শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ মার্চ, ২০২১ ২৩:২০

ঐক্যবদ্ধভাবে হবে দারিদ্র্য বিমোচন

মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে দলমত-নির্বিশেষে : রাষ্ট্রপতি হামিদ । বাংলাদেশের নিরন্তর উন্নতি দেখতে চায় নেপাল : নেপালের প্রেসিডেন্ট । দক্ষিণ এশিয়ার দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করব একসঙ্গে : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

কূটনৈতিক প্রতিবেদক

ঐক্যবদ্ধভাবে হবে দারিদ্র্য বিমোচন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যাদেবী ভান্ডারীকে স্বাগত জানান -বাংলাদেশ প্রতিদিন
Google News

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গতকাল ঢাকায় আসা নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যাদেবী ভান্ডারী দিনভর ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন। দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনই তিনি রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক ও সাক্ষাৎ করেন। জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডের রাষ্ট্রীয় আয়োজনে অংশ নিয়ে নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যাদেবী ভান্ডারী বলেন, ‘নিকটতম বন্ধু হিসেবে নেপাল বাংলাদেশের ক্রমাগত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন দেখতে চায়। আমি বিশ্বাস করি “সমৃদ্ধ নেপাল, সুখী নেপাল” স্লোগান নিয়ে এগিয়ে চলা নেপাল ও বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গঠনের লক্ষ্যে এগিয়ে চলা বাংলাদেশের ঐক্যবদ্ধ উন্নয়ন প্রচেষ্টা পুরো দক্ষিণ এশিয়ার আর্থসামাজিক পরিস্থিতির উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে।’ বিদ্যাদেবী ভান্ডারীর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও ঐক্যবদ্ধ উন্নয়নের মাধ্যমে দক্ষিণ সমৃদ্ধি ও দারিদ্র্য বিমোচনের ডাক দিয়েছেন। একই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ দলমত-নির্বিশেষে সবাইকে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

‘মুজিব চিরন্তন’ প্রতিপাদ্যে ১০ দিনের আয়োজনের ষষ্ঠ দিনে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডের অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির ভাষণে নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যাদেবী ভান্ডারী বলেন, ‘নেপালের প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাংলাদেশে এটা আমার প্রথম সফর। তবে এর আগে আমি ব্যক্তিগত সফরে বাংলাদেশে এসেছিলাম। এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের অনেক অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের জনগণের জীবনমানেরও যথেষ্ট উন্নয়ন হয়েছে। গত কয়েক বছরে দ্রুতগতির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশ তার বিপুল জনগোষ্ঠীকে দারিদ্র্যসীমা থেকে বের করে আনতে সক্ষম হয়েছে। বন্ধুরাষ্ট্রের এ ইতিবাচক অগ্রগতিতে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।’

নেপালের রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ, বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহযোগিতার সম্পর্ক বিদ্যমান। ভূতাত্ত্বিকভাবেও আমাদের দুই দেশের দূরত্ব অত্যন্ত কম। ১৯৭২ সালের ৮ এপ্রিল দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর থেকেই এ সম্পর্ক দিন দিন দৃঢ় হয়েছে।’ রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ২০১৯ সালের নেপাল সফরের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘দুই দেশের নেতাদের সফর বিনিময় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিতে ভূমিকা রাখছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, যোগাযোগ, জ্বালানি, কানেকটিভিটি, পর্যটন, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও জনগণের মধ্যে সহযোগিতা বিদ্যমান আছে। এ অংশীদারি আরও বাড়ানো প্রয়োজন।’ বাংলাদেশের সঙ্গে নেপালের বাণিজ্য ঘাটতি অনেক বেশি এবং এটি কমানোর ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘বাণিজ্য বাধা দূরীকরণ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও বাজার সুবিধা সম্প্রসারিত হলে বাণিজ্য সম্পর্ক অনেক বৃদ্ধি পাবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি ক্ষেত্র সহযোগিতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। নেপালের জলবিদ্যুৎ ও বাংলাদেশের গ্যাস দুই দেশের উন্নয়নে একটি গেম-চেঞ্জার হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে। জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য বাংলাদেশ-ভারত-নেপাল সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি করা জরুরি।’ কানেকটিভিটি দুই দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অভিহিত করে বিদ্যাদেবী ভান্ডারী বলেন, ‘ঢাকা-কাঠমান্ডু ফ্লাইট আরও বাড়ানো যেতে পারে। এ ছাড়া বাংলাদেশের সৈয়দপুর ও নেপালের বিরাটনগরের মধ্যে বিমান চলাচল শুরু করা যেতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘নেপালের নদীর সঙ্গে বাংলাদেশ ও ভারতের নদীর সংযোগ ঘটানো সম্ভব হলে নদীপথে উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে কানেকটিভিটি উন্নত করা সম্ভব হবে এবং বাণিজ্য ও পরিবহন খরচ কমানো যাবে। রেলপথ ও সড়কপথের উন্নয়নের মাধ্যমে কানেকটিভিটি আরও অর্থবহ করা সম্ভব। এ প্রসঙ্গে আমি বলতে চাই, নেপালে রেলওয়ে ট্রানজিটের জন্য রোহানপুরকে পোর্ট অব কল হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার কাজ এগিয়ে যাচ্ছে।’ দুই দেশের পর্যটকদের জন্য নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি সম্ভব উল্লেখ করে নেপালের রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ‘শিক্ষা ক্ষেত্রের সহযোগিতার গুণগত পরিবর্তনও সম্ভব।’ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে নেপাল ও বাংলাদেশ উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে দুই দেশের একসঙ্গে কাজ করার কথা বলেন নেপালের রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু একজন ক্যারিশমাটিক, সাহসী, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ নেতা, দক্ষ সংগঠক এবং দৃঢ়চেতা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।’ প্রধান অতিথির ভাষণে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, ‘আমরা স্বাধীনতার ৫০ বছর অতিক্রম করতে যাচ্ছি। এ দীর্ঘ সময়ে দেশের চেহারা অনেক বদলে গেছে। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যে দেশ স্বাধীন হয়েছিল অনেক চড়াই-উতরাই পার হয়ে সে বাংলাদেশ এখন স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ অর্জন করেছে। বাংলাদেশ এখন উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হওয়ার পথে দ্রুত অগ্রসরমান।’ তিনি বলেন, ‘সরকার ও রাজনৈতিক দল যখন সততা, আন্তরিকতা দিয়ে জনস্বার্থে কাজ করে তখন জাতির উন্নতি ও কল্যাণ নিশ্চিত হয়। সাধারণ হতদরিদ্র মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে দলমত-নির্বিশেষে তাদের পাশে দাঁড়াতে পারলে দেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। মুজিববর্ষে এটাই হবে সবচেয়ে বড় অর্জন।’ রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘জলে-স্থলে-আকাশে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। তিনি দেশকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়তে চেয়েছিলেন। জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত সোনার বাংলাদেশ গড়ার। তাঁরই দেখানো পথে জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে অযুত বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর ভাষণে বলেন, ‘অস্বীকার করার উপায় নেই যে দক্ষিণ এশিয়ার এক বিশালসংখ্যক মানুষ এখনো দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে। বিপুলসংখ্যক মানুষ এখনো অর্ধাহারে বা না খেয়ে প্রতি রাতে ঘুমাতে যায়। অনেকে জীবন ধারণের ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। দক্ষিণ এশিয়ায় যে প্রাকৃতিক সম্পদ আছে সে সম্পদ যথাযথভাবে ব্যবহার করে এ অঞ্চলের মানুষের দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব। একে অন্যের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে এ অঞ্চলকে দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলার প্রয়াস আমরা অব্যাহত রাখব।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘নেপাল আমাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাষ্ট্র। ১৯৭১ সালে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে তৎকালীন নেপাল সরকার এবং জনগণ নানাভাবে স্বাধীনতাকামী বাঙালিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য অস্ত্রশস্ত্র সরবরাহ করেছিলেন। যেসব দেশ স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে সর্বাগ্রে স্বীকৃতি দিয়েছিল নেপাল তার অন্যতম। ১৯৭২ সালের জানুয়ারিতে নেপাল বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়। আমরা নেপালের জনগণের সে অবদানের কথা কৃতজ্ঞতাভরে স্মরণ করি। স্বাধীনতাযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আমরা ২০১২ ও ২০১৩ সালে নেপালের ১১ জন নাগরিককে “ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ” সম্মাননায় ভূষিত করি। স্বাধীনতার পর থেকে আমাদের দুই দেশের মধ্যে চমৎকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। আমাদের মধ্যে ভৌগোলিক নৈকট্য ছাড়াও রয়েছে প্রায় একই ধরনের ইতিহাস। আন্তর্জাতিক এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যুতে আমাদের অবস্থান প্রায় এক ও অভিন্ন। বাংলাদেশ এবং নেপালের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য, সড়ক, রেল, বিমান যোগাযোগ এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি, বিশেষ করে পানি-বিদ্যুৎ খাত, পর্যটন ও পানি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সহযোগিতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা ইতিমধ্যে বিবিআইএন চুক্তি স্বাক্ষর করেছি। এর ফলে এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে। নেপালকে আমরা আমাদের সৈয়দপুর আঞ্চলিক বিমানবন্দর এবং মোংলা ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছি।’ মুজিব চিরন্তন অনুষ্ঠানমালায় গতকালের প্রতিপাদ্য ছিল ‘বাংলার মাটি আমার মাটি’। এদিনে আয়োজনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা দেন এবং বিশিষ্ট সাহিত্যিক সেলিনা হেসেন মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সহধর্মিণী রাশিদা খানম ও নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যাদেবী ভান্ডারীর মেয়ে ঊষা কিরণ ভান্ডারীও যোগ দেন।

দিনভর ব্যস্ততা : দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে গতকাল সকালে বাংলাদেশে আসেন নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যাদেবী ভান্ডারী। নেপাল এয়ারলাইনসের বিশেষ বিমানে সকাল ১০টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বিমানবন্দরে নেপালের প্রেসিডেন্টকে অভ্যর্থনা জানান। ২১ বার তোপধ্বনির পর বিমানবন্দরে নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যাদেবী ভান্ডারীকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। নেপাল প্রেসিডেন্টের সফরসঙ্গী রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদীপ কুমার গিয়াওয়ালি এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে নেপালের রাষ্ট্রপতি সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল বেদিতে ফুল দেন। এ সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর নেপালের প্রেসিডেন্ট স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে একটি পদ্মের চারা রোপণ করেন। তিনি স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। বিকালে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরে তিনি সম্মানিত অতিথি হিসেবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উদ্?যাপনে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে আয়োজিত ‘মুজিব চিরন্তন’ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিদ্যাদেবী ভান্ডারী সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে যান। বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা শেষে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়।

সফরসূচি অনুসারে বিদ্যাদেবী ভান্ডারী আজ (মঙ্গলবার) বেলা ১১টায় রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে সড়কে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে যাবেন। সেখানে তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির পিতা ও সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। পরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করবেন। দুপুরে নেপাল দূতাবাসের এক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ শেষে বিকালে নেপালের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন বিদ্যাদেবী ভান্ডারী।

এই বিভাগের আরও খবর