শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ৫ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৪ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:১০

স্বাস্থ্যবিধি ও আইন না মানলে ব্যবস্থা নিতে হবে

শামীম আহমেদ

স্বাস্থ্যবিধি ও আইন না মানলে ব্যবস্থা নিতে হবে
বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক

সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেছেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত সাত দিনের নির্দেশনা (লকডাউন) সবাইকে যথাযথভাবে মানতে হবে। এক্ষেত্রে জনসাধারণকে  যেমন সচেতন হতে হবে, তেমনি প্রশাসনকে কঠোর হতে হবে। ঢিলেঢালা লকডাউন সংক্রমণ রোধে তেমন ভূমিকা রাখবে না। তখন লকডাউনের সময়সীমা বাড়লে অর্থনীতি আবারও মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বে। ঝুঁকিতে পড়বে শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য। অনেকে কাজ হারাবে। বিপাকে পড়বে খেটে খাওয়া ও নিম্নআয়ের মানুষ।

গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে মোবাইলে            তিনি আরও বলেন, করোনা সংক্রমণ রোধে সবার আগে জনসাধারণের চিন্তা-চেতনায় পরিবর্তন আনা জরুরি। মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। এখনো কিছু লোক লকডাউনের বিপক্ষে কথা বলছেন। বিক্ষোভ মিছিল করছেন। তারা আসলে কী চান? সবার স্বার্থেই এটা মানা জরুরি। না হলে ক্ষতি বাড়বে। মাসের পর মাস সাধারণ ছুটির চেয়ে সাত দিন কঠোরভাবে লকডাউন বাস্তবায়ন করে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলে সবার জন্য ভালো হবে। আমার মতে, বইমেলাটা খোলা রাখা একেবারেই ঠিক হয়নি। বইমেলার প্রয়োজন আছে, তবে জনস্বার্থে এবার এটা বন্ধ রাখা দরকার ছিল। বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সীমিত করা ও এসব স্থানে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে কঠোর হওয়া দরকার। জীবন বাঁচানো আগে। বেঁচে থাকলে পরেও এগুলো করা যাবে।

বিচারপতি মানিক বলেন, যেভাবে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়ছে, তাতে এখনই নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। অন্যদিকে লকডাউন দীর্ঘায়িত হলে দেশের অর্থনীতির জন্য খুবই খারাপ হবে। তাই এই সাতটা দিন সবাই সচেতন হয়ে সংক্রমণ কমিয়ে আনার চেষ্টা করা উচিত। এ জন্য জনসাধারণকে যেমন দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে; আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যারা মাঠে থাকবেন তাদেরও কঠোর হতে হবে। নির্দেশনা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে পরিচয় নির্বিশেষে ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে শাস্তি দিতে হবে। সবার স্বার্থেই এটা করতে হবে। তিনি বলেন, শুধু স্বাস্থ্যবিধি মানায় অনীহা ও অসচেতনতার কারণে বছর ঘুরে আবারও দেশ লকডাউন পরিস্থিতিতে পড়েছে। কিন্তু লকডাউনের সময়সীমা যাতে আর না বাড়ে সে জন্য সবাইকে চেষ্টা করতে হবে। এ জন্য এই সাত দিনের লকডাউন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।