শিরোনাম
প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২০:৩৪
প্রিন্ট করুন printer

সিরিয়ার ব্যাপারে পাশ্চাত্যের সাহায্য লাভের চেষ্টা তুরস্কের

অনলাইন ডেস্ক

সিরিয়ার ব্যাপারে পাশ্চাত্যের সাহায্য লাভের চেষ্টা তুরস্কের

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইপে এরদোগান বলেছেন, সিরিয়ার ইদলিব পরিস্থিতি নিয়ে শিগগিরি রাশিয়া, জার্মানি, ফ্রান্স ও তুরস্কের প্রেসিডেন্টদের মধ্যে চতুর্পক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় ইদলিব প্রদেশে দেশটির সেনাবাহিনীর সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানে ওই অঞ্চলে মোতায়েন তুর্কি সেনাদের জীবন যখন হুমকির মুখে পড়েছে ঠিক তখন এরদোগান এ ঘোষণা দিলেন।

প্রেসিডেন্ট এরদোগান এর আগে অন্য সব দেশের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেছেন, আগামী ৫ মে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। 

এদিকে, তুর্কি প্রেসিডেন্টের এ বক্তব্যের একইসঙ্গে দেশটির সেনাবাহিনী সিরিয়ার ইদলিবে আরও বেশি সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর খবর দিয়েছে। 

প্রেসিডেন্ট এরদোগান গত শুক্রবার আবারো সিরিয়ার ইদলিবে সামরিক অভিযানের হুমকি দিয়েছিলেন। এমন সময় তিনি এ হুমকি দেন যখন রাশিয়া, ফ্রান্স ও জার্মানির শীর্ষ নেতারা আসন্ন চতুর্পক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকের ব্যাপারে এখনো কোনো মন্তব্য করেননি।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, তুর্কি প্রেসিডেন্টের হুমকির একইসময়ে সিরিয়ার বিরুদ্ধে দেশটির সামরিক তৎপরতা থেকে বোঝা যায় আঙ্কারা আসলে সিরিয়া বিষয়ে ইউরোপকে জড়ানোর জন্য আরো বেশি সময় নেয়ার চেষ্টা করছে। কারণ সিরিয়া সংকটে ফ্রান্স ও জার্মানির কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই এবং তাদের প্রভাবও নেই। তারপরও তুর্কি প্রেসিডেন্ট সিরিয়া ইস্যুতে ফ্রান্স ও জার্মানিকে ঘনিষ্ঠভাবে জড়ানোর চেষ্টা করছেন। এর আগে ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে তুরস্ক, রাশিয়া, ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে চতুর্থপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও তা ব্যর্থ হয়েছিল। তবে এ ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট এরদোগান মার্কিন ভূমিকার ব্যাপারে কোনো কিছু উল্লেখ করেননি। কেননা তুরস্কের মতো আমেরিকাও সিরিয়ার ভূখণ্ডের একটা অংশ দখলে রাখতে চায়।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান এমন সময় ইস্তাম্বুলে জার্মানি, ফ্রান্স ও রাশিয়াকে নিয়ে চারপক্ষীয় বৈঠকের আয়োজন করতে যাচ্ছেন যখন সিরিয়াসংশ্লিষ্ট দেশগুলো তৎপর রয়েছে এবং কেবল এ দেশগুলোর মাধ্যমেই সিরিয়া থেকে তুর্কি সেনা প্রত্যাহার ও সিরিয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। সিরিয়াসংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে অতীতের সমঝোতার কারণেই সেখানকার পরিস্থিতির উন্নতি ঘটানো সম্ভব হয়েছে। এ প্রসঙ্গে কাজাখস্তানের আস্তানা সম্মেলনের কথা উল্লেখ করা যায়। এ ছাড়া, তেহরান, মস্কো ও আঙ্কারা বৈঠকে অর্জিত সাফল্যও ছিল ওয়াশিংটনের কাছে অবিশ্বাস্য।

এ অবস্থায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এমন সময় চারপক্ষীয় বৈঠকের আয়োজন করতে যাচ্ছেন যখন আগামী মার্চ মাসে তেহরানে ইরান, রাশিয়া ও তুরস্কের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। রুশ উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মিখাইল বোগদানোভ চলতি মাসের প্রথম দিকে তেহরানে অনুষ্ঠেয় সম্মেলনের কথা জানান যেখানে ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান উপস্থিত থাকবেন।

এ অবস্থায় চারপক্ষীয় সম্মেলনের ব্যাপারে এরদোগানের ঘোষণা থেকে বোঝা যায় তিনি সিরিয়া ইস্যুতে ইরানের প্রস্তাব উপেক্ষা করার পাশাপাশি এ ক্ষেত্রে পাশ্চাত্যের কয়েকটি দেশকে জড়ানোর চেষ্টা করছেন। তুরস্ক এমন সময় এ ধরনের চেষ্টায় লিপ্ত যখন সিরিয়ার সেনারা এরই মধ্যে ইসরাইল ও আইএস সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে নিজ ভূখণ্ডের বিরাট অংশ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলেও বিদেশি সেনাদেরকেও তারা সিরিয়া থেকে বহিষ্কার করতে সক্ষম হবে বলে  ধারণা করা হচ্ছে।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:৩৮
প্রিন্ট করুন printer

আলোচনার প্রয়োজন নেই, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করুন: ইরান

অনলাইন ডেস্ক

আলোচনার প্রয়োজন নেই, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করুন: ইরান
মাজিদ তাখতে রাভাঞ্চি

জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মাজিদ তাখতে রাভাঞ্চি বলেছেন, ২০১৫ সালে সই হওয়া পরমাণু সমঝোতায় আমেরিকার সম্ভাব্য ফেরা নিয়ে নতুন করে কোনো আলোচনার প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা বা আইএইএ'র মহাপরিচালকের সঙ্গে তেহরানের যে সমঝোতা সংযুক্ত হয়েছে সে অনুযায়ী ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মাধ্যমে আগামী তিন মাসের মধ্যে ওয়াশিংটনকে অবশ্যই এই সমঝোতায় ফিরে আসতে হবে। 

কাতারভিত্তিক স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল আল-জাজিরার আরবি বিভাগকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মাজিদ তাখতে রাভাঞ্চি এসব কথা বলেন। তিনি সুস্পষ্ট করে বলেছেন, পরমাণু সমঝোতা বাস্তবায়নের ধারায় আমেরিকার ফেরার জন্য কোনো আলোচনার প্রয়োজন নেই। 

তিনি বলেন, আমেরিকা পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর একতরফাভাবে ইরানের উপর যেসব নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে তা যদি আগামী তিন মাসের মধ্যে ওয়াশিংটন প্রত্যাহার করে নেয় তাহলে ইরানও তার প্রতিশ্রতি অনুযায়ী কাজ করবে। মাজিদ তাখতে রাভাঞ্চি বলেন, ২০১৮ সালের মে মাসে আমেরিকা পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর ইরান যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে তাতে উত্তেজনা বাড়ার কোনো কারণ নেই।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:১২
প্রিন্ট করুন printer

লিবিয়া উপকূলে জাহাজডুবিতে ৪১ অভিবাসীর মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

লিবিয়া উপকূলে জাহাজডুবিতে ৪১ অভিবাসীর মৃত্যু

লিবিয়া উপকূলে একটি জাহাজডুবির ঘটনায় কমপক্ষে ৪১ অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) ও শরণার্থী বিষয়ক জাতিসংঘ হাইকমিশনার (ইউএনএইচসিআর) এ কথা জানিয়েছে।

ইউএনএইচসিআর ও আইওএমের বিবৃতিতে বলা হয়, বাণিজ্যিক একটি জাহাজের সাহায্যে উদ্ধার করা ৭৭ অভিবাসন প্রত্যাশীর ভাষ্য অনুযায়ী, নৌযানটিতে মোট ১২০ জনের বেশি যাত্রী ছিল। এদের মধ্যে ছয় নারী ও চার শিশু রয়েছে।

ছয় নারীর মধ্যে একজন গর্ভবতী বলে জানা যায়। নৌযানটি গত ১৮ ফেব্রুয়ারি লিবিয়া থেকে রওনা দেয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘লিবিয়া হয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে এ পথে ভ্রমণ করা হাজার হাজার মানুষকে মানব পাচারকারী চক্রের ও মিলিশিয়াদের হাতে পড়ে অবর্ণনীয় নিষ্ঠুরতার শিকার হতে হয়।’

২০১১ সালে লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর উত্তর আফ্রিকার এ দেশের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাহীনতা ও বিশৃঙ্খলার কারণে হাজার হাজার অভিবাসী লিবিয়া থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপের কোনো দেশে চলে যেতে চান । এসব অভিবাসন প্রত্যাশীর বেশির ভাগই আফ্রিকান।

বিবৃতিতে বলা হয়, চলতি বছরের এ পর্যন্ত ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে প্রায় ১৬০ জন অভিবাসী প্রাণ হারিয়েছে এবং তিন হাজার পাঁচশ’র বেশি মানুষকে উদ্ধার করে লিবিয়ায় ফেরত পাঠানো হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:২৯
প্রিন্ট করুন printer

তাইওয়ান প্রণালীতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ চালানোর নিন্দা চীনের

অনলাইন ডেস্ক

তাইওয়ান প্রণালীতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ চালানোর নিন্দা চীনের
গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস কার্টিজ উইলবার

তাইওয়ান প্রণালীতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ চালানোর নিন্দা জানিয়ে চীনের সামরিক বাহিনী বলেছে, এ ধরনের পদক্ষেপের মাধ্যমে আমেরিকা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে।

বৃহস্পতিবার চীনের সামরিক বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে তাইওয়ান প্রণালীতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ পরিচালনার নিন্দা জানান। 

গতকাল মার্কিন সামরিক বাহিনী তাইওয়ান প্রণালীতে গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস কার্টিজ উইলবার নিয়ে চীনকে শক্তি প্রদর্শন করে। চীনা সামরিক বাহিনী মার্কিন তৎপরতার নিন্দা জানালেও আমেরিকা বলছে নিয়মিত রুটিনের আওতায় তারা তাইওয়ান প্রণালীতে যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়েছে।

এর আগে গত ৪ ফেব্রুয়ারি মার্কিন বাহিনী তাইওয়ান প্রণালীতে ইউএসএস ম্যাককেইন ডেস্ট্রয়ার পাঠায়। এরপর গতকাল আবার যুদ্ধজাহাজ পাঠালো। তাইওয়ান প্রণালীতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানো নিয়ে আমেরিকা ও চীনের মধ্যে দিন দিন দ্বন্দ্ব জোরদার হচ্ছে। তাইওয়ান প্রণালী চীনের মূল ভূখণ্ড থেকে তাইওয়ানকে আলাদা করেছে।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:৪৪
প্রিন্ট করুন printer

কাশ্মীর সীমান্তে গোলাগুলি বন্ধে আবারও একমত ভারত-পাকিস্তান

অনলাইন ডেস্ক

কাশ্মীর সীমান্তে গোলাগুলি বন্ধে আবারও একমত ভারত-পাকিস্তান

কাশ্মীর সীমান্তে গোলাগুলি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ভারত ও পাকিস্তান ঐক্যমত্যে পৌঁছেছে। আজ বৃহস্পতিবার দেশ দু’টির সেনাবাহিনীর মধ্যে এক বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খবর আল-জাজিরা।

ঐতিহাসিক এই সিদ্ধান্তের ব্যাপারে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভারত ও পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর মহা-পরিচালকরা (ডিজিএমও) এ নিয়ে আলোচনা করেন। উভয় পক্ষই লাইন অব কন্ট্রোল এবং অন্যান্য সীমান্ত নিয়ে সব চুক্তি মেনে চলবে। এছাড়া গুলি চালানো বন্ধ করার বিষয়ে একমত হয়েছে উভয় পক্ষই।

এর আগেও ২০০৩ সালে সীমান্ত এলাকায় সংঘর্ষ বিরতি কার্যকরে একমত হয়েছিল দুই দেশই। খাতায় কলমে এই নিয়ম এখনো বহাল। কিন্তু অধিকাংশ সময় এই চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ ওঠে। 

বর্তমানে সীমান্ত সমস্যার সমাধানে এই চুক্তি নিয়ে পুনরায় আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছিল বিশেষজ্ঞ মহল।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৮:৩৯
প্রিন্ট করুন printer

বিশ্ব হুমকি সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলার ওপর গুরুত্বারোপ পুতিনের

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্ব হুমকি সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলার ওপর গুরুত্বারোপ পুতিনের
ভ্লাদিমির পুতিন

একবিংশ শতাব্দীর প্রথম দুই দশকে সন্ত্রাসবাদের বিস্তার ব্যাপক বেড়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে বিশেষ করে পশ্চিম এশিয়া এবং ইউরোপে সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীগুলো তৎপর হয়ে ওঠার বিষয়টি হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সন্ত্রাসী গোষ্ঠিগুলোর ওই হুমকি মোকাবিলা করার প্রয়োজনীয়তা এখন আগের তুলনায় দ্বিগুণ বেড়ে গেছে। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে মার্কিন কংগ্রেসে হামলার ঘটনা প্রমাণ করেছে যে পশ্চিমা বিশ্বের অভ্যন্তরে নতুন ডানপন্থি সন্ত্রাসী দল গড়ে উঠেছে। সেইসঙ্গে উগ্র নব্য-নাৎসিবাদও বিস্তার লাভ করছে।

এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বুধবার সন্ধ্যায় সন্ত্রাসবাদকে তার দেশ ও বিশ্বের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি বলে অভিহিত করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। 

রুশ ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিসের প্রধানের সাথে বৈঠককালে ওই মন্তব্য করেন তিনি। 

পুতিন বলেন, "সন্ত্রাসবাদই বিশ্বের একমাত্র এবং সবচেয়ে বিপজ্জনক হুমকি"। সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলার জন্য স্থায়ী ও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। সিরিয়ার প্রত্যন্ত এলাকাসহ সকল ফ্রন্টেই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত রয়েছে বলে পুতিন মন্তব্য করেন।  

সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর পুতিনের গুরুত্বারোপের বিষয়টি নিঃসন্দেহে বিবেচনার দাবি রাখে। বিশেষ করে সম্প্রতি সন্ত্রাসবাদের নজিরবিহীন বিস্তারের পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে তার বিপর্যয়কর পরিণতির ভয়াবহতাই ফুটিয়ে তোলে। রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরে দেশের অভ্যন্তরে তো বটেই বিশেষ করে উত্তর ককেশাসে উগ্রপন্থীদের মোকাবেলা করে যাচ্ছে।

উগ্রপন্থীরা রাশিয়ায় একাধিক সন্ত্রাসী অভিযান চালিয়েছে। পুতিনের মতে ২০২০ সালে রাশিয়ায় অন্তত ৭২টি সন্ত্রাসী ঘটনা প্রতিহত করা হয়েছে। তার মানে ২০১৯ সালের তুলনায় শতকরা পঁচিশ ভাগেরও বেশি সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৯ সালে সাতান্নটি সন্ত্রাসী হামলার প্রস্তুতি অঙ্কুরেই প্রতিহত করা হয়েছে।

পুতিন এই ক্রমবর্ধমান হুমকিকে খুবই গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে তাকে সুসংহত ও ব্যাপকভাবে মোকাবেলা করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। পুতিন বারবার এই ইস্যুটির বিপদ সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে সতর্ক করেছেন এবং দেশগুলিকে এই হুমকি মোকাবেলার আহ্বান জানিয়েছেন।

পুতিন বলেন, সন্ত্রাসবাদ বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ কারণগুলির একটি হল পশ্চিমা বিশেষ করে আমেরিকার দ্বিমুখি অবস্থান।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর