শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ অক্টোবর, ২০২০ ২৩:৪১

নোয়াখালীতে মায়ের লাশ পাঁচ টুকরা করে থানায় ছেলের মামলা

শরীয়তপুরে রাতে নিখোঁজ, সকালে কিশোরীর মুখবাঁধা লাশ উদ্ধার

নোয়াখালী ও শরীয়তপুর প্রতিনিধি

গত ৭ অক্টোবর নোয়াখালীর সুবর্ণচরের জাহাজমারা গ্রামে জমি থেকে নুরজাহান নামে এক নারীর লাশ উদ্ধার ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। ওই নারীকে পাঁচ খ- করেছিল ছয়জন মিলে। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টায় নোয়াখালী জেলা পুলিশের সভাকক্ষে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, নুরজাহান হত্যার পর দিন তার ছেলে হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে চরজব্বার থানায় একটি মামলা করেন। পুলিশ তৎক্ষণাৎ নীরব নামে একজনকে গ্রেফতার করে। নীরবের তথ্যানুযায়ী স্থানীয় এক কসাইকে গ্রেফতার করা হয়। একপর্যায়ে তাদের তথ্যানুযায়ী পুলিশ মামলার বাদী হুমায়ুন কবিরকে গ্রেফতার করে। স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মোট ছয়জনকেই গ্রেফতার করা হয়। তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী জানা গেছে, ভিকটিম নুরজাহানের আগের ঘরের সন্তান বেলাল ৪ লাখ টাকা ঋণ করে মারা যান। ওই ঋণের টাকা পরিশোধ নিয়ে নুরজাহানের সঙ্গে তার বর্তমান স্বামীর ঘরের সন্তান হুমায়ুন কবিরের প্রায়ই ঝগড়া হতো। তারই জেরে হুমায়ুন ছয়জনকে সঙ্গে নিয়ে ৬ অক্টোবর রাতে মাকে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করেন। পরে লাশ পাঁচ খ- করে পাশের একটি ধান খেতে ফেলে দেয়।

শরীয়তপুরে কিশোরীর লাশ উদ্ধার : শরীয়তপুর প্রতিনিধি জানান, ডামুড্যায় হাত, পা, মুখ বাঁধা অবস্থায় খালের ভিতর থেকে এক কিশোরীর (১৫) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সে ডামুড্যা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আলাউদ্দিন ছৈয়ালের মেয়ে কাজল আক্তার। রাতে টিভি দেখতে যাওয়ার কথা বলে কাজল ঘর থেকে বের হয়। গতকাল সকালে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ডামুড্যা থানা পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, প্রতিদিন রাতে টিভি দেখার জন্য পাশের বাড়িতে যেত কাজল। গতকালও টিভি দেখতে যাওয়ার কথা বলে ঘর থেকে বের হয়। অনেক রাত হয়ে গেলেও কাজল ঘরে ফিরে না আসায় খুঁজতে শুরু করেন পরিবারের লোকজন। যে বাড়িতে কাজল টিভি দেখতে যায় সেখানে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। সকালে বাড়ির পাশে খালের ভিতর একটি লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। কাজলের মা তার লাশ শনাক্ত করেন। ডামুড্যা থানার ওসি (তদন্ত) এমারত হোসেন বলেন, আমরা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছি। কীভাবে মেয়েটি মারা গেল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখনো থানায় কোনো অভিযোগ দাখিল হয়নি। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর