শিরোনাম
প্রকাশ : ১২ আগস্ট, ২০২০ ০৬:১৪

বাংলাদেশে আটকে পড়া ২৬৮০ ভারতীয়কে ফিরিয়ে আনতে আবেদন

দীপক দেবনাথ, কলকাতা

বাংলাদেশে আটকে পড়া ২৬৮০ ভারতীয়কে ফিরিয়ে আনতে আবেদন
ফাইল ছবি

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে গত মার্চ মাসের শেষের দিকে হঠাৎ করেই ভারতজুড়ে জারি করা হয় লকডাউন। ফলে বাংলাদেশসহ বিদেশের মাটিতে আটকা পড়ে বহু ভারতীয় নাগরিক। করোনার আবহেও ‘বন্দে ভারত’ মিশনের আওতায় বিদেশে আটকে পড়া বহু ভারতীয় নাগরিকদেরকে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হয়। 

কিন্তু তারপরও বাংলাদেশে আটকা পড়েছেন প্রায় আড়াই হাজারের বেশি ভারতীয় যার মধ্যে অধিকাংশই পশ্চিমবঙ্গের নাগরিক। এমন অবস্থায় ওই নাগরিকদের পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশের জন্য ফের একবার পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারকে অনুরোধ জানাল দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রের তরফে কয়েক সপ্তাহ আগেই রাজ্য সরকারকে ঠিক একই অনুরোধ জানিয়ে বলা হয়েছিল বাংলাদেশের সাথে থাকা ছয়টি স্থল বন্দরের মধ্যে দুইটি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের অনুমতি দেওয়া হোক। 

রাজ্য সরকারের মুখ্য সচিব রাজীব সিনহাকে উদ্দেশ্য করে কেন্দ্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রালয়ের তরফে অতিরিক্ত সচিব বিক্রম দোরাইস্বামীর লেখা ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনের তরফে আমরা যে তথ্য পেয়েছি তাতে পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ২৩৯৯ জন নাগরিক বাংলাদেশ থেকে পশ্চিমবঙ্গে ফেরত চায় এবং ২৮১ জন নাগরিক ফুলবাড়ি-বাংলাবান্দা স্থল বন্দর দিয়ে এ রাজ্যে ফিরে আসতে চাইছে।
 
রাজ্য প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, প্রতিবেশি দেশে আটকে পড়া ভারতীয় নাগরিকদের অধিকাংশই অদক্ষ বা শ্রমিক শ্রেণির। তারা বাংলাদেশে অবস্থিত নিজেদের আত্মীয়দের সাথে দেখা করতে গিয়ে আটকা পড়েছেন।  কেন্দ্রের অনুরোধের পর রাজ্য সরকারও গোটা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবনা চিন্তা করার পাশাপাশি একটা সমাধান সূত্র বের করতে সচেষ্ট হয়েছে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা। 

বাংলাদেশে আটকে পড়া ওই ভারতীয় নাগরিকদের ট্রেনে করে দেশে ফিরিয়ে আনা যায় কি না-তা ভেবে দেখতে ইতিমধ্যেই পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তরফে কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রণালয়কেও চিঠি দেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে ভারতের উদ্দেশ্যে ট্রেনে চাপার আগেই ওই নাগরিকদের যাতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কেন্দ্রের তরফে যেন তার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়।  


বিডি-প্রতিদিন/সিফাত আব্দুল্লাহ


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর