শিরোনাম
বুধবার, ৪ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ টা

টিকাদান কর্মসূচি

সবার জন্য টিকা নিশ্চিত করতে হবে

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জোরেশোরে চলছে টিকাদান। সারা দেশে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা, ফাইজার, মডার্না এবং সিনোফার্মের প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের টিকাদান চলছে। ৭ আগস্ট থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে টিকা ক্যাম্পেইন চালাতে হাসপাতালের বাইরে টিকা কেন্দ্র করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। গ্রামাঞ্চলে স্কুল-কলেজ-কমিউনিটি হেলথ ক্লিনিক আর ঢাকার ভিতরে মেডিকেল কলেজগুলোয় টিকা দেওয়া হবে। গ্রামাঞ্চলে টিকাদানের বিষয়ে ইতিমধ্যে মাইক্রো প্ল্যান হয়ে গেছে এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ চলছে। দ্বিতীয় ডোজের জন্য অপেক্ষমাণ আছেন ১৫ লাখ ২১ হাজার মানুষ। অন্তঃসত্ত্বা নারীদের করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়ার সুপারিশ করেছে টিকাবিষয়ক জাতীয় পরামর্শক কমিটি। ন্যাশনাল ইমিউনাইজেশন টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি গ্রুপ দুধপান করানো মায়েদেরও টিকা দেওয়ার সুপারিশ করেছে। করোনাভাইরাসের টিকা গ্রহণকারী ৯৮ শতাংশ মানুষের শরীরে অ্যান্টিবডির (করোনা প্রতিরোধ ক্ষমতা) উপস্থিতি পাওয়া গেছে। যারা আগেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তাদের শরীরে তুলনামূলক বেশি অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে। যে ২ শতাংশের শরীরে অ্যান্টিবডি পাওয়া যায়নি তারা জটিল রোগে আক্রান্ত। যদিও বয়স্ক মানুষের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক কম। করোনাভাইরাস-প্রতিরোধী দুই ডোজ টিকা নেওয়াদের তুলনায় টিকা না নেওয়াদের মধ্যে শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত সমস্যা, হাসপাতালে ভর্তি এবং মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি রয়েছে বলে জানিয়েছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান। সংস্থাটি এক গবেষণায় পেয়েছে, টিকা নেওয়া করোনা আক্রান্তদের ৭ শতাংশ আর না নেওয়াদের ২৩ শতাংশকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। অন্যদিকে করোনাভাইরাসের ভারতীয় টিকা ‘কোভ্যাকসিন’ ক্লিনিক্যাল পরীক্ষার জন্য শিগগিরই বাংলাদেশে পাঠাবে ভারত সরকার। এর ক্লিনিক্যাল পরীক্ষার অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশের মেডিকেল গবেষণা সংস্থা। চলতি মাসেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে কোভ্যাকসিনের বাণিজ্যিক উৎপাদনের অনুমোদন পাওয়া গেলে বাংলাদেশে টিকা উৎপাদন সম্ভব হবে। সবার জন্য টিকা নিশ্চিত করতে হবে।

এই রকম আরও টপিক