শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ২ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:৪৮

ইউপি পৌরসভাসহ ১১ এপ্রিলের সব ভোট স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

Google News

দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় ১১ এপ্রিল নির্ধারিত সব নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন। এ ক্ষেত্রে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব নির্বাচন স্থগিত থাকবে। ১১ এপ্রিল দেশের ৩৭১ ইউনিয়ন পরিষদ, ১১ পৌরসভা ও লক্ষ্মীপুর-২ আসনে উপনির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। ভোটের ১০ দিন আগে এসব নির্বাচন স্থগিত করা হলো।

গতকাল প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশন বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার  জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী এবং ইসি সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ সাংবাদিকদের বৈঠকের বিষয়ে অবহিত করেন। মহামারী পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ১১ এপ্রিল লক্ষ্মীপুর-২ আসনের উপনির্বাচন, প্রথম ধাপের ৩৭১ ইউপি নির্বাচন ও ষষ্ঠ ধাপের ১১ পৌরসভার নির্বাচন সার্বিক করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে কমিশন স্থগিত করেছে। তিনি জানান, পরিস্থিতি ভালো হলে নির্বাচনগুলো হবে। এর মধ্যে শুধু পাবনার সুজানগরে ৪ এপ্রিল ভোট হবে। ৩১ মার্চ এ পৌরসভায় ভোট হওয়ার কথা ছিল। এ নির্বাচনের বিষয়ে আদালতের রায় ইসি পেয়েছে ৩১ মার্চ রাত ৯টায়। এক প্রশ্নের জবাবে ইসির অতিরিক্ত সচিব বলেন, পরিস্থিতি ‘স্বাভাবিক’ না হওয়া পর্যন্ত এসব ভোট হবে না। দেশের অবস্থা স্বাভাবিক হলে নির্বাচন যে অবস্থায় বন্ধ হয়েছিল, সেখান থেকে ভোটের প্রক্রিয়া আবার শুরু করা হবে। এসব নির্বাচনী এলাকায় প্রচারে ছিলেন প্রার্থীরা।

 স্থগিতের পর সব ধরনের প্রচার এখন বন্ধ থাকবে। পরে যখনই ভোটের তারিখ দেওয়া হবে, এই প্রার্থীরাই তখন নির্বাচনে অংশ নেবেন। দেশে কভিড-১৯ পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হচ্ছে কয়েক দিন ধরে। গতকাল সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ৬ হাজার ৪৬৯ জনের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে; মৃত্যু হয়েছে আরও ৫৯ জনের। এ প্রেক্ষাপটে নির্বাচনী জনসমাগম এড়াতে কমিশনের ভোট স্থগিতের সিদ্ধান্ত এলো। কমিশন আগেই জানিয়েছিল, ১১ এপ্রিলের ভোটের বিষয়ে বৃহস্পতিবার সিদ্ধান্ত হবে। অবশ্য বুধবার চার পৌরসভায় ভোট গ্রহণ করা হয়। ইসির অতিরিক্ত সচিব বলেন, ‘দেশের অবস্থা তো বুঝতেই পারছেন। আমরা তো জানতাম না এমন পরিস্থিতি হবে। অস্বাভাবিক পরিস্থিতির কারণেই নির্বাচন স্থগিত করা হলো। সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনের বিষয়েও পরে সিদ্ধান্ত হবে।’