শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২১ মে, ২০১৬ ০০:০০ টা
আপলোড : ২১ মে, ২০১৬ ০০:০৭

ক্রুজ এখনো...

শোবিজ ডেস্ক

ক্রুজ এখনো...

ছোটবেলায় যিনি হতে চেয়েছিলেন ধর্মযাজক, তিনিই আজ হলিউড সুপার স্টার। কোটি হৃদয়, বিশেষ করে তরুণীদের ঘুম কেড়ে নেওয়া নায়ক টম ক্রুজ। মিশন ইম্পসিবল বলতে তার জীবনে কিছু নেই। সব অসম্ভবকে সম্ভব করাই যেন তার কাজ। ১৯৬২ সালের ৩ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন তিনি। স্কুলজীবনে অ্যাথলেট হিসেবে যথেষ্ট সক্রিয় ছিলেন, আর প্রায় প্রতি রাতেই ফোর হকি খেলতেন। এক সময় রেসলারও হতে চেয়েছিলেন টম ক্রুজ। হাঁটুতে আঘাত পাওয়ার কারণে রেসলিং ছেড়ে অভিনয় শুরু করেন। হেনরি মুনরো মিডল স্কুলে পড়াকালে ক্রুজ নাটকের সঙ্গে যুক্ত হন। তার অভিনীত প্রথম নাটকের নাম ‘আইটি’। ১৯৮১ সালে ‘ক্রুজ অ্যান্ডলেস লাভ এ ট্যাপস’ ছবিতে সহকারী চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেন। ১৯৮৩ সালে ‘অল দ্য রাইট মুভস’ এবং ‘রিস্কি বিজনেস’ ছবির মাধ্যমে টম ক্রুজের বর্ণাট্য অভিনয়-জীবনের সাফল্য গাথা শুরু হয়। ১৯৮৬ সালে ‘টপ গান’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে তারকা খ্যাতি পেয়ে যান। ১৯৯৬ থেকে ২০১১ এ সময়টিতে মিশন ইম্পসিবল ছবির সিরিজগুলোতে অভিনয় করেন হলিউডের এই তারকা। ক্রুজ অভিনীত প্রায় সব ছবিই ব্লকবাস্টার হিট। তার হিট ছবিগুলো হলো— রেইন ম্যান (১৯৮৮), এ ফিউ গুড ম্যান (১৯৯২), জেরি ম্যাগুইরো (১৯৯৬), ভ্যানিলা স্কাই (২০০১), মাইনরিটি রিপোর্ট (২০০২), দ্য লাস্ট সামুরাই (২০০৩), কোলাটেরাল (২০০৪), ওয়ার অব দ্য ওয়ার্ল্ড (২০০৫), ট্রপিক থানডার (২০০৮), জ্যাক রিচার (২০১২)। টম ক্রুজের অভিনয় স্বীকৃতিও কম নয়, তিনটি গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন এবং তিনটি একাডেমি অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনয়ন পেয়েছেন। প্রযোজক হিসেবেও মুন্সিয়ানার পরিচয় রেখেছেন। মিশন ইম্পসিবল ছবিটি তারই উদাহরণ। সাংবাদিক এডওয়ার্ড জে এপস্টিন দাবি করেন, খুব কমসংখ্যক প্রযোজক আছেন, যিনি টম ক্রুজের মতো বিলিয়ন-ডলার চুক্তির চলচ্চিত্রে সাফল্যের নিশ্চয়তা দিতে পারেন। ১৯৯৫ সালে অ্যাম্পায়ার ম্যাগাজিন তাকে চলচ্চিত্র ইতিহাসে ১০০ জন যৌন-আবেদনময় তারকার মাঝে স্থান দেয়। ২০০৬ সালে ফোর্বস ম্যাগাজিন ও প্রিমিয়ার ম্যাগাজিন তাকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী তারকা হিসেবে আখ্যায়িত করে। এখনো একজন দাপুটে চলচ্চিত্রকার হিসেবে নিজের অবস্থান বজায় রেখেছেন টমক্রুজ।


আপনার মন্তব্য