শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ১৫ মে, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৪ মে, ২০১৯ ২২:৪২

প্রভাবশালী সেলুলয়েড উৎসব

উৎসবের ১ দিন

প্রভাবশালী সেলুলয়েড উৎসব
গতকাল পর্দা উঠেছে ৭২তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের। জমজমাট আয়োজনে মুখর সাগরপাড়ের শহর কান। অন্যতম প্রাচীন এবং প্রভাবশালী এই সেলুলয়েড উৎসবকে ঘিরে বসেছে নানা আয়োজন। উৎসবের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লিখেছেন-  পান্থ আফজাল

 

কানের উদ্বোধনী প্রদর্শনী

এবারের কান চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা উঠে মার্কিন পরিচালক জিম জারমুশ পরিচালিত ‘দ্য ডেড ডোন্ট ডাই’ ছবিটির প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে।

 

উৎসবে পামেলা অ্যান্ডারসন ও জোয়ি স্যালডানা

এই উৎসবে বলিউড, হলিউডসহ বিভিন্ন দেশের তারকারা ঝাঁক বেঁধে প্রতিনিয়ত ভিড় করছেন। আর আগে ভাগেই চলে এসেছেন সেক্সিয়েস্ট  পামেলা অ্যান্ডারসন। আর স্বামী মার্কো পেরেগোকে নিয়ে এসেছেন ‘গার্ডিয়ান্স অব দ্য গ্যালাক্সি’ তারকা জোয়ি স্যালডানা।

 

কানে লিঙ্গ সমতার চিত্র

কান উৎসবকে সামনে রেখে প্রতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১০৯ জন কর্মী বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন। তাদের মধ্যে ৬৬ জন নারী। আর উৎসব চলাকালে তাদের সঙ্গে যুক্ত হন ৮৬৫ জন। এবারের আসরে ৫০৬ জন পুরুষ ও ৪৬৮ জন নারীসহ মোট ৯৭৪ জন কাজ করছেন। আর গঠিত নির্বাচক কমিটিতে চারজন পুরুষ ও চারজন নারী দায়িত্ব পালন করেন। তেমনি অফিশিয়াল সিলেকশনের চারটি বিভাগে বিচারকম-লীর প্রধানদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী রাখা হয়েছে। মূল প্রতিযোগিতায় আট বিচারকের চারজন পুরুষ ও চারজন নারী। প্রথমবারের মতো তিনজন নারী নির্মাতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এতে। অফিশিয়াল সিলেকশনে জায়গা পাওয়া ছবিগুলোর মধ্যে ২০টি নির্মাণ করেছেন নারীরা।

 

মোট পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ১৮৪৫টি

এ বছর ১৮৪৫টি পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনিচিত্র জমা পড়েছিল। গত ১৫ বছরে এ সংখ্যা বেড়েছে।

 

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ৪২৪০টি

৪ হাজার ২৪০টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র পর্যালোচনা করে নির্বাচিত হয়েছে মোট ১১টি।

 

‘স্বর্ণপাম’ প্রতিযোগিতায় মোট ছবি

এবারের উৎসবে ‘স্বর্ণপাম’ প্রতিযোগিতায় স্থান পেয়েছে মোট ১৯টি সিনেমা। এ ছাড়াও ‘আউট অব কম্পিটিশন’-এর আছে ৫টি সিনেমা।

 

কান উৎসব নিয়ে বলিউড উত্তেজনা

এ বছরেও কান উৎসব নিয়ে বলিউডে চলছে উত্তেজনা। কঙ্গনা রানাউত পরবেন শাড়ি।

 

ব্যবসায়ীদের পোয়াবারো অবস্থা

কান উৎসব শুরুর সঙ্গে সঙ্গে শহরের টু স্টার হোটেলের রুমগুলোর এক রাতের ভাড়া হয়ে যায় ৪০ ইউরো (৪৫ ডলার) থেকে ২৬০ ইউরো। শহরের জনসংখ্যা প্রায় তিনগুণ বেড়ে যায়।


আপনার মন্তব্য