শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০০:২২, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫

ঐক্যই জয় বিভক্তিতে ক্ষয়

অদিতি করিম
প্রিন্ট ভার্সন
ঐক্যই জয় বিভক্তিতে ক্ষয়

সাম্প্রতিক সময়ে অন্যরকম ঘটনাবহুল দিন ছিল ১৩ নভেম্বর। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণে এ দিনটি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হবে। একই দিনে অনেক ঘটনার সাক্ষী হলো বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণহত্যার প্রথম মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণা করেন বৃহস্পতিবার সকালে। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় ১৭ নভেম্বর।

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার এই দিন ধার্য করেন। ট্রাইব্যুনালে অন্য দুই সদস্য বিচারক ছিলেন মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

বহুল আলোচিত এ মামলায় পাঁচটি অভিযোগ এনে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়েছে প্রসিকিউশন। একই দিনে আদালতপাড়ায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সংবিধান পঞ্চদশ সংশোধনীর হাই কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলের অনুমতি দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ছয় বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এ দিন সকালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিলোপসহ বেশ কয়েকটি বিষয় পরিবর্তন করে আনা সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে হাই কোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলের (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) ওপর দ্বিতীয় দিনের শুনানি শুরু হয়। বেশ কিছু বিষয়ে পরিবর্তন করে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আইন জাতীয় সংসদে পাস হয়।

রাষ্ট্রপতি ২০১১ সালের ৩ জুলাই তাতে অনুমোদন দেন। ওই সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এ ছাড়া জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনসংখ্যা ৪৫ থেকে বাড়িয়ে ৫০ করা হয়; সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল এবং রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।

অসাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকে রাষ্ট্রদ্রোহ অপরাধ বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধে দোষী করে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধানও যুক্ত করা হয়। আগে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনে নির্বাচন করার বিধান থাকলেও ওই সংশোধনীতে পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বিষয়টি সংযোজন করা হয়।

বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের সূচনা করে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন প্রথম ধাপে ১২টি দলের সঙ্গে সংলাপে অংশ নেয়। ধারাবাহিক সংলাপে পর্যায়ক্রমে সব দল অংশগ্রহণ করবে বলে জানা গেছে। এর মধ্য দিয়ে সংসদ নির্বাচনের পথে কমিশন আনুষ্ঠানিক যাত্রা করল। বৃহস্পতিবার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ দেশব্যাপী লকডাউন কর্মসূচি পালন করে। কর্মসূচির কদিন আগে থেকেই সারা দেশে নাশকতামূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড জনমনে ভীতি ও আতঙ্ক সৃষ্টি করে। বিক্ষিপ্তভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। তবে দিনের সবচেয়ে আলোচিত এবং গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ভাষণ। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং গণভোট নিয়ে রাজনৈতিক অনৈক্য ও বিভক্তির প্রেক্ষাপটে প্রধান উপদেষ্টা জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন।

আপাতদৃষ্টে বৃহস্পতিবারের ঘটনাবহুল দিনের সব ঘটনা আলাদা হলেও তা পারস্পরিক সম্পর্কিত। একটি আরেকটির সঙ্গে সম্পর্কিত। এসব ঘটনা এক বিন্দুতে মেলালে আগামীর বাংলাদেশ কোন পথে এগোবে তার একটি সুস্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়। জুলাই বিপ্লবে অংশগ্রহণকারী দলগুলো যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, তাহলে দেশ গণতন্ত্র ও শান্তির পথে এগিয়ে যাবে। আর যদি বিভক্ত হয়, তাহলে পতিত স্বৈরাচার পুনর্বাসিত হবে। দেশে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টি হবে। অগ্নিসংযোগ ও গুপ্ত হামলা জনজীবনে আতঙ্ক সৃষ্টি করবে। দেশের ভবিষ্যৎ কোন পথে যাবে, তা নির্ভর করছে প্রধান উপদেষ্টার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক দলগুলো কীভাবে গ্রহণ করে তার ওপর।

প্রধান উপদেষ্টা তাঁর ভাষণে সুস্পষ্টভাবে চলমান রাজনৈতিক সংকটের একটি গ্রহণযোগ্য এবং যৌক্তিক সমাধান ঘোষণা করেছেন। কারও পক্ষে বা বিপক্ষে না গিয়ে তিনি জনগণের আশা-আকাক্সক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়েছেন। একদিকে যেমন তিনি গণভোট নিয়ে সৃষ্ট রাজনৈতিক বিভাজনের বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তেমন জুলাই সনদ বিষয়ে গণভোটে চারটি প্রশ্ন দিয়ে জনগণকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বধীনতা দিয়েছেন। একাধিক প্রশ্ন থাকায় সব দলের দাবির প্রতি যেমন শ্রদ্ধা রাখা হয়েছে, তেমন জনগণ কী চায় তার পথও উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা তাঁর ভাষণে যেভাবে গণভোটের প্রশ্ন উপস্থাপন করেছেন, তা এ রকম-আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং জুলাই জাতীয় সনদে লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত নিম্নলিখিত প্রস্তাবগুলোর প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করছেন? ‘ক) নির্বাচনকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে। খ) আগামী সংসদ হবে দুই কক্ষবিশিষ্ট। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ জন সদস্যবিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে এবং সংবিধান সংশোধন করতে হলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হবে। গ) সংসদে নারীর প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে যে ৩০টি প্রস্তাবে জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য হয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলো বাধ্য থাকবে। ঘ) জুলাই সনদে বর্ণিত অন্যান্য সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হবে।’

গণভোটের দিন এ চারটি বিষয়ের ওপর একটি মাত্র প্রশ্নে আপনি ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিয়ে আপনার মতামত জানাবেন।

লক্ষণীয় বিষয় হলো, প্রধান উপদেষ্টা সবকিছু চাপিয়ে দেননি। বরং যে ৩০টি সংবিধান সংশোধন প্রস্তাবে সব দল একমত হয়েছে, তা বাস্তবায়ন বাধ্যতামূলক করেছেন। যেসব বিষয়ে ভিন্নমত রয়েছে সেগুলো রাজনৈতিক দলগুলো প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাস্তবায়ন করবে। অর্থাৎ বিএনপি নির্বাচনে জয়ী হলে তারা আপত্তিহীন ৩০টি সংশোধনী বাস্তবায়ন করবে। বাকিগুলোর বিষয়ে তাদের অবস্থানের আলোকে সিদ্ধান্ত নেবে। একইভাবে জামায়াত বা এনসিপি জয়ী হলে ৩০টি মীমাংসিত বিষয়ে সংশোধনী আনবে, বাকিগুলোর ব্যপারে তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে। আমি মনে করি এর চেয়ে যৌক্তিক এবং গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত আর হতে পারে না।

এ রকম একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে যদি কোনো দল আপত্তি করে তাহলে বুঝতে হবে, তারা দেশে নির্বাচন চায় না। গণতন্ত্র চায় না। তারা দেশে একটা অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায়। এ রকম একটা পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে শেষ পর্যন্ত কেউ লাভবান হবে না। চব্বিশের পরাজিত শক্তি ফিরে আসবে।

তাই আমাদের প্রত্যাশা-রাজনৈতিক দলগুলো এখন হুমকিধমকির সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসবে। যমুনা ঘেরাওয়ের মতো আত্মঘাতী কর্মসূচি থেকে সরে আসবে। নির্বাচনের পথে হাঁটবে সব দল। ১৩ নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ এবং প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ একটি বার্তা দিয়েছে, তা হলো-ঐক্যেই জয়, বিভক্তিতে ক্ষয়।

এই বিভাগের আরও খবর
ছুটির ঘোষণা
ছুটির ঘোষণা
হাসিনা-কামালের সাজা বাড়াতে আপিল
হাসিনা-কামালের সাজা বাড়াতে আপিল
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ‘আনপ্রেডিকটেবল’
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ‘আনপ্রেডিকটেবল’
হাদির ঘটনা বিচ্ছিন্ন, নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই
হাদির ঘটনা বিচ্ছিন্ন, নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই
পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ কার্যত লোকদেখানো
পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ কার্যত লোকদেখানো
নির্বাচন ও নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা
নির্বাচন ও নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা
আগের রাতে রিসোর্টে মাস্তি ফয়সাল ও আলমগীরের
আগের রাতে রিসোর্টে মাস্তি ফয়সাল ও আলমগীরের
জামায়াত কখনো ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আপস করেনি
জামায়াত কখনো ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আপস করেনি
হাদির ওপর গুলিতে আক্রান্ত বাংলাদেশ
হাদির ওপর গুলিতে আক্রান্ত বাংলাদেশ
সংসদ-গণভোট ও ফল প্রকাশ যেভাবে
সংসদ-গণভোট ও ফল প্রকাশ যেভাবে
হাদিকে গুলির ঘটনা নির্বাচনে বিঘ্ন সৃষ্টির ষড়যন্ত্রের অংশ
হাদিকে গুলির ঘটনা নির্বাচনে বিঘ্ন সৃষ্টির ষড়যন্ত্রের অংশ
মহান বিজয় দিবস আজ
মহান বিজয় দিবস আজ
সর্বশেষ খবর
বাউবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন
বাউবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন

২ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

কাভার্ডভ্যানের চাপায় প্রাণ গেল দুই পুলিশ সদস্যের
কাভার্ডভ্যানের চাপায় প্রাণ গেল দুই পুলিশ সদস্যের

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আমরা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেব : চট্টগ্রামের ডিসি
আমরা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেব : চট্টগ্রামের ডিসি

৪ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

যথাযোগ্য মর্যাদায় জাবিতে বিজয় দিবস উদযাপন
যথাযোগ্য মর্যাদায় জাবিতে বিজয় দিবস উদযাপন

৬ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

অস্ট্রেলিয়ায় বুদ্ধিজীবী দিবস ও মহান বিজয় দিবস উদযাপন
অস্ট্রেলিয়ায় বুদ্ধিজীবী দিবস ও মহান বিজয় দিবস উদযাপন

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নানা আয়োজনে নেত্রকোনায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন
নানা আয়োজনে নেত্রকোনায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

৩৪ বছর পর পশ্চিমবঙ্গে বিশ্ব ইজতেমা, নিরাপত্তা নিশ্চিতে মমতার কড়া নির্দেশ
৩৪ বছর পর পশ্চিমবঙ্গে বিশ্ব ইজতেমা, নিরাপত্তা নিশ্চিতে মমতার কড়া নির্দেশ

১২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তাসকিনের প্রথম উইকেটের ম্যাচে জয় পেল শারজাহ
তাসকিনের প্রথম উইকেটের ম্যাচে জয় পেল শারজাহ

১২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভালুকায় নানা আয়োজনে বিজয় দিবস উদযাপন
ভালুকায় নানা আয়োজনে বিজয় দিবস উদযাপন

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সোনারগাঁয়ে জাতীয় পার্টির নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্মের অভিযোগ
সোনারগাঁয়ে জাতীয় পার্টির নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্মের অভিযোগ

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কেরানীগঞ্জে মহান বিজয় দিবস উদযাপন
কেরানীগঞ্জে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বন্ডাই সৈকতে গুলির ঘটনায় শোকের ছায়া অ্যাশেজে
বন্ডাই সৈকতে গুলির ঘটনায় শোকের ছায়া অ্যাশেজে

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নরসিংদীতে মহান বিজয় দিবস উদযাপন
নরসিংদীতে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাবিতে বিজয় দিবস উদযাপিত
রাবিতে বিজয় দিবস উদযাপিত

২৩ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

নানা কর্মসূচিতে লক্ষ্মীপুরে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত
নানা কর্মসূচিতে লক্ষ্মীপুরে মহান বিজয় দিবস উদযাপিত

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হবিগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন
হবিগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন

২৭ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের অ্যালামনাইদের সাফল্য উদযাপন ব্রিটিশ কাউন্সিলের
বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের অ্যালামনাইদের সাফল্য উদযাপন ব্রিটিশ কাউন্সিলের

২৯ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস
পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে যা জানাল আবহাওয়া অফিস

৩১ মিনিট আগে | জাতীয়

গোলাম আজম জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হলে মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থান কোথায় : মির্জা আব্বাস
গোলাম আজম জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হলে মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থান কোথায় : মির্জা আব্বাস

৩১ মিনিট আগে | রাজনীতি

জয়পুরহাটে বিজয় দিবস উদযাপন
জয়পুরহাটে বিজয় দিবস উদযাপন

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শাবিতে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ
শাবিতে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

৪৫ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

মেক্সিকোতে জরুরি অবতরণকালে ছোট প্লেন বিধ্বস্ত, ৭ আরোহী নিহত
মেক্সিকোতে জরুরি অবতরণকালে ছোট প্লেন বিধ্বস্ত, ৭ আরোহী নিহত

৪৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিজয় দিবসে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির বর্ণাঢ্য আয়োজন
বিজয় দিবসে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির বর্ণাঢ্য আয়োজন

৪৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

যশোরে মহান বিজয় দিবস উদযাপন
যশোরে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্বরেকর্ড
সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্বরেকর্ড

৪৮ মিনিট আগে | জাতীয়

লিফটের কাজ করতে গিয়ে ইলেকট্রিশিয়ানের মৃত্যু
লিফটের কাজ করতে গিয়ে ইলেকট্রিশিয়ানের মৃত্যু

৫০ মিনিট আগে | নগর জীবন

যশোরে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ১৮
যশোরে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ১৮

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখের সমাধিতে বিজিবির শ্রদ্ধাঞ্জলি
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখের সমাধিতে বিজিবির শ্রদ্ধাঞ্জলি

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নাইজেরিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে ই-পাসপোর্ট সেবার উদ্বোধন
নাইজেরিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে ই-পাসপোর্ট সেবার উদ্বোধন

৫৩ মিনিট আগে | পরবাস

মানিকগঞ্জে বিজয় দিবসে বিএনপির শ্রদ্ধা
মানিকগঞ্জে বিজয় দিবসে বিএনপির শ্রদ্ধা

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
বাজুসের প্রধান উপদেষ্টা সায়েম সোবহান আনভীর, প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে এনামুল হক খান
বাজুসের প্রধান উপদেষ্টা সায়েম সোবহান আনভীর, প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে এনামুল হক খান

২২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টা: শ্যুটার ফয়সালের সহযোগী গ্রেপ্তার
ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টা: শ্যুটার ফয়সালের সহযোগী গ্রেপ্তার

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় এবারও চমক দেখাল সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজ
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় এবারও চমক দেখাল সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজ

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩ দফা দাবিতে সরকারকে আল্টিমেটাম সাদিক কায়েমের
৩ দফা দাবিতে সরকারকে আল্টিমেটাম সাদিক কায়েমের

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অস্ট্রেলিয়ায় হামলাকারীর বন্দুক ছিনিয়ে নেওয়া হিরো কে এই আহমেদ?
অস্ট্রেলিয়ায় হামলাকারীর বন্দুক ছিনিয়ে নেওয়া হিরো কে এই আহমেদ?

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিজয় দিবসে বিশ্ব রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ
বিজয় দিবসে বিশ্ব রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়েকে হত্যা, গৃহকর্মীর স্বামীর দায় স্বীকার
মোহাম্মদপুরে মা-মেয়েকে হত্যা, গৃহকর্মীর স্বামীর দায় স্বীকার

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান প্রেস সচিবের
নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান প্রেস সচিবের

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আদানি-আম্বানির লড়াইয়ে দীর্ঘায়িত হল মেসির ভারত সফর
আদানি-আম্বানির লড়াইয়ে দীর্ঘায়িত হল মেসির ভারত সফর

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমরা নিরাপদ না থাকলে শত্রুরাও নিরাপদ থাকতে পারবে না : মাহফুজ আলম
আমরা নিরাপদ না থাকলে শত্রুরাও নিরাপদ থাকতে পারবে না : মাহফুজ আলম

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে হত্যাচেষ্টা : ফয়সালের স্ত্রী-বান্ধবীসহ ৩ জন রিমান্ডে
হাদিকে হত্যাচেষ্টা : ফয়সালের স্ত্রী-বান্ধবীসহ ৩ জন রিমান্ডে

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাদির ওপর হামলার বিষয়ে সিইসির বক্তব্যের যে ব্যাখ্যা দিলো কমিশন
হাদির ওপর হামলার বিষয়ে সিইসির বক্তব্যের যে ব্যাখ্যা দিলো কমিশন

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

'মানসিকভাবে মরে' গেছে বহু ইসরায়েলি সেনা
'মানসিকভাবে মরে' গেছে বহু ইসরায়েলি সেনা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজতন্ত্র ফেরাতে নেপালে একীভূত হচ্ছে দুই দল
রাজতন্ত্র ফেরাতে নেপালে একীভূত হচ্ছে দুই দল

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উপ-উপাচার্যের বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে চবির প্রশাসনিক ভবনে তালা
উপ-উপাচার্যের বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে চবির প্রশাসনিক ভবনে তালা

২৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

১৬ বছর রাতে ঘুমাননি মির্জা ফখরুল: রাহাত আরা বেগম
১৬ বছর রাতে ঘুমাননি মির্জা ফখরুল: রাহাত আরা বেগম

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে ফেরার পথে সাবেক যুবলীগ নেতা গ্রেফতার
মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে ফেরার পথে সাবেক যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

১৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

দেশে ফিরলেই গ্রেফতার হবেন শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক রানাতুঙ্গা
দেশে ফিরলেই গ্রেফতার হবেন শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক রানাতুঙ্গা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মোবাইল আমদানিতে শুল্ক কমাবে এনবিআর: চেয়ারম্যান
মোবাইল আমদানিতে শুল্ক কমাবে এনবিআর: চেয়ারম্যান

২৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

হাদিকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছেছে সিঙ্গাপুর
হাদিকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছেছে সিঙ্গাপুর

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৬ ডিসেম্বর জাতির অহংকার, আনন্দ আর বেদনার এক মহাকাব্যিক দিন
১৬ ডিসেম্বর জাতির অহংকার, আনন্দ আর বেদনার এক মহাকাব্যিক দিন

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাজধানীর দক্ষিণখানে একজনকে কুপিয়ে হত্যা
রাজধানীর দক্ষিণখানে একজনকে কুপিয়ে হত্যা

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাদিকে হত্যাচেষ্টাকারীদের সম্পর্কে এখনই সবকিছু বলা যাবে না : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
হাদিকে হত্যাচেষ্টাকারীদের সম্পর্কে এখনই সবকিছু বলা যাবে না : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আজ লন্ডনে দলীয় শেষ কর্মসূচি পালন করবেন তারেক রহমান
আজ লন্ডনে দলীয় শেষ কর্মসূচি পালন করবেন তারেক রহমান

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইজিপি বাহারুলকে বরখাস্ত ও গ্রেফতারের রিট খারিজ
আইজিপি বাহারুলকে বরখাস্ত ও গ্রেফতারের রিট খারিজ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাজনৈতিক ব্যক্তি ও এমপি প্রার্থীদের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সের নীতিমালা প্রকাশ
রাজনৈতিক ব্যক্তি ও এমপি প্রার্থীদের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সের নীতিমালা প্রকাশ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ভারত থেকে আনা পিস্তুল-গুলি জব্দ
দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ভারত থেকে আনা পিস্তুল-গুলি জব্দ

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানে বিদেশি হস্তক্ষেপ মেনে নেয়া হবে না, তেহরান সম্মেলনের ঘোষণা
আফগানিস্তানে বিদেশি হস্তক্ষেপ মেনে নেয়া হবে না, তেহরান সম্মেলনের ঘোষণা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বদলাতে পারে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজের সময়সূচি
বদলাতে পারে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজের সময়সূচি

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দিনাজপুরে যমজ বোনের সাফল্য, মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির সুযোগ
দিনাজপুরে যমজ বোনের সাফল্য, মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির সুযোগ

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ‘আনপ্রেডিকটেবল’
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ‘আনপ্রেডিকটেবল’

প্রথম পৃষ্ঠা

আগের রাতে রিসোর্টে মাস্তি ফয়সাল ও আলমগীরের
আগের রাতে রিসোর্টে মাস্তি ফয়সাল ও আলমগীরের

প্রথম পৃষ্ঠা

সবার ওপরে মুক্তিযুদ্ধ
সবার ওপরে মুক্তিযুদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

আমি এবং শহীদ জিয়া বিজয়ের খবর পেয়েছিলাম চা-বাগানে বসে
আমি এবং শহীদ জিয়া বিজয়ের খবর পেয়েছিলাম চা-বাগানে বসে

মহান বিজয় দিবস-এর বিশেষ আয়োজন

মহান বিজয় দিবস আজ
মহান বিজয় দিবস আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

হাদির ওপর গুলিতে আক্রান্ত বাংলাদেশ
হাদির ওপর গুলিতে আক্রান্ত বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

ছুটির ঘোষণা
ছুটির ঘোষণা

প্রথম পৃষ্ঠা

পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ কার্যত লোকদেখানো
পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ কার্যত লোকদেখানো

প্রথম পৃষ্ঠা

হাদিকে গুলির ঘটনা নির্বাচনে বিঘ্ন সৃষ্টির ষড়যন্ত্রের অংশ
হাদিকে গুলির ঘটনা নির্বাচনে বিঘ্ন সৃষ্টির ষড়যন্ত্রের অংশ

প্রথম পৃষ্ঠা

সংসদ-গণভোট ও ফল প্রকাশ যেভাবে
সংসদ-গণভোট ও ফল প্রকাশ যেভাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিজয় দিবস : হরিষে বিষাদ
বিজয় দিবস : হরিষে বিষাদ

সম্পাদকীয়

স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে এক ভাগ ভোটারের সমর্থন লাগবে
স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে এক ভাগ ভোটারের সমর্থন লাগবে

নগর জীবন

জামায়াত কখনো ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আপস করেনি
জামায়াত কখনো ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আপস করেনি

প্রথম পৃষ্ঠা

জামায়াত বাদে অন্য ইসলামি দলগুলো নিয়ে বিএনপিকে জোট গঠনের আহ্বান
জামায়াত বাদে অন্য ইসলামি দলগুলো নিয়ে বিএনপিকে জোট গঠনের আহ্বান

নগর জীবন

বিজয় দুর্বল হয়ে পড়বে, যদি জাতীয় মুক্তি না আসে
বিজয় দুর্বল হয়ে পড়বে, যদি জাতীয় মুক্তি না আসে

মহান বিজয় দিবস-এর বিশেষ আয়োজন

হাসিনা-কামালের সাজা বাড়াতে আপিল
হাসিনা-কামালের সাজা বাড়াতে আপিল

প্রথম পৃষ্ঠা

হাদির ঘটনা বিচ্ছিন্ন, নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই
হাদির ঘটনা বিচ্ছিন্ন, নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

আবার শোভিবে সুষমা ভরে
আবার শোভিবে সুষমা ভরে

সম্পাদকীয়

মহান বিজয় দিবস
মহান বিজয় দিবস

সম্পাদকীয়

‘আকিজ ফার্মেসি’র প্রথম ফ্ল্যাগশিপ আউটলেট উদ্বোধন
‘আকিজ ফার্মেসি’র প্রথম ফ্ল্যাগশিপ আউটলেট উদ্বোধন

নগর জীবন

নির্বাচন ও নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা
নির্বাচন ও নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিজয়ের ৫৪ বছরেও উপেক্ষিত আলী ইমাম
বিজয়ের ৫৪ বছরেও উপেক্ষিত আলী ইমাম

মাঠে ময়দানে

গৃহকর্মীর স্বামী রাব্বির দায় স্বীকার
গৃহকর্মীর স্বামী রাব্বির দায় স্বীকার

খবর

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা

নগর জীবন

সোনার দাম ফের বেড়েছে, ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার
সোনার দাম ফের বেড়েছে, ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার

খবর

বই ও নারী
বই ও নারী

সম্পাদকীয়

পাঁচ দিনের রিমান্ডে আনিস আলমগীর
পাঁচ দিনের রিমান্ডে আনিস আলমগীর

খবর

আতিফ আসলামের কনসার্ট বাতিল
আতিফ আসলামের কনসার্ট বাতিল

নগর জীবন

যুব এশিয়া কাপ সেমিতে বাংলাদেশ
যুব এশিয়া কাপ সেমিতে বাংলাদেশ

মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস
বাংলাদেশে অবস্থানরত নাগরিকদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস

খবর