শিরোনাম
প্রকাশ : ১৮ জানুয়ারি, ২০২০ ১৯:৩৫
প্রিন্ট করুন printer

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ভারত-বাংলাদেশ কার র‍্যালি

দীপক দেবনাথ, কলকাতা

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ভারত-বাংলাদেশ কার র‍্যালি
ফাইল ছবি

বাংলাদেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে দুই বাংলার মধ্যে মৈত্রী র‍্যালির আয়োজন করতে চলেছে ভারতের ‘অটোমোবাইল এসোসিয়েশন অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়া (এএইআই)’। 

আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি সকালে কলকাতার এএইআই ক্লাব প্রাঙ্গণ থেকে এই র‍্যালির শুরু হবে। এরপর তা পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁও হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে যশোর-ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-রাজশাহী-চ্যাংড়াবান্ধা হয়ে তা ফের ভারতে প্রবেশ করবে এবং পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুঁড়িতে ওই র‍্যালি শেষ হবে।

কার র‍্যালিতে অংশ নেবে ৫০ টি গাড়ি। র‍্যালির যাত্রা পথে বেশ কিছু নির্দিষ্ট জায়গায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছে। 

শুক্রবার সন্ধ্যায় কলকাতায় এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অটোমোবাইল এসোসিয়েশন অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়ার সভাপতি তথা পশ্চিমবঙ্গের সাবেক পরিবহন মন্ত্রী মদন মিত্র, চেয়ারম্যান মিলন মুখার্জি, কলকাতার সাবেক শরীফ দুলাল বসু প্রমুখ। 

মদন মিত্র জানান, ভারত ও বাংলাদেশ তথা এই উপমহাদেশের মানুষদের প্রতি একটা ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিতেই এই কার র‍্যালির আয়োজন করা হয়েছে। তাছাড়া স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে ভারত বা বাংলাদেশে এই ধরনের র‍্যালি কখনো হয়নি। ২৭ ফেব্রুয়ারি আমরা কলকাতা থেকে সাত দিনের জন্য বের হবো।

তিনি আরও জানান, প্রথম দফায় আমরা ৫০ টি গাড়ি নিবন্ধন করতে চাই। পরবর্তীতে উৎসাহী মানুষের সংখ্যা বাড়লে গাড়ির সংখ্যা আরও বাড়াতে হতে পারে।"

র‍্যালিতে যোগ দিতে বাংলাদেশ থেকেও অনেক মানুষ তাদের সাথে যোগাযোগ রেখেছে বলে জানান মদন মিত্র।

এ বিষয়ে মিলন মুখার্জি জানান, বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে অটোমোবাইল এসোসিয়েশন অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়া দুই দেশের মধ্যে এই প্রথমবারের জন্য 'ইন্দো-বাংলা ফ্রেন্ডশিপ র‍্যালি ২০২০ 'মৈত্রী'র আয়োজন করেছে। এই র‍্যালি কেবলমাত্র দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককেই যে আরও শক্তিশালী করবে তাই নয়, দুই দেশের সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের সেতু হিসেবেও কাজ করবে।" 


বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:৫৮
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:০৪
প্রিন্ট করুন printer

ট্রাক্টর উল্টে মৃত্যু কৃষকের, গুলি চালানোর অভিযোগ দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে

দীপক দেবনাথ, কলকাতা

ট্রাক্টর উল্টে মৃত্যু কৃষকের, গুলি চালানোর অভিযোগ দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে

কৃষকদের ট্রাক্টর মিছিলের জেরে রণক্ষেত্র হয়ে উঠল ভারতের দিল্লি। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের তিন কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে ২৬ জানুয়ারি দেশটির প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লিতে ট্রাক্টর মিছিলের ডাক দেয় আন্দোলনরত কৃষকরা। সেই উপলক্ষে এদিন সকালের দিকে দিল্লি-হরিয়ানা সীমান্তের সিঙ্ঘু, গাজিপুর পয়েন্ট জড়ো হয় অসংখ্য ট্রাক্টর।

এরপর তারা র‌্যালি করে দিল্লিতে প্রবেশ করে। এনিয়ে বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের সাথে দফায় দফায় খণ্ডযুদ্ধ বাধে বিক্ষোভকারীদের। কোথাও কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়, কোথাও পুলিশ লাঠিচার্জ করে। পাল্টা কৃষকরাও লাঠি নিয়ে পুলিশের ওপর চড়াও হয়। এমনকি বেশ কিছু আন্দোলনরত কৃষকদের তলোয়ার হাতে পুলিশের দিকে তেড়ে যেতেও দেখা যায়। 

এরপর বেলা গড়িয়ে দুপুর হতেই ব্যারিকেড ভেঙে লালকেল্লা ঢুকে পড়ে একদল বিক্ষোভকারী। এরপরেই কয়েকজন কৃষক লালকেল্লায় ঢুকে পড়েন এবং সেখানে কৃষক সংগঠন নিশান সাহিবের পতাকা ওড়ান। 

স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লায় যেখান থেকে জাতীয় পতাকা উত্তোলন হয়, সেখানেই ওড়ানো হয় কৃষক সংগঠনের পতাকা। জাতীয় পতাকার থেকে উঁচুতে টাঙানো হয় কৃষক সংগঠনের ওই পতাকা। যা জাতীয় পতাকার অবমাননা-এই ঘটনা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পরে অবশ্য পুলিশ সেই পতাকা নামিয়ে দেয়। 

এনিয়ে রেড রোডে আন্দোলনকারী এক কৃষক জানান ‘মোদি সরকারকে বার্তা দিতেই আমরা এখানে জমায়েত হয়েছি এবং আমাদের কাজ হয়ে গেছে। আমরা এবার ফিরে যাবো।’ অন্য আরেক কৃষক জানান ‘আমাদের আটকানোর চেষ্টা করা হলেও আমরা রেড রোডে পৌঁছতে পেরেছি। আমাদের লক্ষ্যে না পৌঁছনো না পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলতেই থাকবে।’

এদিন দুপুরেই দিল্লির আইটিও সংযোগস্থলে বিক্ষোভকারীদের সাথে কৃষকদের খণ্ডযুদ্ধ শুরু হয়। ব্যারিকেড ভেঙে ইন্ডিয়া গেটের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় বাধাপ্রাপ্ত হয়ে বিক্ষোভকারীরা পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ। বিক্ষোভকারীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটানো হয়। 

তারই মধ্যে মিন্টো রোডের কাছে ট্রাক্টর উল্টে এক বিক্ষোভকারী কৃষকের মৃত্যু হয়। ট্রাক্টরের নিচে তাঁর লাশ চাপা পড়ে থাকতে দেখ যায়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। বিক্ষোভকারীদের দাবি পুলিশের গুলিতেই নিহত হয়েছে ওই কৃষক। একসময় ওই লাশ আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে বিক্ষোভকারীরা। 

তবে প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজের পর কৃষকদের ট্রাক্টর মিছিলের শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল থেকেই দিল্লির দিকে অভিযান শুরু করে কৃষকদের একাংশ। সকাল সাড়ে আটটা নাগাদই খবর পাওয়া যায় সিঙ্ঘু ও তিকরি সীমান্তে ব্যারিকেড ভেঙে আউটার রিং রোডের দিকে যাচ্ছে কৃষকদের মিছিল। যেটি অবশ্য আগে থেকে নির্ধারিত ছিল না। যা নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় দফায় দফায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। 

পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে নয়ডা সেক্টর-৩৪ সহ দিল্লির একাধিক জায়গায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে রাখা হয়। রাত ১২টা পর্যন্ত বন্ধ করে রাখা হবে এই পরিষেবা। 

এদিকে কৃষক আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়ে এই আইন প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। টুইট বার্তায় তিনি বলেন ‘সহিংসতা কোনও সমস্যার সমাধান নয়। চোট-আঘাত যারই লাগুক, ক্ষতি যারই হোক না কেন, আসল ক্ষতি কিন্তু আমাদের দেশেরই। দেশের কল্যাণেই স্বার্থেই কৃষি-বিরোধী আইন তুলে নেওয়া হোক।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:১০
প্রিন্ট করুন printer

প্রধানমন্ত্রীর সামনে আমাকে অপমান করা হয়েছে, অভিযোগ মমতার

দীপক দেবনাথ, কলকাতা

প্রধানমন্ত্রীর সামনে আমাকে অপমান করা হয়েছে, অভিযোগ মমতার
মমতা ব্যানার্জি

গত ২৩ জানুয়ারি কলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে অনুষ্ঠিত একটি সরকারি অনুষ্ঠানের দর্শকাসন থেকে ভেসে আসা ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান নিয়ে মুখ খুললেন মমতা ব্যানার্জি। ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-কে ‘ভারত জ্বালাও পার্টি’ বলে বিদ্রুপ করেন তিনি। তার অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর সামনে আমায় টিজ করা হয়েছে। 

ভারতের অন্যতম স্বাধীনতা সংগ্রামী নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর ১২৫ তম জন্মশতবার্ষির্কী উপলক্ষ্যে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, সংস্কৃতিমন্ত্রী প্রহ্লাদ সিং প্যাটেল, বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়’এর মতো বিশিষ্টরা। কিন্তু বক্তব্য রাখার জন্য মমতার নাম ঘোষণার পরই ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান ওঠার পরই ক্ষুব্ধ হন মমতা। ওই ঘটনার প্রতিবাদ করে বক্তব্য না রেখেই ডায়াস ছাড়েন। 

সোমবার রাজ্যটির হুগলি জেলার পুরশুড়াতে এক দলীয় সভায় থেকে ওই প্রসঙ্গ উত্থাপন করে মমতা বলেন ‘নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু আমাদের সকলের নেতা। তার অনুষ্ঠানে আমি গেলাম.. এত বড় সাহস! কয়েকটা গর্ধ গদ্দার এবং উগ্র গর্ধ ধর্মান্ধ প্রধানমন্ত্রীর সামনে আমার টিজ করছে। ওরা আমায় চেনে না, আমায় যদি কোন মা-বোনেরা বাসন মেজে দেওয়ার কথা বলে আমি তাই করে দেবো কিন্তু আমায় যদি বন্দুক দেখিয়েছো তবে আমি তোমাদের বন্দুকের সিন্দুক দেখাবো। কারণ আমি সত্যি কারের বন্দুকে বিশ্বাস করি না, আমি রাজনীতিতে বিশ্বাস করি, রাজনীতি দিয়ে আমি এর প্রত্যুত্তর নেবো।’ 

তিনি আরও বলেন ‘আমি সেদিন বলেছিলাম যে আপনারা (প্রধানমন্ত্রী, সংস্কৃতিমন্ত্রী, বন প্রতিমন্ত্রী) এসেছেন বলে আমি ধন্য। আপনারা যদি নেতাজীর কথা বলতেন আমি স্যালুট করতাম কিন্তু তা না করে যা করা হয়েছে বাংলাকে অপমান করা হয়েছে, নেতাজীকে অপমান করা হয়েছে। এর আগেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সাঁওতাল নেতা বীরসা মুন্ডাকে অপমান করা হয়েছে।’ 

রাজ্যটির ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতার অভিমত ‘তৃণমূল কংগ্রেস ছিল, আছে, থাকবে। বিজেপির মতো আমাদের অত রুপি নেই। কিন্তু আমরা দলের পুরেনো পতাকা কেঁচে নিয়ে বা পত্রিকা কেটে আমাদের দলের পোস্টার করা হবে, দরকার হলে রক্ত দিয়ে কাজ করবো কিন্তু আমাদের শপথ বিজেপিকে, বহিরাগতদের আমরা এই বাংলায় ঢুকতে দেবো না। 
বিজেপিকে বহিরাগত জ্বালাও পার্টি বলেও কটাক্ষ করে মমতা বলেন ‘যারা বাইরে থেকে বাক্স-প্যাটরা নিয়ে এসে বলছে আমরা বাংলাকে গুজরাট বানিয়ে দেবো। কখনও বলছে বাংলার মেরুদণ্ড ভেঙে দেবো, কখনও বলছে হয় জেলে থাকো, নয় ঘরে থাকো। আমি জেলে থাকতে রাজি আছি কিন্তু বিজেপির ঘরে থাকতে রাজি নই। আর যতদিন বেঁচে থাকবো মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকবো। মাথা যদি নিচু করতে হয় জনগণের কাছে তা করবো কিন্তু বিজেপির কাছে মাথা নত করতে পারবো না। তার চেয়ে ভাল নিজের গলা নিজে কেটে দেবো। তাতে আমাকে যেখানে ইচ্ছে পাঠাতে পারে।’

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:২০
প্রিন্ট করুন printer

‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান শুনেই রেগে ডায়াস ছাড়লেন মমতা!

দীপক দেবনাথ, কলকাতা:

‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান শুনেই রেগে ডায়াস ছাড়লেন মমতা!

সরকারি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়ে তাকে অপমান করা হয়েছে-এই অভিযোগ তুলে কোন বক্তব্যই রাখলেন না পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। আজ ভারতের অন্যতম স্বাধীনতা সংগ্রামী নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর ১২৫ তম জন্মবার্ষির্কী উপলক্ষ্যে বিকালে কলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে একটি অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। 

এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রী প্রহ্লাদ সিং প্যাটেল, কেন্দ্রীয় বন, পরিবেশ দফতরের প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় এবং পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকার। 

অনুষ্ঠানে প্রহ্লাদ সিং প্যাটেলের বক্তব্য শেষেই সঞ্চালক মমতাকে তার বক্তব্য রাখার জন্য আহ্বান জানান। কিন্তু মমতার নাম ঘোষণার পরই দর্শক আসন থেকে হাল্কা গুঞ্জন ও ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান ভেসে আসে। আর তাতেই মেজাজ হারান মমতা। 

পরে ডায়াসে দাঁড়িয়ে তার তীব্র প্রতিবাদ করেন মমতা। তিনি বলেন ‘আমার মনে হয় সরকারি অনুষ্ঠানের একটা ডিগনিটি (মর্যাদা) থাকা উচিত। এটা সরকারি অনুষ্ঠান, কোন একটি রাজনৈতিক দলের অনুষ্ঠান নয়। এটা সব রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষের অনুষ্ঠান। আমি প্রধানমন্ত্রী ও সংস্কৃতি মন্ত্রীর কাছে খুবই কৃতজ্ঞ যে আপনারা কলকাতায় নেতাজীর অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। কিন্তু কাউকে আমন্ত্রণ জানিয়ে তাকে বেইজ্জত করা আপনাদের শোভা পায় না (লেকিন কিসি কো আমন্ত্রিত কর কে বেইজ্জত করনা আপ লোগো কো শোভা নেহি দেতা)। এই ঘটনার প্রতিবাদেই আমি আর কিছু বলতে চাই না। জয় হিন্দ, জয় বাংলা।’ এরপরই ডায়াস ছেড়ে মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর পাশে নিজের আসনে গিয়ে বসে পড়েন। তবে তার পরও বেশ কিছুটা বিধ্বস্ত দেখায় মমতাকে। 

এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ট্যুইট করেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিনেত্রী নুসরাত জাহান রুহি। তিনি লেখেন ‘ভাররেতর অন্যতম স্বাধীনতা সংগ্রামী নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর ১২৫ তম জন্ম বাষির্কী উদযাপনের মতো একটি সরকারি অনুষ্ঠান থেকে কোন রাজনৈতিক বা ধর্মীয় স্লোগানের কঠোর নিন্দা জানাই।’ 

বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:১৬
আপডেট : ২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:৪৯
প্রিন্ট করুন printer

কলকাতাকে রাজধানী করা হোক : মমতা

দীপক দেবনাথ, কলকাতা :

কলকাতাকে রাজধানী করা হোক : মমতা
ফাইল ছবি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি  প্রশ্ন তুললেন, ‘দেশে (ভারতে) কেন একটা রাজধানী? দেশের চার প্রান্তে চারটি রাজধানী হোক। ভারতের দক্ষিণ, উত্তর, পূর্ব এবং উত্তর-পূর্ব, এই চারটি প্রান্তে চারটি রাজধানী হোক।'' নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মবার্ষিকী উদ্‍যাপন উপলক্ষ্যে জয়ন্তীর মঞ্চ থেকে আজ এই দাবি যেআলোড়ন সৃষ্টিকারী, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।

কলকাতাকে ভারতের রাজধানী করার পক্ষে কিছু তথ্য তুলে ধরে মমতা বলেন, ‘কলকাতা একদিন ভারতের রাজধানী ছিল। এই কলকাতা থেকে ব্রিটিশরা ভারত চালাত। এমনি এমনি কলকাতাকে নির্বাচিত করা হয়নি। তবে আজ কলকাতা কেন ভারতের একটা রাজধানী তবে না? আমি তো মনে করি ভারতের একটা রাজধানী কলকাতা হতে হবে। তার কারণ আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্মদাতা ছিল বাংলা, বিহারসহ এই সব জায়গায়।’

তিনি বলেন, ‘কলকাতা বেলেঘাটা গান্ধী ভবনে এসে জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধী আন্দোলন করতেন। নবজাগরণ শুরু হয়েছে বাংলা থেকে। বিধবা বিবাহ প্রচলন, বাল্য বিবাহ রোধ, সতীদাহ প্রথা নিবারণ- প্রতিটি সামাজিক সংস্কারের জন্ম হয়েছে বাংলার মাটি থেকে। তাই এই বাংলা কোন অবহেলা সহ্য করবে না। বাংলা কখনও মাথা নিচু করতে জানে না। এই বাংলা মাথা উঁচু করে চলতে জানে। নেতাজির নাম বললেই আমার হৃদয়ে একটা আবেগের জায়গায় জন্ম নেয়।’

শনিবার কলকাতার শ্যামবাজার মোড় থেকে রেড রোড পর্যন্ত একটি মিছিল করেন মুখ্যমন্ত্রী। মিছিল শেষে নিজের বক্তৃতায় ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতাজি তথা বাংলার আরও অনেক ভূমিকা তুলে ধরেন মমতা। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন এবং নবজাগরণের সূচনাস্থল যে বাংলাই, সেটাও মনে করিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। 

এরপরই ‘গান্ধীবাদ-সুভাষবাদ জিন্দাবাদ’, ‘সুভাষ বোস জিন্দাবাদ’ স্লোগান তোলেন মমতা। এসময় নেতাজীর জন্মদিনকে জাতীয় ছুটির দিন ঘোষণা করার আরও একবার দাবি তোলেন মমতা। পাশাপাশি শিক্ষা দফতরকে নির্দেশ দেন, তরুণের স্বপ্ন এবং সবুজের অভিযান এই দুটো বই যেন কম্পালসারি করা হোক। 

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ১০:১৮
আপডেট : ২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ১১:৪৫
প্রিন্ট করুন printer

মৃত ব্যক্তির শুক্রানু নিয়ে ঐতিহাসিক রায় কলকাতা হাইকোর্টের

অনলাইন ডেস্ক

মৃত ব্যক্তির শুক্রানু নিয়ে ঐতিহাসিক রায় কলকাতা হাইকোর্টের

মৃত ব্যক্তির শুক্রানু নিয়ে ঐতিহাসিক রায় দিলেন কলকাতা হাইকোর্ট। আর তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে সেখানকার সমাজে। পুত্রের পিতৃত্বের অধিকারে কোনও দাবি থাকতে পারে না বাবার। 

শুক্রবার এক থ্যালাসেমিয়া রোগীর পিতৃত্বের অধিকার নিয়ে এই ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্ট। 

রায়ে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য বলেন, “কোনও মৃত ব্যক্তির বীর্যের ওপর সবার প্রথম অধিকার তার স্ত্রীর। আর কারও নয়। কারণ সন্তান ধারণের পরবর্তী সিদ্ধান্ত তার কাঁধেই বর্তায়।”

আদালত সূত্রের খবর, সম্প্রতি এক ব্যক্তি তার মৃত পুত্রের সংরক্ষিত থাকা বীর্যের ওপর অধিকার জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন। দীর্ঘদিন আগেই থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ওই ব্যক্তি দিল্লির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানে জীবিত অবস্থায় তিনি তার বংশবৃদ্ধির জন্য বীর্য সংরক্ষণে সায় দেন। পরে তার মৃত্যু হয়। বর্তমানে সেই মৃত ব্যক্তির পিতৃত্বের অধিকার নিয়েই টানাপোড়েন শুরু হয়। সেই মামলার শুনানিতেই এই ঐতিহাসিক রায় দিতে দেখা যায় কলকাতা হাইকোর্টকে।

কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানান, সংরক্ষিত বীর্য গর্ভধারণের জন্য মৃতের স্ত্রী বা অন্য কাউকে দেওয়া যেতে পারে, কিন্তু তার জন্য সর্বাগ্রে মৃতের স্ত্রীর অনুমতি প্রয়োজন। এক্ষেত্রে বাবা–ছেলের সম্পর্কের জোরে মৃত ব্যক্তির পিতৃত্বের অধিকারে কোনও রূপ হস্তক্ষেপ করতে পারে না তার পরিবার। রায় দেওয়ার ক্ষেত্রে ভারতীয় সংবিধানের ১২ নম্বর অনুচ্ছেদের উপরেও বিশেষভাবে জোর দিতে দেখা যায় বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যকে। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এই বিভাগের আরও খবর