শিরোনাম
প্রকাশ : ১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ২০:৫৭
আপডেট : ১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ২১:০০

সিএবি ঘিরে বিক্ষোভে উত্তাল ত্রিপুরা, ইন্টারনেট ও এসএমএস পরিষেবা বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক

সিএবি ঘিরে বিক্ষোভে উত্তাল ত্রিপুরা, ইন্টারনেট ও এসএমএস পরিষেবা বন্ধ

নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের (সিএবি) বিরোধিতায় একের পর এক বন্‌ধের জেরে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য। এদিকে, বিতর্কের মধ্যেই গতকাল সোমবার লোকসভায় পাশ হয়েছে নাগরিক সংশোধনী বিল। তা নিয়ে বিক্ষোভে উত্তাল ত্রিপুরা-আসামসহ উত্তর-পূর্বের একাধিক রাজ্য। বিক্ষোভ ঠেকাতে ত্রিপুরার বিপ্লব দেবের সরকারের ২৪ ঘণ্টার জন্য রাজ্য জুড়ে মোবাইল ইন্টারনেট ও এসএমএস পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে।

ত্রিপুরায় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (সিএবি) কার্যকর না করার দাবিতে মঙ্গলবারও রাজ্য জুড়ে অনির্দিষ্টকালের বন্‌ধ পালন করে রাজনৈতিক দল ‘জয়েন্ট মুভমেন্ট অ্যাগেইন্সট সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট বিল কমিটি’ (আইএনপিটি)। গতকাল সোমবার থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়। 

অন্যদিকে ‘নর্থ ইস্ট স্টুডেন্ট অর্গানাইজেশন’র উদ্যোগে সমগ্র উত্তর পূর্ব ভারত জুড়ে ১২ ঘণ্টার বন্‌ধ কর্মসূচির অংশ হিসেবেও ত্রিপুরায় বন্‌ধ কর্মসূচি পালন করেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। 

এদিন, বন্‌ধ-এর সমর্থকরা আগরতলার আস্তাবল ময়দানের সামনে দীর্ঘ সময় ধরে ভিআইপি সড়ক অবরোধ করে রাখে। পরে পুলিশের দীর্ঘ চেষ্টায় তারা সড়ক ছেড়ে দেয়। 

অপরদিকে, পশ্চিম জেলার চম্পকনগর থানাধীন সাধুপাড়া এলাকার ৮ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে পিকেটিররা। এসময় তারা সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানায়। এসব প্রতিবাদ কর্মসূচিতে ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন জনজাতির পুরুষ-নারী নির্বিশেষে অংশ নিয়েছে।

সার্বিক এ পরিস্থিতিতে ত্রিপুরা সরকার ২৪ ঘণ্টার জন্য রাজ্য জুড়ে মোবাইল ইন্টারনেট ও এসএমএস পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে।  

দাবি মেনে নেওয়ার সাথে সাথে অনির্দিষ্টকালের বন্‌ধ তুলে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইএনপিটি'র সাধারণ সম্পাদক জগদীশ দেববর্মা। তিনি বলেন, তারা যদি উত্তর-পূর্ব ভারত, বিশেষ করে ত্রিপুরার জনজাতি অংশের মানুষের স্বার্থের কথা চিন্তা করে এ রাজ্যকে সিএবি থেকে বাদ দেয়, তবে বন্‌ধ তুলে নেওয়া হবে। সরকার তাদের দাবি মানার সঙ্গে সঙ্গেই বন্‌ধ প্রত্যাহার করা হবে। 


বিডি-প্রতিদিন/মাহবুব


আপনার মন্তব্য

close