শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৬ জুলাই, ২০১৯ ২৩:১৫

রংপুরে চিরনিদ্রায় শায়িত এরশাদ

শেষ শ্রদ্ধায় মানুষের ঢল, রাষ্ট্রীয় মর্যাদা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা ও রংপুর

রংপুরে চিরনিদ্রায় শায়িত এরশাদ
রংপুর কালেক্টরেট মাঠে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় জনতার একাংশ -বাংলাদেশ প্রতিদিন

প্রেসিডিয়াম সদস্য রংপুর সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফার নেতৃত্বে লাখো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতার নজিরবিহীন বিক্ষোভের মুখে অবশেষে অসিয়তকৃত পল্লী নিবাসের লিচুবাগানেই সমাহিত হলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা সাবেক প্রেসিডেন্ট, দেশ-বিদেশে বহুল পরিচিত, অবিসংবাদিত ও কিংবদন্তি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। বিক্ষোভের মুখে তার স্ত্রী রওশন এরশাদ, ভাই জি এম কাদেরসহ পার্টির নীতিনির্ধারকরা ঢাকায় বনানী কবরস্থানে দাফনের সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছেন। বিকাল ৫টা ৪৩ মিনিটে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে সামরিক মর্যাদায় লাখো জনতা তাকে সমাহিত করেন। গতকাল ফজরের আজানের পর আবহাওয়া কিছুটা খারাপ হলেও রংপুর মহানগরীতে এরশাদের জানাজা ও দাফনকাজে অংশ নিতে উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলা থেকে নেতা-কর্মী এবং রংপুর অঞ্চল থেকে আসতে শুরু করেন মানুষ। সকাল ৯টায় আকাশ পরিষ্কার হয়ে গেলে নারী-পুরুষ থেকে শুরু করে আবাল-বৃদ্ধ-বনিতার ঢল নামে রংপুর কেন্দ্রীয় কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে, যে মাঠে এরশাদ গত কোরবানির ঈদে নামাজ পড়ে সবার সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলেন। বেলা ১২টা ১৪ মিনিটে রাজধানীর পশ্চিম পান্থপথের আলিফ মেডিকেল সার্ভিসের একটি লাশবাহী ফ্রিজ গাড়িতে (ঢাকা মেট্রো-শ-১১-২৫৯৪) করে রংপুর সেনানিবাস থেকে এরশাদের মরদেহ আনা হয় কালেক্টরেট মাঠে। গাড়িটি চালিয়ে আনেন আবদুর রহিম নামের এক চালক। এরপর এরশাদের মরদেহকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়া হয়, পালন করা হয় নীরবতা। পরে সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সিটি মেয়র, ডিআইজি, বিভাগীয় কমিশনার, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ছাড়াও জাতীয় পার্টি, আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন এবং বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক, পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা।

অন্যদিকে ইতিমধ্যে কালেক্টরেট মাঠ ভর্তি হয়ে মানুষের ঢল চলে যায় আশপাশের রাস্তায়, প্রধান সড়কে। এরই মধ্যে লাশের গাড়ির আশপাশসহ পুরো মাঠ ও নগরীর আনাচেকানাচে চলতে থাকে, ‘এরশাদের সমাধি রংপুরে দিতে হবে, রংপুরের মাটিতে দিতে হবে সমাধি’সহ বিভিন্ন স্লোগান। স্লোগানের মধ্যেই মাইকে বক্তব্য দিতে থাকেন উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত জাতীয় পার্টির নেতারা। বিক্ষোভ আরও বেড়ে গেলে বেলা ২টায় হাতে মাইক নিয়ে প্রেসিডিয়াম সদস্য, রংপুর মহানগর সভাপতি ও সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা ঘোষণা দেন, ‘স্যারের মরদেহ আমাদের কাছে আছে। কেউ মরদেহ নিয়ে যেতে পারবে না। রক্তের বিনিময়ে হলেও পল্লী নিবাসেই স্যারের সমাধি আমরা করব।’

এরপর শুরু হয় জানাজার প্রস্তুতি। জানাজার প্রস্তুতির মধ্যে বক্তব্য রাখেন এরশাদপুত্র শাদ এরশাদ, পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জি এম কাদের। জি এম কাদের বক্তব্য দেওয়ার সময় এরশাদকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নেতা উল্লেখ করে ঢাকায় সমাহিত করার ইঙ্গিত দিলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় লাখো জনতা সেখানে বিক্ষোভ করতে থাকে এবং ‘রংপুরে সমাধি চাই’ দাবি তোলে। প্রায় ১৫ মিনিট ধরে চলে চরম উত্তেজনা। মঞ্চে উত্তেজনা বেশি ছড়িয়ে পড়লে একপর্যায়ে জি এম কাদেরের হাত থেকে মাইক নিয়ে মেয়র মোস্তফা ঘোষণা দেন, ‘স্যারের সমাধি পল্লী নিবাসেই হবে। জানাজার প্রস্তুতি নিন।’ এরপর ২টা ২৭ মিনিটে শুরু হয় জানাজা। এতে ইমামতি করেন রংপুর করিমিয়া নুরুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা ইদ্রিস আলী। জানাজা শেষে আবারও লাশের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ করতে থাকে জনতা। একপর্যায়ে বেলা ২টা ২৭ মিনিটে লাশের গাড়িতে উঠে পড়েন মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা ও মহানগর সেক্রেটারি এস এম ইয়াসির। এরই মধ্যে রোল পড়ে যায় লাশ ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হবে। বিক্ষোভ আরও বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে নিজেই ড্রাইভ করে গাড়ি মাঠের পূর্ব দিক দিয়ে রওনা দেন মেয়র মোস্তফা। এ সময় গাড়ির সামনে-পেছনে হাজার হাজার মানুষের স্লোগান চলতে থাকে। লাশের গাড়ি এগোতে থাকে অতি ধীরে। লাশ ডিসির মোড় হয়ে যাওয়ার কথা থাকায় চেকপোস্ট পর্যন্ত কড়া নিরাপত্তা-বলয় তৈরি করে প্রশাসন। কিন্তু মোস্তফা নিজে গাড়ি চালিয়ে উল্টোপথ সিটি করপোরেশনের দিকে রওনা হন। লাশের গাড়ি যখন সিটি করপোরেশনের সামনে, ঠিক তখনই জি এম কাদের সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমিও চেয়েছিলাম রংপুরেই হোক ভাইয়ের সমাধি। কিন্তু ভাবীসহ অন্যরা সমাধি ঢাকায় হওয়ার পক্ষে ছিলেন। রংপুরের মানুষের ভালোবাসার বিষয়টি আমি সঙ্গে সঙ্গে ভাবী রওশন এরশাদকে জানাই। তিনি রংপুরে দাফনের অনুমতি দেন এবং কবরের পাশে তার জায়গা রাখার কথা বলেন।’ মুহূর্তেই তা ব্রেকিং নিউজে স্থান পায়। কিন্তু সাধারণ মানুষ সেটি বিশ্বাস করছিলেন না। সে কারণে এরশাদের মরদেহ বহনকারী গাড়ির সামনে-পেছনে বিক্ষোভ চলতেই থাকে। ধীরে এগোতে থাকে গাড়ি। পরে পায়রা চত্বর, জাহাজ কোম্পানি মোড়, শাপলা, খামার মোড়, লালবাগ, কলেজপাড়া, দর্শনা হয়ে পল্লী নিবাসে গিয়ে লাশের গাড়ি পৌঁছায় বিকাল ৪টা ৪৭ মিনিটে। পাঁচ কিলোমিটার পথ যেতে সময় লাগে দুই ঘণ্টারও বেশি। এরই মধ্যে জি এম কাদের, মসিউর রহমান রাঙ্গাসহ জাতীয় পার্টির ঢাকা থেকে আসা কেন্দ্রীয় নেতারা পল্লী নিবাসে পৌঁছান। অন্যদিকে এরই মধ্যে এরশাদকে সমাহিত করতে খনন করে রাখা পল্লী নিবাসের লিচুবাগানের কবর ও আশপাশ এলাকা সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়। প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা সম্পন্ন করে সেনাবাহিনী বিকাল ৫টা ৪০ মিনিটে এরশাদের মরদেহকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। ৫টা ৪৩ মিনিটে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে নিজের লাগানো লিচুবাগানে চিরনিদ্রায় শায়িত হন এরশাদ। লাখো জনতা দাফনের কাজে অংশ নিয়ে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

রংপুরে এরশাদের দাফন প্রতিক্রিয়ায় পার্টির যুগ্ম-মহাসচিব হাসিবুল ইসলাম জয় বলেন, ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তকারীদের প্রতিহত করে জাতীয় পার্টি ও রংপুরবাসীর বিজয় হয়েছে। পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী মামুন বলেন, আল্লাহর ইচ্ছায় সাবেক এই রাষ্ট্রপতির দাফন রংপুরে হয়েছে। ৮ জুলাই এরশাদকে রংপুরে সমাহিত করার দাবি প্রথম সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়ে দিয়েছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য রংপুর সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। এর আগে ২৬ জুন থেকে জ্ঞান হারিয়ে রাজধানীর সিএমইচে ভর্তি ছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। রবিবার সকাল পৌনে ৮টায় সেখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ হয়ে গেছে রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলার প্রতিটি জনপদ।

শেষবারের মতো রংপুরে এরশাদ : শেষবারের মতো রংপুরে এলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তবে এবারের আসাটা অন্যবারের মতো নয়। এবার এলেন কফিনবন্দী হয়ে। গতকাল বেলা পৌনে ১২টায় তার মরদেহ বহনকারী হেলিকপ্টার রংপুর সেনানিবাসে এসে পৌঁছায়। পরে এরশাদের মরদেহ রংপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়। মরদেহ জানাজার মাঠে পৌঁছানোর পর গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। সেখানে বাদ জোহর চতুর্থ জানাজা শেষে তার মরদেহ রংপুরবাসীর শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়েছিল। এদিকে প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো দেখতে সকাল থেকেই জানাজা মাঠে উপস্থিত হতে থাকেন দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ। বিশৃঙ্খলা এড়াতে মোতায়েন করা হয়েছিল বিপুলসংখ্যক পুলিশ।

এরশাদকে রংপুরে রেখে দিলেন নেতা-কর্মীরা : সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের মরদেহ রংপুরে আটকে রাখলেন নেতা-কর্মীরা। বাদ জোহর বেলা আড়াইটায় রংপুরের কালেক্টরেট ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে মরদেহ নিয়ে যাওয়ার পথে মরদেহ বহনকারী গাড়ি আটকে দেওয়া হয়। এ সময় জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীরা স্লোগান দিয়ে এরশাদকে রংপুরে দাফনের দাবি জানান। বেলা আড়াইটায় রংপুরের কালেক্টরেট ঈদগাহ ময়দানে এরশাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরশাদের জানাজা মাঠ জনস্রোতে পরিণত হয়। কালেক্টরেট ঈদগাহ ময়দানে ঢল নামে নেতা-কর্মীসহ সর্বস্তরের জনতার। লক্ষাধিক মানুষ এরশাদের জানাজায় অংশ নেন। জানাজার আগে বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জি এম কাদের, মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা, রংপুর সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা ও এরশাদপুত্র শাদ। জানাজার পর এরশাদের মরদেহ বহনকারী গাড়িটি ঘিরে রাখেন হাজার হাজার নেতা-কর্মী। রংপুরে তার কবর দেওয়ার দাবি করেন তারা। এর আগে দুপুরে এরশাদের মরদেহ কালেক্টরেট মাঠে আসার পরপরই পুলিশি বেষ্টনী ভেঙে মরদেহের কাছে ছুটতে থাকেন দলীয় নেতা-কর্মীরা। উপচেপড়া ভিড়ের মধ্যে শুরু হয় ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো। নিজ দলের নেতা-কর্মী ছাড়াও আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠন, বিএনপিসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। রংপুরের মানুষ বরাবরই এরশাদের প্রতি দুর্বল। প্রতিটি নির্বাচনে এরশাদ রংপুর থেকে জয়ী হয়েছেন। সর্বশেষ একাদশ নির্বাচনে রংপুর-৩ (সদর) আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন এরশাদ। এ আসন থেকে টানা ছয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। এ জন্যই রংপুরকে এরশাদের ঘাঁটি বলা হয়।

কফিনের সঙ্গে গেলেন যারা : সকাল সাড়ে ১০টায় তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে রংপুরের উদ্দেশে এইচ এম এরশাদের মরদেহের সঙ্গে যান জি এম কাদের এমপি, রাহগির আল মাহি শাদ এরশাদ, মসিউর রহমান রাঙ্গা, এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, মেজর (অব.) খালেদ আখতার, আজম খান, এটিইউ তাজ রহমান, কাজী মামুন প্রমুখ।

এরশাদের কুলখানি : আজ বাদ আসর গুলশান আজাদ মসজিদে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের কুলখানি অনুষ্ঠিত হবে। প্রয়াত সাবেক এই রাষ্ট্রপতির রুহের মাগফিরাত কামনায় সবাইকে কুলখানিতে অংশ নিতে অনুরোধ জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবং সংসদে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গা।

শোকবইয়ে স্বাক্ষর : দ্বিতীয় দিন গতকালও বিভিন্ন দূতাবাসের প্রতিনিধিরা এইচ এম এরশাদের মৃত্যুতে শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেছেন। তুরস্ক, সুইডেন, মালদ্বীপ, ভ্যাটিক্যান সিটির রাষ্ট্রদূত, মালয়েশিয়ার ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার, ওমানের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স, জাপানের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স, রাশিয়ার প্রথম সচিব, থাইল্যান্ডের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স, আরব আমিরাত, সৌদি আরব, নেপাল, নরওয়ে, ফ্রান্স দূতাবাসের প্রতিনিধি জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে এসে শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেন। তারা শোকবইয়ে এরশাদের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ ছাড়া নিজ নিজ দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নয়নে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অবদানের কথা তারা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর