শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৭ জানুয়ারি, ২০২০ ২৩:৫১

ব্রহ্মাণ্ডের বিভিন্ন প্রান্তে বার্তা যাবে নিমেষেই!

ব্রহ্মাণ্ডের বিভিন্ন প্রান্তে বার্তা যাবে নিমেষেই!

ইসরোর গ্রাউন্ড কন্ট্রোল রুমে একটা সুইচে চাপ দেওয়া হলো। সেটা যাই হোক টেলিফোন বা ফ্যাক্স-বার্তা অথবা মোবাইল মেসেজ। আর প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই অ্যালার্ম ঘড়িটা বেজে উঠল ৪ আলোকবর্ষ দূরে থাকা নক্ষত্রম লের ‘আলফা সেনটাওরি’তে! হ্যাঁ, আলফা সেনটাওরি থেকে আমাদের দূরত্বের নিরিখে প্রায় সঙ্গে সঙ্গে। আলোর গতিবেগে ছোটা সম্ভব হলে সঙ্গে সঙ্গেই হতো। তাৎক্ষণিক। ফলে খুব তাড়াতাড়ি হলেও আলফা সেনটাওরির সেই অ্যালার্ম ঘড়িটাকে বাজাতে সময় লাগবে চার বছরের একটু বেশি। অথবা খুব জটিল একটা অঙ্ক। যেটা কষতে এখনকার কম্পিউটারের লেগে যেত হাজার কোটি বছর। সেটা হয়তো এবার কষে ফেলা যাবে এক সেকেন্ড বা তারও ভগ্নাংশে! আমার-আপনার কাজ অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে। ব্রিস্টল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের দেখানো এক ‘ভুতুড়ে খেল’ এসব আশার পালেই জোরালো বাতাস দিল। এই প্রথম। গবেষণায় সাহায্য করেছে ডেনমার্কের টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি। এই গবেষণ খাল, একটি কম্পিউটার চিপ থেকে অনেক দূরে থাকা অন্য একটি কম্পিউটার চিপে অত্যন্ত দ্রুত বার্তা পাঠানো যায় একটি অভিনব পদ্ধতিতে। যেখানে দূরত্বের বাধা অনেকটাই কমে যাবে। আর অতটা দূরত্ব পেরুতে বার্তার তুলনামূলকভাবে সময়ও লাগবে অনেকটাই কম। এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান-জার্নাল ‘নেচার-ফিজিক্স’-এর সাম্প্রতিক সংখ্যায়। তবে বিজ্ঞানীরা এটাও বলেছেন, ‘এই গবেষণা সত্যিই অভিনব। তবে গবেষণার সারমর্ম সরলীকৃত হয়ে একটা ভুল ধারণার জন্ম দিতে পারে। কেউ ভাবতে পারেন, একটি কম্পিউটার চিপ থেকে হয়তো সঙ্গে সঙ্গেই বার্তা পাঠানো যাবে অনেক দূরে থাকা অন্য একটি কম্পিউটার চিপে। যার মানে, আলোর গতিবেগে অন্তত বা তার চেয়েও বেশি গতিবেগে। কিন্তু সেটা একেবারেই ভুল ধারণা। তবে অনেক বেশি দ্রুত গতিতে। এর আগে যে গতিবেগে পৌঁছনো কখনো সম্ভব হয়নি।


আপনার মন্তব্য