শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩ অক্টোবর, ২০১৯ ২১:৪১

হাঁটুর চোট সারাতে এক্সারসাইজ

শরীরের অন্যান্য অংশের মধ্যে হাঁটু সবচেয়ে দুর্বল অংশ। সাধারণত দুটি কারণে হাঁটুর চোট বা ব্যথা অনুভূত হয়ে থাকে। বয়সজনিত কারণে এবং দুর্ঘটনাজনিত কারণে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। হাঁটুর জয়েন্টে কোনো প্রকার আঘাত পেলে হয়তো মাস তিনেকের মধ্যে সুস্থ হয়ে যাবেন ঠিকই। কিন্তু আবার এও হতে পারে আপনার হাঁটুর চোট এখনো পুরোপুরি সারেনি। তাই আগে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে নিন।

 

আগেই বলেছি, দুটি কারণে হাঁটু ব্যথা হয়ে থাকে। বয়সজনিত কারণে হাঁটু ব্যথা হলে সহজে দূর করা যায় না। তবে দুর্ঘটনাজনিত কারণে হলে তা কতটা মারাত্মক তা দেখে বলা যায় তা পুরোপুরি ঠিক হবে কি-না। তবে ঠিক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তারপর এক্সারসাইজ বা ব্যায়ামের মাধ্যমে হাঁটুর চোট সারাতে পারেন। এক্সারসাইজ করার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। অনুমতি পেলে তবেই কিন্তু করবেন।

 

প্রথমেই ওয়েট ট্রেনিং করবেন না। এমন এক্সারসাইজ করুন যাতে এক্সারসাইজ করার সময় যেন শরীরের নিচের অংশে বেশি ওজন না পড়ে। এমনিতেই শরীরের পুরো ওজন সব হাঁটুর ওপর পড়ে। অর্থাৎ আপনার ওজন ষাট কেজি। তার মানে হাঁটুর ওপর পুরো ষাট কেজিই পড়ছে। আর যখন আপনি এক্সারসাইজ করছেন তখন ওজন আরও বাড়ে। তাই প্রথম প্রথম হালকা ওজন নিয়ে শুরু করুন। এই সময় ট্রেডমিল না করাই ভালো। পরিবর্তে কার্ডিও ভাসকুলার এক্সারসাইজ (সাইক্লিং বা সুইমিং) করতে পারেন। সপ্তাহে অন্তত ৫০-৬০ মিনিট করে করতে পারেন। তবে এগুলো রোজ করতে যদি একঘেয়ে লাগে তবে মিউজিকের সঙ্গে সঙ্গে ওয়ার্কআউট করতে পারেন। উপভোগ এবং উপকার; দুটোই পাবেন ঠিকঠাক। এ ছাড়া অ্যাকোয়া অ্যারোবিক্সও করতে পারেন। অ্যাকোয়া অ্যারোবিক্স পানির মধ্য দিয়ে করা হয় বলে মাসল বা জয়েন্টে ইনজুড়ির আশঙ্কা খুবই কম। মাসল সুস্থ এবং ওজন কমানোর জন্য এর থেকে রিল্যাক্সিং পদ্ধতি আর কিছু নেই। যাদের হাঁটু এবং গোড়ালিতে সমস্যা তারা এই এক্সারসাইজটি করতে পারেন। তবে অবশ্যই দক্ষ ট্রেইনারের পরামর্শে করবেন। চাইলে জোগাসনও করতে পারেন। এতে স্ট্রেনথ বা ওয়েট ট্রেনিংÑ এর মতো সমানউপকার পাবেন। বাড়তি ফ্রি হ্যান্ড, স্ট্রেচিং বা জোগাসন অনায়াসেই করতে পারেন। এক্সারসাইজ করতে করতে দেখবেন আপনার হাঁটুর চারপাশের মাংসেপেশি ও লিগামেন্টের দৃঢ়তা ও ফ্লেক্সিবিলিটি বাড়বে। আপনি তাড়াতাড়ি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠবেন।

 

তবে, একা একা এক্সারসাইজ করবেন না। এজন্য দক্ষ ফিটনেস ট্রেনারের পরামর্শে করাই ভালো। তিনিই আপনার কাছ থেকে বিশদে একটা এক্সারসাইজ প্ল্যান বানিয়ে নিন। দিনে কতক্ষণ এক্সারসাইজ করবেন, প্রথমদিন কোন এক্সারসাইজ দিয়ে শুরু করবেন সব জেনে নিন। এক্সারসাইজ করার আগে ওয়ার্মআপ করে নিন। শরীর এক্সারসাইজ করার জন্য তৈরি হয়ে যাবে।

 

লেখা : ফ্রাইডে ডেস্ক


আপনার মন্তব্য