শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৫ মার্চ, ২০২০ ২৩:২০

ইতালি স্পেনের পর ফ্রান্সও মৃত্যুকূপ

নতুন কেন্দ্র হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

প্রতিদিন ডেস্ক

ইতালি স্পেনের পর ফ্রান্সও মৃত্যুকূপ

মহামারী হয়ে ওঠা প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে ইতালি ও স্পেনের পর এখন মৃত্যুকূপ হয়ে উঠেছে ফ্রান্স। ডব্লিউএইচও বলছে, এর পরের টার্গেট হতে পারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর মিছিল বেড়েই চলেছে। গতকাল রাত পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ায় ২০ হাজার ৪৯৪ জন। সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় এখন বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ মানুষ ঘরবন্দী জীবনযাপন করছেন। দেশে দেশে চলছে লকডাউন ও কারফিউ। তবে উল্টো অবস্থা চীনে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে তুলতে পারায় কর্তৃপক্ষ করোনার উৎপত্তিস্থল উহানের লকডাউন ৮ এপ্রিল উঠিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সূত্র : আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, ফ্রান্সে এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ১০০ জনের। আক্রান্ত হয়েছেন ২২ হাজার ৪০৪ জন। গতকাল রাত পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৭৩৮ জনের। নতুন আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৪৩৪ জন। স্পেনে মৃত্যু হয়েছে ৪৪৩ জনের, নতুন আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৫৫২ জন। এ ছাড়া অন্যান্য দেশগুলোর মধ্যে বেশি মৃত্যুর তালিকায় রয়েছে ইতালি ৬৮৩, যুক্তরাষ্ট্র ৩৯, যুক্তরাজ্য ১১, বেলজিয়াম ৫৬, সুইজারল্যান্ড ২৭, জার্মানি ২৭, পর্তুগাল ১০, দক্ষিণ কোরিয়া ৬, চীন ৪, ইন্দোনেশিয়া ৩, মালয়েশিয়া ৪, ফিলিপাইন ৩, ইসরায়েল ২, পোল্যান্ড ২, পাকিস্তান ১ ও সৌদি আরব ১।

ইতালির পর ফ্রান্স এখন মৃত্যুপুরী : বিশ্বজুড়ে করোনায় মৃত্যু মিছিল অব্যাহত। ইতালির পর ফ্রান্স এখন মৃত্যুপুরী। সে দেশে বেড়েই চলছে মৃতের সংখ্যা। ২৪ ঘণ্টায় ৭৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে ফ্রান্সে। মঙ্গলবার যেখানে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ২৪০। আক্রান্তের সংখ্যা ২২ হাজার পেরিয়েছে। আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ। ইতালি এবং চীনের পরে করোনা ত্রাস নিয়ে বিশ্বের নজর এখন এই দেশটিতে।

এবার টার্গেট যুক্তরাষ্ট্র : নতুন করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক মহামারীর পরবর্তী কেন্দ্র হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) মঙ্গলবার এ হুঁশিয়ারি দিয়েছে। সংস্থাটি বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা দ্রুতগতিতে বাড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মুখপাত্র মার্গারেট হ্যারিস বলেছেন, ‘আমরা দেখছি, যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা খুব দ্রুত গতিতে বাড়ছে। তাই দেশটি  বৈশ্বিক এ মহামারীর পরবর্তী কেন্দ্র হওয়ার আশঙ্কা প্রবল।’ এদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর জানিয়েছে, বিশ্বে মহামারী আকারে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের প্রকোপ আমেরিকায় কয়েক মাসব্যাপী স্থায়ী হতে পারে। কভিড-১৯ মোকাবিলায় মার্কিন  সেনাবাহিনী সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলেও প্রতিরক্ষা দফতর জানিয়েছে। আমেরিকায় করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কতদিন স্থায়ী হতে পারে এবং এ ভাইরাস মোকাবিলার প্রচেষ্টা দেশের সেনাবাহিনী কতদিন সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে- প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপারকে গত মঙ্গলবার এসব প্রশ্ন করা হলে জবাবে তিনি বলেন, ‘উচ্চ সংক্রমণশীল এ রোগ তার দেশে কয়েক মাসব্যাপী স্থায়ী হতে পারে।’ এসপার বলেন, ‘আমি মনে করি এই ভাইরাস অন্তত কয়েক মাস অবস্থান করবে তা ধরে নিয়ে আমাদেরকে পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। এ লক্ষ্যে আমরা সব ধরনের পূর্ব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।’

আমেরিকায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০ গুণ বেড়েছে : আমেরিকায় এক সপ্তাহ আগে যে পরিমাণ মানুষ প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিল, এক সপ্তাহ পরে এসে সে সংখ্যা এখন ১০ গুণ হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আমেরিকায় এ পর্যন্ত ৫৫ হাজারেরও বেশি মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তবে এই সংখ্যা প্রকৃত সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি মনে করা হচ্ছে বলে স্বীকার করেছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আমেরিকায় যেসব মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন তার মধ্যে ১৮ হাজার ২০০ ব্যক্তির অবস্থা গুরুতর। জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় আমেরিকার ভাইরাস সংক্রমিত রোগের তথ্য সংরক্ষণ করছে। তথ্য অনুযায়ী, ২৪ মার্চ পর্যন্ত আমেরিকায় আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৫৪ হাজার, তার মধ্যে মারা গেছে ৭২৮ জন।

 এক সপ্তাহ আগে আমেরিকায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ৫ হাজার। এখন সেই সংখ্যা ৫৪ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

নিউইয়র্কের অবস্থা ভয়াবহ : গত মঙ্গলবার ভোর নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রে ২৫ হাজারের বেশি নতুন করোনাভাইরাস আক্রান্তের মধ্যে অর্ধেকই নিউইয়র্কের। হোয়াইট হাউস করোনাভাইরাস টাস্কফোর্সের ডা. ডেবরাহ বার্কস বিবিসিকে বলেন, নিউইয়র্ক সিটির মহানগর এলাকা যুক্তরাষ্ট্রে নতুন আক্রান্তের ৮০ শতাংশের উৎস। এই অঞ্চল ছেড়ে যাওয়া যে কাউকে দুই সপ্তাহের জন্য কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

নিউইয়র্কের ডেমোক্র্যাট দলীয় গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমো সংবাদ সম্মেলন করে বলেন, সংক্রমণের পূর্বাভাস দাতা বিশেষজ্ঞরা তাকে বলেছিলেন, সংক্রমণের গতি বিবেচনায় তারা এতদিন নিউইয়র্কের পথে মালবাহী ট্রেন আসতে দেখছিলেন, যেটা এখন বুলেট ট্রেনে পরিণত হয়েছে। কয়লাখনির ক্যানারি হল নিউইয়র্ক, এখানে দ্রুত সংক্রমণ ঘটছে। নিউইয়র্কে যা ঘটছে তা ক্যালিফোর্নিয়া এবং ইলিনয়দের ক্ষেত্রে ঘটবে, সময়ের অপেক্ষামাত্র। তিনি সতর্ক করে বলেন, কেন্দ্র থেকে জরুরি ভিত্তিতে আরও বেশি স্বাস্থ্যসেবা সরবরাহ না করলে শিগগিরই নিউইয়র্কের হাসপাতাল ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। ২৬ হাজার লোক মারা যাবে। কারণ কেবল ৪০০ ভেন্টিলেটর পাঠানো হয়েছে। নিউইয়র্কে এখন ৭ হাজার শ্বাস-প্রশ্বাস যন্ত্র রয়েছে, যেখানে প্রয়োজন ৩০ হাজার।

করোনা মার্কিন রণতরীতেও : মার্কিন নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্টের তিন নৌসেনা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। থিওডোর রুজভেল্ট প্রশান্ত মহাসাগরে মোতায়েন রয়েছে। মার্কিন নৌবাহিনী মন্ত্রী থমাস মোডলি জানান, এই প্রথম সাগরে মোতায়েন মার্কিন যুদ্ধজাহাজে করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ঘটল। করোনা আক্রান্ত  নৌসেনাদেরসহ তাদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের সঙ্গরোধ বা কোয়ারেন্টাইন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিমিৎজ শ্রেণির বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্টে প্রায় ৫ হাজার নৌসেনা রয়েছেন। বিমানবাহী রণতরীতে মোতায়েন থাকার সময়ে এসব সেনাকে অত্যন্ত চাপাচাপি করে জীবন-যাপন করতে হয়।

এর আগেও তীরে অবস্থিত মার্কিন যুদ্ধজাহাজের সেনাদের মধ্যে করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সর্বশেষ সান দিয়াগো বন্দরে মোতায়েন যুদ্ধজাহাজগুলোতে অন্তত ১২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

তিন সপ্তাহ ‘লকডাউনে’ যুক্তরাজ্য : নভেল করোনাভাইরাসের মহামারী রোখার মরিয়া চেষ্টায় অন্য অনেক দেশের মতো যুক্তরাজ্যও জীবনযাত্রায় কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে, নাগরিকদের সবাইকে যার যার বাসায় অবস্থান করতে বলা হয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শরীরচর্চার প্রয়োজনে দিনে কেবল একবার বাসা থেকে বের হওয়ার সুযোগ মিলবে। যারা জরুরি সেবায় জড়িত, তারা কর্মস্থলে যেতে পারবেন। খাবার, ওষুধের মতো জরুরি সামগ্রী কিনতে দোকানে বা চিকিৎসা কেন্দ্রে যাওয়া যাবে। জরুরি নিত্যপণ্যের বাইরে অন্য সব পণ্যের দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাইরে একসঙ্গে দুজনের বেশি কোথাও চলাফেরা করা যাবে না। এসব নির্দেশনা কেউ না মানলে পুলিশকে বাধ্য করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে তাদের জরিমানাও করা যাবে। 

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সোমবার রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিন সপ্তাহের এই বিধিনিষেধ জারি করেন, যাকে সংবাদপত্রের ভাষায় ‘লকডাউন’ বলা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘পুরো দেশ আজ এক জরুরি পরিস্থিতির মুখোমুখি। এই সময়ে সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষার স্বার্থেই যার যার বাসায় থাকা জরুরি।’

জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটি হালনাগাদ যে হিসাব দিয়েছে, তাতে মঙ্গলবার পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৬ হাজার ৭০০ ছাড়িয়ে গেছে, মৃত্যু হয়েছে ৩৩৬ জনের।  ইউরোপে ইতালি, স্পেন, ফ্রান্সের পর যুক্তরাজ্যেই মৃতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

আক্রান্ত রকস্টার জ্যাকসন ব্রাউন : করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বর্ষীয়ান রক সংগীতশিল্পী জ্যাকসন ব্রাউন। তবে তিনি নিজের বাড়িতেই রয়েছেন এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। একটি ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ৭১ বছর বয়সী ওই রকস্টার বলেন, সর্দি ও কাশির সঙ্গে দেহের তাপমাত্রা বেশি থাকায় শারীরিক পরীক্ষা করিয়ে ছিলাম।

উহান থেকে লকডাউন উঠছে ৮ এপ্রিল : বিশ্বজুড়ে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্রস্থল বলে বিবেচিত চীনের উহান শহর ৮ এপ্রিল অবরুদ্ধ দশা থেকে মুক্তি পাচ্ছে। গত মঙ্গলবার চীনের হুবেই প্রদেশের স্বাস্থ্য কমিশন এক ঘোষণায় এমনটি বলেছে। রাজধানী উহান বাদে (২৫ মার্চ বুধবার) গতকাল থেকে হুবেই প্রদেশে প্রবেশ ও বের হওয়ার ওপর আরোপিত সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হবে। উহানের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর স্বাস্থ্য কোডের ওপর ভিত্তি করে লোকজন শহরটি ছাড়ার সুযোগ পাবে।

জিন গবেষণায় সিঙ্গাপুরের বিজ্ঞানীরা : সিঙ্গাপুরের বিজ্ঞানীরা বলেছেন, তারা জিনের পরিবর্তন ধরতে পারার এমন এক উপায় উদ্ভাবন করেছেন, যার মাধ্যমে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের টিকার পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ দ্রুততর হবে। দেশটির ডিউক-এনইউএস  মেডিকেল স্কুলের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, তাদের কৌশলে সম্ভাব্য টিকাগুলোর কার্যকারিতা মাত্র কয়েকদিনের মধ্যেই নিশ্চিত হওয়া যাবে। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় স্কুলটির অংশীদার যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জৈবপ্রকৌশল প্রতিষ্ঠান আর্কটারাস থেরাপেটিকসই সম্ভাব্য এ টিকা সরবরাহ করবে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

মানবদেহে সম্ভাব্য টিকার কার্যকারিতা পরীক্ষায় সাধারণত কয়েক মাস লেগে যায়। সে তুলনায় ডিউক-এনইউএস স্কুলের উপায়ে কম সময় লাগবে বলে দাবি বিজ্ঞানীদের। ডিউক-এনইউএস স্কুলের উদীয়মান সংক্রামক রোগ প্রকল্পের উপ-পরিচালক ওই এং ইয়ং জানিয়েছেন, তারা এক সপ্তাহের মধ্যে ইঁদুরের ওপর সম্ভাব্য টিকার পরীক্ষা শুরুর পরিকল্পনা করছেন; মানবদেহে এ পরীক্ষা হবে চলতি বছরের দ্বিতীয়ভাগে।

ভ্যাকসিন তৈরি জাপানি গবেষকদের : বিশ্বব্যাপী নভেল করোনাভাইরাসের প্রাণহানি রুখতে একটি ভ্যাকসিন তৈরির দাবি করেছে একটি জাপানি কোম্পানি, যা এখন প্রাণীর ওপর পরীক্ষা করবে তারা। ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাপানের অন্যতম ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি অ্যানজেসের যৌথ উদ্যোগে এ টিকা তৈরি হয়েছে বলে মঙ্গলবার অ্যানজেসের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। ওসাকার ওই কোম্পানি জানিয়েছে, তাদের ডিএনএ ভ্যাকসিন তৈরির কাজ শেষ হয়েছে এবং তা শিগগিরই প্রাণির ওপর পরীক্ষা করা শুরু হবে।

কভিড-১৯ সৃষ্টিকারী ভাইরাসটি আরএনএ (রাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড) ভাইরাস। তবে অ্যানজেস বলছে, তাদের তৈরি করা ডিএনএভিত্তিক ভ্যাকসিন করোনাভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। এ ছাড়া প্রোটিনভিত্তিক ভ্যাকসিনের চেয়ে এটা দ্রুত উৎপাদন করা সম্ভব। জাপানের প্রভাবশালী ওষুধ কোম্পানি তাকারা এই ভ্যাকসিন বাজারজাত করার দায়িত্ব নিয়েছে।


আপনার মন্তব্য