শিরোনাম
রবিবার, ১৭ মে, ২০২০ ০০:০০ টা

গার্মেন্টের ক্রয়াদেশ বাতিল রোধে ইইউ পার্লামেন্টে চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদক

করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অনেক ক্রেতাপ্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের পোশাকশিল্পে ক্রয়াদেশ বাতিল করেছে। ঢালাওভাবে ক্রয়াদেশ বাতিল ও স্থগিত করায় এ বিষয়ে ইইউ পার্লামেন্টের হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। ১৩ মে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ও কমিটি অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের (আইএনটিএ) চেয়ার মি. ব্রান্ড ল্যাঞ্জের কাছে এ বিষয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, কিছু ইউরোপীয় ব্র্যান্ড ও খুচরা বিক্রেতাপ্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলোর ক্রয়াদেশ বাতিল ও মূল্য কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ধরনের অনৈতিক ও অস্বস্তিকর পদক্ষেপ পোশাক ব্যবসার নৈতিকতার ধারণার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। উপরন্তু এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের চেতনার পরিপন্থী। এ বিষয়ে সমাধান চেয়ে ইইউ পার্লামেন্টের কমিটি অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের (আইএনটিএ) হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। চিঠিতে আইএনটিএর কাছে বলা হয়, কভিড-১৯ বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং রপ্তানিভিত্তিক তৈরি পোশাক কারখানায় নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। দেশের রপ্তানি আয়ের ৮০ ভাগই আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। এ মুহূর্তে এ খাতটিকে পর্যাপ্ত সহায়তা না দিলে ধস নামতে পারে। বাংলাদেশ সরকার পোশাক খাতকে চাঙা করতে নানামুখী উদ্দীপনা প্যাকেজ গ্রহণ করেছে। তবে এটি ৪০ লাখ শ্রমিকের জীবন ও জীবিকা নির্বাহের পক্ষে যথেষ্ট নয়। বিশেষ করে যার বেশিরভাগই নারীশ্রমিক, যারা দেশের টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন। আমরা বুঝতে পারি যে, মহামারীটি (কভিড-১৯) ইউরোপীয় অনেক ব্যবসায়ও ক্ষতি করেছে। এই বিরাট চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে উঠতে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমরা ইইউর সহযোগিতা চাই। বিশেষ করে নীতিগত ও মানভিত্তিক বাণিজ্য এবং সবার জন্য দায়বদ্ধ ব্যবসা পরিচালনা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ইইউ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা প্রত্যাশা করি।

সর্বশেষ খবর