শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:৪৫, শনিবার, ১০ জুন, ২০২৩

কারাবন্দি সিরাজুল আলম খানের সঙ্গে কাটানো সময়

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
অনলাইন ভার্সন
কারাবন্দি সিরাজুল আলম খানের সঙ্গে কাটানো সময়

জীবনের একটি পর্যায়ে পৌছে অনেকের কাছে ‘রহস্য পুরুষ’ হয়ে উঠা ‘দাদাভাই’ এর সঙ্গে আমার প্রথম দেখা ১৯৭৯ সালের গ্রীস্মের কোনো এক মাসে। দীর্ঘ সময় ধরে কথাও হয়েছিল তার সঙ্গে। তিনি তখন ময়মনসিংহ কারাগারে বন্দি ছিলেন। কারাগারে দেখা হয়েছিল বললে ভুল হবে। বন্দি হিসেবে তাকে চিকিৎসার জন্যে আনা হয়েছিল ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। তার কেবিনের সামনে বারান্দায় প্রহরায় ছিলেন একজন পুলিশ সদস্য। আমার প্রবেশে বাধা দেননি তিনি, জিজ্ঞাসাবাদও করেননি। কারণ, আমার সঙ্গে ছিলেন অ্যাপ্রন পরা, গলায় স্টেথিসকোপ ঝোলানো মেডিকেলের ফাইনাল ইয়ায়ের ছাত্র এম, এ রশিদ। তিনিই একজন শীর্ষ রাজনৈতিক নিরাপত্তা বন্দির কেবিনে অবাধ প্রবেশের ছাড়পত্র। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার ছাত্রজীবন শেষ না হলেও আমি দৈনিক সংগ্রামের ফুলটাইম রিপোর্টার হিসেবে কাজ করছিলাম। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে আমার বেশ ক’জন ঘনিষ্ট বন্ধু ছিলেন। আমি প্রায়ই ময়মনসিংহ চলে যেতাম তাদের সঙ্গে একদিন বা দু’দিন কাটাতে। ১৯৭৯ সালের মে অথবা জুন মাস হবে, আমি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হোস্টেলে বন্ধু এম এ রশিদের রুমে গিয়ে বিশ্রাম নেওয়ার পর তিনি আমাকে বললেন, ‘আজ আপনাকে একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতার সঙ্গে দেখা করাবো।’ কে সেই নেতা আমি জানতে চাইলেও তিনি বলেননি।

সন্ধ্যায় আমরা হোস্টেল থেকে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশ্যে গেলাম। হাসপাতালের একটি ভবনের দোতলায় একটি কেবিনে আমাকেসহ প্রবেশ করলেন এম এ রশিদ। বড়োসড়ো কেবিন। কেন্দ্রস্থলে বেড। বেডের শিথানে বসা চল্লিশ ছুঁই ছুঁই বয়সের দীর্ঘ কালো চুল ও মুখভরা কাঁচা দাড়ি শোভিত সুদর্শন এক ব্যক্তি। চিনতে অসুবিধা হওয়ার কোনো কারণ ছিল না। অতি পরিচিত মুখ। সিরাজুল আলম খান। তিনি যে, ময়মনসিংহে কারাগারে আছে, তা আমার জানা ছিল।
 
সালাম জানিয়ে হাত বাড়িয়ে দিলাম। বাম হাতে ধরা হুকার নল বেড ঘিরে থাকা ভক্তদের একজনের হাতে দিয়ে তার ডান হাতের তর্জনি ও মধ্যমার মাঝখানে রাখা সিগারেট বাম হাতে নিয়ে আমার দিকে হাত বাড়িয়ে দিলেন। স্বাধীন বাংলাদেশের রূপকার হিসেবে যে গুটিকয়েক লোকের নাম জানি, তাদের অন্যতম এবং সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তির সঙ্গে করমর্দনের সময় শিহরিত বোধ করলাম। আমার হাত তার হাতে রাখলেন, যেন অনেক চেনা মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিন পর দেখা হয়েছে।   

আমি পরিচয় দিলাম, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স শেষ করেছি, পাশাপাশি দৈনিক সংগ্রামে জুনিয়র রিপোর্টার হিসেবে কাজ করছি। আপনি এখানে আছেন জেনে সাক্ষাতের সুযোগ গ্রহণ করলাম।” তিনি উচ্ছ্বসিত হয়ে জানতে চাইলেন, “মোহাম্মদ হোসেন ভাই কেমন আছেন? কবির ভাই কি এখনো সংগ্রামে আসেন?” আমি অবাক হলাম, ১৯৭৭ সালের জানুয়ারি মাসে সংগ্রাম পুন:প্রকাশিত হয়েছে। সিরাজুল আলম খান কারাগারে আছেন ১৯৭৬ সালের শেষ দিক, সম্ভবত নভেম্বর মাস থেকে। সব খবর রাখেন তিনি। অবশ্য তখন সংবাদপত্র ছিল হাতে গণা, সাংবাদিক সংখ্যাও খুব বেশি নয়। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা সব সাংবাদিক, বিশেষ করে রিপোর্টার ও ফটো সাংবাদিকদের জানতেন।

এরপর তিনি তার স্মৃতির ভান্ডার খুলে দিলেন, “মোহাম্মদ হোসেন ভাই গণকণ্ঠের বার্তা সম্পাদক ছিলেন। প্রতিদিন রাতে গণকণ্ঠে গিয়ে সম্পাদক আল মাহমুদ, নির্বাহী সম্পাদক আফতাব আহমদ (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজের রুমে নিহত হন), বার্তা সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন ভাইয়ের সাথে মধ্যরাত পর্যন্ত এবং অনেক সময় কাগজ বের হয়ে সেটা নিয়ে হাঁটতে হাঁটতে বাসায় ফিরতাম। কবির সাহেব সরকারি চাকুরি করতেন, অফিস শেষে গণকণ্ঠে এসে কাজে ডুবে যেতেন। শুনেছি, তারা দু’জনই সংগ্রামে যোগ দিয়েছেন।

কি অদ্ভুত ও ঐতিহাসিক যোগসূত্র। ১৯৭০ সালের ১৭ জানুয়ারি দৈনিক সংগ্রাম ওয়ারি এলাকার ৩১ র‌্যাঙ্কিন স্ট্রিট থেকে প্রকাশিত হয়েছিল। পত্রিকা ছাপানোর আধুনিক প্রেসও ছিল সেখানেই। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের আগেই সংগ্রাম বন্ধ হয়ে যায়। প্রেস ও বাড়িটি দখল করে নেওয়া হয় এবং ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ওই অফিস ও প্রেস থেকে দৈনিক গণকণ্ঠ প্রকাশিত হতে থাকে। সরকার বিরোধী সংবাদ প্রকাশের অভিযোগে গণকণ্ঠ সম্পাদক আল মাহমুদকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে বাকশাল প্রতিষ্ঠিত হলে চারটি দৈনিক ছাড়া সকল সংবাদপত্রের প্রকাশনা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলে গণকণ্ঠ বিলুপ্ত হয়। 

জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর যখন বিলুপ্ত সংবাদপত্রগুলোকে পুনরায় প্রকাশের অনুমতি দেওয় হয়, তখন ওই ভবন থেকে প্রকাশিত হতো দৈনিক বাংলার মুখ। এর বহু পর এরশাদের সরকারের আমলে ওই বাড়িটি নিলামে বিক্রয়ের জন্য দরপত্র দেওয়ার আগে সংগ্রাম কর্তৃপক্ষকে ভবন ও প্রেসটি সরকারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে মালিকানা গ্রহণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এই প্রস্তাবের সঙ্গে অবৈধ লেনদেনের ইঙ্গিত থাকায় আলোচনা অগ্রসর হয়নি এবং শেষ পর্যন্ত বাড়িটি নিলামে বিক্রয় করা হয়।
     
আমি তাকে মোহাম্মদ হোসেন ভাই ও কবির ভাই সম্পর্কে জানাই। তিনি আরো অনেক রিপোর্টারের কথা বলেন, যারা সবাই আমার সিনিয়র। আমাকে বলেন সবাইকে তার সালাম পৌছে দিতে। 

তার কেবিনে জনা বিশেষ যুবক, চেহারা ও পোশাকে সবাইকে ছাত্র বলে মনে হলো। তাদের উদ্দেশে তিনি কিছু বলছিলেন। আমরা প্রবেশ করায় তাকে কথা থামাতে হয়েছে। তিনি তাদের দিকে ফিরে বললেন, “আফগানিস্তানে হাফিজুদ্দিনের পর এখন ক্ষমতায় এসেছে বারবাক কারমাল। তার মন্ত্রীসভায় ১৮ বছর বয়সের একজন তরুণকে মন্ত্রী বানানো হয়েছে। তোমরা তার বয়সী অথবা তার চেয়ে বেশি বয়সী। তোমরা অযোগ্য কীভাবে? ভালো উদাহরণ থেকে ভালো শিক্ষা নাও। বাংলাদেশে পরিবর্তন আসবেই এবং নেতৃত্বে থাকবে তোমরা।” 

তিনি দু’একজনকে থাকতে বলে অন্যদের বিদায় দিলেন। যারা ছিল, তাদের বললেন আমাকে ও রশিদ ভাইকে চা দিতে। টেবিলে বেশ কয়েকটি ফ্লাস্ক। হয়তো ভক্তরাই নিয়মিত তার খাবার পরিবেশন করেন। আমার আপত্তি সত্ত্বেও একজন ফ্লাস্ক থেকে চা ঢেলে আমাদের পরিবেশন করল। ফাঁকে ফাঁকে তিনি কথা বলছিলেন। তার কথা জাদু মেশানো। মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনি।

তিনি আমার কাছে দেশের অবস্থা জানতে চান। আমি বিনয়ের সঙ্গে বলি, “দাদাভাই, আপনি কারাগারে বসে যত খবর রাখেন, আমি মুক্ত বাতাসে বিচরণ করে এর ছিটেফোটাও জানি না। আপনি বলুন, আমি শুনি। এখন তো আপনার কথা লেখা যাবে না। আমি কারাগার থেকে মুক্ত হলে এবং দেশে স্বাধীনভাবে লেখার পরিবেশ সৃষ্টি হলে আমি লিখবো।” তিনি হাসলেন। কি সুন্দর করে তিনি হাসতে পারেন। কারাগারে আছেন বলে তার ক্ষোভ নেই, অভিযোগ নেই। তিনি বললেন, “আমি মুক্তি পেলে অবশ্যই দেখা করবেন। আবার হাত মিলিয়ে বিদায় নিলাম বাংলাদেশের রাজনীতির রহস্য পুরুষের কাছ থেকে।

এরপর আরো দু’বার দেখা হয়েছে তার সঙ্গে। ১৯৯৮ সালে আমি  দৈনিক মানবজমিনে কাজ করার সময় ওই সময়ের অফিস ওয়ালশো টাওয়ারের সামনের ফুটপাত দিয়ে তাকে যেতে দেখে অফিসের সিঁড়ি থেকে লাফ দিয়ে নামলাম, অনেকটা দৌড়ে তার কাছে পৌছে বললাম, “দাদাভাই, আসসালামু আলাইকুম।” তিনি দাঁড়িয়ে পেছন ফিরে বললেন, “ওয়ালেকুম!” জানতে চাইলাম, “আমাকে চিনতে পেরেছেন?” মুখে হাসি ফুটিয়ে বললেন, “দৈনিক সংগ্রাম!” তাকে বললাম, “এখন আমি মানবজমিনে।” তাকে অফিসে আমন্ত্রণ জানালে তিনি বললেন যে, শেরাটনে কারো সঙ্গে অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে তার। অন্য কোনো সময় অবশ্যই আসবেন। 

আরো বছর পাঁচেক পর তার সঙ্গে আবার দেখা হলো হোটেল সোনারগাঁও এর লবিতে। কার সঙ্গে কথা বলছিলেন। কাছে গিয়ে সালাম দেওয়ার ইচ্ছা দমন করতে না পেরে এগিয়ে গেলাম। তিনি হেসে হাত বাড়িয়ে দিলেন। আঙূল দিয়ে পাশের সোফায় বসতে ইশারা করলেন। আমি বসিনি। তাদের কথা বলার সুযোগ দিয়ে চলে আসি। 

গতকাল ৯ জুন শুক্রবার তিনি ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আল্লাহ তার ভালো কাজগুলো গ্রহণ করুন।

বিডি প্রতিদিন/ সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর
এক হাজার কোটি টাকার মালিক সুমন, ফেসবুকে জাওয়াদ নির্ঝর
এক হাজার কোটি টাকার মালিক সুমন, ফেসবুকে জাওয়াদ নির্ঝর
‌‘এতো আশ্চর্য আর কোনোদিন হইনি’
‌‘এতো আশ্চর্য আর কোনোদিন হইনি’
আশিক চৌধুরী ইস্যুতে ক্ষমা চাইলেন ছাত্রদলের সেই নেত্রী
আশিক চৌধুরী ইস্যুতে ক্ষমা চাইলেন ছাত্রদলের সেই নেত্রী
‘কত বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রি ডুবাচ্ছেন সেটা একবার ভাবেন’
‘কত বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রি ডুবাচ্ছেন সেটা একবার ভাবেন’
‘একটা সিনেমা আটকে দেয়া মানে কতগুলো স্বপ্নকে দাফন করে দেয়া’
‘একটা সিনেমা আটকে দেয়া মানে কতগুলো স্বপ্নকে দাফন করে দেয়া’
‌এবারের শোভাযাত্রা কেবল আরও ইনক্লুসিভ হবে তা না, আরও কালারফুল হবে
‌এবারের শোভাযাত্রা কেবল আরও ইনক্লুসিভ হবে তা না, আরও কালারফুল হবে
ফেব্রুয়ারিতে ইন্টারনেটে ২৬৮ ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে রিউমার স্ক্যানার
ফেব্রুয়ারিতে ইন্টারনেটে ২৬৮ ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে রিউমার স্ক্যানার
নতুন জীবনের জন্য দোয়া চাইলেন সারজিস
নতুন জীবনের জন্য দোয়া চাইলেন সারজিস
আগে সুন্দর করে একটু বাঁচি, তারপর হাজারো প্রশ্নের উত্তর দেব
আগে সুন্দর করে একটু বাঁচি, তারপর হাজারো প্রশ্নের উত্তর দেব
হাসিনার কারণে বিএনপিতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন তার স্বামী ড. ওয়াজেদ!
হাসিনার কারণে বিএনপিতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন তার স্বামী ড. ওয়াজেদ!
জামায়াত নেতাদের প্রশংসা করে ফেসবুকে যা লিখলেন গোলাম রাব্বানী
জামায়াত নেতাদের প্রশংসা করে ফেসবুকে যা লিখলেন গোলাম রাব্বানী
‘যে বলে কেন প্রেমে পড়েছি জানি না, ওরা মিথ্যা বলে’
‘যে বলে কেন প্রেমে পড়েছি জানি না, ওরা মিথ্যা বলে’
সর্বশেষ খবর
ম্যাচ জিতেও জরিমানার মুখোমুখি শ্রীলঙ্কা
ম্যাচ জিতেও জরিমানার মুখোমুখি শ্রীলঙ্কা

এই মাত্র | মাঠে ময়দানে

নোয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু
নোয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু

৪৯ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

কীর্তনখোলা থেকে অজ্ঞাত ২ লাশ উদ্ধার
কীর্তনখোলা থেকে অজ্ঞাত ২ লাশ উদ্ধার

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দাবি আদায়ে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের হুঁশিয়ারি
দাবি আদায়ে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের হুঁশিয়ারি

৩ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

জিয়াউর রহমানের প্রথম কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ
জিয়াউর রহমানের প্রথম কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ

১২ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

দুই দফা দাবিতে লাগাতার চলছে জবি শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
দুই দফা দাবিতে লাগাতার চলছে জবি শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি

৩২ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল
যমুনায় এনসিপির প্রতিনিধি দল

৩৩ মিনিট আগে | জাতীয়

নাশকতা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় অব্যাহতি পেলেন মির্জা ফখরুল
নাশকতা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় অব্যাহতি পেলেন মির্জা ফখরুল

৩৯ মিনিট আগে | রাজনীতি

মিরসরাইয়ে বসতঘরে ডাকাতি
মিরসরাইয়ে বসতঘরে ডাকাতি

৪০ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়
ভারতকে কাঁদিয়ে বাংলাদেশের জয়

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নারায়ণগঞ্জে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন
নারায়ণগঞ্জে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন

৫৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাবি ছাত্রলীগের সেক্রেটারি সৈকত আবারও রিমান্ডে
ঢাবি ছাত্রলীগের সেক্রেটারি সৈকত আবারও রিমান্ডে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাপানে ২০১১ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্প–সুনামির রহস্য উন্মোচনে বিজ্ঞানীদের অভিযান
জাপানে ২০১১ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্প–সুনামির রহস্য উন্মোচনে বিজ্ঞানীদের অভিযান

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

বাংলাদেশকে ৫.৯ মিলিয়ন ডলার অনুদান দেবে দক্ষিণ কোরিয়া
বাংলাদেশকে ৫.৯ মিলিয়ন ডলার অনুদান দেবে দক্ষিণ কোরিয়া

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশের প্রথম রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার চালু
দেশের প্রথম রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার চালু

১ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ সাবেক বান্ধবীর
ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ সাবেক বান্ধবীর

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৬০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১
৬০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে শিশু ও তরুণীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার দুই
চট্টগ্রামে শিশু ও তরুণীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার দুই

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

দেশে প্রথম সবুজ জ্বালানির ব্যবহারে ডেটা সেন্টার চালু করল বাংলালিংক
দেশে প্রথম সবুজ জ্বালানির ব্যবহারে ডেটা সেন্টার চালু করল বাংলালিংক

১ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে চারজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫৬৮
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে চারজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫৬৮

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

সাবেক মন্ত্রী আব্দুল আলীমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা
সাবেক মন্ত্রী আব্দুল আলীমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কম্বাইন্ড ডিগ্রির দাবিতে পবিপ্রবি’র বরিশাল ক্যাম্পাস শাটডাউন
কম্বাইন্ড ডিগ্রির দাবিতে পবিপ্রবি’র বরিশাল ক্যাম্পাস শাটডাউন

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে জামায়াত
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে জামায়াত

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চার ঘণ্টা পর ঢাকা-ময়মনসিংহে ট্রেন চলাচল শুরু
চার ঘণ্টা পর ঢাকা-ময়মনসিংহে ট্রেন চলাচল শুরু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

গ্রিসে আবিষ্কৃত রহস্যময় খুলি মানবজাতির নয়, বিলুপ্ত প্রজাতির?
গ্রিসে আবিষ্কৃত রহস্যময় খুলি মানবজাতির নয়, বিলুপ্ত প্রজাতির?

১ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সাদুল্লাপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০
সাদুল্লাপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সারা দেশে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১২৯০ জন
সারা দেশে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১২৯০ জন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু রোধে শুভসংঘের সচেতনতা সভা স্বরূপকাঠিতে
পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু রোধে শুভসংঘের সচেতনতা সভা স্বরূপকাঠিতে

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সর্বাধিক পঠিত
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি
রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

২০ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

১৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’
‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি
চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর
ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!
হাক্কোদার পাহাড়ে আজও ‘শোনা যায়’ ১৯৯ সেনার মৃত্যুর আর্তনাদ!

৪ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা
নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল হওয়াদের ফের সুযোগ
এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল হওয়াদের ফের সুযোগ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান
উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উন্মোচন করল ইরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল
ইংল্যান্ডে গাড়ির কাঁচ মুছে টাকা দাবি, ‘ভারতীয়’ শিক্ষার্থীর ভিডিও ভাইরাল

৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান
সালমানের ব্যাটে ৬ বলে ৬ ছক্কা, ১২ বলে ১১: শেষ ২ ওভারে উঠল ৭১ রান

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের
আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

পেছনের পৃষ্ঠা

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন