শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৯ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:১৪

লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঠেকানো যাবে করোনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঠেকানো যাবে করোনা
ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ
Google News

প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও ইউজিসি অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ বলেছেন, ঊর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণ রুখতে বিধিনিষেধ এবং লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। দেশব্যাপী লকডাউন থাকলেও অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। মাস্ক পরা, হাত ধোয়া ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখলে করোনা সংক্রমণ ঠেকানো সম্ভব। তবে লকডাউনে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সহায়তামূলক কর্মসূচি নেওয়া খুব জরুরি। গতকাল তিনি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, প্রতিদিন বাড়ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। সংক্রমণ বাড়ায় বেড়েছে মৃত্যু। হাসপাতালে শয্যা বাড়িয়ে করোনা সামলানো যাবে না। স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো বিকল্প নেই। না মানলে ফল আরও ভয়াবহ হবে। এ জন্য রোগ প্রতিরোধ করতে হবে, আর যেন মানুষ আক্রান্ত না হয় সে ব্যবস্থা করতে হবে। বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। বারবার সাবান কিংবা হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে হাত ধুতে হবে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। এ বিষয়গুলো সবাই জানে কিন্তু মানে না। লকডাউনে অনেকের বাজার করার ধুম পড়ে যায়। অপ্রয়োজনে কাঁচাবাজারে গেলে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিকিৎসক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মানার পাশাপাশি টিকা নিতে হবে। বাড়ির বয়স্ক মানুষদের ব্যাপারে সচেতন হতে হবে এবং টিকা নিতে হবে। টিকা নিয়ে সংক্রমিত হলেও মৃত্যুঝুঁকি কমবে। এ নিয়ে কোনো গুজবে কান দেওয়া যাবে না। এর মধ্যেও যারা মাস্ক ছাড়া বের হবে তাদের মাস্ক পরতে বাধ্য করতে হবে। এ জন্য প্রশাসনকে মাঠে থাকতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি না মানলে প্রয়োজনে কঠোর হতে হবে। সংক্রমণ রোধ করতে না পারলে হাসপাতাল বানিয়েও কুলানো যাবে না। লকডাউনে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সহায়তামূলক কর্মসূচি নিতে হবে। যারা দৈনন্দিন মজুরির ভিত্তিতে জীবিকা নির্বাহ করেন আয়ের পথ বন্ধ থাকায় তারা বিপাকে পড়েছেন। তাদের অন্তত নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু সামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে।