শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ মার্চ, ২০২০ ০০:১১

করোনায় কলকাতার রাস্তা ফাঁকা বিনামূল্যে চাল দেবে সরকার

করোনায় কলকাতার রাস্তা ফাঁকা বিনামূল্যে চাল দেবে সরকার

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার জনজীবন থমকে গেছে। করোনাভাইরাসের কারণে মানুষ ঘর ছেড়ে বাইরে খুব বেশি বের হচ্ছেন না। স্কুল-কলেজ, দোকান ও হাটবাজার বন্ধ। শহরের ব্যস্ত সড়কে নেই গাড়ির চাপ। এ যেন অঘোষিত বন্ধ। করোনায় আতঙ্কিত মানুষের ভিড় জমছে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে। গতকাল অসংখ্য মানুষকে সেখানে করোনাভাইরাস পরীক্ষা করতে দেখা গেছে। শুক্রবার রাতে বেলেঘাটা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক নারীর করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চিকিৎসকরা। এদিকে, মুখ্যমন্ত্রী আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যের সব রেশনকার্ডধারী গরিব মানুষকে বিনামূল্যে চালডাল বিতরণ করার ঘোষণা দিয়েছেন। আর রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতর বিনামূল্যে রাজ্যের গরিব মানুষদের স্যানিটাইজার বিতরণ শুরু করেছে। পশ্চিমবঙ্গে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মেলে গত বুধবার। আক্রান্ত রোগী যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে মুম্বাই হয়ে কলকাতা আসেন। প্রথম রোগীর বয়স ১৮ বছর। দ্বিতীয় রোগীও এসেছেন লন্ডন থেকে। তিনি দিল্লি হয়ে কলকাতা এসেছেন। তার বয়স ২২ বছর। ওই রোগীর বাড়ি কলকাতার বালিগঞ্জে। গত ১৩ মার্চ সন্ধ্যায় সে কলকাতায় ফিরে সোজা বাড়ি চলে যান। রোগের কথা লুকিয়ে রাখেন বাড়িতে। এর পর শুক্রবার তার শরীরে করোনার উপসর্গ দেখা দিলে তাকে ভর্তি করা হয় বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে। গতকাল জানা যায়, তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। এর পর আক্রান্ত ওই রোগীর পরিবারের অন্য ১১ জনকে কলকাতার উপশহর রাজারহাটে গড়া কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়।

করোনাভাইরাসের প্রভাব পড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজারে। খাদ্যদ্রব্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য কেনার হার বেড়ে যাওয়ায় দাম বেড়ে গেছে। পাশাপাশি বেড়েছে মাস্ক এবং স্যানিটাইজারের দাম। কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা দিয়েছে, একটি সাধারণ মাস্ক ১০ রুপি এবং ২০০ এমএল ওজনের একটি স্যানিটাইজার ১০০ রুপির বেশি মূল্যে বিক্রি করা যাবে না। করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা দিয়েছেন, যদি কেউ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেশি নেয় বা মজুদ করে তাহলে ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মন্তব্য