগুলি

৩ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

‘মুনিয়ার ঘটনায় তৌহিদ আফ্রিদি রেহাই পেয়েছে পিএম অফিসের জন্য’
‘মুনিয়ার ঘটনায় তৌহিদ আফ্রিদি রেহাই পেয়েছে পিএম অফিসের জন্য’

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সিপিএলে সাইফার্টের ৪০ বলে সেঞ্চুরি
সিপিএলে সাইফার্টের ৪০ বলে সেঞ্চুরি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নড়াইলে নিখোঁজের ৮ ঘণ্টা পর অপহৃত শিশু উদ্ধার, গ্রেফতার ৪
নড়াইলে নিখোঁজের ৮ ঘণ্টা পর অপহৃত শিশু উদ্ধার, গ্রেফতার ৪

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করল শ্রীলঙ্কা
জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করল শ্রীলঙ্কা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আর্সেনালকে হারিয়ে শীর্ষে লিভারপুল
আর্সেনালকে হারিয়ে শীর্ষে লিভারপুল

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রিসের হাইড্রা দ্বীপ: যেখানে মোটরযান নয়, ঘোড়াই ভরসা
গ্রিসের হাইড্রা দ্বীপ: যেখানে মোটরযান নয়, ঘোড়াই ভরসা

৪ ঘণ্টা আগে | পরবাস

চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইবিতে বিক্ষোভ
চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইবিতে বিক্ষোভ

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

চবির ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি চসিক মেয়রের
চবির ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি চসিক মেয়রের

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

শীতলক্ষ্যায় মাথাবিহীন লাশ, দুইজন গ্রেফতার
শীতলক্ষ্যায় মাথাবিহীন লাশ, দুইজন গ্রেফতার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরিবেশ বিপর্যয় নিয়ে শাবিপ্রবিতে পোস্টার প্রেজেন্টেশন
পরিবেশ বিপর্যয় নিয়ে শাবিপ্রবিতে পোস্টার প্রেজেন্টেশন

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কে এই রহস্যময় আবু ওবায়দা?
কে এই রহস্যময় আবু ওবায়দা?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু
ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রূপসা সেতুর নিচ থেকে সাংবাদিক বুলুর মরদেহ উদ্ধার
রূপসা সেতুর নিচ থেকে সাংবাদিক বুলুর মরদেহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাইটনের বিপক্ষে আবারও হারলো ম্যানসিটি
ব্রাইটনের বিপক্ষে আবারও হারলো ম্যানসিটি

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হামাসের সামরিক শাখার মুখপাত্র আবু ওবায়দাকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের
হামাসের সামরিক শাখার মুখপাত্র আবু ওবায়দাকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাকৃবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা, হল ত্যাগের নির্দেশ
বাকৃবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা, হল ত্যাগের নির্দেশ

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন নিয়ে কেউ বিকল্প ভাবলে তা হবে জাতির জন্য বিপজ্জনক : বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন নিয়ে কেউ বিকল্প ভাবলে তা হবে জাতির জন্য বিপজ্জনক : বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় সিইউজের নিন্দা
চবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় সিইউজের নিন্দা

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাদারীপুরে ‘১৮০ টাকায়’ ১৬ জন পুলিশে চাকরি পেলেন
মাদারীপুরে ‘১৮০ টাকায়’ ১৬ জন পুলিশে চাকরি পেলেন

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইজিবাইককে আধা কিলোমিটার টেনে নিয়ে যায় ট্রেন
ইজিবাইককে আধা কিলোমিটার টেনে নিয়ে যায় ট্রেন

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জাবিতে মানববন্ধন
চবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জাবিতে মানববন্ধন

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

গাজীপুরে পুকুরে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু
গাজীপুরে পুকুরে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশের মানুষ এখন ভোটমুখী: দুলু
দেশের মানুষ এখন ভোটমুখী: দুলু

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রান্সফার ফির রেকর্ড গড়ে নিউক্যাসলে ভল্টামাডা
ট্রান্সফার ফির রেকর্ড গড়ে নিউক্যাসলে ভল্টামাডা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রেমিকার ফোন ব্যস্ত পাওয়ায় গ্রামের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দিল যুবক
প্রেমিকার ফোন ব্যস্ত পাওয়ায় গ্রামের বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দিল যুবক

৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সর্বাধিক পঠিত
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি
রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’
‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়
ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

১৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান
উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি
চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা
পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল
যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!
হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!

১৪ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান
সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিয়জন হারালেন রশিদ খান
প্রিয়জন হারালেন রশিদ খান

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল
ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল

১৪ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন: মির্জা ফখরুল
আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন: মির্জা ফখরুল

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডাকসু নির্বাচন: ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট, শুনানির দিন ধার্য
ডাকসু নির্বাচন: ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট, শুনানির দিন ধার্য

১৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩১ আগস্ট)

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকার ভর্তুকি মূল্যে পাটের ব্যাগ সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে: পরিবেশ উপদেষ্টা
সরকার ভর্তুকি মূল্যে পাটের ব্যাগ সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে: পরিবেশ উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি
নুরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৯৯ বছরের তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙল এশিয়া
৯৯ বছরের তাপমাত্রার রেকর্ড ভাঙল এশিয়া

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরও দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে
আরও দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
আওয়ামী লীগের তিন কালের নয় কাহিনি
আওয়ামী লীগের তিন কালের নয় কাহিনি

সম্পাদকীয়

রণক্ষেত্র বিশ্ববিদ্যালয়
রণক্ষেত্র বিশ্ববিদ্যালয়

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বস্তির সঙ্গে আছে শঙ্কাও
স্বস্তির সঙ্গে আছে শঙ্কাও

প্রথম পৃষ্ঠা

মন্ত্রী না হয়েও পেলেন টাকার খনি
মন্ত্রী না হয়েও পেলেন টাকার খনি

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারত ইস্যুতে সরব মার্কিন সোশ্যাল মিডিয়া!
ভারত ইস্যুতে সরব মার্কিন সোশ্যাল মিডিয়া!

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বেগম জিয়া না মজনু? প্রচারণায় অন্যান্য দল
বেগম জিয়া না মজনু? প্রচারণায় অন্যান্য দল

নগর জীবন

পশ্চিমা বাজারের ওপর নির্ভরতা পোশাক খাতের বড় চ্যালেঞ্জ
পশ্চিমা বাজারের ওপর নির্ভরতা পোশাক খাতের বড় চ্যালেঞ্জ

পেছনের পৃষ্ঠা

জিতলেই সিরিজ বাংলাদেশের
জিতলেই সিরিজ বাংলাদেশের

মাঠে ময়দানে

৫৬ জেলে এখনো নিখোঁজ
৫৬ জেলে এখনো নিখোঁজ

পেছনের পৃষ্ঠা

রেড লেডি, ফার্স্ট লেডি জাতের পেঁপে চাষে লাভবান চাষিরা
রেড লেডি, ফার্স্ট লেডি জাতের পেঁপে চাষে লাভবান চাষিরা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির পাঁচ মনোনয়নপ্রত্যাশী জোর প্রচারণায় জামায়াত
বিএনপির পাঁচ মনোনয়নপ্রত্যাশী জোর প্রচারণায় জামায়াত

নগর জীবন

শিক্ষার্থীর তুলনায় নারী প্রার্থী কম
শিক্ষার্থীর তুলনায় নারী প্রার্থী কম

পেছনের পৃষ্ঠা

গুজব সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয় শেয়ারবাজারে
গুজব সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয় শেয়ারবাজারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আগস্টে সাংবাদিকের ওপর সহিংসতা বেড়েছে তিন গুণ
আগস্টে সাংবাদিকের ওপর সহিংসতা বেড়েছে তিন গুণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আবার খুলছে সুন্দরবন
আবার খুলছে সুন্দরবন

পেছনের পৃষ্ঠা

অশুভ শক্তির তৎপরতা দৃশ্যমান : তারেক রহমান
অশুভ শক্তির তৎপরতা দৃশ্যমান : তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

হাসিনাপুত্র জয়ের কারণে বছরে ২০০ কোটি টাকা রাজস্ব নেই
হাসিনাপুত্র জয়ের কারণে বছরে ২০০ কোটি টাকা রাজস্ব নেই

পেছনের পৃষ্ঠা

জরাজীর্ণ আশ্রয়ণের ঘর বসবাসের অনুপযোগী
জরাজীর্ণ আশ্রয়ণের ঘর বসবাসের অনুপযোগী

নগর জীবন

ভয়াবহ হয়ে উঠছে নারী নির্যাতন
ভয়াবহ হয়ে উঠছে নারী নির্যাতন

নগর জীবন

দুর্বল ব্যাংক ঠিক করতে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত
দুর্বল ব্যাংক ঠিক করতে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত

প্রথম পৃষ্ঠা

১৩০ বছরের বৃদ্ধের পাশে তারেক রহমান
১৩০ বছরের বৃদ্ধের পাশে তারেক রহমান

পেছনের পৃষ্ঠা

বিয়ের পরদিনই ধর্ষণের শিকার
বিয়ের পরদিনই ধর্ষণের শিকার

দেশগ্রাম

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌন হয়রানি বড় উদ্বেগ
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যৌন হয়রানি বড় উদ্বেগ

পেছনের পৃষ্ঠা

চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন র‌্যাব ও এসবি প্রধান
চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন র‌্যাব ও এসবি প্রধান

পেছনের পৃষ্ঠা

কারাগারে দুই ভাইকে দেখতে এসে গাঁজাসহ আটক অপর ভাই
কারাগারে দুই ভাইকে দেখতে এসে গাঁজাসহ আটক অপর ভাই

পেছনের পৃষ্ঠা

কাকরাইলে হামলার ঘটনায় মামলা করবেন নুর
কাকরাইলে হামলার ঘটনায় মামলা করবেন নুর

প্রথম পৃষ্ঠা

ডাকসু নিয়ে উত্তাপ ক্যাম্পাসে
ডাকসু নিয়ে উত্তাপ ক্যাম্পাসে

প্রথম পৃষ্ঠা

মাকে নির্যাতন ছেলে-পুত্রবধূসহ আটক ৫
মাকে নির্যাতন ছেলে-পুত্রবধূসহ আটক ৫

দেশগ্রাম

ওয়াশিংটনের কাছে মাথা নত করবে না দিল্লি
ওয়াশিংটনের কাছে মাথা নত করবে না দিল্লি

পূর্ব-পশ্চিম