শিরোনাম
প্রকাশ : ২১ মে, ২০১৯ ১০:২৪
প্রিন্ট করুন printer

স্বপ্ন 'দেখার' প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন গবেষকরা

অনলাইন ডেস্ক

স্বপ্ন 'দেখার' প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন গবেষকরা
সংগৃহীত ছবি

স্বপ্নের মধ্যে আমরা সব আজব, যুক্তিহীন কাণ্ডকারখানা দেখি, প্রায়ই যার কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না। কিন্তু দিবাস্বপ্নের ক্ষেত্রে যুক্তি তা হতে দেয় না। নেদারল্যান্ডসের গবেষকরা এমন স্বপ্ন দেখার প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গড়ে তুলছেন।

স্বপ্নের রকমফের

স্বপ্নে প্রকৃতির নিয়মও খাটে না। এমনকি গল্পের গরু দিব্যি গাছে উঠতে পারে। তখন অদ্ভুত সব পরিস্থিতির অভিজ্ঞতা হয়। সাধারণত স্বপ্ন দেখার সময় আমরা সে বিষয়ে সচেতন থাকি না। কিন্তু যখনই টের পাই যে আমরা আসলে স্বপ্ন দেখছি, তখনই সেটা লুসিড ড্রিম বা দিবাস্বপ্ন হয়ে ওঠে। আমরা কিন্তু সেই স্বপ্ন নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না। প্রায় অর্ধেক মানুষের কমপক্ষে একবার এমন অভিজ্ঞতা হয়েছে।

নেদারল্যান্ডসের নাইমেখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্টিন ড্রেসলার দিবাস্বপ্ন নিয়ে গবেষণা করছেন। তিনি বলেন, 'এটি সত্যি অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও বিরল ঘটনা। বিশেষ করে স্বপ্নের সার্বিক ক্রিয়ার প্রেক্ষাপটে এর যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। অর্থাৎ স্বপ্নের সম্ভবত এক জৈব ক্রিয়াও রয়েছে। সেটা সত্য হলে তার নিউরো-বায়োলজিকাল ভিত্তি কত গভীর, তা জানতে হবে। লুসিড ড্রিমের মাধ্যমে আমরা সম্ভবত স্বপ্ন ও সার্বিকভাবে ঘুমের ক্রিয়া সম্পর্কে জানতে পারছি।'

লুসিড ড্রিমের রহস্য

লুসিড ড্রিমের সময়ে মস্তিষ্কে ঠিক কী ঘটে, মার্টিন ড্রেসলার তা জানতে চান। সেই লক্ষ্যে তিনি স্বেচ্ছাসেবীদের এমআরটি পাইপে ঘুমাতে দিয়েছেন এবং একটি ক্ষেত্রে ইইজি যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। মস্তিষ্কের কোন কোন অংশ সক্রিয় রয়েছে, তাদের ব্রেনওয়েভের মাধ্যমে তা দেখা যাচ্ছে।

সাধারণ স্বপ্নের তুলনায় লুসিড ড্রিমের ক্ষেত্রে আমাদের যুক্তিবোধ কাজ করে। ড. মার্টিন ড্রেসলার বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘মস্তিষ্কের কার্যকলাপের মধ্যে সেটা লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে কপালের ঠিক পেছনের অংশে আমরা উল্লেখযোগ্য মাত্রার বাড়তি কার্যকলাপ লক্ষ্য করেছি। প্রায় জেগে থাকার অবস্থার মতো সজাগ থাকে।'

আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ করে গবেষকরা লুসিড ড্রিম শেখার নতুন প্রক্রিয়ার খোঁজ করছেন। ড. ড্রেসলার বলেন, ‘একটি প্রচলিত কৌশল হলো, দিনে বেশ কয়েকবার নিজেকে প্রশ্ন করা – আমি কি জেগে আছি, না স্বপ্ন দেখছি? বিশেষ করে অস্বাভাবিক বা স্বপ্নময় পরিস্থিতিতে এমন প্রশ্ন তোলা উচিত। যথেষ্ট ঘনঘন এমনটা করলে বিষয়টি স্বপ্নে পরিণত হয়। তখন স্বপ্নের মধ্যেও নিজেকে প্রশ্ন করি, আমি কি জেগে আছি, না স্বপ্ন দেখছি?'

স্বপ্ন ও বাস্তবের মেলবন্ধন

যুক্তির অভাব বা অদ্ভুত পরিস্থিতি স্বপ্নের লক্ষণ হতে পারে। স্বপ্নের সময় কোনো বস্তু বা বিষয় দীর্ঘ সময় ধরে দেখলে তা অস্পষ্ট হয়ে যায়। যেমন দিনে বেশ কয়েকবার নিজের হাতের দিকে তাকানোর অভ্যাস থাকলে কোনো এক সময় স্বপ্নের মধ্যেও তা করার প্রবণতা বাড়বে। স্বপ্নের মধ্যে হাতে পরিবর্তন ঘটে। ফলে তখন স্পষ্ট বোঝা যায়, যে আমরা স্বপ্ন দেখছি।

ভার্চুয়াল রিয়ালিটির মতো কম্পিউটার সিমুলেশন প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিশেষ চশমা পরলে সব দৃশ্য আসল মনে হয়। মার্টিন ড্রেসলার এর মাধ্যমে লুসিড ড্রিম শেখার কাজ সহজ করে তুলতে চান। তিনি বলেন, 'দৈনন্দিন জীবনে এমন স্বপ্নময় পরিস্থিতি খুব বিরল। ভার্চুয়াল রিয়ালিটির ক্ষেত্রে আমরা সহজে প্রোগ্রাম করতে পারি। অর্থাৎ আমাদের স্বেচ্ছাসেবীরা স্বাভাবিক পরিস্থিতির মধ্যে থেকেও মাঝেমাঝে কিছু অদ্ভুত পরিস্থিতির স্বাদ পাচ্ছেন। ঠিক এমন সব মুহূর্তে তাদের মনে প্রশ্ন জাগছে, আমি কি জেগে আছি না ঘুমাচ্ছি?'

একজন স্বেচ্ছাসেবীর সিমুলেটেড স্বপ্নের অভিজ্ঞতা হচ্ছে। তাকে ফাইল সাজানোর কাজ দেয়া হয়েছে। পরিস্থিতি অদ্ভুত হয়ে পড়লে তিনি নিজেকে প্রশ্ন করছেন, তিনি জেগে আছেন না স্বপ্ন দেখছেন।

এক সাম্প্রতিক গবেষণার জন্য স্বেচ্ছাসেবীরা সপ্তাহে তিন বার ৪৫ মিনিট ধরে ভার্চুয়াল রিয়ালিটি গবেষণাগারে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। ড. ড্রেসলার বলেন, 'আমরা বর্তমানে তথ্য সংগ্রহের কাজ করছি। সাধারণ প্রশিক্ষণের তুলনায় ভার্চুয়াল রিয়ালিটি ট্রেনিং অনেক বেশি কাজে লাগছে বলে এই মুহূর্তে মনে হচ্ছে।'

এই প্রক্রিয়ার কল্যাণে ভবিষ্যতে হয়তো আরও বেশি মানুষ সচেতনভাবে নিজেদের স্বপ্ন গড়ে তুলতে পারবেন।-ডয়চে ভেলে

বিডি প্রতিদিন/২১ মে ২০১৯/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:৩৪
প্রিন্ট করুন printer

একদিনের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হলেন তরুণী!

অনলাইন ডেস্ক

একদিনের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হলেন তরুণী!
সৃষ্টি গোস্বামী

ভারতের আজ রবিবার পালিত হচ্ছে ‘জাতীয় শিশু কন্যা দিবস’। দিনটিকে বিশেষভাবে স্মরণীয় করে রাখতে অভিনব উদ্যোগ নিল দেশটির উত্তরাখণ্ডের বিজেপি সরকার। এদিন ২৪ ঘণ্টার জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসলেন সৃষ্টি গোস্বামী নামে ১৯ বছর বয়সী তরুণী। দেরাদুনে আয়োজিত চাইল্ড অ্যাসেম্বলিতে অংশও নেবেন তিনি।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, এর আগে ২০১৮ সাল থেকে সৃষ্টি উত্তরাখণ্ডের শিশু বিধানসভার মুখ্যমন্ত্রী পদে রয়েছেন। হরিদ্বারের দৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা সৃষ্টি বর্তমানে কৃষি বিজ্ঞানের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। বাবা প্রবীন গোস্বামী গ্রামেই একটি ছোট দোকান চালান। মা একজন অঙ্গনওয়ারি কর্মী। এর আগেও সৃষ্টি শিশুকন্যা দিবসে বহু আন্তর্জাতিক স্তরের অনুষ্ঠানে যোগদান করেন।

২৪ ঘণ্টার জন্য এত বড় দায়িত্ব পেয়ে আপ্লুত সৃষ্টি। তার কথায়, "এটা সত্যি যে আমি এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না। আমি এতটাই অভিভূত। তবে একইসঙ্গে আমি কথা দিচ্ছি, আমার যথাসাধ্য চেষ্টা করব। প্রশাসনিক কাজে যাতে আগামীদিনে যুব সমাজ দক্ষ হয়ে উঠতে পারে, সেই প্রচেষ্টাই করব।’

সংবাদ প্রতিদিনের খবরে বলা হয়েছে, এদিন উত্তরাখণ্ডের গ্রীষ্মকালীন রাজধানী গয়েরসাইন থেকে প্রশাসনের কাজকর্মের উপর নজর রাখবেন সৃষ্টি। ত্রিবেন্দ্র সিংহ রাওয়াত সরকার পরিচালিত বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্প কতটা রূপায়ণ হয়েছে, কতদূর কাজ এগিয়েছে, তা খতিয়ে দেখে মূল্যায়ণ করবেন তিনি। এই  প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘অটল আয়ুষ্মান প্রকল্প’, ‘স্মার্ট সিটি প্রজেক্ট’, রাজ্য সরকারের পর্যটন দফতরের হোমস্টে স্কিম ও আরও নানা উন্নয়নমূলক প্রকল্প।

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ

 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:১১
প্রিন্ট করুন printer

১ বাবা, ২৭ মা, ১৫০ ভাই-বোন!

অনলাইন ডেস্ক

১ বাবা, ২৭ মা, ১৫০ ভাই-বোন!

কানাডার অন্যতম পরিচিত ব্যক্তি উইনস্টোন ব্ল্যাকমোর। ৬৪ বছরের এই ব্যক্তির স্ত্রীর সংখ্যা ২৭। তার ছেলে-মেয়ে রয়েছে ১৫০টি। ওই পরিবারের সদস্য ১৯ বছরের মার্লিন ব্ল্যাকমোর সম্প্রতি নিজের এই বিশাল পরিবারে কথা শেয়ার করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। 

কারও জন্মদিনে কীভাবে উৎসব হয় তাদের বাড়িতে, বা এতো সংখ্যক ভাই-বোনের সঙ্গে স্কুলে যাওয়ার অভিজ্ঞতা নজর কেড়েছে নেটাগরিকদের। খবর আনন্দবাজারের

কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়ার বাউন্টিফুলে তার বিশাল পরিবারের সঙ্গে থাকেন মার্লিন। তিনি ছাড়াও তার দুই ভাই মুরারি এবং ওয়ারেনও নিজেদের পরিবারের কথা শেয়ার করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। এতোজনের সঙ্গে থাকা যেমন মজার তেমনই অস্বস্তিরও। ওই তিন ভাইয়ের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে উঠে এসেছে সেই বিষয়টিও।

মার্লিন জানিয়েছেন, ১৫০ জন ভাই-বোনের মধ্যে সবচেয়ে বড়জনের বয়স ৪৪ বছর। সবচেয়ে ছোটজনের বয়স ১ বছর। প্রত্যেকে তাদের গর্ভধারিণী মাকে ‘মাম’ বলে ডাকেন। বাকি সৎ মায়েদের ডাকেন ‘মাদার’ বলে। দুই ভিন্ন মায়ের সন্তান। কিন্তু তাদের জন্ম একই দিনে- তাদের বাড়িতে এ রকম উদাহরণও রয়েছে। 

মার্লিন জানিয়েছেন, ভাই-বোনেরা একই স্কুলে পড়ে। সেই স্কুলের মালিক তার বাবা উইনস্টোন। অস্বাভাবিক বড় পরিবারে নিজের ভাই-বোনদের সামলাতে সামলাতে বাইরের কারও সঙ্গে তাদের সেভাবে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে না বলেই জানিয়েছেন মার্লিন।

বাবা, ১৫০ ভাই-বোন এবং ২৭ জন মাকে নিয়ে বিশাল পরিবারের সদস্যরা কেউ আলাদা থাকেন না। সকলেই একই বাড়িতে থাকেন। তাদের সেই বাড়ির নাম মোটেল হাউস। এতোজনের জন্য বাজার থেকে জিনিস কেনাও কতটা সমস্যার তাও তারা হাড়ে হাড়ে টের পান। সেজন্যই তাদের বাড়ির মধ্যেই হয় শাকসবজির চাষ। 

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:২৫
প্রিন্ট করুন printer

মনিবের জন্য কুকুরের কাণ্ড!

অনলাইন ডেস্ক

মনিবের জন্য কুকুরের কাণ্ড!

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মনিব। আর মনিবের জন্য হাসপাতালের বাইরে দিনের পর দিন অপেক্ষা করছে একটি কুকুর। মনিবের প্রতি এমন নিষ্ঠাবান এক কুকুরের সন্ধান মিলেছে তুরস্কে। 

জানা গেছে, কুকুরটির নাম বনকুক। প্রাণীটি তার মনিব সেমাল সেনতুর্ককে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া অ্যাম্বুলেন্স অনুসরণ করে প্রতিদিনই হাসপাতালে আসতে থাকে।

কিন্তু ভেতরে ঢুকতে পারেনি। মনিব সেনতুর্ককে হুইলচেয়ারে করে বাইরে নিয়ে আসা হলে বনকুক অবশেষে তার মনিবের দেখা পায়।

সেনতুর্ককে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হলে মনিবের সঙ্গে কুকুরটি বাড়ি ফিরে যায়।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি, ২০২১ ২১:২৩
প্রিন্ট করুন printer

এক মিনিটে ২৩০ বার স্কিপিংয়ে বিশ্ব রেকর্ড! (ভিডিও)

অনলাইন ডেস্ক

এক মিনিটে ২৩০ বার স্কিপিংয়ে বিশ্ব রেকর্ড! (ভিডিও)

ভিডিওটি দেখলে প্রথমে পুরো বিষয়টি বোঝা বড় মুশকিল। মনে হয় যেন দড়ির উপরে শূন্যেই ভেসে রয়েছে খুদেরা। নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে সমস্যা হবে। তবে এটাই সত্যি। এক মিনিটে ২৩০ বার স্কিপিংয়ের মধ্যে দিয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়লো জাপানের খুদেরা। এই স্কিপিংয়ের গতি এত ছিল যে, খালি চোখে বোঝা কষ্টকর।

কয়েক সপ্তাহ আগেই নিজেদের ইনস্টাগ্রাম পেইজে এই ভিডিও শেয়ার করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ। শুধুমাত্র একটি দড়ির উপর ঝড়ের বেগে লাফিয়ে চলেছে একদল খুদে। 

জাপানের ই-জাম্প ফিউজি টিমের ১৪ জন খুদে সদস্য মাত্র এক মিনিটের মধ্যে ২৩০ বার স্কিপিং করেছে। এক্ষেত্রে ১২ জন স্কিপিংয়ের কাজ করছিল। আর দু'জন দড়ি ধরেছিল।

ইতোমধ্যেই স্কিপিং প্লেয়ারদের এই স্কিলে মজেছেন নেটিজেনরা। নেটিজেনদের একাংশের কথায় এই স্কিপিংয়ের গতি অত্যন্ত বেশি। দেখলে মনে হয় যেন রীতিমতো উড়ছেন প্লেয়াররা।

এর আগেও এক মিনিটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্কিপিংয়ের রেকর্ড তৈরি হয়েছিল। ২০১৩ সালে সেই স্কিপিংয়ের রেকর্ড গড়েছিল জাপানের হিরোমি এলিমেন্টারি স্কুলের ছাত্ররা। ১ মিনিটে মোট ২১৭ বার স্কিপিংয়ের রেকর্ড তৈরি হয়। অন্যদিকে, ২০১৮ সালের ৮ ডিসেম্বর আরও একটি রেকর্ড তৈরি হয়। জাপানের টোকিওর শিনাগাবা বাসিন্দা হিজিকি ইকুয়েমা ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে একটি ১০ মিটার দড়ির উপরে সর্বাধিক স্কিপিং করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়ে ফেলেন। ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে ওই দড়ির উপর দিয়ে ২৬ বার লাফিয়ে ছিলেন তিনি।

ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি, ২০২১ ১৩:১১
আপডেট : ২২ জানুয়ারি, ২০২১ ১৩:৩৮
প্রিন্ট করুন printer

বিশ্বে ঘরে বসে খাবার অর্ডারে সবচেয়ে জনপ্রিয় পিৎজা

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বে ঘরে বসে খাবার অর্ডারে সবচেয়ে জনপ্রিয় পিৎজা

‘টেকঅ্যাওয়ে’ তথা ঘরে বসে রেস্টুরেন্টের খাবার অর্ডার করা কিংবা দোকান থেকে খাবার কিনে নিয়ে যাওয়া এখন সারা বিশ্বেই জনপ্রিয় একটি মাধ্যম। ফুড ডেলিভারি প্রতিষ্ঠান বাড়ার সাথে সাথে এই মাধ্যমও জনপ্রিয় হচ্ছে। কিন্তু এভাবে ঘরে বসে খাবার অর্ডারের দিক দিয়ে কোন খাবারটি বেশি জনপ্রিয়? এক জরিপে উঠে এসেছে, এ ক্ষেত্রে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় খাবার হলো পিৎজা। অর্থাৎ ‘টেকঅ্যাওয়ে’ পদ্ধতিতে  এই খাবারটি বেশি অর্ডার হয়েছে। গুগল সার্চ ডেটা থেকে তৈরি ওয়ার্ল্ড ম্যাপ অনুযায়ী এ জরিপ চালানো হয়।  

প্রতিটি দেশ থেকে সবচেয়ে বেশিবার সার্চ করা টেকঅ্যাওয়ে খাবারের ভিত্তিতে এই তালিকা করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের ইন্সুরেন্স ওয়েবসাইট মানিবিচ গুগলের তথ্যানুসারে ম্যাপটি তৈরি করেছে। খাবার নিয়ে যাওয়া সংক্রান্ত সার্চ টার্মের মাসিক গড় অনুযায়ী এ তলিকা।

তালিকায় দেখা গেছে, ৪৪টি দেশে পিৎজা পছন্দের শীর্ষে। এর মধ্যে আছে ভারত ও জার্মানির নাম। তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ধরে রেখেছে চায়নিজ খাবার। মোট ২৯টি দেশে চীনা খাবার  শীর্ষস্থানে। ব্রিটেন ও আমেরিকায় এ খাবার জনপ্রিয়। তৃতীয় যে খাবার মানুষ দোকান থেকে নিয়ে যায়, তা হলো সুশি। সুইডেন ও সুশির উৎপত্তিস্থল জাপানসহ ১০টি দেশের সার্চে শীর্ষে রয়েছে এই খাবার।

সূত্র: ডেইলি মেইল

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর