শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২১ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২০ এপ্রিল, ২০২১ ২২:৫৭

হাসান শাহরিয়ার : আমাদের সঙ্গেই থাকবেন

মনজুরুল আহসান বুলবুল

হাসান শাহরিয়ার : আমাদের সঙ্গেই থাকবেন

করাচি প্রেস ক্লাবে ঢুকেই চোখ যায় দেয়ালে ঝোলানো সাবেক নেতাদের তালিকার দিকে, কিন্তু চোখ আটকে যায় হাসান শাহরিয়ারের নাম দেখেই। আমরা বাংলাদেশ থেকে যারা গিয়েছি তারা নিজেরাই আলোচনা করি, এই শাহরিয়ার ভাই কি আমাদের শাহরিয়ার ভাই? একটু পরই করাচির কয়েকজন সিনিয়র সাংবাদিকের সঙ্গে আলোচনা করে নিশ্চিত হওয়া গেল, তিনি আমাদের শাহরিয়ার ভাই- বাংলাদেশের সাংবাদিক হাসান শাহরিয়ার।

বাংলাদেশের প্রত্যন্ত হাওর জনপদ সুনামগঞ্জে সাংবাদিকতার হাতেখড়ি হলেও হাসান শাহরিয়ার ১৯৬৪ সালে পাড়ি জমান পাকিস্তানের করাচি। বিনা পয়সায় কাজ শুরু করেন সাপ্তাহিক ‘ডেমোক্র্যাট’-এ। বিনা পারিশ্রমিকের এ কাজই সম্ভবত তাঁর পেশাদার সাংবাদিক হওয়ার ভিত গড়ে দেয়। কিছু দিনের মধ্যেই তিনি শিক্ষা বিটের রিপোর্টার হিসেবে যোগ দেন দৈনিক ‘মর্নিং নিউজ’-এ। এ সিঁড়ি বেয়েই হাসান শাহরিয়ার পাকিস্তানের প্রাচীনতম দৈনিক ‘ডন’-এ যোগ দেন। কাজ করেন ‘ডন’-এর সহযোগী ‘ইভনিং স্টার’-এ, পাশাপাশি লিখেতেন করাচির ‘ইলাস্ট্রেটেড উইকলি অব পাকিস্তান’ এবং ‘হেরাল্ড’ ম্যাগাজিনে।

বলাই বাহুল্য, সে সময়কার পশ্চিম পাকিস্তানের সাংবাদিকতায় পূর্ব বাংলার এক তরুণের জন্য পুষ্পবিছানো পথ ছিল না, তাঁকে প্রতি পদে যোগ্যতা দিয়েই উত্তীর্ণ হতে হয়েছে।

এ দৃশ্যপটটি করাচির সাংবাদিকরা তুলে ধরলেন এ কারণে যে আজীবন বন্ধুবৎসল আড্ডাবাজ হাসান শাহরিয়ার তাঁর পেশাগত জীবনের শুরুতেই অপরিহার্য হয়ে গিয়েছিলেন করাচির সাংবাদিকদের আড্ডায়। করাচি প্রেস ক্লাবের সে আড্ডার অনেক সময়ের মধ্যমণি হাসান শাহরিয়ার যে তাঁদের আস্থাটিও অর্জন করেছিলেন সে তো বোঝা গেল নেতৃত্বের তালিকায় তাঁর নাম দেখেই।

আমরা শাহরিয়ার ভাইকে চিনি, তিনি আমাদের জানেন; এ সত্যটি পরের কয়েকটি দিন আমাদের জন্য বয়ে নিয়ে এলো বিশেষ মর্যাদা। যখনই খাবারের অর্ডার দিই বিশেষ করে মধ্যাহ্নভোজের সময় দেখি কর্মচারীরা বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আমাদের জন্য খাবার নিয়ে আসেন, পাকিস্তানের সাংবাদিকদের ভিড় ঠেলে। আমরা খুবই সম্মানিতবোধ করি। আমি সংগঠন করা মানুষ, করাচি প্রেস ক্লাবে সবজি-মাংসের সমাহারে শুকনো রুটি চিবোতে চিবোতে ভাবী, শাহরিয়ার ভাই কতটা তৎপর থাকলে পরে ভিন্ন ভাষাভাষী একটি অঞ্চলে সাংবাদিকদের নেতা হয়ে উঠতে পারেন!

বলে রাখি, করাচিতে সাংবাদিকতার ভিতটি গড়ে তুললেও শিকড়বিচ্ছিন্ন হননি হাসান শাহরিয়ার। করাচির ওই ব্যস্ততম সময়েও তিনি অনেক রাজনৈতিক স্টোরি করেছেন ঢাকার দৈনিক ‘ইত্তেফাক’-এর জন্য। বলাই বাহুল্য, ষাটের দশকটি আমাদের উত্তাল সময়ের সাক্ষী। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনায় পাকিস্তানের পূর্ব অংশ ধীরে ধীরে রূপ পাচ্ছে স্বাধীন বাংলাদেশে আর পাকিস্তানের পশ্চিম অংশে বসে রাজনীতির এ উত্তাপ ও ষড়যন্ত্রের চেহারাটি কখনই পেশাদার সাংবাদিক হাসান শাহরিয়ারের দৃষ্টি এড়ায়নি। ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের ভাগ্যনির্ধারণী নির্বাচনে তিনি চষে বেড়িয়েছেন পশ্চিম পাকিস্তান। এ সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের পশ্চিম পাকিস্তানে নির্বাচনী প্রচারণা কভার করেন তরুণ রিপোর্টার হাসান শাহরিয়ার। সে সময়ে বঙ্গবন্ধুর সান্নিধ্যে নানা অভিজ্ঞতা নিশ্চয়ই তাঁর জীবনের অমূল্য সম্পদ। তাঁকে বহুবার অনুরোধ করেছি এ নিয়ে লেখার জন্য কিন্তু সারল্যে ভরা স্মিত হাসির আড়ালেই তা হারিয়ে গেছে।

সত্তরের নির্বাচনের পর একজন পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে করাচি-লাহোর-রাওয়ালপিন্ডি-ইসলামাবাদের নানামুখী চক্রান্তের নানা পর্যায় একেবারে কাছে থেকে প্রত্যক্ষ করেছেন হাসান শাহরিয়ার। পেশাদারির সঙ্গে দায়িত্ব পালন করলেও বুকের মধ্যে থাকা বাংলাদেশটিকে তিনি ধারণ করেছেন সবটুকু ভালোবাসা দিয়েই। সেজন্যই জুলফিকার আলী ভুট্টো হাসান শাহরিয়ারকে বলতেন ‘শেখ মুজিবের চেলা’। এ ‘অপরাধে’ ভুট্টো তাঁকে সাক্ষাৎকার দেননি।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর পাকিস্তানে দুর্বিষহ করে তোলা হয় তাঁর পেশাগত জীবন, বাতিল করা হয় অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড, তাঁকে ‘ডন’ থেকে চাকরিচ্যুতির পরিস্থিতির শিকার হতে হয়। শেষ পর্যন্ত তিনি স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন ১৯৭৩ সালে, পেশাগত ঠিকানা হয় ইত্তেফাক। সক্রিয় সাংবাদিকতার ঠিকানা শেষ পর্যন্ত তাই ছিল।

নিজে সংগঠন করি, মনে করি সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে পথ না চললে একজন মানুষের জীবন পূর্ণাঙ্গ হয় না। তা সামাজিক, সাংস্কৃতিক বা পেশাজীবীদের সংগঠন যা-ই হোক না কেন। আবার উল্টো ব্যাখ্যাও আছে : অনেক সময় অযোগ্যজনেরা নিজেদের অযোগ্যতা ঢাকার জন্য সংগঠনের সাইনবোর্ড ব্যবহার করেই জীবন কাটিয়ে দেন। যেমন বিশ্বাস করি ভালো ছাত্রদের ছাত্র সংগঠনে যোগ দেওয়া উচিত তা হলেই ছাত্ররাজনীতি পরিচ্ছন্ন হতে পারে। তেমনি মানি পেশাজীবী সংগঠনে প্রকৃত পেশাজীবীর সমাবেশ পেশার জন্যই উপকার বয়ে আনে। আর অযোগ্যরা পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃত্বে এলে ‘নেতা’র ব্যক্তিগত লাভ হয় কিন্তু পেশার অর্জন তেমন কিছু হয় না।

হাসান শাহরিয়ারকে দেখি একজন সফল পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে, দেখি একজন উজ্জ্বল সাংগঠনিক মানুষে হিসেবে। জীবনের অধিকাংশ সময় কাটিয়েছেন নেপথ্যের ‘কিং মেকার’ হিসেবে কিন্তু যখনই যেখানে প্রকাশ্যে এসেছেন সেখানেই তাঁর নিজের উজ্জ্বলতায় আলোকিত করেছেন সবটুকু। সেই যে সুনামগঞ্জে কচিকাঁচার মেলার হাত ধরে যাত্রা, জীবনের পরতে পরতে তা চেহারা পাল্টেছে কিন্তু হাসান শাহরিয়ার নিজেকে কখনো গুটিয়ে নেননি। কি পেশায় কি সংগঠনে, কি প্রকাশ্যে কি নেপথ্যে তিনি সর্বদা নিজেকে সক্রিয় রেখেছেন।

আমাদের সময়ে আমাদের দেশের খুব অল্পসংখ্যক সাংবাদিককে পেয়েছি যারা একই সঙ্গে পেশা এবং সংগঠনে সফল হয়েছেন। একই সঙ্গে সাফল্যের চিত্র এঁকেছেন দেশে ও বিদেশে। এ ক্ষেত্রে উজ্জ্বল নাম হাসান শাহরিয়ার।

হাসান শাহরিয়ায়ের পেশাগত জীবনের কথা বলি; ধরা যাক ‘নিউজ উইক’-এর কথা। সাংবাদিক হিসেবে আমরা নিউজ উইকের উঁচুমানের সাংবাদিকতা সম্পর্কে জানি। সেখানে সাংবাদিকতা মানে ‘তিনি বলেন, তিনি জোর দিয়ে বলেন, তিনি হুমকি দিয়ে বলেন’ মার্কা সাংবাদিকতা নয়। ‘তিনি বলেন’ মার্কা সাংবাদিকতা দিয়ে নিউজ উইকে সাংবাদিকতা করা যায় না। সেই নিউজ উইকে হাসান শাহরিয়ারের সাফল্যের খ-চিত্রের দেখা মিলবে ‘নিউজ উইকে বাংলাদেশ : মুক্তিযুদ্ধ, বিজয় এবং তারপর...’ বইটিতে। যে কোনো পেশাদার সাংবাদিকের জন্য অবশ্যপাঠ্য এটি। সাংবাদিকতা কখনই মূর্খদের পেশা নয়, পেশা হিসেবেই সাংবাদিকতা বুদ্ধিদীপ্ত মানুষের পেশা। যে মানুষ অতীতকে ধারণ করে বর্তমানের সঙ্গে তা মিলিয়ে ভবিষ্যতের নির্দেশনা দিতে না পারেন, ভাষায়-ব্যাখ্যায়-উপস্থাপনায় যিনি মেধার ছোঁয়া না বোলাতে পারেন তিনি আর যা-ই হোন সাংবাদিক হতে পারেন না। হাসান শাহরিয়ার তাঁর পেশাগত জীবনে কি দেশে কি বিদেশের গণমাধ্যমে যখনই কাজ করেছেন তখনই সাংবাদিকতার এই বুদ্ধিদীপ্ত-মেধার প্রকাশ ঘটিয়েছেন। তাঁর পাঠকের আস্থা অর্জন করেছেন। একজন সফল সাংবাদিকের সূচকটিই হচ্ছে বেশি মানুষের আস্থা অর্জন করা। সে সূচকে তাঁর অবস্থান কোথায় তা বের করা কঠিন নয়।

পেশার পাশাপাশি সংগঠনের জায়গাটিতে যদি আসি দেখি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সাংবাদিকদের ফোরামের নিবেদিতপ্রাণ নেতা হাসান শাহরিয়ার। যে কোনো সংকটকালে সিদ্ধান্ত গ্রহণের বেলায় নেপথ্যের নেতা হিসেবে হাসান শাহরিয়ার যথাসময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে দৃঢ় ও স্পষ্ট ভূমিকা রেখেছেন। প্রকাশ্যে নেতৃত্বে তিনি শুধু জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হিসেবে সফলভাবে জাতীয় এ প্রতিষ্ঠানটির নেতৃত্বই দেননি, তাঁর প্রবল আগ্রহেই গড়ে ওঠে দক্ষিণ এশিয়ার প্রেস ক্লাবগুলোর ফেডারেশন। যাদের হাত ধরে ডিপ্লোমেটিক করসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ- ডিক্যাব গড়ে ওঠে, একজন চৌকস কূটনৈতিক সাংবাদিক হিসেবে হাসান শাহরিয়ারের দৃশ্যমান ভূমিকা প্রত্যক্ষ করি সেখানেও। সাংগঠনিক মানুষ কখনই নিষ্ক্রিয় বসে থাকতে পারে না।

তিনি যখন বাংলাদেশে কমনওয়েলথ জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশ -সিজেএ গড়ে তোলেন দৃশ্যত তার মাধ্যমে বাংলাদেশের সাংবাদিকদের যোগসূত্র শুরু হয় আন্তর্জাতিক অঙ্গনের সাংবাদিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের। সাংবাদিকদের আন্তর্জাতিক সংগঠনের সঙ্গে যোগসূত্রকে অনেকে মনে করেন ফিবছর বিদেশ সফরের একটি মাধ্যম হিসেবে। অনেকের জন্য হয়তো বিষয়টি সে রকমই, কিন্তু নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলি; কেউ যদি সেখানে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে চান, সেই সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বে যেতে চান তাঁর জন্য বিষয়টি খুবই চ্যালেঞ্জিং। বিশেষ করে বাংলাদেশের একজন সাংবাদিকের জন্য। একই সঙ্গে পেশাগত দক্ষতা, বিশ্ব মিডিয়া জগতের কূটনীতি বোঝার ক্ষমতা, অসাধারণ যোগাযোগ ক্ষমতা আর নিজের নেতৃত্বসুলভ ব্যক্তিত্ব দিয়ে বিশ্বের নানা অঞ্চলের চৌকস সাংবাদিকদের আস্থা অর্জনের সমীকরণটি না মেলাতে পারলে কোনো আন্তর্জাতিক সংগঠনের শীর্ষপদের দায়িত্ব পাওয়া খুবই কঠিন। আঞ্চলিক কোটা হিসেবে ‘সহ/সহকারী’ আর ‘যুগ্ম’ পদ পাওয়া খুব কঠিন হয়তো নয়; কিন্তু শীর্ষপদে বসে নেতৃত্ব দেওয়া বেশ জটিলও বটে; যখন সেই সংগঠনটি প্রতিনিধিত্ব করে সারা পৃথিবীর নানা অঞ্চলের নানা সংস্কৃতির। আর যদি সরাসরি ভোটের প্রসঙ্গটি থাকে তা হলে তো বিষয়টি আরও কঠিন। সেই কঠিনকে সম্ভব করেছেন হাসান শাহরিয়ার। কমওয়েলথ জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন-সিজেএর শীর্ষপদে নির্বাচিত হওয়া, মেয়াদ শেষে ইমেরিটাসের সম্মান অর্জন হয়তো ব্যক্তিগতভাবে হাসান শাহরিয়ারের টুপিতে নতুন পালক সংযোজন করেছে কিন্তু এ তো দেশেরও এক বিশাল অর্জন। শাহরিয়ার ভাইকে কাছ থেকে দেখেছি বলে আমরা হয়তো এ বিশালত্ব বুঝতে পারি না। আমাদের প্রতিদিনকার ‘চর্চা’য় হয়তো তাঁর কোনো গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হয় না কিন্তু যারা বোঝেন তারাই কেবল মূল্যায়ন করতে পারেন এ অর্জনটুকু। আমি যখন ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ইনস্টিটিউটের কো-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই তখন তিনি যেভাবে উচ্ছ্বসিত হয়েছিলেন অনেকের মধ্যেই সে উদারতা দেখি না। আজ যা দেখি তাতে মনে হয় আমাদের বর্তমানই বুঝি সব। সবকিছুর একটা অতীত থাকে, সে অতীতে ভুলত্রুটির পাশাপাশি উজ্জ্বলতাও থাকে। যুক্তির কথা হচ্ছে সে অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে অতীতের উজ্জ্বলতায় বর্তমান দেখা; যাতে সে উজ্জ্বল আলোয় আমরা ভবিষ্যতের পথ বিনির্মাণ করতে পারি। যারা শুধুই বর্তমান নিয়ে ব্যস্ত তারা যে যৌক্তিক জীবনের পথ ধরে হাঁটেন তা বলা যাবে না। বলতে কোনো দ্বিধা নেই; হাসান শাহরিয়ারের পেশাগত জীবনের উজ্জ্বলতায় আলোকিত আমাদের বর্তমান। সে আলোটি ধরে রাখাই তাঁর উত্তরসূরিদের দায়িত্ব।

তাঁর আরেকটি জন্মদিনের মাত্র ১৫ দিন আগে, ১০ এপ্রিল তাঁর জীবনের অবসান হয়েছে। তাঁর জন্য স্বস্তিদায়ক চিকিৎসার ব্যবস্থাও আমরা করতে পারিনি, এ দায় আমাদের নিতেই হবে।

আমি নিশ্চিত জানি : যেখানেই থাকুন, নির্ভরযোগ্য বান্ধব-স্বজন হাসান শাহরিয়ার সেখান থেকেই আমাদের পথ দেখাবেন অনেক দিন। সাংবাদিকতায় তাঁর অবদান আলো ছড়াবে দীর্ঘদিন। সে আলোয় পথ দেখে নেওয়ার দায়িত্ব আমাদের। সাংবাদিকতায়, সংগঠনে তিনি আমাদের সঙ্গেই থাকবেন।

 

                লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক।