শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ২৩:৪৮

প্রেসক্রিপশন

কোমর ব্যথা হলেই কি অপারেশন?

কোমর ব্যথার শক্তিশালী কারণগুলোর অন্যতম হলো পিএলআইডি বা লাম্বার ইন্টারভার্টিব্রাল ডিস্ক প্রল্যাপস। পিএলআইডি তিন মাত্রার হতে পারে- স্বল্প, মাঝারি  ও তীব্র।

পিএলআইডির লক্ষণসমূহ প্রধান লক্ষণ কোমর ব্যথা।

ব্যথা কোমর থেকে পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত চলে যেতে পারে। পায়ে ঝিঁ ঝিঁ ধরতে পারে বা শিরশিরে অনুভূতি হতে পারে। অনেকে বলে থাকেন পা চাবাচ্ছে। সামনে ঝুঁকলে ব্যথা বাড়ে, রোগী বেশিক্ষণ হাঁটতে বা দাঁড়িয়ে থাকতে পারেন না। অনেকে শোয়া থেকে উঠে বসতেই পারেন না।

রোগ নির্ণয় : আমাদের মেরুদণ্ডের কোমরের অংশ পাঁচটি কশেরুকা বা ভার্টিব্রা দ্বারা গঠিত। এর নিচে থাকে স্যাক্রাম। এই পাঁচ কশেরুকা এবং স্যাক্রামের মাঝে তালের শাঁসের মতো স্থিতি স্থাপক চাকতি থাকে। এই চাকতিগুলো মেরুদণ্ডের শক এবজর্বারের ভূমিকা পালন করে। অর্থাৎ এদের ওপর ভর করেই মেরুদণ্ডের কোমরের অংশ তার কার্যক্রম চালায়। সামনে ঝোঁকা, ডানে বামে বাঁকা হওয়াসহ প্রায় সব মুভমেন্টেই এই চাকতিগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পিএলআইডিতে এই চাকতিটি তার অবস্থান থেকে সরে যায় এবং সরে যাওয়া চাকতিটি স্নায়ুর গোড়ায় চাপ প্রয়োগ করে, ফলে কোমরে ব্যথা শুরু হয়। স্নায়ুগুলো যেহেতু কোমর থেকে বের হয়ে পায়ের দিকে চলে গেছে তাই পায়ের দিকেও ব্যথা অনুভূত হয়।

এ ব্যথা ছড়িয়ে পড়ে।

চিকিৎসা : পিএলআইডি মানেই অপারেশন নয়। বেশিরভাগ স্বল্প ও মাঝারি মাত্রার পিএলআইডি ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। পূর্ণবিশ্রামে রেখে দিনে তিন-চারবার ফিজিওথেরাপি প্রয়োগ করলে তিন-চার সপ্তাহের মধ্যেই পিএলআইডি জনিত কোমর ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

ডা. মোহাম্মদ আলী

ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ এইচপিআরসি, উত্তরা, ঢাকা।

ফোন : ০১৮৭২৫৫৫৪৪৪


আপনার মন্তব্য