শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ১৩ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১২ মার্চ, ২০২১ ২৩:৩০

ভেষজ

পেঁপের উপকারিতা

পেঁপের উপকারিতা

বিভিন্ন সবজির মতো পেঁপেকেও আমরা সবজি হিসেবে ব্যবহার করি। ফল হিসেবেও এর পরিচিতি রয়েছে। কিন্তু ভেষজরূপে এর ব্যবহার অনেকের অজানা। সারা বছরই ফলটি পাওয়া যায়। গ্রীষ্মের শেষ থেকে শুরু করে ভাদ্র-আশ্বিন পর্যন্ত কাঁচা অবস্থায় এবং শীতের শুরুতে তা পাকা অবস্থায় পাওয়া যায়। চিকিৎসকরা পেঁপের অসাধারণ ভেষজগুণের জন্য তা খাওয়ার পরামর্শ দেন। তবে রোগের চিকিৎসায় পেঁপেকে ব্যবহারের সময় একটা কথা মনে রাখা দরকার, পেঁপে উগ্রজাতীয় ফল, এটি ব্যবহারে হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই পেঁপেকে রোগ নিরাময়ের ওষুধ হিসেবে ব্যবহারের আগে ফলটিতে কী কী রয়েছে জানতে হবে। কাঁচা ও পাকা উভয় অবস্থায় পেঁপে শীতল, অত্যন্ত রুচিকর। অগ্নিবর্ধক, পাচক (যা হজমে সাহায্যকারী) সারক মধুর, রক্তপিত্ত রোগে কার্যকর ও বিশেষ ফলপ্রদ। পেঁপের আঠা প্লীহা এবং গুল্ম রোগ নাশ করে। পেঁপে ফুল যখন ফলে রূপান্তরিত হয় তখন থেকেই তার ভিতর দুধের মতো সাদা ও ঘন এক ধরনের আঠা বেরোয়। এ আঠায় থাকে অ্যালবুমিনয়েড। টাটকা পেঁপের মধ্যে থাকে রেজিন, স্নেহপদার্থ, অ্যালবুমিনয়েড, চিনি, পেকটিন, সাইট্রিক অ্যাসিড, টাটারিক অ্যাসিড, ম্যালিক অ্যাসিড, ডেক্সটিন প্রভৃতি উপাদান। শুকনো পেঁপের মধ্যে প্রচুর সোজ, পটাশ, ফসফরিক অ্যাসিড ইত্যাদি থাকে। পেঁপে সম্পর্কে সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা গেছে, টাটকা পেঁপের মধ্যে রয়েছে সুক্রোজ, প্যাপাইন ও ম্যালিক অ্যাসিড। কাঁচা ও পাকা উভয় ফলই প্রচুর পেকটিনের উৎস। কোনো কারণ ছাড়াই কারও কারও শরীর শুকিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে অল্প বয়সীদের ক্ষেত্রে এ উপসর্গের প্রকোপ বেশি। শরীর অবসাদজনিত ক্লান্তি, একটা মনমরা ভাব, পড়াশোনা বা কাজকর্মে অনিচ্ছা প্রভৃতি উপসর্গ এর সঙ্গে আসে। প্রায়ই এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে কোষ্ঠবদ্ধতা বা পায়খানা পরিষ্কার না হওয়া। এ ক্ষেত্রে পেঁপে খুব ফলপ্রদ।

আফতাব চৌধুরী।