শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:০৫, বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫

মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার পরিণতি ভয়াবহ

জাওয়াদ তাহের
অনলাইন ভার্সন
মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার পরিণতি ভয়াবহ

ইসলামী শরিয়তের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য ও নীতি হলো ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা এবং মানুষের মধ্যে জুলুম-অন্যায় প্রতিরোধ করা। ইসলামে এমনভাবে ন্যায়ের মানদণ্ড বজায় রাখা হয় যে সমাজ ও ব্যক্তির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা হয়। এতে সমাজের অধিকারকে অতিরিক্ত মহিমান্বিত করা হয় না, আবার ব্যক্তির অধিকারকেও বাড়িয়ে তোলা হয় না। এটি সেই ভারসাম্যের তত্ত্ব অনুযায়ী পরিচালিত হয়, যা ব্যক্তি ও সমাজের কল্যাণ সাধনের লক্ষ্য রাখে।

ইসলাম সমাজের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও শান্তি রক্ষায় সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করে।
আল্লাহ তাআলা মিথ্যা সাক্ষ্য হারাম করেছেন এবং এটিকে অন্যতম বড় গুনাহ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। এই প্রবন্ধে আমরা মিথ্যা সাক্ষীর ধারণা, এর ভয়াবহতা এবং ইহকাল ও পরকালে এর পরিণতি বিশ্লেষণ করব।

মিথ্যা সাক্ষ্যের সংজ্ঞা

মিথ্যা সাক্ষ্য বলতে এমন সাক্ষ্য বা বক্তব্যকে বোঝায়, যা সত্যের বিপরীত এবং ইচ্ছাকৃতভাবে দেওয়া হয়, যার ফলে কারো অধিকার ক্ষুণ্ন হয়, ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত হয় বা অন্যায় প্রতিষ্ঠিত হয়। 

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা সাক্ষ্য গোপন কোরো না, আর যে সাক্ষ্য গোপন করে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়, তার হৃদয় অপরাধী।’

(সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৮৩)

মিথ্যা সাক্ষ্য কবিরা গুনাহ

মিথ্যা সাক্ষ্য সমাজ ও ব্যক্তির জন্য বহুমাত্রিক ক্ষতির কারণ। রাসুলুল্লাহ (সা.) মিথ্যা সাক্ষ্যকে গুরুতর পাপের মধ্যে গণ্য করেছেন। একটি হাদিসে তিনি বলেছেন, তোমরা কি আমাকে সবচেয়ে বড় পাপ সম্পর্কে বলব? তা হলো, আল্লাহর সঙ্গে শরিক করা, মা-বাবার অবাধ্যতা করা এবং মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া।

তিনি এই কথা বলার সময় বিশ্রামরত অবস্থায় ছিলেন, কিন্তু উঠে বসে গেলেন এবং বারবার এটি পুনরাবৃত্তি করতে লাগলেন।
(সহিহ বুখারি, হাদিস : ২৬৫৪; সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৮৭)

এই হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) মিথ্যা সাক্ষ্যের ভয়াবহতা বোঝাতে শুয়ে থাকা অবস্থা থেকে উঠে বসেন এবং বারবার এর গুরুত্ব তুলে ধরেন। এটি ইঙ্গিত করে যে মিথ্যা সাক্ষ্য শুধু দুনিয়ায় ন্যায়বিচার ধ্বংস করে না, বরং পরকালে জাহান্নামের শাস্তির কারণ হয়।

মিথ্যা সাক্ষীর বিচার কার্যকর নয়

অনেক সময় মানুষ মনে করে যে কোনো বিষয় যদি আদালতের মাধ্যমে তারা নিজেদের অনুকূলে পায়, অথচ বাস্তবে তা তার হক নয় বরং অন্যের হক, তখন তারা মনে করে, এই আদালতের রায় তাদের আল্লাহর কাছে দায়মুক্ত করে ফেলেছে বা এই রায়ের মাধ্যমে সে তার ভাইয়ের হককে নিজের জন্য হালাল করে নিয়েছে। অথচ রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, তোমরা মোকদ্দমা নিয়ে আমার কাছে আগমন করে থাক এবং তোমাদের একজন অন্যজন অপেক্ষা যুক্তিতর্কে অধিক বাকপটু হয়ে থাকে।

নিজ দাবি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করো। আমি কথা শুনে তার অনুকূলে রায় প্রদান করি। সুতরাং এতে যদি তার ভাইয়ের হকের কিছু তাকে প্রদান করি (বাস্তবে হয়তো এতে তার কোনো অধিকারই নেই) তখন তার কর্তব্য হবে তা গ্রহণ না করা। কেননা, এতে যেন আমি তাকে জাহান্নামের এক খণ্ড অগ্নি প্রদান করলাম।
(সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৪৩২৪) 

ন্যায়বিচারের ধ্বংস

মিথ্যা সাক্ষ্য ন্যায়বিচারের ভিত্তি ক্ষুণ্ন করে। আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্যের কারণে নিরপরাধ ব্যক্তি শাস্তি পেতে পারে এবং অপরাধী মুক্তি পেতে পারে। কোরআনে বলা হয়েছে, ‘তোমরা মিথ্যা সাক্ষ্য থেকে দূরে থাক।’

(সুরা : হজ, আয়াত : ৩০)

সামাজিক অবিশ্বাস ও বিশৃঙ্খলা

মিথ্যা সাক্ষ্য সমাজে অবিশ্বাস ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। যখন মানুষ সাক্ষ্যের ওপর ভরসা করতে পারে না, তখন সমাজে বিশ্বাসের ভিত্তি ভেঙে পড়ে। হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘মিথ্যা সাক্ষ্য ৭০টি গুরুতর পাপের সমান।’

(ইবনে মাজাহ, হাদিস : ২৩৬৯)

আল্লাহর আদেশের লঙ্ঘন

মিথ্যা সাক্ষ্য আল্লাহর সরাসরি নিষেধাজ্ঞার লঙ্ঘন। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা সত্যের সঙ্গে দাঁড়াও, যদিও তা তোমার নিজের বা তোমার মা-বাবার বিরুদ্ধে যায়।’

(সুরা : নিসা, আয়াত : ১৩৫)

অন্যের অধিকার হরণ

মিথ্যা সাক্ষ্যের মাধ্যমে কারো সম্পত্তি, সম্মান, বা জীবনের অধিকার হরণ করা হয়। এটি গুরুতর অপরাধ। হাদিসে বলা হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়ে কারো অধিকার হরণ করে, তার জন্য জাহান্নামের আগুন প্রস্তুত।’

(মুসনাদ আহমদ, হাদিস : ২৭৬৮৫)

মিথ্যা সাক্ষ্যদাতার পরিণতি

মিথ্যা সাক্ষীর পরিণতি ইহকাল ও পরকালে ভয়াবহ। মিথ্যা সাক্ষী সমাজে অবমাননা ও অবিশ্বাসের কারণ হয়। এমন ব্যক্তির সাক্ষ্য ভবিষ্যতে গ্রহণযোগ্য হয় না। মিথ্যা সাক্ষী দিয়ে অন্যের ক্ষতি করলে অন্তরে অশান্তি ও অপরাধবোধ জন্মায়। পবিত্র কোরআনে মিথ্যা সাক্ষীদের জন্য কঠোর শাস্তির কথা বলা হয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘(পক্ষান্তরে) যারা আল্লাহর সঙ্গে কৃত অঙ্গীকার ও নিজেদের কসমের বিনিময়ে তুচ্ছ মূল্য গ্রহণ করে, আখিরাতে তাদের কোনো অংশ নেই। আর আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাদের সঙ্গে কথা বলবেন না, তাদের দিকে (সদয় দৃষ্টিতে) তাকাবেন না এবং তাদের পবিত্র করবেন না। তাদের জন্য থাকবে কেবল যন্ত্রণাময় শাস্তি।’

(সুরা : আল ইমরান, আয়াত : ৭৭)

হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘মিথ্যা সাক্ষ্য গুরুতর পাপের অন্তর্ভুক্ত, যা জাহান্নামে নিয়ে যায়।’

(সহিহ বুখারি, হাদিস : ২৬৫৪)

জান্নাত থেকে বঞ্চিত হওয়া

মিথ্যা সাক্ষ্য ঈমানের পরিপন্থী। এমন অপরাধী ব্যক্তি জান্নাতের সুগন্ধ থেকে বঞ্চিত হতে পারে। আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত যে রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি কসমের মাধ্যমে কোনো মুসলমানের হক বিনষ্ট করে তার জন্য আল্লাহ জাহান্নাম অবধারিত করে রেখেছেন এবং জান্নাত হারাম করে রেখেছেন। তখন জনৈক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল, হে আল্লাহর রাসুল! অতি সামান্য বস্তু হলেও? রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, আরাকগাছের (বাবলাগাছের মতো এক ধরনের কাঁটাযুক্ত গাছের) ডাল হলেও এ শাস্তি দেওয়া হবে।’

(সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১৩৭)

মিথ্যা সাক্ষ্য সৎকর্ম নষ্ট করে দেয়

আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, নবী (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি মিথ্যা বলা ও সে অনুযায়ী আমল বর্জন করেনি, তার এ পানাহার পরিত্যাগ করায় আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই।’

(সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৯০৩)

আল্লাহ আমাদের সত্যের পথে অটল রাখুন এবং মিথ্যার ভয়াবহতা থেকে হেফাজত করুন। আমিন।


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

এই বিভাগের আরও খবর
ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের তাগিদ
ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের তাগিদ
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৭ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৭ জুন ২০২৬
সুন্দর উপদেশ মানুষকে বিনয়ী হতে সাহায্য করে
সুন্দর উপদেশ মানুষকে বিনয়ী হতে সাহায্য করে
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৬১৭৪ বাংলাদেশি, মারা গেছেন ৫৫
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৬১৭৪ বাংলাদেশি, মারা গেছেন ৫৫
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৬ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৬ জুন ২০২৬
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
চেতনায় স্বাতন্ত্র্যবোধ আশুরার অন্যতম শিক্ষা
হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬৪ হাজারের বেশি হাজি, মৃত্যু ৫৪ জনের
হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৬৪ হাজারের বেশি হাজি, মৃত্যু ৫৪ জনের
মুমিনের আত্মপর্যালোচনার এখনই সময়
মুমিনের আত্মপর্যালোচনার এখনই সময়
সময়ের আবর্তন মুমিনকে সচেতন করে তোলে
সময়ের আবর্তন মুমিনকে সচেতন করে তোলে
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৪ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৪ জুন ২০২৬
দেশে ফিরেছেন ৬৩ হাজার ৭৮৩ জন হাজি
দেশে ফিরেছেন ৬৩ হাজার ৭৮৩ জন হাজি
সর্বশেষ খবর
বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় নারী নিহত, ছেলে-বোন আহত
বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ট্রাকের ধাক্কায় নারী নিহত, ছেলে-বোন আহত

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল: কে হবে গ্রুপ সেরা?
কলম্বিয়া বনাম পর্তুগাল: কে হবে গ্রুপ সেরা?

২৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মিঠু, সম্পাদক তানু
ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মিঠু, সম্পাদক তানু

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পুলিশের ওপর হামলার পর হ্যান্ডকাফসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা
পুলিশের ওপর হামলার পর হ্যান্ডকাফসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের
বাংলাদেশে ৯ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনের

৪৯ মিনিট আগে | জাতীয়

বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী
বসতবাড়ির এসিতে চার কালনাগিনী

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পরের পর্বের জন্য শক্তি সঞ্চয় করছেন মেসি
পরের পর্বের জন্য শক্তি সঞ্চয় করছেন মেসি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাবার হাত ধরে রোনালদোর গোল ‘দেখল’ দৃষ্টিহীন শিশু, ভিডিও ভাইরাল
বাবার হাত ধরে রোনালদোর গোল ‘দেখল’ দৃষ্টিহীন শিশু, ভিডিও ভাইরাল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের অপূর্ণতার গল্প
বিশ্বকাপের অপূর্ণতার গল্প

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী
গাজা ইস্যুতে মোদি সরকারকে একহাত নিলেন সোনিয়া গান্ধী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দলে মেসি থাকতেই পারেন, আমরা ভয় পাই না’
‘দলে মেসি থাকতেই পারেন, আমরা ভয় পাই না’

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি
ভারতে প্রবেশে মানতে হবে নতুন নির্দেশনা, জানাল নয়াদিল্লি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদোই এবার বিশ্বকাপ জিতবেন: ঘানার ধর্মীয় গুরু
রোনালদোই এবার বিশ্বকাপ জিতবেন: ঘানার ধর্মীয় গুরু

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কালীগঞ্জে ১০ দিনে ১০ গরু চুরি, পাহারায় গ্রামবাসী
কালীগঞ্জে ১০ দিনে ১০ গরু চুরি, পাহারায় গ্রামবাসী

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্রে কেপ ভার্দিয়ানদের আনন্দে গোলাগুলিতে আহত ৪
যুক্তরাষ্ট্রে কেপ ভার্দিয়ানদের আনন্দে গোলাগুলিতে আহত ৪

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অনুশীলনে দুই ফুটবলারের মারামারি, তবুও খুশি পানামা কোচ
অনুশীলনে দুই ফুটবলারের মারামারি, তবুও খুশি পানামা কোচ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কৃষিবিদ পারভেজের ওপর হামলা, শেকৃবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ
কৃষিবিদ পারভেজের ওপর হামলা, শেকৃবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পারিবারিক বিরোধের জেরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা
পারিবারিক বিরোধের জেরে একজনকে পিটিয়ে হত্যা

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গারো পাহাড়ে লাকড়ি সংগ্রহকারী বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, ধারণা বন্যহাতির আক্রমণ
গারো পাহাড়ে লাকড়ি সংগ্রহকারী বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার, ধারণা বন্যহাতির আক্রমণ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি টিকবে কতোদিন?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সমঝোতার একাধিক শর্ত ভঙ্গের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দুষল ইরান
সমঝোতার একাধিক শর্ত ভঙ্গের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দুষল ইরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুবককে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ নারীর বিরুদ্ধে
যুবককে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ নারীর বিরুদ্ধে

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মানুষ ও বনমানুষের হাসির ধরন লাখ লাখ বছর ধরে একই: গবেষণা
মানুষ ও বনমানুষের হাসির ধরন লাখ লাখ বছর ধরে একই: গবেষণা

৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ঢাকা-কুয়ালালামপুর কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায়
ঢাকা-কুয়ালালামপুর কৌশলগত অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায়

৩ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

পাইপ দিয়ে পানি খাইয়ে ছাগল মোটাতাজা, গা ঢাকা দিলেন মালিক
পাইপ দিয়ে পানি খাইয়ে ছাগল মোটাতাজা, গা ঢাকা দিলেন মালিক

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালুর খবরে খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরা
বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটক ভিসা চালুর খবরে খুশি কলকাতার ব্যবসায়ীরা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরানীগঞ্জে সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ব্রাজিলের জয়
কেরানীগঞ্জে সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ব্রাজিলের জয়

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে ছুরিকাঘাত
ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে ছুরিকাঘাত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু
দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের
উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান
যে সমীকরণে নকআউটে যেতে পারে ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অভিষেক হলো না, শচিনের ৩৬ বছরের রেকর্ড ভাঙার অপেক্ষায় সূর্যবংশী
অভিষেক হলো না, শচিনের ৩৬ বছরের রেকর্ড ভাঙার অপেক্ষায় সূর্যবংশী

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলা : প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৯২০, নিখোঁজ ৫০ হাজারের বেশি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে
যে ফুলকে ভুল নামে চেনেন অনেকে

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ
গোলশূন্য ড্রয়ে সৌদি আরবের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল
ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো
তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন
বিএনপির লোকাল নেতা-কর্মীরা মামলার ব্যবসা করছেন

নগর জীবন

মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া
মশা ও বর্জ্যমুক্ত সিটি হবে বগুড়া

নগর জীবন

দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান
দিনেশ ত্রিবেদী, আপনি অচিরে দেশে ফিরে যান

নগর জীবন

স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ
স্থানীয় ভোট নিয়ে হচ্ছে রোডম্যাপ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট
বিয়ের পিঁড়িতে টেইলর সুইফট

শোবিজ

মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ
মেরামত হচ্ছে আশ্রয়ণের বাঁধ

দেশগ্রাম

জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি
জর্ডানের বিপক্ষে বিশ্রাম পাচ্ছেন মেসি

প্রথম পৃষ্ঠা

সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব
সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়া সম্ভব

নগর জীবন

তটিনীর প্রেম-বিয়ে...
তটিনীর প্রেম-বিয়ে...

শোবিজ

সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার
সংসদে উপস্থাপনের আহ্বান বিরোধীদলীয় নেতার

নগর জীবন

দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ
দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ

নগর জীবন

নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন
নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি রিং জালে মাছ নিধন

দেশগ্রাম

খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে
খাদ্য নিরাপত্তায় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে

নগর জীবন

নাটক : সংকট যখন বাজেট
নাটক : সংকট যখন বাজেট

শোবিজ

সুখী হতে চান পপি...
সুখী হতে চান পপি...

শোবিজ

আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ
আর্জেন্টিনার এবার কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন
ইতালিতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন

প্রথম পৃষ্ঠা

অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!
অমিতাভের শার্টে বিন্দুর পানের পিক!

শোবিজ

চলচ্চিত্রটির নাম কী?
চলচ্চিত্রটির নাম কী?

শোবিজ

বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!
বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা কি সামনে!

সম্পাদকীয়

রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা
রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেছেন রিহ্যাব নেতারা

নগর জীবন

মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত
মন্ত্রীর মর্যাদা ভারতে, বাংলাদেশে নিছক রাষ্ট্রদূত

সম্পাদকীয়

ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর
ইভ টিজিংয়ের প্রতিবাদ যুবককে ছুরিকাঘাত বাবাকে মারধর

দেশগ্রাম

ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা
ট্রেনের ইঞ্জিনে গাঁজা

দেশগ্রাম

উত্তম কুমারের শেষ ছবি
উত্তম কুমারের শেষ ছবি

শোবিজ

ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ
ডোবায় শিশুর, নদীতে ভাসছিল যুবকের লাশ

দেশগ্রাম

এক মঞ্চে আট ব্যান্ড
এক মঞ্চে আট ব্যান্ড

শোবিজ

যৌথ ইশতেহার
যৌথ ইশতেহার

সম্পাদকীয়

দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ
দেশের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে কাজ করবে বাংলাদেশ

নগর জীবন