শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ অক্টোবর, ২০২০ ২৩:৪১

ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগে মি. বেকারের ব্যাংক হিসাব তলব

নিজস্ব প্রতিবেদক

ভ্যাট গোয়েন্দাদের অভিযানে বেকারি প্রতিষ্ঠান ‘মি. বেকার’-এর ব্যাপক ভ্যাট ফাঁকির প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানটির টঙ্গী ও গাজীপুরের হেড অফিসে (কারখানা) অভিযান চালিয়ে এই প্রমাণ পান গোয়েন্দারা। অধিকতর তদন্তের জন্য ‘মি. বেকার’-এর ব্যাংক হিসাবের লেনদেনের হিসাব তলব করা হয়েছে। একই সঙ্গে হিসাবগুলো (অ্যাকাউন্ট) ফ্রিজ (অপরিচালনযোগ্য) করা হয়েছে।

ভ্যাট গোয়েন্দা সূত্র জানায়, রাজধানীতে মি. বেকারের পেস্ট্রি শপের ২৯টি ও সুইটমিটের ৫টি বিক্রয় কেন্দ্র রয়েছে। তাদের হেড অফিসের ঠিকানায় কারখানাও আছে। গতকাল ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদফতর থেকে টঙ্গীর ঢাকা ব্যাংক, কামারপাড়া শাখা ও সাউথইস্ট ব্যাংকে প্রতিষ্ঠানটির অ্যাকাউন্টের বিষয়ে নোটিস ইস্যু করা হয়েছে। ভ্যাট গোয়েন্দার দুটি দল গত ২০ অক্টোবর মি. বেকার কেক অ্যান্ড পেস্ট্রি শপ লিমিটেড এবং  মি. বেকার সুইটস-এর হেড অফিস কাম কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান দুটিতে নেতৃত্ব দেন উপপরিচালক নাজমুন নাহার কায়সার, ফেরদৌসি মাহবুব ও তানভীর আহমেদ। এর আগে অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র সচিব আসিফ জামান গত ১৮ অক্টোবর তার নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে উত্তরার ৩ নম্বর সেক্টরের ৪ নম্বর রোডে অবস্থিত ‘মি বেকার’ এর বিক্রয় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ভ্যাট চালান না দেওয়ার অভিযোগ করেন। তিনি ওই স্ট্যাটাসে এনবিআরের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমের কাছে প্রতিকার চেয়ে উল্লেখ করেন যে, ভোক্তারা ভ্যাট দিলেও তা সরকার পাচ্ছে না। ওই কেন্দ্রটিতে ভ্যাট কর্তন করে একটা কাঁচা চালান দিয়ে ক্রেতাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এই অভিযোগ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এনবিআরের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম অভিযোগটি তদন্ত করার জন্য ভ্যাট গোয়েন্দাকে নির্দেশ দেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে টঙ্গী ও গাজীপুরে প্রতিষ্ঠান দুটিতে অভিযানের একপর্যায়ে গোয়েন্দারা ভবনের বিভিন্ন তলায় ও ছাদে অবস্থিত কর্মচারীদের থাকার কক্ষে তল্লাশি করে তাদের পুরনো কিছু কাগজপত্র জব্দ করেন। প্রতিষ্ঠান দুটো কেন্দ্রীয় নিবন্ধিত হওয়ায় মূসক-৬.৫ এর মাধ্যমে পণ্য ফ্যাক্টরি থেকে আউটলেটে নেওয়ার বিধান থাকলেও তা মেনে চলে না।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর