শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৬ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৫ এপ্রিল, ২০১৬ ২৩:৫০

এবারের মুকুট শামসু বলীর

জব্বারের বলী খেলা

মুহাম্মদ সেলিম, চট্টগ্রাম

এবারের মুকুট শামসু বলীর
দিদার বলীর সঙ্গে লড়ছেন শামসু বলী (ডানে)। ছবি : বাংলাদেশ প্রতিদিন

দুই হাত প্রসারিত করে রিংয়ের চারপাশে ঘুরছিলেন সুঠামদেহী এক যুবক। ওই যুবক হাজার হাজার দর্শকের করতালি ও অভিবাদনের জবাব দিচ্ছিলেন এবং জয় উদযাপন করছিলেন। এই যুবকের নাম শামসু বলী। দিদারকে হারিয়ে জব্বারের বলী খেলার ১০৭তম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন এই শামসু।

আসরে প্রায় দেড়শ বলীকে পেছনে ফেলে ফাইনালে ওঠেন ১৩ বারের চ্যাম্পিয়ন রামুর দিদার বলী এবং প্রথমবারের মতো ফাইনালে ওঠা কক্সবাজার জেলার টেকনাফের শামসু বলী। অভিজ্ঞতা সম্পন্ন দিদারের বিপরীতে ছিলেন তরুণ শামসু। দুজনই একই জেলার হলেও কেউ কাউকে ছাড় দিতে রাজি ছিলেন না। ৫টা ৪ মিনিটে খেলা শুরু হওয়ার পর ৩৬ মিনিট ধরে চলে মর্যাদাকর লড়াই। প্রতিটি মিনিট ছিল পরতে পরতে উত্তেজনা। দিদার বলী প্রায় হারিয়েই দিচ্ছিলেন শামুসকে। কিন্তু অসম্ভব দক্ষতায় রক্ষা পান তিনি। পরক্ষণেই পাল্টা আঘাত হানেন শামসু। এ দফায় অভিজ্ঞতার জোরে রক্ষা পান দিদার। নির্ধারিত সময়ে মধ্যে কেউ কাউকে পরাজিত করতে না পারায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে রেফারি ও আয়োজকরা জব্বারের বলী খেলার ১০৭তম আসরের চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করেন শামসুকে। ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে জব্বারের বলীর খেলার নতুন চ্যাম্পিয়নের মুকুট পরেন শামসু।

ফাইনাল শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রার্নার আপকে ট্রফি ও প্রাইজ মানি তুলে দেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন। তার সঙ্গে ছিলেন সিএমপি কমিশনার ইকবাল বাহার ও আয়োজক কমিটির সদস্যরা। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর শামসু বলী বলেন, ‘চ্যাম্পিয়ন হতে পেরে খুব ভালো লাগছে। ভবিষ্যতেও চেষ্টা করব চ্যাম্পিয়ন হতে।’

বলী খেলার মেলা : জব্বারের বলী খেলাকে ঘিরে লালদীঘির ময়দানও তার আশপাশ তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বসেছিল বৈশাখী মেলা। মেলায় কেনাকাটা করতে আসা গৃহিণী বিউটি সুলতানা খানম মুক্তি বলেন, ‘সারা বছর অপেক্ষায় থাকি বৈশাখীমেলার। এ মেলা থেকেই ফুলদানি, দা-বঁটি, ঝাড়ুসহ সারা বছরের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী কিনে নেই।’


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর