শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০০:২৩, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫

চব্বিশের মানবতাবিরোধী অপরাধ

হাসিনার মামলার রায় সোমবার

► এ রায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের ইতি ঘটবে - চিফ প্রসিকিউটর ► আসামিরা খালাস পাবেন, আশা রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীর ► ট্রাইব্যুনাল এলাকায় ছিল অতিরিক্ত নিরাপত্তা তল্লাশির মুখোমুখি গণমাধ্যমকর্মীরাও
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
হাসিনার মামলার রায় সোমবার

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণ অভ্যুত্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে করা মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় ঘোষণার জন্য ১৭ নভেম্বর সোমবার দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১ গতকাল বহুল আলোচিত এ মামলার রায়ের দিন ধার্য করে আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া তার সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও তার সময়ের সর্বশেষ পুলিশপ্রধান (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনও এই মামলায় আসামি। তবে চৌধুরী মামুন দোষ স্বীকার করে হয়েছেন রাজসাক্ষী (অ্যাপ্রুভার)। রাজসাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্যও দিয়েছেন তিনি।

গত ২৩ অক্টোবর মামলার বিচারকাজ শেষে রায়ের তারিখ ঘোষণার জন্য গতকালের দিন ধার্য করেছিলেন ট্রাইব্যুনাল। ২৩ অক্টোবর চূড়ান্ত যুক্তিতর্কে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম আসামি শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করেন ট্রাইব্যুনালের কাছে। আর আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন দাবি করেন, তার মক্কেলরা নির্দোষ, তারা খালাস পাবেন। রায়ের তারিখ ঘোষণার জন্য দিন ধার্য থাকায় এই মামলাটি গতকালের কার্যতালিকার এক নম্বরে আসে। দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে তিন বিচারক এজলাসে ওঠেন। পরে ট্রাইব্যুনাল চেয়ারম্যান ঘোষণা করেন রায়ের তারিখ। বলেন, এই মামলাটি আগামী সোমবার, ১৭ নভেম্বর রায়ের জন্য থাকবে।

এ সময় প্রসিকিউশনের পক্ষে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মো. মিজানুল ইসলাম, গাজী এমএইচ তামীম, বিএম সুলতান মাহমুদ, তারেক আবদুল্লাহ, আবদুস সাত্তার পালোয়ান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেনও উপস্থিত ছিলেন ট্রাইব্যুনালে।

এদিকে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা এই মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল গতকাল। ভোর থেকেই সুপ্রিম কোর্ট এলাকার সব প্রবেশপথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল। ট্রাইব্যুনালের মূল ফটকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নিয়েছিলেন এপিসিসহ। নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেছে পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব ও বিজিবিও। এদিন গণমাধ্যমকর্মীদের ট্রাইব্যুনালে প্রবেশের সময় অতিরিক্ত তল্লাশির মুখোমুখি হতে হয়েছে। এই রায়ের তারিখ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ গতকাল ‘লকডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল।

রায়ের তারিখ ঘোষণার পর চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘দীর্ঘ পরিক্রমা শেষে, সাক্ষ্যপ্রমাণ এবং উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি এখন রায়ের জন্য প্রস্তুত হয়েছে। আজকে (গতকাল) মাননীয় আদালত এই মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য আগামী ১৭ নভেম্বর, সোমবার দিন নির্ধারণ করেছেন। ইনশাল্লাহ আগামী ১৭ নভেম্বর এই মামলাটির রায় ঘোষিত হবে।’

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘আমরা অঙ্গীকার করেছিলাম যে যারাই বাংলাদেশে যত শক্তিশালী হোক না কেন, যদি কেউ অপরাধ করে, মানবতাবিরোধী অপরাধ করে, তাদেরকে সঠিক পন্থায় বিচারের মুখোমুখি করা হবে। তাদের আইন অনুযায়ী যে প্রাপ্য, এটা তাদেরকে বুঝিয়ে দেওয়া হবে। সেই প্রক্রিয়ায় আমার দীর্ঘ একটি যাত্রা শেষ করেছি। আমরা এখন চূড়ান্ত পর্বে উপনীত হয়েছি। আশা করছি, ইনশাল্লাহ আদালত তার সুবিবেচনা, প্রজ্ঞা প্রয়োগ করবেন এবং বিচারের জন্য এই জাতির যে আকাক্সক্ষা, যে তৃষ্ণা সেটার প্রতি তারা সুবিচার করবেন। একটি সঠিক রায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটা ইতি ঘটাবেন। আশা করছি ভবিষ্যতে এই রায়টি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে, তেমন একটি রায়ই প্রত্যাশা করছি।’

রায়ের তারিখ ঘোষণার পর শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিয়োজিত আইনজীবী মো. আমির হোসেন বলেন, ‘আমার প্রত্যাশা আমার ক্লায়েন্টরা (মক্কেলরা) খালাস পাবেন। এটা আমি বিশ্বাস করি।’

প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, এ মামলায় মোট ৮৪ জনকে সাক্ষী করা হয়েছিল। তবে রাজসাক্ষীসহ ৫৪ জনকে উপস্থান করা হয়েছে। এর মধ্যে চাক্ষুষ সাক্ষী সাতজন, আহত ভুক্তভোগী দুজন, ভুক্তভোগীর পরিবারের আটজন, আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সাতজন, আহতদের চিকিৎসক সাক্ষী তিনজন এবং জব্দ তালিকার সাক্ষী রয়েছেন ১৪ জন। সাংবাদিক হিসেবে সাক্ষ্য দিয়েছেন একজন। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক একজন, ঘটনার সমর্থনে সাক্ষী দুজন, রাজসাক্ষী একজন, বিশেষ তদন্তকারী কর্মকর্তা একজন ও মূল তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে একজনের সাক্ষ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট, বিশেষজ্ঞ, ওয়ারল্যাস বার্তার সাক্ষী হিসেবে একজন করে; ফরেনসিক, ঘটনার পটভূমির সাক্ষী হিসেবে দুজন করে জবানবন্দি দিয়েছেন ট্রাইব্যুনালে। ২৮ কার্যদিবসে এসব সাক্ষী উপস্থাপন করে তারা। তবে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল পলাতক থাকায় তাদের পক্ষে কোনো সাফাই সাক্ষী উপস্থাপন হয়নি ট্রাইব্যুনালে।

গত বছরের ৫ আগস্ট গণ অভ্যুত্থানের পর মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয়। এরপর চলতি বছরের ২৫ মে থেকে ৮ অক্টোবরের মধ্যে মানবতাবিরোধী অপরাধে যেসব মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে, তার মধ্যে জুলাই গণ অভ্যুত্থানের সময় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলা আটটি। এর মধ্যে পাঁচটি মামলায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেছেন ট্রাইব্যুনাল। বিচারাধীন পাঁচটি মামলার মধ্যে শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে এই মামলাটিই রায় ঘোষণার পর্যায়ে এসেছে সবার অগে।

এ মামলায় দালিলিক হিসেবে ৯০টি তথ্যচিত্র ও ৩৫টি বস্তুগত প্রমাণ জমা দেওয়া হয় প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে। এর মধ্যে তৎকালীন সরকারের সিদ্ধান্ত, গুলির নির্দেশনা, অডিও-ভিডিওসহ জব্দ করা বিভিন্ন নথিপত্র রয়েছে। মামলার বিশেষ তদন্ত কর্মকর্তা ও প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহার সাক্ষ্যের দিন চারটি ফোনালাপের অডিও রেকর্ড বাজিয়ে শোনানো হয় ট্রাইব্যুনালে; যা যুক্তিতর্কে শক্তভাবে উপস্থাপন করে প্রসিকিউশন। ফোনালাপের একটি শেখ হাসিনা-শেখ ফজলে নূর তাপসের, একটি শেখ হাসিনার সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি মাকসুদ কামালের এবং দুটি শেখ হাসিনার সঙ্গে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর। তাদের কথোপকথনে জুলাই-আগস্ট আন্দোলন দমনের নীলনকশা, নৃশংসতা ও হত্যাকাণ্ডের ইঙ্গিত মেলে। এ ছাড়া সাক্ষীদের জবানবন্দিতেও উঠে আসে নানা তথ্য-উপাত্ত। ফলে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা পাঁচটি অভিযোগই প্রমাণিত- দাবি প্রসিকিউশনের।

শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর গত বছরের ১৪ আগস্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একটি অভিযোগ দায়ের হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে দুই মাস পর অর্থাৎ ১৪ অক্টোবর তদন্তকাজ শুরু করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তদন্তে জুলাই-আগস্ট গণ অভ্যুত্থানে দেশজুড়ে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড, লাশ পুড়িয়ে ফেলাসহ সব মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রধান ‘মাস্টারমাইন্ড’ বা ‘সুপিরিয়র কমান্ডার’ হিসেবে শেখ হাসিনার নাম উঠে আসে। এরই ধারাবাহিকতায় জুলাই-আগস্টে গণহত্যার হুকুমদাতা হিসেবে শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে চলতি বছরের ১২ মে প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত সংস্থা। এরপর ট্রাইব্যুনাল-১-এ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেয় প্রসিকিউশন।

দুই ধাপে শুনানি শেষে তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। গত ৩ আগস্ট সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মাধ্যমে শুরু হয় এই মামলার বিচার। ওই দিন প্রধম সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণও করেছেন ট্রাইব্যুনাল। ৮ অক্টোবর তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীরের জেরার মাধ্যমে শেষ হয় মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের ধাপ। পরে দুই পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় মামলার বিচার। এ মামলায় শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ আনে প্রসিকিউশন। আনুষ্ঠানিক অভিযোগ মোট ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার। এর মধ্যে তথ্যসূত্র ২ হাজার ১৮ পৃষ্ঠার, জব্দ তালিকা ও দালিলিক প্রমাণাদি ৪ হাজার ৫ পৃষ্ঠার ও শহীদদের তালিকার বিবরণ ২ হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠার।

এই বিভাগের আরও খবর
হাসিনা ভারতে থাকবেন কি না সিদ্ধান্ত তার
হাসিনা ভারতে থাকবেন কি না সিদ্ধান্ত তার
ফ্যাসিজমের কালো ছায়া যায়নি
ফ্যাসিজমের কালো ছায়া যায়নি
সাড়ে চার শ নারী পুরুষ ও শিশুকে ট্রেনে তুলে হত্যা
সাড়ে চার শ নারী পুরুষ ও শিশুকে ট্রেনে তুলে হত্যা
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পরই নির্বাচনি তফসিল
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পরই নির্বাচনি তফসিল
বাণিজ্যিক আদালত অর্থনীতির জন্য নতুন দিগন্ত
বাণিজ্যিক আদালত অর্থনীতির জন্য নতুন দিগন্ত
পুলিশ কমিশন গণ-আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থি
পুলিশ কমিশন গণ-আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থি
হাসিনা দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেনি
হাসিনা দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেনি
আগামী নির্বাচন বড় ধরনের পরীক্ষা
আগামী নির্বাচন বড় ধরনের পরীক্ষা
নীরবে জামিনে মুক্ত স্বাস্থ্যের মাফিয়া মিঠু
নীরবে জামিনে মুক্ত স্বাস্থ্যের মাফিয়া মিঠু
জোটের হিসাবে গোলমাল
জোটের হিসাবে গোলমাল
মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা
মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা
বাইরে পজিটিভ ভিতরে নেগেটিভ
বাইরে পজিটিভ ভিতরে নেগেটিভ
সর্বশেষ খবর
এশিয়ায় বন্যায় মৃতের সংখ্যা ১৭৫০ ছাড়াল
এশিয়ায় বন্যায় মৃতের সংখ্যা ১৭৫০ ছাড়াল

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীমঙ্গলে ইনার হুইল ক্লাবের উদ্যোগে উন্নয়ন উপকরণ বিতরণ
শ্রীমঙ্গলে ইনার হুইল ক্লাবের উদ্যোগে উন্নয়ন উপকরণ বিতরণ

৩ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

জনবল সংকট, সিলেটে নড়বড়ে ক্যান্সার চিকিৎসা
জনবল সংকট, সিলেটে নড়বড়ে ক্যান্সার চিকিৎসা

২৩ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করল পাকিস্তান
ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করল পাকিস্তান

২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসির জাদুতে এমএলএস কাপ জয় মায়ামির
মেসির জাদুতে এমএলএস কাপ জয় মায়ামির

৩৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর মামলায় আজ তৃতীয় দিনের সাক্ষ্য
মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর মামলায় আজ তৃতীয় দিনের সাক্ষ্য

৪১ মিনিট আগে | জাতীয়

তুরস্কে বাস–লরি সংঘর্ষে নিহত ৭, আহত ১১
তুরস্কে বাস–লরি সংঘর্ষে নিহত ৭, আহত ১১

৪৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনের তফসিল নিয়ে ইসির বৈঠক আজ
নির্বাচনের তফসিল নিয়ে ইসির বৈঠক আজ

৫৪ মিনিট আগে | জাতীয়

জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ১১৪ জনের মরদেহ তোলা হচ্ছে আজ
জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ১১৪ জনের মরদেহ তোলা হচ্ছে আজ

৫৯ মিনিট আগে | জাতীয়

শিক্ষকদের শাটডাউন স্থগিত: প্রাথমিকে সব শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা শুরু আজ
শিক্ষকদের শাটডাউন স্থগিত: প্রাথমিকে সব শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা শুরু আজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আলাস্কায় ৭ মাত্রার ভূমিকম্প, কাঁপল কানাডাও
আলাস্কায় ৭ মাত্রার ভূমিকম্প, কাঁপল কানাডাও

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পশ্চিম তীর দখল নিয়ে ইসরায়েলকে সতর্ক করল জার্মানি
পশ্চিম তীর দখল নিয়ে ইসরায়েলকে সতর্ক করল জার্মানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বায়ুদূষণের শীর্ষে লাহোর, ঢাকার পরিস্থিতি কেমন?
বায়ুদূষণের শীর্ষে লাহোর, ঢাকার পরিস্থিতি কেমন?

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৭ ডিসেম্বর)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৭ ডিসেম্বর)

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এশিয়ার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ বন্যপশু পাচারকারী গ্রেফতার
এশিয়ার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ বন্যপশু পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লিডসের কাছে হেরে গেল চেলসি
লিডসের কাছে হেরে গেল চেলসি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাকার আকাশ আজ থাকতে পারে মেঘলা
ঢাকার আকাশ আজ থাকতে পারে মেঘলা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

লেবাননে জাতিসংঘ টহলদলের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ৬
লেবাননে জাতিসংঘ টহলদলের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ৬

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাফা ক্রসিং নিয়ে ইসরায়েলি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান আরব দেশগুলোর
রাফা ক্রসিং নিয়ে ইসরায়েলি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান আরব দেশগুলোর

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীতে কাঁপছে তেঁতুলিয়া
শীতে কাঁপছে তেঁতুলিয়া

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৭ ডিসেম্বর : আজকের নামাজের সময়সূচি
৭ ডিসেম্বর : আজকের নামাজের সময়সূচি

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ভারতে নাইটক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৩
ভারতে নাইটক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৩

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টিভিতে আজকের কোন খেলা কোথায় দেখবেন
টিভিতে আজকের কোন খেলা কোথায় দেখবেন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাপের সীমানায়ও পা ফেলা যাবে না
পাপের সীমানায়ও পা ফেলা যাবে না

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

রাজধানী ঢাকায় আজ কোথায় কোন কর্মসূচি
রাজধানী ঢাকায় আজ কোথায় কোন কর্মসূচি

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ রবিবার
রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যেসব আমলে দ্বিগুণ প্রতিদান পাওয়া যায়
যেসব আমলে দ্বিগুণ প্রতিদান পাওয়া যায়

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

অসুস্থ সাদ (রা.)-কে দেখতে গিয়ে মহানবী (সা.)-এর উপদেশ
অসুস্থ সাদ (রা.)-কে দেখতে গিয়ে মহানবী (সা.)-এর উপদেশ

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

তোরেসের হ্যাটট্রিকে বেতিসকে উড়িয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা
তোরেসের হ্যাটট্রিকে বেতিসকে উড়িয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় ঢাকাস্থ বগুড়াবাসীর দোয়া মাহফিল
খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় ঢাকাস্থ বগুড়াবাসীর দোয়া মাহফিল

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ভারতেই থাকবেন কি না, সিদ্ধান্ত শেখ হাসিনাই নেবেন: এস জয়শঙ্কর
ভারতেই থাকবেন কি না, সিদ্ধান্ত শেখ হাসিনাই নেবেন: এস জয়শঙ্কর

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান নয়, নিরাপত্তার জন্য ইসরায়েলই বড় হুমকি : সৌদির সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান
ইরান নয়, নিরাপত্তার জন্য ইসরায়েলই বড় হুমকি : সৌদির সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনের বিরুদ্ধে কঠিন প্রতিশোধের ঘোষণা চেচেন নেতা রমজান কাদিরভের
ইউক্রেনের বিরুদ্ধে কঠিন প্রতিশোধের ঘোষণা চেচেন নেতা রমজান কাদিরভের

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসিম মুনিরের হাতে পাকিস্তানের পরমাণু ভান্ডারের চাবি
আসিম মুনিরের হাতে পাকিস্তানের পরমাণু ভান্ডারের চাবি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেভাবে এশিয়ার সবচেয়ে দুর্বল মুদ্রায় পরিণত হলো ভারতীয় রুপি
যেভাবে এশিয়ার সবচেয়ে দুর্বল মুদ্রায় পরিণত হলো ভারতীয় রুপি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পিয়াজের দাম দুই দিনে ৩৫ টাকা বেড়েছে
পিয়াজের দাম দুই দিনে ৩৫ টাকা বেড়েছে

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আফগান ক্রিকেটারকে বিয়ে করছেন বলিউড অভিনেত্রী: রিপোর্ট
আফগান ক্রিকেটারকে বিয়ে করছেন বলিউড অভিনেত্রী: রিপোর্ট

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে: কায়কোবাদ
তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে: কায়কোবাদ

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

স্বাস্থ্যের ডিজির সঙ্গে তর্ক: চিকিৎসককে অব্যাহতি-শোকজ
স্বাস্থ্যের ডিজির সঙ্গে তর্ক: চিকিৎসককে অব্যাহতি-শোকজ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যে কারণে বিশ্বের ধনকুবেরদের সবচেয়ে পছন্দের ঠিকানা দুবাই
যে কারণে বিশ্বের ধনকুবেরদের সবচেয়ে পছন্দের ঠিকানা দুবাই

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অনির্দিষ্টকালের জন্য মোবাইল দোকান বন্ধ
অনির্দিষ্টকালের জন্য মোবাইল দোকান বন্ধ

৯ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

‘শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করছে খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রা’
‘শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করছে খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রা’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইপিএল থেকে অবসর নেওয়ার পর রাসেলের বিশ্বরেকর্ড
আইপিএল থেকে অবসর নেওয়ার পর রাসেলের বিশ্বরেকর্ড

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তাসফিনের হাত পুনঃসংযোজন এক বিরল সাফল্য: রিজভী
তাসফিনের হাত পুনঃসংযোজন এক বিরল সাফল্য: রিজভী

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে জুবাইদা রহমান
খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে জুবাইদা রহমান

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এবার হিন্দু রীতিতে সাতপাকে ঘুরলেন সারা খান
এবার হিন্দু রীতিতে সাতপাকে ঘুরলেন সারা খান

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বিমানে শালীন পোশাকের পরামর্শ মার্কিন মন্ত্রীর, প্রতিবাদে যা করলেন যাত্রীরা
বিমানে শালীন পোশাকের পরামর্শ মার্কিন মন্ত্রীর, প্রতিবাদে যা করলেন যাত্রীরা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপাতত বিদেশ থেকে চিনি আমদানি বন্ধ: শিল্প উপদেষ্টা
আপাতত বিদেশ থেকে চিনি আমদানি বন্ধ: শিল্প উপদেষ্টা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শাহ আমানত বিমানবন্দরে পড়ে ছিল মালিকবিহীন ছয় লাগেজ, খোলার পর যা মিলল
শাহ আমানত বিমানবন্দরে পড়ে ছিল মালিকবিহীন ছয় লাগেজ, খোলার পর যা মিলল

১৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

পোস্টাল ভোট: সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধন শুরু তফসিল ঘোষণার দিন
পোস্টাল ভোট: সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধন শুরু তফসিল ঘোষণার দিন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তারেক রহমান দেশে ফিরবেন, তার নেতৃত্বেই নির্বাচনে অংশ নেবে বিএনপি : আমীর খসরু
তারেক রহমান দেশে ফিরবেন, তার নেতৃত্বেই নির্বাচনে অংশ নেবে বিএনপি : আমীর খসরু

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার পেছনের কারণ জানাল হত্যাকারী
জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার পেছনের কারণ জানাল হত্যাকারী

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘হিউম্যান রাইটস টিউলিপ’ অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন পেলেন সানজিদা
‘হিউম্যান রাইটস টিউলিপ’ অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন পেলেন সানজিদা

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মুস্তাফিজের দারুণ বোলিং, তবুও হারল দুবাই
মুস্তাফিজের দারুণ বোলিং, তবুও হারল দুবাই

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রবিবার থেকে বার্ষিক পরীক্ষা নেবেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা
রবিবার থেকে বার্ষিক পরীক্ষা নেবেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে শুনানিতে সম্মত যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে শুনানিতে সম্মত যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে আত্মহত্যার হার নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে আত্মহত্যার হার নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকারে গেলে প্রাইভেট সেক্টরেও শুক্র-শনি ছুটি ঘোষণা করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
সরকারে গেলে প্রাইভেট সেক্টরেও শুক্র-শনি ছুটি ঘোষণা করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চিড়িয়াখানায় সিংহের খাঁচায় ঢুকে নিহত ১৯ বছরের কিশোর
চিড়িয়াখানায় সিংহের খাঁচায় ঢুকে নিহত ১৯ বছরের কিশোর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ বন্যপশু পাচারকারী গ্রেফতার
এশিয়ার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ বন্যপশু পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
বাইরে পজিটিভ ভিতরে নেগেটিভ
বাইরে পজিটিভ ভিতরে নেগেটিভ

প্রথম পৃষ্ঠা

জোটের হিসাবে গোলমাল
জোটের হিসাবে গোলমাল

প্রথম পৃষ্ঠা

নীরবে জামিনে মুক্ত স্বাস্থ্যের মাফিয়া মিঠু
নীরবে জামিনে মুক্ত স্বাস্থ্যের মাফিয়া মিঠু

প্রথম পৃষ্ঠা

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পরই নির্বাচনি তফসিল
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পরই নির্বাচনি তফসিল

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সেমিতে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা লড়াই?
সেমিতে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা লড়াই?

মাঠে ময়দানে

সাড়ে চার শ নারী পুরুষ ও শিশুকে ট্রেনে তুলে হত্যা
সাড়ে চার শ নারী পুরুষ ও শিশুকে ট্রেনে তুলে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

পর্যাপ্ত মজুতেও অস্থির পিঁয়াজের বাজার
পর্যাপ্ত মজুতেও অস্থির পিঁয়াজের বাজার

পেছনের পৃষ্ঠা

ঠাকুরগাঁওয়ে মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত
ঠাকুরগাঁওয়ে মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

হকিতে কোরিয়াকে প্রথম হারাল বাংলাদেশ
হকিতে কোরিয়াকে প্রথম হারাল বাংলাদেশ

মাঠে ময়দানে

৫ লাখের ‘সুজন সখী’র আয় কোটি টাকা
৫ লাখের ‘সুজন সখী’র আয় কোটি টাকা

শোবিজ

মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা
মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

প্রথম পৃষ্ঠা

আবেগী বিপাশা
আবেগী বিপাশা

শোবিজ

অবৈধ অস্ত্রে নিরাপত্তাশঙ্কা
অবৈধ অস্ত্রে নিরাপত্তাশঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

সমাজ মাধ্যমে তারকাদের কত কাহিনি
সমাজ মাধ্যমে তারকাদের কত কাহিনি

শোবিজ

হাসিনা ভারতে থাকবেন কি না সিদ্ধান্ত তার
হাসিনা ভারতে থাকবেন কি না সিদ্ধান্ত তার

প্রথম পৃষ্ঠা

গ্রিভসের ডাবল সেঞ্চুরিতে স্মরণীয় ড্র
গ্রিভসের ডাবল সেঞ্চুরিতে স্মরণীয় ড্র

মাঠে ময়দানে

পুলিশ কমিশন গণ-আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থি
পুলিশ কমিশন গণ-আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থি

প্রথম পৃষ্ঠা

দুঃসময়ে মোহামেডানের বড় জয়
দুঃসময়ে মোহামেডানের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

কাজের প্রেমে কনা...
কাজের প্রেমে কনা...

শোবিজ

স্টার্ক ঝলকে ব্রিসবেনে উজ্জ্বল অস্ট্রেলিয়া
স্টার্ক ঝলকে ব্রিসবেনে উজ্জ্বল অস্ট্রেলিয়া

মাঠে ময়দানে

তারেক রহমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কেন প্রয়োজন
তারেক রহমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কেন প্রয়োজন

সম্পাদকীয়

ফ্যাসিজমের কালো ছায়া যায়নি
ফ্যাসিজমের কালো ছায়া যায়নি

প্রথম পৃষ্ঠা

ভূমিকম্প থেকে বাঁচার কোরআনি আমল
ভূমিকম্প থেকে বাঁচার কোরআনি আমল

সম্পাদকীয়

রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের ভবনে আগুন
রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের ভবনে আগুন

পূর্ব-পশ্চিম

যাযাবর জাতির বিচিত্র জীবন
যাযাবর জাতির বিচিত্র জীবন

রকমারি

কাজ বন্ধ রেখে উধাও ঠিকাদার
কাজ বন্ধ রেখে উধাও ঠিকাদার

দেশগ্রাম

অস্ট্রেলিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ভয়াবহ দাবানল
অস্ট্রেলিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ভয়াবহ দাবানল

পূর্ব-পশ্চিম

জৈবকৃষির সম্ভাবনায় জেগে ওঠা এক গ্রাম
জৈবকৃষির সম্ভাবনায় জেগে ওঠা এক গ্রাম

সম্পাদকীয়

কারাগারে ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ
কারাগারে ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ

পূর্ব-পশ্চিম