শিরোনাম
বুধবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ টা

ওমিক্রন আতঙ্কের মধ্যেই করোনার নতুন ধরন, শঙ্কা

ওমিক্রন আতঙ্কের মধ্যেই করোনার নতুন ধরন, শঙ্কা

ওমিক্রন আতঙ্কের মধ্যেই করোনাভাইরাসের নতুন একটি প্রজাতির হদিস পাওয়া গেল। আর সেটা ফ্রান্সে। প্রাথমিকভাবে বিশেষজ্ঞদের দাবি, ওমিক্রনের থেকেও বেশি ‘মারাত্মক’ হতে পারে ‘আইএইচইউ’ বা বি.১.৬৪০.২ (ই.১.৬৪০.২) প্রজাতির করোনাভাইরাস। তবে তা আদতে মারাত্মক হবে কিনা, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। করোনার নতুন এই ধরন প্রথম শনাক্ত করেন ‘আইএইচইউ মেডিটেরিয়ান ইনফেকশন   ইনস্টটিউট’-এর গবেষকরা। তাদের দাবি, নতুন এই ধরনের ইতোমধ্যে   ৪৬ বার মিউটেশন বা রূপ পরিবর্তন হয়ে গেছে, যা ওমিক্রনের থেকেও বেশি। সেই পরিস্থিতিতে নয়া ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে সতর্ক করেছেন মার্কিন বিশেষজ্ঞ এরিক ফেইগল-ডিং। টুইটারে তিনি জানিয়েছেন, ১২ জন আক্রান্তের হদিস পাওয়ার পর ফ্রান্সের বিজ্ঞানীরা ‘বিপদ ঘণ্টা’ বাজিয়েছেন। ইতিমধ্যে ৪৬  বার  রূপ  পরিবর্তন  হয়ে  গেছে।

সংবাদসংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্রান্সের মার্সেইয়ে কমপক্ষে ১২ জনের শরীরে সেই প্রজাতির করোনাভাইরাসের হদিস মিলেছে। আফ্রিকা  মহাদেশের ক্যামেরুনে যাত্রার সঙ্গে তাঁদের সবার কোনোরকম সংযোগ আছে। দক্ষিণ-পূর্ব ফ্রান্সের যে ব্যক্তির দেহে প্রথম ‘আইএইচইউ’ ভ্যারিয়েন্টের হদিস মিলেছে, তিনি ক্যামেরুন থেকে ফিরেছেন। তিনি করোনার টিকাও নিয়েছিলেন।

ওমিক্রনের থেকেও কি ‘মারাত্মক’ : বিশেষজ্ঞদের মতে, সেটা এখনই বলা যাবে না। সেটার জন্য আরও গবেষণার প্রয়োজন। যদিও ওমিক্রনের থেকে ‘আইএইচইউ’ বেশিবার রূপ পরিবর্তন ফেলেছে। তাও এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছে নারাজ বিশেষজ্ঞরা। মার্কিন বিশেষজ্ঞ এরিকের মতে, প্রায়শই নয়া ভ্যারিয়েন্টের হদিস পাওয়া যায়। তবে তা যে আরও মারাত্মক হবে, এমন কোনো কথা নেই। নয়া প্রজাতির করোনাভাইরাস তথা ‘আইএইচইউ’ বা বি.১.৬৪০.২ (ই.১.৬৪০.২) প্রজাতিকে ‘উদ্বেগের ভ্যারিয়েন্ট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় কিনা, তা দেখতে হবে।

ওমিক্রন সংক্রমণের উচ্চহার, তবে গুরুতর নয় : করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ‘ওমিক্রন’ নিয়ে নতুন এক গবেষণা আশার আলো দেখিয়েছে। ওমিক্রন সংক্রমণের সংখ্যা রেকর্ড গড়তে থাকলেও, এই ধরনে আক্রান্তদের মধ্যে গুরুতরভাবে অসুস্থ হওয়া ও হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা অনেকটাই কম। তথ্য উপাত্তের আলোকে অনেক গবেষক ও বিজ্ঞানীরা বলছেন, এটি মহামারির ‘কম উদ্বেগজনক’ একটি অধ্যায়কেই নির্দেশ করছে। সান ফ্র্যান্সিসকোর ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমিউনোলজিস্ট মনিকা গান্ধী বলেন, ‘আমরা এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি পর্যায়ে রয়েছি। ভাইরাসটি সবসময় আমাদের সঙ্গেই থাকবে ; তবে আমার আশা, ভাইরাসের এই ধরনটি এতটাই ইমিউনিটি বা অনাক্রম্যতা সৃষ্টি করবে যে এটি মহামারিটিকে দমন করবে।’

সর্বশেষ খবর