শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫

ভলগা ও বুড়িগঙ্গা তীরের দুই বিপ্লব

সুমন পালিত
প্রিন্ট ভার্সন
ভলগা ও বুড়িগঙ্গা তীরের দুই বিপ্লব

পাকিস্তান আমলে আমাদের স্বাধিকার সংগ্রামের স্লোগান ছিল ‘তোমার আমার ঠিকানা পদ্মা মেঘনা যমুনা’। পদ্মা মেঘনা যমুনা বাংলাদেশের তিন বড় নদীর নাম। আমাদের ঐতিহ্য ও অস্তিত্বের অনুষঙ্গ। ছোটবেলায় আমাদের পড়ানো হতো- এদেশ নদনদীর দেশ। আমাদের প্রজন্মের অনেকেরই বদ্ধমূল ধারণা, দুনিয়ার আর কোনো দেশে এত নদনদী নেই। এ ধারণা কতটা সত্যি, তা নিয়ে সংশয় থাকলেও বাংলাদেশের নদনদী, খাল, হাওড়-বাঁওড় একদিক থেকে অনন্য। মিঠাপানির এমন সমৃদ্ধ ভান্ডার প্রকৃতই দুনিয়ার আর কোনো দেশে নেই। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ। কিন্তু এ সম্পদ সম্পর্কে আমরা যত্নবান নই। নিজেদের সম্পদ সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই স্বচ্ছ ধারণা নেই। এ দেশে পানি উন্নয়ন বোর্ড নামের একটি শ্বেতহস্তি পোষা হয় জনগণের ট্যাক্সের টাকায়। তাদের একটি খসড়া হিসাবে বাংলাদেশের মোট নদনদীর সংখ্যা ১ হাজার ৪১৫। একই সংস্থার আরেক গবেষণায় এ সংখ্যা এক-তৃতীয়াংশের নিচে নামিয়ে আনা হয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশনের হিসাবে বাংলাদেশের মোট নদীর সংখ্যা ৪০৫। এর মধ্যে ৫৭টি অভিন্ন নদী।

বাংলাদেশকে যেমন বলা হয় পদ্মা মেঘনা যমুনা বুড়িগঙ্গার দেশ, তেমন রাশিয়াকে বলা হয় ভলগা নদীর দেশ। রাশিয়ায় নদীর সংখ্যা কত, এ কথা জানলে অনেকেই ভিরমি খেতে বাধ্য। গুগলে সার্চ দিলে দেখা যাবে এ সংখ্যা অন্তত ১ লাখ। নদী নিয়ে গবেষণা আজকের এ লেখার উদ্দেশ্য নয়। আজকের আলোচ্য বিষয় রাশিয়ার ভলগা পারে অক্টোবরের রুশ বিপ্লব এবং সে বিপ্লবের অনুকরণে ৫৮ বছর পর, বাংলাদেশে সংঘটিত ৭ নভেম্বরের সিপাহি জনতার বিপ্লব।

দুই.

আজ থেকে ১০৮ বছর আগে ভলগা নদীপারের দেশ রাশিয়ায় ঘটেছিল মহান অক্টোবর বিপ্লব। ১৯১৭ সালের ২৫ অক্টোবর রাশিয়ার শ্রমিক শ্রেণির দল কমিউনিস্ট পার্টির নেতা ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিনের নেতৃত্বে সংঘটিত বিপ্লবের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় দুনিয়ার প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র। যে বিপ্লবকে মার্কিন সাংবাদিক জন রিড অভিহিত করেছেন ‘দুনিয়া কাঁপানো দশ দিন’ হিসেবে।

দুনিয়ার ইতিহাসে মহান অক্টোবর বিপ্লব এক তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। এই বিপ্লব দুনিয়াজুড়ে স্বাধীনতা ও জাতীয় মুক্তির অবিস্মরণীয় চেতনার বিকাশ ঘটায়। এশিয়া আফ্রিকা লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশে উপনিবেশবাদের বিরুদ্ধে সংগঠিত হয় সর্বস্তরের মানুষ। স্বাধীনতার চেতনা বিকশিত হয় দেশে দেশে। মহান রুশ বিপ্লবের পর পুঁজিবাদের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ে। বেজে ওঠে উপনিবেশবাদের মৃত্যুঘণ্টা। যার ফলে একের পর এক দেশ থেকে সরে যান উপনিবেশবাদী শাসকরা। স্বাধীনতা অর্জন করে বেশ কিছু দেশ। রুশ বিপ্লবের দেখানো পথে গণচীন, ভিয়েতনাম, কোরিয়া, কিউবাসহ বিশ্বের প্রায় এক ডজনেরও বেশি দেশে প্রতিষ্ঠিত হয় শ্রমিক শ্রেণির রাজত্ব।

জাসদ দ্রুত আওয়ামী লীগের প্রধান প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠে। বিপ্লবের মাধ্যমে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে দলটি দুটি সশস্ত্র উইং গড়ে তোলে। এর একটি হলো বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা। যাদের কার্যক্রম ছিল সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে। জাসদ নেতা-কর্মীদের নিয়ে গঠিত হয় বিপ্লবী গণবাহিনী। কর্নেল আবু তাহের ছিলেন দুটি সশস্ত্র সংগঠনের প্রধান

ভলগা ও বুড়িগঙ্গা তীরের দুই বিপ্লববিংশ শতাব্দীর শুরুতেও জারশাসিত রাশিয়া ছিল ইউরোপের সবচেয়ে বড় সাম্রাজ্য। ইউরোপের বেশির ভাগ এলাকা ছিল তাদের দখলে। এশিয়ায়ও রুশ সাম্রাজ্যের আয়তন ছিল বিশাল। ১৯০৪-১৯০৫ সালের যুদ্ধে জাপান রাশিয়াকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত করে। প্রশান্ত মহাসাগরে রাশিয়ার নৌবহর নাস্তানাবুদ হয় জাপানি আক্রমণে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে জাপান বিপুলভাবে জয়ী হয়। এই জয়ে চীনের মাঞ্চুরিয়া ও কোরিয়ায় জাপানি আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। ফাঁস হয়ে পড়ে রুশ রাজতন্ত্র ও সামন্ততন্ত্রের দুর্বলতা। এ প্রেক্ষাপটে ১৯০৫ সালে রাশিয়ায় সংঘটিত হয় প্রথম বিপ্লব। যা গণতান্ত্রিক বিপ্লব নামেও পরিচিত। জাপানের কাছে লজ্জাজনক পরাজয় রাশিয়ানদের অহংবোধে আঘাত হানে। অর্থনৈতিক সংকটে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে সাধারণ মানুষ। ১৯০৫ সালের ২২ জানুয়ারি রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরে হাজার হাজার শ্রমিক বিভিন্ন দাবি আদায়ে ধর্মঘটে নামে। ফাদার গ্যাপো নামের এক নেতার নেতৃত্বে জার নিকোলাসের শীতকালীন প্রাসাদের সামনে তারা সমবেত হয় দাবি আদায়ের উদ্দেশ্যে। জারের নির্দেশে শ্রমিকদের ওপর পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে এক হাজারের বেশি শ্রমিক নিহত হন। এ শ্রমিক হত্যাকাণ্ড মানুষের ক্ষোভ আরও বাড়িয়ে দেয়। বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। জারের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ে। বিপ্লবীদের সঙ্গে আপস করতে বাধ্য হন জার দ্বিতীয় নিকোলাস। রাশিয়ায় দুমা বা পার্লামেন্ট গঠনে রাজি হন তিনি। দুমা জারের যে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ অথবা বাতিলের ক্ষমতা পায়। ফলে মানুষের ক্ষোভ হ্রাস পায়। বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা পায় রাজতন্ত্র। কিন্তু কথায় বলে স্বভাব সহজে বদলায় না। জার ও তার দোসররা বিপদ কাটতেই ফের ধরাকে সরা জ্ঞান করার পথে হাঁটে। জার নিকোলাস সুযোগ বুঝে দুমা ভেঙে দেয়। ফলে জার শাসনের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ আগের চেয়ে বেড়ে যায়। শ্রমিক শ্রেণি জোরেশোরে সংঘটিত হয় কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে।

১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই বসনিয়ায় হত্যাকাণ্ডের শিকার হন অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সাম্রাজ্যের যুবরাজ ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দ। সার্ব জাতীয়তাবাদী এক যুবক এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল। এ যুক্তিতে সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা হয়। সার্বিয়ার পক্ষ নেয় রাশিয়া। ফলে ইউরোপে বেজে ওঠে যুদ্ধের দামামা। যুদ্ধে রাশিয়া বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যুদ্ধ চালাতে গিয়ে দুর্বল হয়ে পড়ে অর্থনীতি। শ্রমিকদের জীবনজীবিকা হুমকির মুখে পড়ে। কঠিন হয়ে ওঠে কৃষকদের জীবন। ঠিক এমন অবস্থায় রাশিয়ায় সংঘটিত হয় ১৯১৭ সালের ২৫ অক্টোবরের দুনিয়া কাঁপানো বিপ্লব। এ বিপ্লবের নেতৃত্বে ছিল কমিউনিস্ট পার্টি। এতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন শ্রমিকরা। ‘মেহনতি মানুষের শৃঙ্খল ছাড়া হারানোর কিছু নেই’- এই মন্ত্রে জেগে ওঠে তারা। কারখানার বিপ্লবী শ্রমিকদের সঙ্গে একাত্ম হন সেনাবাহিনী সদস্যরা। প্রথম মহাযুদ্ধে বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছিল যাদের জীবন। বিপ্লবীদের হাতে জার শাসনের পতন ঘটে। লেনিনের নেতৃত্বে রাশিয়ায় ক্ষমতায় আসে শ্রমিক শ্রেণির সরকার। তারা প্রথম মহাযুদ্ধ থেকে সরে আসে। বিপ্লব ক্রমান্বয়ে সফল হয় জারশাসিত পুরো সাম্রাজ্যে অর্থাৎ আরও ১৪টি দেশে। যে দেশগুলোকে নিয়ে ১৯২২ সালের ৩০ ডিসেম্বর গঠিত হয় সোভিয়েত ইউনিয়ন। প্রায় ৬৯ বছর সোভিয়েত ইউনিয়ন তার অস্তিত্ব বজায় রেখেছিল। ১৯৯১ সালের ২৬ ডিসেম্বর গর্বাচেভের আমলে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে ১৫টি স্বাধীন দেশে পরিণত হয়। এই ঘটনা ইউরোপের অন্যান্য দেশেও সমাজতন্ত্রের পতন ঘটায়।

দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে জার্মানি, জাপান ও ইতালির নেতৃত্বাধীন অক্ষশক্তির বিরুদ্ধে মিত্রবাহিনীর জয়লাভে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূমিকা অবিস্মরণীয়। জার্মানি ইউরোপের একের পর এক দেশ দখল করে অপ্রতিরোধ্য শক্তিতে পরিণত হয়। তারা সোভিয়েত ইউনিয়নে আগ্রাসন চালিয়ে প্রকারান্তরে নিজেদের বিপদ ডেকে আনে। প্রথম দিকে একের পর জনপদ দখল করে জার্মান বাহিনী। কিন্তু রেড আর্মির প্রচণ্ড প্রতিরোধে জার্মানরা পিছু হটতে বাধ্য হয়। জার্মানির রাজধানী বার্লিনসহ বৃহৎ অংশ নিজেদের দখলে আনে সোভিয়েত বাহিনী। জার্মান নাৎসি বাহিনী আত্মসমর্পণে বাধ্য হয়। পরাজয়ের লজ্জা এড়াতে হিটলার আত্মহত্যা করেন।

ইউরোপে জার্মান দখলকৃত এলাকায় প্রতিষ্ঠিত হয় ছয়টি সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র। যেগুলোর মধ্যে রয়েছে পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরি, রোমানিয়া, আলবেনিয়া, পোল্যান্ড ও যুগোস্লাভিয়া। সোভিয়েত ইউনিয়ন পতনের পর এসব দেশেও সমাজতান্ত্রিক শাসনের ইতি ঘটে।

তিন.

১৯১৭ সালের মহান অক্টোবর বিপ্লবকে অনুসরণ করে, ৫৮ পর বছর পর একই ডেটলাইনে বাংলাদেশে সংঘটিত হয় ১৯৭৫-এর ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লব। এ বিপ্লবের নেতৃত্ব দেয় বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা নামের সংগঠন। স্মর্তব্য স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগে ভাঙন ধরে। ছাত্রলীগের সিংহভাগ নেতা-কর্মী বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের তত্ত্ব তুলে, মূল দলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে। সংখ্যালঘিষ্ঠ অংশ থেকে যায় মুজিববাদী আদর্শের অনুসারী হিসেবে। বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের অনুসারী সাবেক ছাত্রনেতাদের উদ্যোগে গঠিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশে আত্মপ্রকাশকারী প্রথম রাজনৈতিক সংগঠন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)। দলটি দ্রুত আওয়ামী লীগের প্রধান প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠে। বিপ্লবের মাধ্যমে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে জাসদ দুটি সশস্ত্র উইং গড়ে তোলে। এর একটি হলো বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা। যাদের কার্যক্রম ছিল সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে। জাসদ নেতা-কর্মীদের নিয়ে গঠিত হয় বিপ্লবী গণবাহিনী। কর্নেল আবু তাহের ছিলেন দুটি সশস্ত্র সংগঠনের প্রধান।

কর্নেল আবু তাহের মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে ছিলেন পাকিস্তানে। সেখান থেকে পালিয়ে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। ১১নং সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পাকিস্তান বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে তাহের গুরুতর আহত হয়ে একটি পা হারান। মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ সাহসিকতার জন্য তিনি বীরউত্তম খেতাবে ভূষিত হন। স্বাধীনতার পর কুমিল্লা সেনানিবাসের অধিনায়ক হিসেবে নিযুক্তি পান কর্নেল তাহের। ১৯৭২ সালে তিনি সেনাবাহিনী থেকে পদত্যাগ করেন। এবং জাসদে যোগ দেন। তাহেরকে সশস্ত্র শাখার নেতৃত্বে রাখা হয়।

রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে ১৯১৭ সালের ২৫ অক্টোবর। পরবর্তী সময়ে দুনিয়ার অন্যান্য দেশের মতো সে দেশেও গ্রেগোরিয়ান ক্যালেন্ডার চালু হয়। ২৫ অক্টোবর হয়ে যায় ৭ নভেম্বর। বাংলাদেশে বিপ্লব সংঘটনে ৭ নভেম্বর ডেটলাইন বেছে নেওয়া হয় রুশ বিপ্লবকে সামনে রেখে। এ বিপ্লবের নেতৃত্বদানকারী বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা গঠিত হয় ১৯৭৩ সালের ১ জানুয়ারি। ঢাকা সেনানিবাসের হাবিলদারবাড়ির স্টাফ কোয়ার্টারে। নেতৃত্বে ছিলেন মেজর জলিল ও কর্নেল তাহের। সেনাবাহিনীর জুনিয়র ও ননকমিশন্ড অফিসারদের একাংশ এ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়। বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা বুয়েটের আহসানউল্লাহ হলে গোপন বৈঠকে মিলিত হতো। তাতে জাসদের তাত্ত্বিক নেতা সিরাজুল আলম খানও উপস্থিত থাকতেন। মুক্তিযুদ্ধে ১১নং সেক্টরে কর্নেল তাহেরের সহযোদ্ধা সৈনিকদের মধ্যে এবং কুমিল্লা সেনানিবাসে বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার ব্যাপক প্রভাব ছিল।

৭ নভেম্বর বাংলাদেশে সিপাহি-জনতার যে বিপ্লব হয়, তা ছিল শিব গড়তে বানর গড়ার শামিল। রুশ বিপ্লবে মূল ভূমিকা ছিল সে দেশের বলশেভিক বা কমিউনিস্ট পার্টির। বাংলাদেশে সংঘটিত বিপ্লবে জাসদের মূলত তেমন ভূমিকা ছিল না। নেতারা কথিত বিপ্লবে জড়িত থাকলেও মাঠপর্যায়ের নেতা-কর্মীদের রহস্যজনকভাবে দূরে রাখা হয়। বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার সাধারণ সদস্যরা কতটা রাজনৈতিকভাবে সচেতন ছিলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন ছিল।

চার.

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট একদল সেনাসদস্যের হাতে সপরিবার নিহত হন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিব। রাষ্ট্রপতি পদ দখল করেন তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও মন্ত্রী খোন্দকার মোশতাক। মেজর পর্যায়ের অফিসারদের দাপটে সেনাবাহিনীর চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়ে। এ প্রেক্ষাপটে ৩ নভেম্বর ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে সেনা অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। সেনাপ্রধান জেনারেল জিয়াউর রহমানকে আটক রাখা হয় স্বগৃহে। আটকাবস্থা থেকে জেনারেল জিয়া কিছু একটা করার অনুরোধ পাঠান বন্ধু কর্নেল তাহেরকে। সাধারণ সেনাদের মধ্যে জিয়াউর রহমান জনপ্রিয় ছিলেন। এ জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে সংঘটিত হয় সিপাহি-জনতার বিপ্লব। বিপ্লবের নামে সাধারণ সৈনিকরা অফিসার হত্যায় মেতে ওঠেন। সৈনিকরা বন্দি অবস্থা থেকে সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করেন। তিনি তাঁকে মুক্ত করায় তাহেরের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। কিন্তু একই সঙ্গে বিপ্লবের নামে অফিসার হত্যায় আঁতকে ওঠেন। তাহেরের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব দেখা দেয় শুরুতেই। সেনা শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠাকে তিনি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেন। ৭ নভেম্বরের ঘটনাবলি সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করেছেন সাবেক সেনাপ্রধান লে. জেনারেল মাহবুবুর রহমান। তাঁর ভাষায়, সেনাপ্রধান জেনারেল জিয়া এক সৈনিক দরবারে এসেছিলেন। মাঠে অস্ত্র উঁচিয়ে উচ্ছৃঙ্খল সৈনিকের ভিড়। চতুর্দিকে মুহুর্মুহু স্লোগান ‘জিয়া ভাই, জিয়া ভাই’। ঢাকা সেনানিবাসের আকাশবাতাস মুখর। পতাকাবাহী গাড়ি রাস্তায় রেখে তিনি হেঁটে সৈনিকদের ঠিক মাঝখানে চলে আসেন। মাইক্রোফোনটা হাতে নিয়ে চিৎকার করে বলতে শুরু করেন, ‘তোমরা সবাই চুপ কর। আমি তোমাদের ভাই নই। আমি তোমাদের সেনাপ্রধান। সাবধানে কথা বল। সেনা শৃঙ্খলা ভঙ্গ আমি কখনো সহ্য করব না।’ তিনি সবাইকে ব্যারাকে যাওয়ার আদেশ দেন। অস্ত্র জমা দিতে বলেন এবং চেইন অব কমান্ডে ফিরে আসতে বলেন। অবাকবিস্ময়ে আমি লক্ষ করি, মুহূর্তের মধ্যে সব কোলাহল স্তব্ধ। সৈনিকরা লাইন ধরে সুড়সুড় করে আপন আপন ইউনিটের দিকে ধাবমান। আমার কাছে সেদিন জিয়াকে মনে হয়েছিল- তিনি যেন সেই হ্যামিলনের বংশীবাদক, যার বাঁশির সুরে হ্যামিলন নগরীর সব শিশু-কিশোর যে যেখানে ছিল, তার পেছনে পেছনে ছুটেছিল....।

লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
প্রাণীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় নবীজি (সা.)
প্রাণীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় নবীজি (সা.)
সুস্থ হয়ে উঠুন দেশনেত্রী
সুস্থ হয়ে উঠুন দেশনেত্রী
দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি
দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি
স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব
স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব
ভারত ও সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প
ভারত ও সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প
নিরীহনাশে আমোদিত চিত্ত
নিরীহনাশে আমোদিত চিত্ত
ইসলামের আলোকে সুশাসনের প্রয়োজন ও ফলাফল
ইসলামের আলোকে সুশাসনের প্রয়োজন ও ফলাফল
বাজার সিন্ডিকেট
বাজার সিন্ডিকেট
অবৈধ অস্ত্র
অবৈধ অস্ত্র
পাহাড়ের পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগছে না
পাহাড়ের পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগছে না
তারেক রহমান আসবেন বীরের বেশে
তারেক রহমান আসবেন বীরের বেশে
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন : কাগুজে অগ্রগতি
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন : কাগুজে অগ্রগতি
সর্বশেষ খবর
জাপা নেতা থেকে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী গোলাম মসীহ
জাপা নেতা থেকে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী গোলাম মসীহ

১ সেকেন্ড আগে | রাজনীতি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নাগরিক ভাবনা নিয়ে আলোচনা সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নাগরিক ভাবনা নিয়ে আলোচনা সভা

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির জরুরি ৫ নির্দেশনা
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির জরুরি ৫ নির্দেশনা

৩ মিনিট আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপে নতুন নিয়ম: ম্যাচে থাকবে তিন ধাপের বিরতি
বিশ্বকাপে নতুন নিয়ম: ম্যাচে থাকবে তিন ধাপের বিরতি

৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শীতে খুশকি রোধে ঘরোয়া উপায়
শীতে খুশকি রোধে ঘরোয়া উপায়

৬ মিনিট আগে | জীবন ধারা

রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালন
রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালন

১২ মিনিট আগে | নগর জীবন

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে ২ লাখ ৭৫ হাজার প্রবাসীর নিবন্ধন
সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে ২ লাখ ৭৫ হাজার প্রবাসীর নিবন্ধন

১৯ মিনিট আগে | জাতীয়

‘দেশে আর আমি-ডামি নির্বাচন হবে না’
‘দেশে আর আমি-ডামি নির্বাচন হবে না’

২১ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

আবারও বিয়ের পিঁড়িতে ‌‌‌‘পাখি’: কবে, কোথায় দিনক্ষণ জানালেন অভিনেত্রী
আবারও বিয়ের পিঁড়িতে ‌‌‌‘পাখি’: কবে, কোথায় দিনক্ষণ জানালেন অভিনেত্রী

২১ মিনিট আগে | শোবিজ

কালুখালীতে বিজয়ের মাস উপলক্ষে শুভসংঘের কুইজ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা
কালুখালীতে বিজয়ের মাস উপলক্ষে শুভসংঘের কুইজ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা

৩১ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ : ৮ মরদেহের ডিএনএ সংগ্রহ ও পোস্টমর্টেম সম্পন্ন
গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ : ৮ মরদেহের ডিএনএ সংগ্রহ ও পোস্টমর্টেম সম্পন্ন

৩৩ মিনিট আগে | জাতীয়

মুন্সীগঞ্জে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় অটোরিকশার যাত্রী নিহত
মুন্সীগঞ্জে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় অটোরিকশার যাত্রী নিহত

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নোয়াখালীতে শর্টসার্কিটের আগুনে পুড়ল ৯ দোকান
নোয়াখালীতে শর্টসার্কিটের আগুনে পুড়ল ৯ দোকান

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জাপানে ৭.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে বাড়িঘরে আগুন, আহত অন্তত ৩৩
জাপানে ৭.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে বাড়িঘরে আগুন, আহত অন্তত ৩৩

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীতে ঠোঁটের বাড়তি যত্ন
শীতে ঠোঁটের বাড়তি যত্ন

৪০ মিনিট আগে | জীবন ধারা

৮ দলের বৈঠক : আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা শুরু হচ্ছে আজ
৮ দলের বৈঠক : আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা শুরু হচ্ছে আজ

৪১ মিনিট আগে | রাজনীতি

চ্যাটজিপিটিতে বিজ্ঞাপন যুক্ত হচ্ছে না, জানাল ওপেনএআই
চ্যাটজিপিটিতে বিজ্ঞাপন যুক্ত হচ্ছে না, জানাল ওপেনএআই

৫৩ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

মানিকগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালিত
মানিকগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালিত

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চাকরি বিধিমালা প্রণয়নের দাবিতে মেট্রোরেল কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি
চাকরি বিধিমালা প্রণয়নের দাবিতে মেট্রোরেল কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সুস্থ হয়ে উঠুন দেশনেত্রী
সুস্থ হয়ে উঠুন দেশনেত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

মোহাম্মদপুরে খুন হওয়া মা–মেয়ের মরদেহ পৌঁছেছে গ্রামে, দাফন দুপুরে
মোহাম্মদপুরে খুন হওয়া মা–মেয়ের মরদেহ পৌঁছেছে গ্রামে, দাফন দুপুরে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সূচকের বড় উত্থানের পুঁজিবাজারে লেনদেন চলছে
সূচকের বড় উত্থানের পুঁজিবাজারে লেনদেন চলছে

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

দুর্নীতিবাজদের প্রতি ঘৃণার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে : অর্থ উপদেষ্টা
দুর্নীতিবাজদের প্রতি ঘৃণার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে : অর্থ উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টরন্টোয় ‘সূর্য ল’র জমকালো ক্রিসমাস পার্টি
টরন্টোয় ‘সূর্য ল’র জমকালো ক্রিসমাস পার্টি

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

সালাম মুর্শেদীর দখলে থাকা বাড়ি হস্তান্তরে হাইকোর্টের রায় প্রকাশ
সালাম মুর্শেদীর দখলে থাকা বাড়ি হস্তান্তরে হাইকোর্টের রায় প্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জনগণ দায়িত্ব দিলে বিএনপি আবারও দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়বে : তারেক রহমান
জনগণ দায়িত্ব দিলে বিএনপি আবারও দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়বে : তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পাকিস্তানে সীমান্তের কাছে সন্ত্রাসী হামলায় ৬ সেনা নিহত
পাকিস্তানে সীমান্তের কাছে সন্ত্রাসী হামলায় ৬ সেনা নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজীপুরে কারখানা বন্ধ ঘোষণা করায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ
গাজীপুরে কারখানা বন্ধ ঘোষণা করায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঢাকা কলেজ ও আইডিয়ালের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ
ঢাকা কলেজ ও আইডিয়ালের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিতে ট্রাইব্যুনালে হাসনাত আবদুল্লাহ
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিতে ট্রাইব্যুনালে হাসনাত আবদুল্লাহ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাজধানীতে ফ্ল্যাটে ঢুকে মা-মেয়েকে হত্যা, সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল
রাজধানীতে ফ্ল্যাটে ঢুকে মা-মেয়েকে হত্যা, সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আমিরুলের হ্যাটট্রিকে বিশ্বকাপে ট্রফি জয় বাংলাদেশের
আমিরুলের হ্যাটট্রিকে বিশ্বকাপে ট্রফি জয় বাংলাদেশের

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খেলাপি ৩৮ কোটি টাকা পরিশোধে মান্নাকে ইসলামী ব্যাংকের নোটিশ
খেলাপি ৩৮ কোটি টাকা পরিশোধে মান্নাকে ইসলামী ব্যাংকের নোটিশ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তামিমকে অধিনায়ক করে এশিয়া কাপের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তামিমকে অধিনায়ক করে এশিয়া কাপের দল ঘোষণা বাংলাদেশের

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাবরি মসজিদ নির্মাণের দানবাক্সে বিপুল অর্থ, চলছে গণনা
বাবরি মসজিদ নির্মাণের দানবাক্সে বিপুল অর্থ, চলছে গণনা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৮টি রাজনৈতিক দল নিয়ে আত্মপ্রকাশ নতুন জোট এনডিএফের
১৮টি রাজনৈতিক দল নিয়ে আত্মপ্রকাশ নতুন জোট এনডিএফের

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আখতারকে নিয়ে জামায়াতের বিবৃতির নিন্দা ও প্রতিবাদ এনসিপির
আখতারকে নিয়ে জামায়াতের বিবৃতির নিন্দা ও প্রতিবাদ এনসিপির

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা আবেদন জমাদান কেন্দ্র বাড়ালো রোমানিয়া
বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা আবেদন জমাদান কেন্দ্র বাড়ালো রোমানিয়া

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের দিনই গণভোট, মেনে নিল আন্দোলনরত ৮ দল
নির্বাচনের দিনই গণভোট, মেনে নিল আন্দোলনরত ৮ দল

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আমদানির খবরে কমছে পিয়াজের দাম
আমদানির খবরে কমছে পিয়াজের দাম

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের
ভারতের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমজনতার দলে যোগ দিতে চাইলে জামায়াত নেতাদের বিশেষ শর্ত
আমজনতার দলে যোগ দিতে চাইলে জামায়াত নেতাদের বিশেষ শর্ত

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিটিভি-বেতারকে তফসিল রেকর্ড করতে প্রস্তুত থাকতে বললো ইসি
বিটিভি-বেতারকে তফসিল রেকর্ড করতে প্রস্তুত থাকতে বললো ইসি

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিলেন বিএলডিপি’র চেয়ারম্যান সেলিম
দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিলেন বিএলডিপি’র চেয়ারম্যান সেলিম

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘ওয়ার্ক ভিসা’ নিয়ে ইতালি দূতাবাসের বার্তা
‘ওয়ার্ক ভিসা’ নিয়ে ইতালি দূতাবাসের বার্তা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিকতা-আইন পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা
সাংবাদিকতা-আইন পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতকে আরও কঠোর জবাব দেয়া হবে, হুঁশিয়ারি আসিম মুনিরের
ভারতকে আরও কঠোর জবাব দেয়া হবে, হুঁশিয়ারি আসিম মুনিরের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সমঝোতার ভিত্তিতে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেবে জামায়াত
সমঝোতার ভিত্তিতে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেবে জামায়াত

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মোহাম্মদপুরে মা ও মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা, গৃহকর্মী পলাতক
মোহাম্মদপুরে মা ও মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা, গৃহকর্মী পলাতক

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

এক হামলাতেই ৩৬ মোসাদ সদস্যকে হত্যার দাবি ইরানের
এক হামলাতেই ৩৬ মোসাদ সদস্যকে হত্যার দাবি ইরানের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের সূচি দেখেই আতঙ্কে বড় দলগুলো, কিন্তু কেন?
বিশ্বকাপের সূচি দেখেই আতঙ্কে বড় দলগুলো, কিন্তু কেন?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলি সমরাস্ত্রে সাজছে জার্মানি, নেপথ্যে কি?
ইসরায়েলি সমরাস্ত্রে সাজছে জার্মানি, নেপথ্যে কি?

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ারে জুবাইদা রহমান
খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ারে জুবাইদা রহমান

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আবারও খাল খনন কর্মসূচি শুরু হবে : তারেক রহমান
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আবারও খাল খনন কর্মসূচি শুরু হবে : তারেক রহমান

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাজেট থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হলো সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংককে
বাজেট থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হলো সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংককে

২৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

অনলাইনে কেনা খেজুরের গুড় আসল কিনা যাচাই করার সহজ উপায়
অনলাইনে কেনা খেজুরের গুড় আসল কিনা যাচাই করার সহজ উপায়

১৬ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

তুর্কি ড্রোনের বিস্ময়কর সাফল্যে বদলে গেল আকাশযুদ্ধের মোড়
তুর্কি ড্রোনের বিস্ময়কর সাফল্যে বদলে গেল আকাশযুদ্ধের মোড়

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইতিহাসে সর্বনিম্ন পর্যায়ে ইরানি মুদ্রা, এক ডলারে ১২ লাখ ৫০ হাজার রিয়াল
ইতিহাসে সর্বনিম্ন পর্যায়ে ইরানি মুদ্রা, এক ডলারে ১২ লাখ ৫০ হাজার রিয়াল

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিজয় দিবসে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং, বিশ্বরেকর্ড গড়ার প্রত্যয় বাংলাদেশের
বিজয় দিবসে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং, বিশ্বরেকর্ড গড়ার প্রত্যয় বাংলাদেশের

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কারাগারে সাংবাদিক শওকত মাহমুদ
কারাগারে সাংবাদিক শওকত মাহমুদ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
এটিএম কার্ডে মেট্রোরেলে ভ্রমণ
এটিএম কার্ডে মেট্রোরেলে ভ্রমণ

শিল্প বাণিজ্য

অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাচন দেওয়ার শর্ত ছিল না
অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাচন দেওয়ার শর্ত ছিল না

প্রথম পৃষ্ঠা

বেগম রোকেয়ার বসতভিটার সাড়ে তিন শ বিঘা জমি গেল কই?
বেগম রোকেয়ার বসতভিটার সাড়ে তিন শ বিঘা জমি গেল কই?

নগর জীবন

১৫ টাকা খরচে ভিডিও কল কারাবন্দিদের
১৫ টাকা খরচে ভিডিও কল কারাবন্দিদের

পেছনের পৃষ্ঠা

ফরিদপুরে লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি
ফরিদপুরে লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি

পেছনের পৃষ্ঠা

তফসিল ঘোষণা যে কোনো দিন
তফসিল ঘোষণা যে কোনো দিন

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পানির হাহাকারে বরেন্দ্র
পানির হাহাকারে বরেন্দ্র

নগর জীবন

ব্যানার পোস্টারে ছেয়ে গেছে ঢাকা
ব্যানার পোস্টারে ছেয়ে গেছে ঢাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

এক-দুই সপ্তাহে পাঁচ ব্যাংকের আমানত ফেরত
এক-দুই সপ্তাহে পাঁচ ব্যাংকের আমানত ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

আপাতত দেশেই খালেদা জিয়ার চিকিৎসা
আপাতত দেশেই খালেদা জিয়ার চিকিৎসা

প্রথম পৃষ্ঠা

১০ হাজারের বেশি মানুষকে মাটিচাপা
১০ হাজারের বেশি মানুষকে মাটিচাপা

প্রথম পৃষ্ঠা

২০০ আসনে বিজয়ী হলেও গঠন করব জাতীয় সরকার
২০০ আসনে বিজয়ী হলেও গঠন করব জাতীয় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্যাবলেট বিক্রেতাদের বাসস্টেশন কোথায়
ট্যাবলেট বিক্রেতাদের বাসস্টেশন কোথায়

প্রথম পৃষ্ঠা

মা-মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা
মা-মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের মাটিতে অবসর নেবেন সাকিব!
দেশের মাটিতে অবসর নেবেন সাকিব!

মাঠে ময়দানে

একজন ভালো আর সবাই খারাপ, এ প্রচার চলছে
একজন ভালো আর সবাই খারাপ, এ প্রচার চলছে

প্রথম পৃষ্ঠা

সুস্থ হয়ে উঠুন দেশনেত্রী
সুস্থ হয়ে উঠুন দেশনেত্রী

সম্পাদকীয়

দুর্নীতির অভিযোগের ছড়াছড়ি
দুর্নীতির অভিযোগের ছড়াছড়ি

প্রথম পৃষ্ঠা

৩১ বাংলাদেশিকে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে ফেরত যুক্তরাষ্ট্রের
৩১ বাংলাদেশিকে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে ফেরত যুক্তরাষ্ট্রের

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন মাসে নতুন কোটিপতি ৭৩৪
তিন মাসে নতুন কোটিপতি ৭৩৪

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিধি বাড়ছে বৃহত্তর সুন্নি জোটের
পরিধি বাড়ছে বৃহত্তর সুন্নি জোটের

নগর জীবন

এনসিপির ১০০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত ঘোষণা আজ
এনসিপির ১০০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত ঘোষণা আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচ বছরেও হয়নি চার্জশিট মামলার
পাঁচ বছরেও হয়নি চার্জশিট মামলার

পেছনের পৃষ্ঠা

এবার আনিসুল মঞ্জুর নেতৃত্বে নতুন জোট
এবার আনিসুল মঞ্জুর নেতৃত্বে নতুন জোট

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপে চ্যালেঞ্জার ট্রফি বাংলাদেশের
বিশ্বকাপে চ্যালেঞ্জার ট্রফি বাংলাদেশের

মাঠে ময়দানে

আদালতের দণ্ড নিয়েও বহাল রাকাব এমডি!
আদালতের দণ্ড নিয়েও বহাল রাকাব এমডি!

নগর জীবন

বেগম রোকেয়া নারী সমাজকে আলোর পথে এনেছিলেন
বেগম রোকেয়া নারী সমাজকে আলোর পথে এনেছিলেন

প্রথম পৃষ্ঠা

জেলেনস্কিকে নিয়ে হতাশ ট্রাম্প
জেলেনস্কিকে নিয়ে হতাশ ট্রাম্প

পূর্ব-পশ্চিম

অপহৃত ১০০ স্কুলশিক্ষার্থী উদ্ধার
অপহৃত ১০০ স্কুলশিক্ষার্থী উদ্ধার

পূর্ব-পশ্চিম