শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৮ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:১৬

দ্বন্দ্বে চীন ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

দ্বন্দ্বে চীন ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) চীন-প্রীতি অজানা কিছু নয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাদের সম্পর্ক পক্ষপাতিত্বমূলক অভিযোগ করে সংস্থাটিতে সাহায্য বন্ধ করে দেয়। আবার সেই সুযোগও গ্রহণ করে চীন। তারা সংস্থাটিকে (হু) বিশাল অঙ্কের অর্থ অনুদান দেয়। কিন্তু হঠাৎ করেই এ সম্পর্কে দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। মূলত করোনার উৎপত্তিস্থল খুঁজতে স্বাস্থ্য সংস্থার সদস্যদের ঢুকতে দেয়নি চীন। এ ব্যাপারে বুধবার রাতে চীন সরকারের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ডাব্লিউএইচওর সঙ্গে দিন এবং তারিখ নিয়ে আলোচনা চলছে। তার আগে কীভাবে তারা প্রতিনিধি পাঠিয়ে দিলেন, তা স্পষ্ট নয়। সে কারণেই ওই কর্মকর্তাদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। কিন্তু   হু কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, আলোচনার পরেই প্রতিনিধি দলকে চীনে পাঠানো হয়েছে। তাদের ভিসা না দিয়ে অন্যয় করেছে চীন। তবে এখনও আলোচনা চলছে। ভবিষ্যতে আরও দল তদন্তের জন্য চীনে পাঠানো হবে।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে করোনাভাইরাসের প্রথম আভাস পাওয়া যায় চীনে। দেশের উহানে প্রথম এ ভাইরাসে সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হতে থাকে। পরে প্রশ্ন ওঠে, ভাইরাসটি কি প্রাকৃতিক, নাকি ল্যাবরেটরিতে তৈরি? যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশ দাবি করে, চীন পরীক্ষাগারে ওই ভাইরাস তৈরি করেছে। উহানের একটি ল্যাবরেটরি থেকে কীভাবে ভাইরাসটি বাইরে চলে আসে, সে বিষয়েও নানা বিতর্কিত তথ্য সামনে আসতে থাকে। হু অবশ্য বরাবরই চীনের পাশে দাঁড়িয়েছে। ভাইরাসটিকে প্রকৃতিজাত বলেও দাবি করেছে তারা। বস্তুত, এ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে হু’র বিতর্কও হয়। ট্রাম্প তাদের সাহায্য বন্ধ করে দেন। এবার সেই হু-র সঙ্গেই বিতর্কে জড়িয়েছে চীন। উহানের যে পরীক্ষাগারটির নাম বারবার উঠে আসছে, সেখানে এর আগেও কাউকে ঢুকতে দেয়নি চীন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তাদেরও কি সেখানে তারা ঢুকতে দিতে চাইছে না? বিভিন্ন মহলে এ প্রশ্ন উঠছে।


আপনার মন্তব্য