Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ৯ নভেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা
আপলোড : ৮ নভেম্বর, ২০১৬ ২৩:১৯

রিজার্ভের অর্থ আনতে ম্যানিলায় কর্মকর্তারা

হ্যাকিং

নিজস্ব প্রতিবেদক

রিজার্ভের অর্থ আনতে ম্যানিলায় কর্মকর্তারা

নিউইয়র্কের ফেডারেল সিস্টেম থেকে চুরি যাওয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলারের মধ্যে ফিলিপাইনে চলে যাওয়া দেড় কোটি ডলার ফেরত আনতে ম্যানিলায় পৌঁছেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক দেবপ্রসাদ দেবনাথ ও উপমহাব্যবস্থাপক আবদুর রব গতকাল ম্যানিলার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন। সেখানে পৌঁছে তারা ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করবেন। এ সময় তারা উদ্ধার হওয়া দেড় কোটি ডলার ফেরত আনার ব্যাপারে আলোচনা করবেন বলে জানা গেছে।

ফিলিপাইনে দায়িত্বরত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জন গোমেজ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, দেশটির একটি ক্যাসিনোর মালিক কিম অং এবং তার ইস্টার্ন হাওয়াই লেজার  কোম্পানির ফেরত দেওয়া দেড় কোটি  ডলার বর্তমানে ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে গচ্ছিত রয়েছে। ক্যাসিনো মালিক অং দুই দফায় এক কোটি ডলারের বেশি ফেরত দেন, যা তিনি দুজন চীনা জুয়াড়ির কাছ থেকে নিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন। গত সপ্তাহে ফেরত পাওয়া অর্থ গণনা করার সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন গোমেজ। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশ ব্যাংকের এই অর্থ হাতিয়ে নেয় হ্যাকার গ্রুপ। পরে সে দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তায় দেড় কোটি ডলার উদ্ধার করা সম্ভব হয়। আর সেপ্টেম্বরে ফিলিপাইনের আদালত একটি রায়ে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক ওই দেড় কোটি ডলারের মালিক। ওই টাকা বাংলাদেশ ব্যাংককে ফেরত দিতে হবে।  এর পরই অর্থ ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু করে বাংলাদেশের কেন্দ্রাীয় ব্যাংক। ফেব্রুয়ারিতে ফেড থেকে ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার (প্রায় ৮০০ কোটি টাকা) সরিয়ে নেয় একটি হ্যাকার চক্র। অথচ মাত্র দেড় কোটি ডলার ফেরত দিয়েই তদন্তকাজ আপাতত বন্ধ রেখেছে ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। শিগগিরই দেশটির সিনেটে এ বিষয়ে আবারও শুনানি শুরু হবে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। বাকি ৬৬ কোটি ডলারের (৬৫০ কোটি টাকা) হদিস মেলেনি ৯ মাসৃেও। তবে সে অর্থের আরও ২০ মিলিয়ন ডলার আন্তর্জাতিক লেনদেন সম্পন্নকারী ফিলিপাইনের প্রতিষ্ঠান ফিলরিমের কাছে আছে বলে জানিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু ফিলরিম বলছে, তাদের হাতে সে ধরনের কোনো অর্থ নেই। সেটি তারা হংকংয়ে পাঠিয়ে দিয়েছে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর