শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি

► গঠিত হবে সংবিধান সংস্কার পরিষদ ► সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হবে জুলাই জাতীয় সনদ ► উচ্চকক্ষ নিয়ে আছে দিকনির্দেশনা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি

জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫-এর গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার। জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট একই দিন অনুষ্ঠিত হবে। আদেশে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের কথা বলা হয়েছে। তাদের সিদ্ধান্তেই সংবিধান সংস্কার চূড়ান্ত হবে। এতে সংস্কার বিষয়ে অন্য কোনোভাবে অনুমোদন বা সম্মতির প্রয়োজন হবে না। পাশাপাশি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হবে জুলাই জাতীয় সনদ। আদেশে রয়েছে উচ্চকক্ষ নিয়ে দিকনির্দেশনা।

গতকাল আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এ গেজেট প্রকাশ করা হয়। এর আগে জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫ অনুমোদন দেয় উপদেষ্টা পরিষদ। গতকাল দুপুরে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর আগে আদেশের সারসংক্ষেপে স্বাক্ষর করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আদেশে বলা হয়, সুদীর্ঘ গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ছাত্র-জনতার সফল গণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা ও অভিপ্রায়ের প্রকাশ ঘটেছে এবং ওই গণ অভ্যুত্থানের ফলে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তৎকালীন ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন ঘটে, ৬ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়া হয় এবং ৮ আগস্ট বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কার্যকারিতা ও স্বীকৃতি লাভ করেছে।

রাষ্ট্রীয় সংস্কার সাধনের মাধ্যমে সুশাসন, গণতন্ত্র ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং কর্তৃত্ববাদী ও ফ্যাসিবাদী শাসনের পুনরাবৃত্তি রোধ করার উদ্দেশ্যে অন্তর্বর্তী সরকার সংবিধান, নির্বাচনব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, বিচার বিভাগ, পুলিশ প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন ব্যবস্থায় সংস্কারের সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে ছয়টি সংস্কার কমিশন গঠন করে এবং ওই কমিশনগুলো স্ব স্ব প্রতিবেদন সরকারের নিকট পেশ করে। প্রতিবেদনগুলোতে অন্তর্ভুক্ত সুপারিশগুলোর বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গণ অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে আলোচনাক্রমে সংবিধান সংস্কারসহ অন্যান্য সংস্কারের সুপারিশ-সংবলিত জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ প্রণয়ন করে এবং রাজনৈতিক দল ও জোটগুলো সম্মিলিতভাবে ওই সনদে স্বাক্ষর ও তা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করে। সংবিধান সংস্কার বিষয়ে জুলাই জাতীয় সনদে অন্তর্ভুক্ত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের জন্য সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী জনগণের অনুমোদন প্রয়োজন এবং এ উদ্দেশ্যে গণভোট অনুষ্ঠান, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন ও ওই পরিষদ কর্তৃক সংবিধান সংস্কার করার আবশ্যকতা রয়েছে।

এতে বলা হয়েছে- জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ বাস্তবায়ন সম্পন্ন করার জন্য একটি আনুষ্ঠানিক আদেশ জারি করা একান্ত প্রয়োজন। সেহেতু ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ছাত্র-জনতার সফল গণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রকাশিত জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা ও অভিপ্রায়ের ভিত্তিতে এবং অন্তর্বর্তী সরকারের পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি এ আদেশ জারি করলেন। জুলাই জাতীয় সনদে অন্তর্ভুক্ত সংবিধান সংস্কার বিষয়ে গণভোট বিষয়ে আদেশে বলা হয়, জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগের উদ্দেশ্যে এ আদেশ এবং জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত অংশ গণভোটে উপস্থাপন করা হবে।

গণভোট অনুষ্ঠানের বিষয়ে আদেশে বলা হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট অনুষ্ঠান করা হবে। এ ছাড়া গণভোট অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত আইন প্রণয়ন করা হবে।

আদেশে বলা হয়েছে- গণভোটে উপস্থাপিত প্রশ্নের উত্তরে প্রদত্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট ‘হ্যাঁ’ হলে এ আদেশ জারির অব্যবহিত পর অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হবে, যা সংবিধান সংস্কার বিষয়ে সব ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে। ওই নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা একই সঙ্গে জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে এবং এ আদেশ অনুসারে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পরিষদ তার প্রথম অধিবেশন শুরুর তারিখ থকে ১৮০ কার্য দিবসের মধ্যে জুলাই জাতীয় সনদ এবং গণভোটের ফলাফল অনুসারে সংবিধান সংস্কার সম্পন্ন করবে এবং তা সম্পন্ন করার পর পরিষদের কার্যক্রম সমাপ্ত হবে। পরিষদের কার্যধারায় অংশগ্রহণের সময় নির্বাচিত প্রতিনিধিরা পরিষদ সদস্য হিসেবে অভিহিত হবেন। জাতীয় সংসদ সচিবালয় পরিষদকে সাচিবিক সহায়তা করবে।

বাস্তবায়ন আদেশে জুলাই জাতীয় সনদ সংবিধানে অন্তর্ভুক্তকরণ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে- জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকারনামা অনুসারে সংবিধানে জুলাই জাতীয় সনদ অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সংবিধান সংস্কার সম্পন্ন হওয়ার পর যেসব সংস্কার অবিলম্বে কার্যকর করা সম্ভব তা অবিলম্বে কার্যকর করা হবে এবং এ ক্ষেত্রে সরকার সব যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সংবিধান সংস্কার সম্পন্ন হওয়ার পর ৩০ কার্য দিবসের মধ্যে জাতীয় সংসদের নিম্নকক্ষের নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে জাতীয় সংসদের একটি উচ্চকক্ষ গঠন করা হবে এবং তার কর্মপরিধি নির্ধারণ করা হবে। উচ্চকক্ষের মেয়াদ এর শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে জাতীয় সংসদের নিম্নকক্ষের মেয়াদের শেষ দিবস পর্যন্ত হবে। আদেশ জারির অব্যবহিত পরে অনুষ্ঠেয় সংসদ নির্বাচনের সময় জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের প্রয়োজন হবে না। উচ্চকক্ষ গঠনের ক্ষেত্রে যে কোনো প্রতিবন্ধকতা দূর করার উদ্দেশ্যে পরিষদ প্রয়োজনীয় বিধান প্রণয়ন করতে পারবে এবং সরকার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করতে পারবে।

এই বিভাগের আরও খবর
হাসিনা ভারতে থাকবেন কি না সিদ্ধান্ত তার
হাসিনা ভারতে থাকবেন কি না সিদ্ধান্ত তার
ফ্যাসিজমের কালো ছায়া যায়নি
ফ্যাসিজমের কালো ছায়া যায়নি
সাড়ে চার শ নারী পুরুষ ও শিশুকে ট্রেনে তুলে হত্যা
সাড়ে চার শ নারী পুরুষ ও শিশুকে ট্রেনে তুলে হত্যা
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পরই নির্বাচনি তফসিল
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পরই নির্বাচনি তফসিল
বাণিজ্যিক আদালত অর্থনীতির জন্য নতুন দিগন্ত
বাণিজ্যিক আদালত অর্থনীতির জন্য নতুন দিগন্ত
পুলিশ কমিশন গণ-আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থি
পুলিশ কমিশন গণ-আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থি
হাসিনা দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেনি
হাসিনা দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেনি
আগামী নির্বাচন বড় ধরনের পরীক্ষা
আগামী নির্বাচন বড় ধরনের পরীক্ষা
নীরবে জামিনে মুক্ত স্বাস্থ্যের মাফিয়া মিঠু
নীরবে জামিনে মুক্ত স্বাস্থ্যের মাফিয়া মিঠু
জোটের হিসাবে গোলমাল
জোটের হিসাবে গোলমাল
মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা
মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা
বাইরে পজিটিভ ভিতরে নেগেটিভ
বাইরে পজিটিভ ভিতরে নেগেটিভ
সর্বশেষ খবর
মেসির জাদুতে এমএলএস কাপ জয় মায়ামির
মেসির জাদুতে এমএলএস কাপ জয় মায়ামির

৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর মামলায় আজ তৃতীয় দিনের সাক্ষ্য
মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর মামলায় আজ তৃতীয় দিনের সাক্ষ্য

১২ মিনিট আগে | জাতীয়

তুরস্কে বাস–লরি সংঘর্ষে নিহত ৭, আহত ১১
তুরস্কে বাস–লরি সংঘর্ষে নিহত ৭, আহত ১১

১৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনের তফসিল নিয়ে ইসির বৈঠক আজ
নির্বাচনের তফসিল নিয়ে ইসির বৈঠক আজ

২৫ মিনিট আগে | জাতীয়

জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ১১৪ জনের মরদেহ তোলা হচ্ছে আজ
জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ১১৪ জনের মরদেহ তোলা হচ্ছে আজ

৩০ মিনিট আগে | জাতীয়

শিক্ষকদের শাটডাউন স্থগিত: প্রাথমিকে সব শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা শুরু আজ
শিক্ষকদের শাটডাউন স্থগিত: প্রাথমিকে সব শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা শুরু আজ

৩৩ মিনিট আগে | জাতীয়

আলাস্কায় ৭ মাত্রার ভূমিকম্প, কাঁপল কানাডাও
আলাস্কায় ৭ মাত্রার ভূমিকম্প, কাঁপল কানাডাও

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পশ্চিম তীর দখল নিয়ে ইসরায়েলকে সতর্ক করল জার্মানি
পশ্চিম তীর দখল নিয়ে ইসরায়েলকে সতর্ক করল জার্মানি

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বায়ুদূষণের শীর্ষে লাহোর, ঢাকার পরিস্থিতি কেমন?
বায়ুদূষণের শীর্ষে লাহোর, ঢাকার পরিস্থিতি কেমন?

৫০ মিনিট আগে | নগর জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৭ ডিসেম্বর)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৭ ডিসেম্বর)

৫৫ মিনিট আগে | জাতীয়

এশিয়ার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ বন্যপশু পাচারকারী গ্রেফতার
এশিয়ার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ বন্যপশু পাচারকারী গ্রেফতার

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লিডসের কাছে হেরে গেল চেলসি
লিডসের কাছে হেরে গেল চেলসি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাকার আকাশ আজ থাকতে পারে মেঘলা
ঢাকার আকাশ আজ থাকতে পারে মেঘলা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

লেবাননে জাতিসংঘ টহলদলের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ৬
লেবাননে জাতিসংঘ টহলদলের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ৬

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাফা ক্রসিং নিয়ে ইসরায়েলি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান আরব দেশগুলোর
রাফা ক্রসিং নিয়ে ইসরায়েলি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান আরব দেশগুলোর

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীতে কাঁপছে তেঁতুলিয়া
শীতে কাঁপছে তেঁতুলিয়া

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৭ ডিসেম্বর : আজকের নামাজের সময়সূচি
৭ ডিসেম্বর : আজকের নামাজের সময়সূচি

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ভারতে নাইটক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৩
ভারতে নাইটক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৩

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টিভিতে আজকের কোন খেলা কোথায় দেখবেন
টিভিতে আজকের কোন খেলা কোথায় দেখবেন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাপের সীমানায়ও পা ফেলা যাবে না
পাপের সীমানায়ও পা ফেলা যাবে না

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

রাজধানী ঢাকায় আজ কোথায় কোন কর্মসূচি
রাজধানী ঢাকায় আজ কোথায় কোন কর্মসূচি

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ রবিবার
রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ রবিবার

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যেসব আমলে দ্বিগুণ প্রতিদান পাওয়া যায়
যেসব আমলে দ্বিগুণ প্রতিদান পাওয়া যায়

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

অসুস্থ সাদ (রা.)-কে দেখতে গিয়ে মহানবী (সা.)-এর উপদেশ
অসুস্থ সাদ (রা.)-কে দেখতে গিয়ে মহানবী (সা.)-এর উপদেশ

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

তোরেসের হ্যাটট্রিকে বেতিসকে উড়িয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা
তোরেসের হ্যাটট্রিকে বেতিসকে উড়িয়ে শীর্ষে বার্সেলোনা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় ঢাকাস্থ বগুড়াবাসীর দোয়া মাহফিল
খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় ঢাকাস্থ বগুড়াবাসীর দোয়া মাহফিল

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুক হামলা; নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২
দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুক হামলা; নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নরসিংদীতে তুলার গোডাউনে ভয়াবহ আগুন
নরসিংদীতে তুলার গোডাউনে ভয়াবহ আগুন

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিরাপত্তা চেকপোস্টে ইসরায়েলি সেনার গুলিতে ২ ফিলিস্তিনি নিহত
নিরাপত্তা চেকপোস্টে ইসরায়েলি সেনার গুলিতে ২ ফিলিস্তিনি নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাতারের সহায়তায় রাফাহে হাসপাতালের কার্যক্রম চালু রাখবে রেড ক্রস
কাতারের সহায়তায় রাফাহে হাসপাতালের কার্যক্রম চালু রাখবে রেড ক্রস

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
ভারতেই থাকবেন কি না, সিদ্ধান্ত শেখ হাসিনাই নেবেন: এস জয়শঙ্কর
ভারতেই থাকবেন কি না, সিদ্ধান্ত শেখ হাসিনাই নেবেন: এস জয়শঙ্কর

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান নয়, নিরাপত্তার জন্য ইসরায়েলই বড় হুমকি : সৌদির সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান
ইরান নয়, নিরাপত্তার জন্য ইসরায়েলই বড় হুমকি : সৌদির সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেনের বিরুদ্ধে কঠিন প্রতিশোধের ঘোষণা চেচেন নেতা রমজান কাদিরভের
ইউক্রেনের বিরুদ্ধে কঠিন প্রতিশোধের ঘোষণা চেচেন নেতা রমজান কাদিরভের

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আসিম মুনিরের হাতে পাকিস্তানের পরমাণু ভান্ডারের চাবি
আসিম মুনিরের হাতে পাকিস্তানের পরমাণু ভান্ডারের চাবি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেভাবে এশিয়ার সবচেয়ে দুর্বল মুদ্রায় পরিণত হলো ভারতীয় রুপি
যেভাবে এশিয়ার সবচেয়ে দুর্বল মুদ্রায় পরিণত হলো ভারতীয় রুপি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পিয়াজের দাম দুই দিনে ৩৫ টাকা বেড়েছে
পিয়াজের দাম দুই দিনে ৩৫ টাকা বেড়েছে

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আফগান ক্রিকেটারকে বিয়ে করছেন বলিউড অভিনেত্রী: রিপোর্ট
আফগান ক্রিকেটারকে বিয়ে করছেন বলিউড অভিনেত্রী: রিপোর্ট

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে: কায়কোবাদ
তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে: কায়কোবাদ

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

যে কারণে বিশ্বের ধনকুবেরদের সবচেয়ে পছন্দের ঠিকানা দুবাই
যে কারণে বিশ্বের ধনকুবেরদের সবচেয়ে পছন্দের ঠিকানা দুবাই

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বাস্থ্যের ডিজির সঙ্গে তর্ক: চিকিৎসককে অব্যাহতি-শোকজ
স্বাস্থ্যের ডিজির সঙ্গে তর্ক: চিকিৎসককে অব্যাহতি-শোকজ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করছে খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রা’
‘শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করছে খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রা’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইপিএল থেকে অবসর নেওয়ার পর রাসেলের বিশ্বরেকর্ড
আইপিএল থেকে অবসর নেওয়ার পর রাসেলের বিশ্বরেকর্ড

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অনির্দিষ্টকালের জন্য মোবাইল দোকান বন্ধ
অনির্দিষ্টকালের জন্য মোবাইল দোকান বন্ধ

৮ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

তাসফিনের হাত পুনঃসংযোজন এক বিরল সাফল্য: রিজভী
তাসফিনের হাত পুনঃসংযোজন এক বিরল সাফল্য: রিজভী

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে জুবাইদা রহমান
খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে জুবাইদা রহমান

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে সবচেয়ে বড় পরমাণু স্থাপনা বানাচ্ছে রাশিয়া
ভারতে সবচেয়ে বড় পরমাণু স্থাপনা বানাচ্ছে রাশিয়া

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার হিন্দু রীতিতে সাতপাকে ঘুরলেন সারা খান
এবার হিন্দু রীতিতে সাতপাকে ঘুরলেন সারা খান

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলকে সতর্ক করল জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী
ইসরায়েলকে সতর্ক করল জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমানে শালীন পোশাকের পরামর্শ মার্কিন মন্ত্রীর, প্রতিবাদে যা করলেন যাত্রীরা
বিমানে শালীন পোশাকের পরামর্শ মার্কিন মন্ত্রীর, প্রতিবাদে যা করলেন যাত্রীরা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আপাতত বিদেশ থেকে চিনি আমদানি বন্ধ: শিল্প উপদেষ্টা
আপাতত বিদেশ থেকে চিনি আমদানি বন্ধ: শিল্প উপদেষ্টা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শাহ আমানত বিমানবন্দরে পড়ে ছিল মালিকবিহীন ছয় লাগেজ, খোলার পর যা মিলল
শাহ আমানত বিমানবন্দরে পড়ে ছিল মালিকবিহীন ছয় লাগেজ, খোলার পর যা মিলল

১৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

পোস্টাল ভোট: সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধন শুরু তফসিল ঘোষণার দিন
পোস্টাল ভোট: সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধন শুরু তফসিল ঘোষণার দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তারেক রহমান দেশে ফিরবেন, তার নেতৃত্বেই নির্বাচনে অংশ নেবে বিএনপি : আমীর খসরু
তারেক রহমান দেশে ফিরবেন, তার নেতৃত্বেই নির্বাচনে অংশ নেবে বিএনপি : আমীর খসরু

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার পেছনের কারণ জানাল হত্যাকারী
জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার পেছনের কারণ জানাল হত্যাকারী

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘হিউম্যান রাইটস টিউলিপ’ অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন পেলেন সানজিদা
‘হিউম্যান রাইটস টিউলিপ’ অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন পেলেন সানজিদা

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রবিবার থেকে বার্ষিক পরীক্ষা নেবেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা
রবিবার থেকে বার্ষিক পরীক্ষা নেবেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে শুনানিতে সম্মত যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে শুনানিতে সম্মত যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে আত্মহত্যার হার নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে আত্মহত্যার হার নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সরকারে গেলে প্রাইভেট সেক্টরেও শুক্র-শনি ছুটি ঘোষণা করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
সরকারে গেলে প্রাইভেট সেক্টরেও শুক্র-শনি ছুটি ঘোষণা করব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মুস্তাফিজের দারুণ বোলিং, তবুও হারল দুবাই
মুস্তাফিজের দারুণ বোলিং, তবুও হারল দুবাই

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
বাইরে পজিটিভ ভিতরে নেগেটিভ
বাইরে পজিটিভ ভিতরে নেগেটিভ

প্রথম পৃষ্ঠা

জোটের হিসাবে গোলমাল
জোটের হিসাবে গোলমাল

প্রথম পৃষ্ঠা

নীরবে জামিনে মুক্ত স্বাস্থ্যের মাফিয়া মিঠু
নীরবে জামিনে মুক্ত স্বাস্থ্যের মাফিয়া মিঠু

প্রথম পৃষ্ঠা

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পরই নির্বাচনি তফসিল
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পরই নির্বাচনি তফসিল

প্রথম পৃষ্ঠা

সেমিতে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা লড়াই?
সেমিতে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা লড়াই?

মাঠে ময়দানে

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সাড়ে চার শ নারী পুরুষ ও শিশুকে ট্রেনে তুলে হত্যা
সাড়ে চার শ নারী পুরুষ ও শিশুকে ট্রেনে তুলে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

পর্যাপ্ত মজুতেও অস্থির পিঁয়াজের বাজার
পর্যাপ্ত মজুতেও অস্থির পিঁয়াজের বাজার

পেছনের পৃষ্ঠা

ঠাকুরগাঁওয়ে মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত
ঠাকুরগাঁওয়ে মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত

পেছনের পৃষ্ঠা

হকিতে কোরিয়াকে প্রথম হারাল বাংলাদেশ
হকিতে কোরিয়াকে প্রথম হারাল বাংলাদেশ

মাঠে ময়দানে

৫ লাখের ‘সুজন সখী’র আয় কোটি টাকা
৫ লাখের ‘সুজন সখী’র আয় কোটি টাকা

শোবিজ

মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা
মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

প্রথম পৃষ্ঠা

আবেগী বিপাশা
আবেগী বিপাশা

শোবিজ

অবৈধ অস্ত্রে নিরাপত্তাশঙ্কা
অবৈধ অস্ত্রে নিরাপত্তাশঙ্কা

পেছনের পৃষ্ঠা

গ্রিভসের ডাবল সেঞ্চুরিতে স্মরণীয় ড্র
গ্রিভসের ডাবল সেঞ্চুরিতে স্মরণীয় ড্র

মাঠে ময়দানে

সমাজ মাধ্যমে তারকাদের কত কাহিনি
সমাজ মাধ্যমে তারকাদের কত কাহিনি

শোবিজ

হাসিনা ভারতে থাকবেন কি না সিদ্ধান্ত তার
হাসিনা ভারতে থাকবেন কি না সিদ্ধান্ত তার

প্রথম পৃষ্ঠা

দুঃসময়ে মোহামেডানের বড় জয়
দুঃসময়ে মোহামেডানের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

পুলিশ কমিশন গণ-আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থি
পুলিশ কমিশন গণ-আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থি

প্রথম পৃষ্ঠা

কাজের প্রেমে কনা...
কাজের প্রেমে কনা...

শোবিজ

স্টার্ক ঝলকে ব্রিসবেনে উজ্জ্বল অস্ট্রেলিয়া
স্টার্ক ঝলকে ব্রিসবেনে উজ্জ্বল অস্ট্রেলিয়া

মাঠে ময়দানে

ফ্যাসিজমের কালো ছায়া যায়নি
ফ্যাসিজমের কালো ছায়া যায়নি

প্রথম পৃষ্ঠা

তারেক রহমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কেন প্রয়োজন
তারেক রহমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কেন প্রয়োজন

সম্পাদকীয়

রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের ভবনে আগুন
রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের ভবনে আগুন

পূর্ব-পশ্চিম

ভূমিকম্প থেকে বাঁচার কোরআনি আমল
ভূমিকম্প থেকে বাঁচার কোরআনি আমল

সম্পাদকীয়

যাযাবর জাতির বিচিত্র জীবন
যাযাবর জাতির বিচিত্র জীবন

রকমারি

কাজ বন্ধ রেখে উধাও ঠিকাদার
কাজ বন্ধ রেখে উধাও ঠিকাদার

দেশগ্রাম

অস্ট্রেলিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ভয়াবহ দাবানল
অস্ট্রেলিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ভয়াবহ দাবানল

পূর্ব-পশ্চিম

জৈবকৃষির সম্ভাবনায় জেগে ওঠা এক গ্রাম
জৈবকৃষির সম্ভাবনায় জেগে ওঠা এক গ্রাম

সম্পাদকীয়

কারাগারে ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ
কারাগারে ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ

পূর্ব-পশ্চিম