দেশে কৃষক, জেলে, তাঁতি, কামার-কুমার, খেতমজুর ও দিনমজুর মানুষদের ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে দেশে কখনোই প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। গভীর বৈষম্য রেখে শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়া যায় না।— এমন মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনের প্রার্থী ও গণসংহতি আন্দোলন বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।
মঙ্গলবার সকাল থেকে কলাকান্দি, জয়কালীপুরসহ পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের নির্বাচনি পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
জোনায়েদ সাকি আরও বলেন, ‘যুবসমাজকে উন্নত প্রযুক্তিগত শিক্ষায় দক্ষ করে তুলতে হবে, যাতে তারা ঘরে বসেই বৈশ্বিক বাজারে কাজ করতে পারে এবং ন্যায্য পারিশ্রমিক অর্জন করতে পারে। সেই আয় দেশে আনার জন্য সবচেয়ে কার্যকর ও নিরাপদ মাধ্যম হলো পেপাল অ্যাকাউন্ট। অথচ দুঃখজনকভাবে এখনো বাংলাদেশে পেপাল চালু হয়নি।’
বিএনপি, গণসংহতি আন্দোলনসহ যুগপৎ আন্দোলনের সমর্থিত এই প্রার্থী বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য একটি উন্নত ও নিরাপদ বাঞ্ছারামপুর গড়া। যেখানে কোনো নারী হয়রানির শিকার হবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাঞ্ছারামপুরে আমরা দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু-মুসলিম, বৌদ্ধ-খ্রিষ্টানসহ সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করে আসছি। এই সম্প্রীতি যেন কেউ নষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘বাঞ্ছারামপুরের প্রতিটি মানুষ মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে মাথা উঁচু করে বাঁচবে এই পরিবেশ আমাদের তৈরি করতে হবে। তরুণরা যেন মাদক ও সন্ত্রাসের কবলে না পড়ে, সে জন্য সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ নিতে হবে। রাজনীতি চলবে, কিন্তু রাজনীতি যেন কখনো খুনো খুনিতে রূপ না নেয় সেদিকে নজর রাখতে হবে।’
তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, ‘ভোট দিয়ে শুধু বাড়ি ফিরে গেলে চলবে না; সারাদিন ভোটকেন্দ্র পাহারা দিতে হবে, যাতে কেউ ভোটকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে না পারে।’
পথসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী শামীম শিবলী, বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মর্তুজা বশির আপেল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ওমর ফারুকসহ উপজেলা গণসংহতি আন্দোলন ও বিএনপির নেতাকর্মীরা।
বিডি-প্রতিদিন/এমই